হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (1401)


وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا تَجُوزُ شَهَادَةُ خَائِنٍ, وَلَا خَائِنَةٍ, وَلَا ذِي غِمْرٍ عَلَى أَخِيهِ, وَلَا تَجُوزُ شَهَادَةُ الْقَانِعِ لِأَهْلِ الْبَيْتِ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أحمد (2/ 204 و 225 - 226)، وأبو داود (3600) من طريق عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده. واللفظ لأحمد، وزاد: «وتجوز شهادته لغيرهم» والقانع: الذي ينفع عليه أهل البيت. وفي رواية أبي داود، وأحمد الثانية: «رد شهادة الخائن والخائنة، وذي الغمر على أخيه، ورد شهادة القانع لأهل البيت، وأجازها على غيرهم». وقال أبو داود: الغمر: الحنة والشحناء (وفي نسخة: الحق والبغضاء) والقانع: الأجير التابع مثل الأجير الخاص




১৪০১। ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন খিয়ানাতকারী, খিয়ানাতকারিণীর ও কোন হিংসুকের সাক্ষ্য তার মুসলিম ভাইয়ের বিপক্ষে এবং কোন চাকরের সাক্ষ্য তার মালিকের পরিবারে পক্ষে গ্ৰহণ করা জায়িয হবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩৬০২, ইবনু মাজাহ ২৩৬৭।









বুলূগুল মারাম (1402)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه: أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا تَجُوزُ شَهَادَةُ بَدَوِيٍّ عَلَى صَاحِبِ قَرْيَةٍ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَابْنُ مَاجَهْ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3602)، وابن ماجه (2367)




১৪০২। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, কোন অজ্ঞ যাযাবরের সাক্ষ্য স্থায়ী বাসিন্দার বিপক্ষে গৃহীত হবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারীর বর্ণনায় আরো রয়েছে-

فمن أظهر لنا خيرا أمناه وقربناه وليس إلينا من سريرته شيء الله يحاسبه في سريرته ومن أظهر لنا سوءا لم نأمنه ولم نصدقه وإن قال إن سريرته حسنة

যে ব্যক্তি আমাদের সামনে ভালো প্ৰকাশ করবে তাকে আমরা নিরাপত্তা দান করব এবং নিকটে আনবো, তার অন্তরের বিষয়ে আমাদের কিছু করণীয় নেই। আল্লাহই তার অন্তরের বিষয়ে হিসাব নিবেন। আর যে ব্যক্তি আমাদের সামনে মন্দ ‘আমল প্ৰকাশ করবে, তার প্রতি আমরা তাদের নিরাপত্তা প্ৰদান করব না এবং সত্যবাদী বলে জানব না; যদিও সে বলে যে, তার অন্তর ভালো। বুখারী ২৬৪১, নাসায়ী ৪৭৭৭, আবূ দাউদ ৪৫৩৭, আহমাদ ২৮৮।









বুলূগুল মারাম (1403)


وَعَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ - رضي الله عنه: أَنَّهُ خَطَبَ فَقَالَ: إِنَّ أُنَاسًا كَانُوا يُؤْخَذُونَ بِالْوَحْيِ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - وَإِنَّ الْوَحْيَ قَدِ انْقَطَعَ, وَإِنَّمَا نَأْخُذُكُمْ الْآنَ بِمَا ظَهَرَ لَنَا مِنْ أَعْمَالِكُمْ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2641)، وزاد: فمن أظهر لنا خيرا أمناه وقربناه، وليس إلينا من سريرته شيء؛ الله يحاسب سريرته. ومن أظهر لنا سوءا لم نأمنه ولم نصدقه، وإن قال: إن سريرته حسنة




১৪০৩। ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়ে কিছু ব্যক্তিকে ওয়াহীর ভিত্তিতে পাকড়াও করা হত। এখন যেহেতু ওয়াহী বন্ধ হয়ে গেছে, সেহেতু এখন আমাদের সামনে তোমাদের যে ধরনের ‘আমল প্রকাশ পাবে, সেগুলোর ভিত্তিতেই তোমাদের বিচার করব।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারীর বর্ণনায় আরো রয়েছে-

فمن أظهر لنا خيرا أمناه وقربناه، وليس إلينا من سريرته شيء؛ الله يحاسب سريرته. ومن أظهر لنا سوءا لم نأمنه ولم نصدقه، وإن قال: إن سريرته حسنة

যে ব্যক্তি আমাদের সামনে ভালো প্ৰকাশ করবে তাকে আমরা নিরাপত্তা দান করব এবং নিকটে আনবো, তার অন্তরের বিষয়ে আমাদের কিছু করণীয় নেই। আল্লাহই তার অন্তরের বিষয়ে হিসাব নিবেন। আর যে ব্যক্তি আমাদের সামনে মন্দ ‘আমল প্ৰকাশ করবে, তার প্রতি আমরা তাদের নিরাপত্তা প্ৰদান করব না এবং সত্যবাদী বলে জানব না; যদিও সে বলে যে, তার অন্তর ভালো। বুখারী ২৬৪১, নাসায়ী ৪৭৭৭, আবূ দাউদ ৪৫৩৭, আহমাদ ২৮৮।









বুলূগুল মারাম (1404)


وَعَنْ أَبِي بَكْرَةَ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - أَنَّهُ عَدَّ شَهَادَةَ الزُّورِ فِي أَكْبَرِ الْكَبَائِرِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ فِي حَدِيثٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2654)، ومسلم (87) ولفظه: قال صلى الله عليه وسلم: «ألا أنبئكم بأكبر الكبائر؟ (ثلاثًا) الإشراك بالله. وعقوق الوالدين. وشهادة الزور (أو قول الزور)» وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم متكئًا فجلس. فما زال يكررها حتى قلنا: ليته سكت. والسياق لمسلم




১৪০৪। আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিথ্যা সাক্ষ্য প্ৰদানকে বড় পাপ বলে গণ্য করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ألا أنبئكم بأكبر الكبائر؟ (ثلاثًا) الإشراك بالله. وعقوق الوالدين. وشهادة الزور (أو قول الزور)» وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم متكئًا فجلس. فما زال يكررها حتى قلنا: ليته سكت আমি কি তোমাদেরকে সবচেয়ে বড় কবীরা গুনাহগুলো সম্পর্কে অবহিত করব না? এ কথাটি তিনি বার বার বললেন। (সকলে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! অবশ্যই বলুন। তিনি বললেন) আল্লাহর সঙ্গে শিরক করা এবং পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া এবং মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া। তিনি হেলান দিয়ে বসেছিলেন; এবার সোজা হয়ে বসলেন। তিনি কথাগুলো বার বার বলতেই থাকলেন; এমনকি আমরা বলতে লাগলাম, আর যদি তিনি না বলতেন। বুখারী ২৬৫৪, ৬২৭৩, ৬৯১৯, মুসলিম ৮৭, তিরমিযী ১৯০১, ২৩০১, আহমাদ ১৯৮৭২, ১৯৮৮১।









বুলূগুল মারাম (1405)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ لِرَجُلٍ: «تَرَى الشَّمْسَ?» قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: «عَلَى مِثْلِهَا فَاشْهَدْ, أَوْ دَعْ». أَخْرَجَهُ ابْنُ عَدِيٍّ بِإِسْنَادٍ ضَعِيفٍ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ فَأَخْطَأَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
الكامل لابن عدى (6/ 2213) وهو على أحسن أحواله ضعيف جدا كما تقدم (1389)




১৪০৫। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন লোককে বলেছিলেন-তুমি কি সূর্য দেখতেছ? সে বললোঃ হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ এরূপ নিশ্চিত জানা বস্তুর সাক্ষ্য দিবে। অন্যাথায় তা ত্যাগ করবে।



হাদীসটি ইবনু ‘আদী দুর্বল সানাদে বর্ণনা করেছেন। হাকিম এটিকে সহীহ মন্তব্য করে ভুল করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] কামিল ইবনু আদী (৬/২২১৩)।









বুলূগুল মারাম (1406)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَضَى بِيَمِينٍ وَشَاهِدٍ. أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ. وَأَبُو دَاوُدَ. وَالنَّسَائِيُّ وَقَالَ: إِسْنَادُ [هُ] جَيِّدٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1712)، وأبو داود (3608)، والنسائي في «الكبرى» (3/ 490) من طريق قيس بن سعد، عن عمرو بن دينار، عن ابن عباس؛ به. وقد أعل الحديث بما لا يقدح كما هو مبين في الأصل




১৪০৬। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শপথ ও সাক্ষ্য গ্ৰহণ দ্বারা বিচার করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৯৭২, আবূ দাউদ ৩৬০৮, ইবনু মাজাহ ২৩৭০, আহমাদ ২২২৫, ২৮৮১, ২৯৬১।









বুলূগুল মারাম (1407)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - مِثْلَهُ. أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيُّ, [ص: 430] وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3610 و 3611)، والترمذي (1343)، وأيضا رواه ابن ماجه (2368)، وصححه ابن الجارود (1007) كلهم من طريق سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة؛ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى باليمين مع الشاهد الواحد




১৪০৭। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত অনুরূপ একটি হাদীস ইমাম আবূ দাউদ ও তিরমিযী সংকলন করেছেন, ইবনু হিব্বান সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩৬১০, ৩৬১১, তিরমিযী ১৩৪৩, ইবনু মাজাহ ২৩৬৮।









বুলূগুল মারাম (1408)


عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَوْ يُعْطَى النَّاسُ بِدَعْوَاهُمْ, لَادَّعَى نَاسٌ دِمَاءَ رِجَالٍ, وَأَمْوَالَهُمْ, وَلَكِنِ الْيَمِينُ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ وَلِلْبَيْهَقِيِّ بِإِسْنَادٍ صَحِيحٍ: «الْبَيِّنَةُ عَلَى الْمُدَّعِي, وَالْيَمِينُ عَلَى مَنْ أَنْكَرَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (4552)، ومسلم (1711) والسياق لمسلم، وفيه عند البخاري قصة
رواه البيهقي (10/ 252) وهو قطعة من الحديث السابق، وله شواهد عن غير ابن عباس




১৪০৮। ইবনে ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি কেবল দাবীর উপর ভিত্তি করে মানুষের দাবী পূরণ করা হয়, তাহলে মানুষ তাদের জান ও মালের দাবী করে বসতো। কিন্তু বিবাদীকে ক্বসম করানো হবে।[1]



বায়হাক্বীতে সহীহ সানাদে বর্ণিত হাদীসে আছে, প্রমাণ দিতে হবে বাদীকে আর (বাদী) প্রমাণ দিতে না পারলে বিবাদীর উপর কসমের দায়িত্ব অৰ্পিত হবে।




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৫১৪, ২৬৬৮, মুসলিম ১৭১১, তিরমিযী ১৩৪২, নাসায়ী ৫৪১৫, আবূ দাউদ ৩৬১৯, ইবনু মাজাহ ২৩২১, আহমাদ ২২৮০, ২৬০৮।









বুলূগুল মারাম (1409)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - عَرَضَ عَلَى قَوْمٍ الْيَمِينَ, فَأَسْرَعُوا, فَأَمَرَ أَنْ يُسْهَمَ بَيْنَهُمْ فِي الْيَمِينِ, أَيُّهُمْ يَحْلِفُ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2674)




১৪০৯। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। একদল লোককে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হলফ করতে বললেন। তখন (কে আগে হলফ করবে এ নিয়ে) হুড়াহুড়ি শুরু করে দিল। তখন তিনি কে (আগে), হলফ করবে, তা নির্ধারণের জন্য তাদের নামে লটারী করার নির্দেশ দিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৬৭৪, আবূ দাউদ ৩৬১৬, ৩৬১৭, ইবনু মাজাহ ২৩২৯, আহমাদ ৯৯৭৪, ১০৪০৮।









বুলূগুল মারাম (1410)


وَعَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْحَارِثِيُّ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنِ اقْتَطَعَ حَقَّ امْرِئٍ مُسْلِمٍ بِيَمِينِهِ, فَقَدْ أَوْجَبَ اللَّهُ لَهُ النَّارَ, وَحَرَّمَ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ». فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ: وَإِنْ كَانَ شَيْئًا يَسِيرًا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ: «وَإِنْ قَضِيبٌ مِنْ أَرَاكٍ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (137)، وعنده: وإن قضيبا




১৪১০। আবূ উমামাহ হারিসী (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি স্বীয় মিথ্যা ক্বসমের মাধ্যমে মুসলিমের প্রাপ্য অধিকার আত্মসাৎ করবে আল্লাহ তার জন্য জাহান্নাম ওয়াজিব করে দেবেন। আর তার জন্য জান্নাত নিষিদ্ধ করে দেবেন। কোন এক ব্যক্তি তাঁকে বললো, হে আল্লাহএ রাসূল! যদি (যুলুম করে আত্মসাৎ করার) বস্তুটি তুচ্ছ হয়? উত্তরে তিনি বলেন, যদিও তা বাবলা গাছের একটা শাখা হয়।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৩৭, নাসায়ী ৫৪১৯, আবূ দাউদ ২৩২৪।









বুলূগুল মারাম (1411)


وَعَنِ الْأَشْعَثِ بْنِ قَيْسٍ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ حَلَفَ عَلَى يَمِينٍ, يَقْتَطِعُ بِهَا مَالَ امْرِئٍ مُسْلِمٍ, هُوَ فِيهَا فَاجِرٌ, لَقِيَ اللَّهَ وَهُوَ عَلَيْهِ غَضْبَانُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5/ 33 / فتح)، ومسلم (138)




১৪১১। আশআস ইবনু ক্বাইস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে এমন (মিথ্যা) কসম করে, যা দ্বারা কোন মুসলিমের হক আত্মসাৎ করবে। সে (কিয়ামতের দিন) আল্লাহর সঙ্গে এমন অবস্থায় সাক্ষাৎ করবে যে, আল্লাহ তার উপর অসন্তুষ্ট।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৩৫৭, ২৫১৬, ২৬৬৭, ২৬৭৭, মুসলিম ১৩৮, তিরমিযী ১২৬৯, ২৯৯৬, আবূ দাউদ ৩২৪৩, ইবনু মাজাহ ২৩২৩, আহমাদ ৩৫৬৬, ৩৫৮৫, ৩৯৩৬।









বুলূগুল মারাম (1412)


وَعَنْ أَبَى مُوسَى [الْأَشْعَرِيِّ]- رضي الله عنه: أَنَّ رَجُلَيْنِ اخْتَصَمَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فِي دَابَّةٍ, لَيْسَ لِوَاحِدٍ مِنْهُمَا بَيِّنَةٌ, فَقَضَى بِهَا رَسُولُ اللَّهِ بَيْنَهُمَا نِصْفَيْنِ. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ وَهَذَا لَفْظُهُ, وَقَالَ: إِسْنَادُهُ جَيِّدٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أحمد (4/ 402)، وأبو داود (3613 - 3615)، والنسائي في «الكبرى» (3/ 487)، وقد بين الحافظ نفسه علله في «التلخيص» (4/ 209 - 210)




১৪১২। আবূ মূসা আশা আরী (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। দুব্যক্তি একটি জানোয়ারের দাবী নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট মোকদ্দমা দায়ের করলো। এ বিষয়ে তাদের কারো কোন প্রমাণ ছিল না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জন্তুটির মূল্য তাদের মধ্যে অর্ধেক করে ভাগাভাগি করে দিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীল ২৬৫৬, যঈফ নাসায়ী ৫৪৩৯ গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম বাইহাকী তাঁর আস সুন্নান আল কুরবা ১০/২৫৮ গ্রন্থে হাদীসটিকে মুত্তাসিল ও গরীব বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (1413)


وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ حَلَفَ عَلَى مِنْبَرِي هَذَا بِيَمِينٍ آثِمَةٍ, تَبَوَّأَ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (3/ 344)، وأبو داود (3246)، والنسائي في «الكبرى» (3/ 491)، وابن حبان (1192) من طريق هاشم بن هاشم، عن عبد الله بن نسطاس، عن جابر، به. واللفظ للنسائي، وابن حبان، وزاد أبو داود: «ولو على سواك أخضر» بعد قوله: «آثمة» وفي آخره على الشك: «أو وجبت له النار». قلت: وهذا إسناد فيه ضعف، فابن نسطاس، وإن وثقه النسائي، فقد قال الذهبي في «الميزان» (2/ 515): «لا يعرف. تفرد عنه هاشم بن هاشم». ولكن للحديث شاهد صحيح عن أبي هريرة




১৪১৩। জাবির (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি আমার এ মিম্বারের উপরে পাপের (মিথ্যা) ক্বসম করবে সে তার জন্য জাহান্নামে অবস্থান ক্ষেত্র নির্ধারণ করবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩২৪৬, ইবন মাজাহ ২৩২৫, আহমাদ ১৪২৯৬, ২৪৬০৬, মালেক ১৪৩৪।









বুলূগুল মারাম (1414)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «ثَلَاثَةٌ لَا يُكَلِّمُهُمْ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ, وَلَا يَنْظُرُ إِلَيْهِمْ, وَلَا يُزَكِّيهِمْ, وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ: رَجُلٌ عَلَى فَضْلِ مَاءٍ بِالْفَلَاةِ, يَمْنَعُهُ مِنِ ابْنِ السَّبِيلِ; وَرَجُلٌ بَايَعَ رَجُلًا بِسِلْعَةٍ بَعْدَ الْعَصْرِ, فَحَلَفَ لَهُ بِاللَّهِ: لَأَخَذَهَا بِكَذَا وَكَذَا, فَصَدَّقَهُ, وَهُوَ عَلَى غَيْرِ ذَلِكَ; وَرَجُلٌ بَايَعَ إِمَامًا لَا يُبَايِعُهُ إِلَّا لِلدُّنْيَا, فَإِنْ أَعْطَاهُ مِنْهَا وَفَى, وَإِنْ لَمْ يُعْطِهِ مِنْهَا لَمْ يَفِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (7212)، ومسلم (108) والسياق لمسلم




১৪১৪। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিন রকম লোকের সঙ্গে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা কথা বলবেন না এবং তাদেরকে পবিত্রও করবেন না, আর তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (এক) ঐ ব্যক্তি, যে জনশূন্য ময়দানে অতিরিক্ত পানির মালিক। কিন্তু মুসাফিরকে তাত্থেকে পান করতে দেয় না। (দুই) সে ব্যক্তি যে ‘আসরের পর অন্য লোকের নিকট দ্রব্য সামগ্ৰী বিক্রয় করতে গিয়ে এমন কসম খায় যে, আল্লাহর শপথ! এটার এত দাম হয়েছে। ক্রেতা সেটাকে সত্য বলে বিশ্বাস করে সে জিনিস কিনে নেয়। অথচ সে জিনিসের এত দাম হয়নি। (তিন) ঐ ব্যক্তি যে একমাত্র দুনিয়ার স্বার্থে ইমামের বায়আত গ্রহণ করে। (বাদশাহ) ঐ লোকের মনের বাসনা পূর্ণ করলে সে তার বায়আত পূর্ণ করে। আর যদি তা না হয়, তাহলে বায়আত ভঙ্গ করে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৩৫৮, ২৩৬৯, ২৬৭২, ৭৪৪৬, মুসলিম ১০৮, তিরমিযী ১৫৯৫, নাসায়ী ৪৪৬২, ইবনু মাজাহ ২৮৭০, আহমাদ ৭৩৯৩, ৯৮৬৬।









বুলূগুল মারাম (1415)


وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه: أَنَّ رَجُلَيْنِ اخْتَصَمَا فِي نَاقَةٍ, فَقَالَ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا نُتِجَتْ عِنْدِي, وَأَقَامَا بَيِّنَةً, فَقَضَى بِهَا رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - لِمَنْ هِيَ فِي يَدِهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه الدارقطني (4/ 209) وقال الحافظ في «التلخيص» (4/ 210): إسناده ضعيف




১৪১৫। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত দুজন লোক একটা উটনী নিয়ে বিবাদ করে তারা প্রত্যেকেই বলে: ‘এটা আমার উটনী, আমার অধীনেই বাচ্চা প্রসব করেছে- তাদের দাবীর উপরে প্রত্যেকেই সাক্ষ্য প্রদান করে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ উটনীটা উপস্থিত সময়ে যার অধিকারে ছিল তার অনুকূলে ফায়সালা দয়েছিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনুল মুলকিন তাঁর আল বদরুল মুনীর ৯/৬৯৫ গ্রন্থে বলেন, এতে যায়েদ বিন নুআইম মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান থেকে বর্ণনা করেছেন। তাকে এই হাদীস ছাড়া তার অন্য কোন সহীহ হাদীস জানা যায় না। ইবনুল কাত্তান তাঁর আল ওয়াহম ওয়াল ঈহাম ২/৫৫০ গ্রন্থে বলেন, এর মধ্যে যায়েদ বিন নুআইম নামক রাবী সম্পর্কে কিছু জানা যায় না, এছাড়া এর মধ্যে রয়েছে মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান ও আবূ হানীফা। ইমাম যাহাবী মীযানুল ই’তিদাল ২/১০৬ গ্রন্থে হাদীসটিকে গরীব বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (1416)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - رَدَّ الْيَمِينَ عَلَى طَالِبِ الْحَقِّ. رَوَاهُمَا الدَّارَقُطْنِيُّ, وَفِي إِسْنَادِهِمَا ضَعْفٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه الدارقطني (4/ 213) وقال الذهبي في «التلخيص» متعقبا الحاكم (4/ 100): أخشى أن يكون الحديث باطلا




১৪১৬। ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (বিবাদী ক্বসম প্রত্যাখ্যান করার ফলে) দাবীদার (বাদী) কে ক্বসম করিয়েছিলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] দারাকুতনী ৪র্থ খণ্ড। ২১৩ পৃষ্ঠা। হাদীসটি দুর্বল। শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীল (২৬৪২) গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন। ইমাম যাহাবী তাঁর তানকীহুত তাহকীক (২/৩২৬) গ্রন্থে একে মুনকার বলেছেন। ইবনুল কাইয়্যিম তাঁর আত তুরুক আল হুকমিয়্যাহ (১০৪) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে মুহাম্মাদ বিন মাসরূক রয়েছে। দেখা দরকার যে সে ব্যক্তিটি কে? ইবনু হাজার আসকালানী তাঁর আত তালখীসুল হাবীর (৪/১৫৯৪) গ্রন্থে বলেন, এর বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ বিন মাসরূকের পরিচয় জানা যায়নি। আর ইসহাক ইবনুল ফুরাতের ব্যাপারে বিতর্ক রয়েছে। ইমাম সনআনী তাঁর সুবুলুস সালাম (৪/২১০) গ্রন্থেও অনুরূপ মন্তব্য করেছেন।









বুলূগুল মারাম (1417)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - قَالَتْ: دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - ذَاتَ يَوْمٍ مَسْرُورًا, تَبْرُقُ أَسَارِيرُ وَجْهِهِ. فَقَالَ: «أَلَمْ تَرَيْ إِلَى مُجَزِّزٍ الْمُدْلِجِيِّ? نَظَرَ آنِفًا إِلَى زَيْدِ بْنِ حَارِثَةَ, وَأُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ»، فَقَالَ: «هَذِهِ أَقْدَامٌ بَعْضُهَا مِنْ بَعْضٍ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6770)، ومسلم (1459)




১৪১৭। ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, একবার রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে এমন হাসিখুশি অবস্থায় আসলেন যে, তার চেহারার রেখাগুলো চমকাচ্ছিল। তিনি বললেন: তুমি কি দেখনি যে, মুজাযযিয আল-মুদলিযী (চিহ্ন দেখি বংশ নির্ধারণকারী) যায়দ ইবনু হারিসাহ এবং উসামাহ ইবনু যায়দ-এর দিকে অনসন্ধানের দৃষ্টিতে লক্ষ্য করেছে। এরপর সে বলেছে, তাদের দুজনের পাগুলো পরস্পর থেকে (এসেছে)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৫৫৫, ৩৭৩১, ৬৭৭১, মুসলিম ১৪৫৯, তিরমিযী ২১২৯, নাসায়ী ৩৪৯৩, ৩৪৯৪, আবূ দাউদ ২২৬৭, ইবনু মাজাহ ২৩৪৯, আহমাদ ২৩৫৭৯।









বুলূগুল মারাম (1418)


عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَيُّمَا امْرِئٍ مُسْلِمٍ أَعْتَقَ امْرَأً مُسْلِمًا, اسْتَنْقَذَ اللَّهُ بِكُلِّ عُضْوٍ مِنْهُ عُضْوًا مِنْهُ مِنَ النَّارِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2517)، ومسلم (1509) (24) وفيه قصة




১৪১৮। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে কোন মুসলিম কোন মুসলিমকে দাসত্ব থেকে মুক্তি দান করবে ঐ দাসের প্রতিটি অঙ্গের মুক্তির বিনিময়ে মুক্তিদাতার প্রত্যেক অঙ্গকে আল্লাহ জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দান করবেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৭১৫, মুসলিম ১৫০৯, তিরমিযী ১৫৪১, আহমাদ ৫১৫৪, ৯২৫৭, ৯২৭৮।









বুলূগুল মারাম (1419)


وَلِلتِّرْمِذِيِّ وَصَحَّحَهُ; عَنْ أَبِي أُمَامَةَ: «وَأَيُّمَا امْرِئٍ مُسْلِمٍ أَعْتَقَ امْرَأَتَيْنِ مُسْلِمَتَيْنِ, كَانَتَا فِكَاكَهُ مِنَ النَّارِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الترمذي (1547) وفيه: «وأيما امرأة مسلمة أعتقت امرأة مسلمة، كانت فكاكها من النار. يجزيء كل عضو منها عضوا منها» وقال: «حسن صحيح». ثم قال: «وفي الحديث ما يدل على أن عتق الذكور للرجال أفضل من عتق الإناث» وانظر ما بعده




১৪১৯। তিরমিযীতে আবূ উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে আছে- যে মুসলিম দুজন মুসলিম মহিলাকে দাসত্ব থেকে মুক্তি দান করবে। ঐ দুজন মহিলার মুক্তির বিনিময়ে জাহান্নামের আগুন হতে তার মুক্তি লাভ হবে। ইমাম তিরমিযী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১৫৪৭।









বুলূগুল মারাম (1420)


وَلِأَبِي دَاوُدَ: مِنْ حَدِيثِ كَعْبِ بْنِ مُرَّةَ: «وَأَيُّمَا امْرَأَةٍ أَعْتَقَتْ امْرَأَةً مُسْلِمَةً, كَانَتْ فِكَاكَهَا مِنَ النَّارِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3967)، وله شواهد، أحدها الحديث السابق




১৪২০। আবূ দাউদে কাব ইবনু মুররা কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে আছে, কোন মুসলিম নারী যদি কোন মুসলিম নারীকে দাসত্ব থেকে মুক্ত করে তবে এটা তার জাহান্নাম হতে মুক্তিলাভের কারণ হবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩৯৬৭, নাসায়ী। ৩১৪২, ৩১৪৫, ইবনু মাজাহ ২৫২২, আহমাদ ১৬৫৭২, ১৭৫৯৯।