হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (1381)


وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ - رضي الله عنه - عَنْ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلَّا إِلَى ثَلَاثَةِ مَسَاجِدَ: مَسْجِد الْحَرَامِ, وَمَسْجِدِ الْأَقْصَى, وَمَسْجِدِي». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ




১৩৮১। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তিনটি মাসজিদ ব্যতীত কোন স্থানের যিয়ারাতের জন্য সফরের প্রস্তুতি নেয়া যাবে না। এগুলো হচ্ছে, মাসজিদুল হারাম (কাবা শরীফ) বাইতুল মাক্বদিস ও আমার এ মাসজিদ (এগুলোর জন্য নির্দিষ্ট নিয়্যাতে যাত্রা করা যায়)। উল্লেখিত শব্দ বুখারীর।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫৮৬, ১১৮৯, ১৮৬৪, মুসলিম ৮২৭, নাসায়ী ৫৬৬, ৫৬৭, ইবনু মাজাহ ১২৪৯, ১৪১০, আহমাদ ১০৬৩৯, ২৭৯৪৮, দারেমী ১৭৫৩।









বুলূগুল মারাম (1382)


وَعَنْ عُمَرَ - رضي الله عنه - قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنِّي نَذَرْتُ فِي الْجَاهِلِيَّةِ; أَنْ أَعْتَكِفَ لَيْلَةً فِي الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ. قَالَ: «فَأَوْفِ بِنَذْرِكَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ (1) وَزَادَ الْبُخَارِيُّ فِي رِوَايَةٍ (2) فَاعْتَكَفَ لَيْلَةً

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2032)، ومسلم (1656)




১৩৮২। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত যে, ‘উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করেন যে, আমি জাহিলিয়্যা যুগে মাসজিদুল হারামে এক রাত ইতিকাফ করার মানত করেছিলাম। তিনি (উত্তরে) বললেনঃ তোমার মানত পুরা কর।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২০৪২, ২০৪৩, ৩১৪৪, ৪৩২০, মুসলিম ১৬৫৬, তিরমিযী ১৫৩৯, নাসায়ী ৩৮২০, ৩৮২১, আবূ দাউদ ৩৩২৫, ইবনু মাজাহ ১৭৭২. আহমাদ ২৫৭, ৪৫৬৩, দারেমী ২৩৩৩।









বুলূগুল মারাম (1383)


عَنْ بُرَيْدَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «الْقُضَاةُ ثَلَاثَةٌ: اثْنَانِ فِي النَّارِ, وَوَاحِدٌ فِي الْجَنَّةِ. رَجُلٌ عَرَفَ الْحَقَّ, فَقَضَى بِهِ, فَهُوَ فِي الْجَنَّةِ. وَرَجُلٌ عَرَفَ الْحَقَّ, فَلَمْ يَقْضِ بِهِ, وَجَارَ فِي الْحُكْمِ, فَهُوَ فِي النَّارِ. وَرَجُلٌ لَمْ يَعْرِفِ الْحَقَّ, فَقَضَى لِلنَّاسِ عَلَى جَهْلٍ, فَهُوَ فِي النَّارِ». رَوَاهُ الْأَرْبَعَةُ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3573)، والنسائي في «الكبرى» (3/ 461 - 462)، والترمذي (1322)، والحاكم (4/ 90) من طريق عبد الله بن بريدة، عن أبيه، به




১৩৮৩। বুরাইদাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ক্বাযী (বিচারক) তিন প্রকারের, তার মধ্যে দু প্রকার ক্বাযী জাহান্নামী আর এক প্রকার জান্নাতী। যে ক্বাযী সত্য উপলব্ধি করবে এবং তদনুযায়ী ফায়সালাহ করবে সে জান্নাতবাসী হবে, আর এক ক্বাযী সে সত্য উপলব্ধি করবে; কিন্তু তদনুযায়ী ফয়সালাহ করবে না, অন্যায়ের ভিত্তিতে ফায়সালাহ করবে সে জাহান্নামী হবে। আর এক ক্বাযী সত্য উপলব্ধি করতে পারবে না, অথচ অজ্ঞতার ভিত্তিতে লোকের জন্য ফায়সালাহ প্ৰদান করবে সে জাহান্নামী হবে। (তার নীতিভ্ৰষ্টতা তাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩৫৭৩, তিরমিযী ১৩২২, ইবনু মাজাহ ২৩১৫।









বুলূগুল মারাম (1384)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ وَلِيَ الْقَضَاءَ فَقَدْ ذُبِحَ بِغَيْرِ سِكِّينٍ». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ (1) وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ, وَابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3571)، (3572)، والنسائي في «الكبرى» (3/ 462)، والترمذي (1325)، وابن ماجه (2308)، وأحمد (2/ 230 و 365)، وانظر «أخلاق العلماء» للآجري، فقد فصلت فيه القول هناك




১৩৮৪। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যাকে ক্বাযীর পদ দেয়া হলো তাকে যেন বিনা ছুরিতেই যবাহ করা হলো।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১৩২৫, আবূ দাউদ ৩৫৭১, ৩৫৭২, ইবনু মাজাহ ২৩০৮, আহমাদ ৭১০৫, ৮৫৫৯।









বুলূগুল মারাম (1385)


وَعَنْهُ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّكُمْ سَتَحْرِصُونَ عَلَى الْإِمَارَةِ, وَسَتَكُونُ نَدَامَةً يَوْمَ الْقِيَامَةِ, فَنِعْمَ الْمُرْضِعَةُ, وَبِئْسَتِ الْفَاطِمَةُ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (7148)




১৩৮৫। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা নিশ্চয়ই নেতৃত্বের লোভ কর, অথচ ক্বিয়ামাতের দিন তা লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। কত উত্তম দুগ্ধদায়িনী এবং কত মন্দ দুগ্ধ পানে বাধা দানকারিণী (এটা) (অর্থাৎ এর প্রথম দিক দুগ্ধদানের মত তৃপ্তিকর, আর পরিণাম দুধ ছাড়ানোর মত যন্ত্রণাদায়ক)।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৭১৪৮, নাসায়ী। ৪২১১, ৫৩৮৫, আহমাদ ৯৪৯৯, ৯৮০৬।









বুলূগুল মারাম (1386)


وَعَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ - رضي الله عنه - أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «إِذَا حَكَمَ الْحَاكِمُ, فَاجْتَهَدَ, ثُمَّ أَصَابَ, فَلَهُ أَجْرَانِ. وَإِذَا حَكَمَ, فَاجْتَهَدَ, ثُمَّ أَخْطَأَ, فَلَهُ أَجْرٌ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (7352)، ومسلم (1716)




১৩৮৬। ‘আমর ইবনু ‘আস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছেন, কোন বিচারক ইজতিহাদে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌছলে তার জন্য আছে দুটি পুরস্কার। আর বিচারক ইজতিহাদে ভুল করলে তার জন্যও রয়েছে একটি পুরস্কার।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৭৩৫২, মুসলিম ১৭১৬, আবূ দাউদ ৩৫৭৪, ইবনু মাজাহ ২৩১৪, আহমাদ ৬৭১৬, ১৭৩২০।









বুলূগুল মারাম (1387)


وَعَنْ أَبِي بَكْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «لَا يَحْكُمُ أَحَدٌ بَيْنَ اثْنَيْنِ, وَهُوَ غَضْبَانُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (7158)، ومسلم (1717) عن عبد الرحمن بن أبي بكرة قال: كتب أبي - وكتبت له - إلى عبيد الله بن أبي بكرة، وهو قاض بسجستان: أن لا تحكم (بخاري: لا تقضي) بين اثنين وأنت غضبان، فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: فذكره. والسياق لمسلم، وللبخاري: «لا يقضين حكم» والباقي مثله سواء




১৩৮৭। আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, কোন বিচারক রাগের অবস্থাতে দুজনের মধ্যে বিচার করবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ‘আবদুর রাহমান ইবনু আবু বাকরহা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে,

كتب أبي - وكتبت له - إلى عبيد الله بن أبي بكرة، وهو قاض بسجستان: أن لا تحكم (بخاري: لا تقضي) بين اثنين وأنت غضبان، فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: فذكره

আবূ বাকরাহ (রাঃ) তাঁর ছেলেকে লিখে পাঠালেন- যে তুমি রাগের অবস্থায় বিবাদমান দু’ লোকের মাঝে ফায়সালা করো না; সে সময় তিনি সিজিস্তানের বিচারক ছিলেন। কেননা, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে- এ বলে উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন। বুখারী ৭১৫৮, মুসলিম ১৭:১৭, তিরমিযী ১৩৩৪, নাসায়ী ৫৪০৬, আবূ দাউদ ৩৫৮৯, ইবনু মাজাহ ২৩১৬, আহমাদ ১৯৮৬৬, ১৯৯৫৪।









বুলূগুল মারাম (1388)


وَعَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا تَقَاضَى إِلَيْكَ رَجُلَانِ, فَلَا تَقْضِ لِلْأَوَّلِ, حَتَّى تَسْمَعَ كَلَامَ الْآخَرِ, فَسَوْفَ تَدْرِي كَيْفَ تَقْضِي». قَالَ عَلِيٌّ: فَمَا زِلْتُ قَاضِيًا بَعْدُ. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيُّ وَحَسَّنَهُ, وَقَوَّاهُ ابْنُ الْمَدِينِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أحمد (1/ 90)، وأبو داود (3582)، والترمذي (1331) من طريق سماك بن حرب، عن حنش، عن علي، به. واللفظ للترمذي، وقال: «حديث حسن». وعند أحمد: «ترى» مكان «تدري». ولأبي داود: «فإنه أحرى أن يتبين لك القضاء» وزاد في أوله: «إن الله سيهدي قلبك، ويثبت لسانك». قلت: وللحديث طرق كثيرة، وهي مفصلة بالأصل




১৩৮৮। ‘আলী (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন দুজন লোক (দুটো পক্ষ) কোন মোকদ্দমা তোমার কাছে আনবে তখন দ্বিতীয় ব্যক্তির (অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য) না শোনা পর্যন্ত প্রথম ব্যক্তির (অভিযোগকারীর) অনুকূলে কোন ফায়সালাহ দেবে না। এ নীতি ধরে ফায়সালাহ করলে তুমি ফায়সালা কিভাবে করতে হয় তার সঠিক ধারা জানতে পারবে।



‘আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপদেশ দানের পর হতে আমি বরাবর ক্বাযীর দায়িত্ব সম্পাদন করেছি।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩৫৮২, তিরমিযী ১৩৩১, আহমাদ ৬৬৮, ১১৫৯, ১৩৪৪। শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীল ৮/২২৬ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদ দুর্বল আবার সহীহ তিরমিযীতে ১৩৩১ হাসান বলেছেন। আহমাদ শাকের মুসনাদ আহমাদ ২/২৮৯ গ্রন্থে এর সানাদকে সহীহ বলেছেন, ইবনু উসাইমীন তাঁর শারহুল মুমতি ১৫/৩৫৩ গ্রন্থে বলেন, এ হাদীস সম্পর্কে কিছু মন্তব্য রয়েছে কেউ কেউ একে হাসান বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (1389)


وَلَهُ شَاهِدٌ عِنْدَ الْحَاكِمِ: مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عَبَّاسٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
وهو ضعيف جدا على أحسن أحواله. رواه الحاكم (4/ 89 - 99) وضعفه الحافظ نفسه، انظر رقم (1405)




১৩৮৯। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত এই হাদীসের সহযোগী একটা হাদীস হাকিমে রয়েছে সহীহ সানাদে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাকিম ৪র্থ খণ্ড ৮৯-৯৯ পৃষ্ঠা। হাদীসটি দুর্বল।









বুলূগুল মারাম (1390)


وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم -: «إِنَّكُمْ تَخْتَصِمُونَ إِلَيَّ, وَلَعَلَّ بَعْضَكُمْ أَنْ يَكُونَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِهِ مِنْ بَعْضٍ, فَأَقْضِيَ لَهُ عَلَى نَحْوٍ مِمَّا أَسْمَعُ, مِنْهُ فَمَنْ قَطَعْتُ لَهُ مِنْ حَقِّ أَخِيهِ شَيْئًا, فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَهُ قِطْعَةً مِنَ النَّارِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (7169)، ومسلم (1713)، وزاد البخاري في أوله: «إنما أنا بشر» وهي رواية لمسلم وعنده سبب الحديث، وزاد في رواية أخرى: فليحملها، أو يزرها




১৩৯০। উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার কাছে ঝগড়া বিবাদ নিয়ে আসো। হয়ত তোমাদের কেউ অন্যজনের অপেক্ষা প্ৰমাণ পেশের ব্যাপারে অধিক বাকপটু। আর আমি তো যেমন শুনি তার ভিত্তিতেই বিচার করে থাকি। কাজেই আমি যদি কারো জন্য তার অন্য ভাইয়ের হক সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্ত দেই, ফলে আমি তার জন্য তার ভাইয়ের যে অংশ নির্ধারণ করলাম তা তো কেবল এক টুকরা আগুন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারীর রিওয়ায়াতের প্রথম অংশটুকু হলোঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, إنما أنا بشر আমি মানুষ ছাড়া অন্য কিছু নাই। বুখারী ২৪৫৮, ২৬৮০, ৬৯৬৭, মুসলিম ১৭১৩, নাসায়ী ৫৪০১, আবূ দাউদ ৩৫৮৩, ইবনু মাজাহ ২৩১৭, আহমাদ ২৬০৮৬, ২৬১৭৭, মালেক ১৪২৪।









বুলূগুল মারাম (1391)


وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه -[قَالَ]: سَمِعْتُ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «كَيْفَ تُقَدَّسُ أُمَّةٌ, لَا يُؤْخَذُ مِنْ شَدِيدِهِمْ لِضَعِيفِهِمْ». رَوَاهُ ابْنُ حِبَّانَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه ابن حبان (1554) تنبيه: هذا الحديث وما بعده من شواهد تصححه، وإن كانت أسانيدها لا تخلو من ضعف، وتفصيل ذلك في الأصل




১৩৯১। জাবির (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, কি করে পবিত্র করা যাবে ঐ জাতিকে, যাদের দুর্বলদের হাক্ব সবলদের কাছ থেকে (বিচার মূলে) আদায় করা না যাবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু হিব্বান ১৫৫৪, কাশফুল আসতার ১৫৯৬।









বুলূগুল মারাম (1392)


وَلَهُ شَاهِدٌ: مِنْ حَدِيثِ بُرَيْدَةَ, عِنْدَ الْبَزَّارِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
كشف الأستار (1596) وانظر ما قبله




১৩৯২। বুরাইদাহ কর্তৃক বাযযার নামক হাদীসগ্রন্থে একটা হাদীস এ হাদীসের সহায়করূপে বৰ্ণিত হয়েছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] কাশফুল আসদার ১৫৯৬।









বুলূগুল মারাম (1393)


وَآخَرُ: مِنْ حَدِيثِ أَبِي سَعِيدٍ عِنْدَ ابْنِ مَاجَه

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
سنن ابن ماجه (4010)




১৩৯৩। আবূ সাঈদ কর্তৃক বর্ণিত। ইবনু মাজাহয় অনুরূপ একটি সমর্থক হাদীস রয়েছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৮০৯, ৮১০, ৮১২, মুসলিম ৪৯০, তিরমিযী ২৭৩, নাসায়ী ১০৯৩, ১০৯৬, আবূ দাউদ ৮৮৯, ৮৯০, আহমাদ ২৫২৩, ২৯৭৬, দারেমী ১৩১৮, ১৩১৯।









বুলূগুল মারাম (1394)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «يُدْعَى بِالْقَاضِي الْعَادِلِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ, فَيَلْقَى مِنْ شِدَّةِ الْحِسَابِ مَا يَتَمَنَّى أَنَّهُ لَمْ يَقْضِ بَيْنَ اثْنَيْنِ فِي عُمْرِهِ». رَوَاهُ ابْنُ حِبَّانَ
وَأَخْرَجَهُ الْبَيْهَقِيُّ, وَلَفْظُهُ: «فِي تَمْرَةٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه ابن حبان (1563)




১৩৯৪। ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, ন্যায় বিচারক ক্বাযীকে কিয়ামতের দিবসে ডাকা হবে এবং সে ঐ দিন হিসাবের কঠোরতার সম্মুখীন হয়ে আকাঙ্ক্ষা করবে, হায় সে যদি জীবনে দুজন লোকের মধ্যে ফায়সালাহ না করতো। (তাই মঙ্গল ছিল)। হাদীসটি ইমাম বায়হাক্বী বর্ণনা করেছেন তাতে আছে-যদি এ কটি খেজুরের ব্যাপারেও ফায়সালা না করতো।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু হিব্বান ১৫৬৩। ইমাম যাহাবী তাঁর সিয়ার আ’লামুন নুবালা (১৮/১৭০) গ্রন্থে হাদীসটিকে অত্যন্ত গরীব বলেছেন। আল মুনযিরী তার তারগীব ওয়াত তারহীব (৩/১৭৯) গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি সহীহ অথবা হাসান কিংবা এতদুভয়ের কাছাকাছি। শাইখ আলবানী হাদীসটিকে যঈফ তারগীব (১৩১০) গ্রন্থে দুর্বল বলেছেন। ইবনু উসাইমীন তাঁর শরহে বুলুগুল মারাম (৬/১৬৭) গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি বাতিল অথবা বিরল।









বুলূগুল মারাম (1395)


وَعَنْ أَبِي بَكْرَةَ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَنْ يُفْلِحَ قَوْمٌ وَلَّوْا أَمْرَهُمْ امْرَأَةً». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (4425) عن أبي بكرة قال: لقد نفعني الله بكلمة سمعتها من رسول الله صلى الله عليه وسلم أيام الجمل بعدما كدت أن ألحق بأصحاب الجمل، فأقاتل معهم. قال: لما بلغ رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أهل فارس قد ملكوا عليهم بنت كسرى. قال: فذكره




১৩৯৫। আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ঐ জাতি কক্ষনো মুক্তি লাভ করবে: না যে জাতি নিজেদের নেতৃত্ব স্ত্রীলোকের উপর অর্পণ করবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন-

لقد نفعني الله بكلمة سمعتها من رسول الله صلى الله عليه وسلم أيام الجمل بعدما كدت أن ألحق بأصحاب الجمل، فأقاتل معهم. قال: لما بلغ رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أهل فارس قد ملكوا عليهم بنت كسرى. قال: فذكره

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শ্রুত একটি বাণীর দ্বারা আল্লাহ জঙ্গে জামালের (উষ্ট্রের যুদ্ধ) দিন আমার মহা উপকার করেছেন, যে সময় আমি সাহাবায়ে কিরামের সঙ্গে মিলিত হয়ে জামাল যুদ্ধে শারীক হতে প্রায় প্রস্তুত হয়েছিলাম। আবূ বাকরাহ (রাঃ) বলেন, সে বাণীটি হল, যখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এ খবর পৌছল যে, পারস্যবাসী কিসরা কন্যাকে তাদের বাদশাহ মনোনীত করেছেন। তারপর তিনি উপরোক্ত হাদীসটি বর্ণনা করলেন। বুখারী ৪৪১৫, ৭০৯৯, মুসলিম ২২৬২, নাসায়ী ৫৩৮৮, আহমাদ ১৯৮৮৯, ২৭৭৪৫।









বুলূগুল মারাম (1396)


وَعَنْ أَبِي مَرْيَمَ الْأَزْدِيِّ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم [أَنَّهُ] قَالَ: «مَنْ وَلَّاهُ اللَّهُ شَيْئًا مِنْ أَمْرِ الْمُسْلِمِينَ, فَاحْتَجَبَ عَنْ حَاجَتِهِمْ وَفَقِيرِهِم, احْتَجَبَ اللَّهُ دُونَ حَاجَتِهِ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (2948) بنحوه، والترمذي (1333) ولم يسق لفظه، وإنما أحال على معنى لفظ آخر لنفس الحديث




১৩৯৬। আবূ মারইয়াম আযদী (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহ যাকে মুসলিমদের কোন কিছুর ওলী বানিয়ে দেন (পরিচালনা দায়িত্ব অর্পণ করে)। সে যদি মুসলিম জনসাধারণের প্রয়োজন ও অভাবের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী দারোয়ান রাখে তবে আল্লাহও তার প্রয়োজনের সময় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২৯৪, মুসলিম ১৩৩৩, আহমাদ ১৭৫৭২।









বুলূগুল মারাম (1397)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - الرَّاشِيَ وَالْمُرْتَشِيَ فِي الْحُكْمِ. رَوَاهُ الْخَمْسَةُ, وَحَسَّنَهُ التِّرْمِذِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ
وَلَهُ شَاهِدٌ: مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بنِ عَمْرٍو. عِنْدَ الْأَرْبَعَةِ إِلَّا النَّسَائِيَّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف بهذا اللفظ. رواه الترمذي (1336)، وأحمد (2/ 387 - 388)، وابن حبان (1196) من طريق عمر بن أبي سلمة، عن أبيه، عن أبي هريرة، به. وقال الترمذي: «حديث أبي هريرة حديث حسن صحيح، وقد روى هذا الحديث عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم. وروي. عن أبي سلمة، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم، ولا يصح. وقال: وسمعت عبد الله بن عبد الرحمن - أي: الدارمي - يقول: حديث أبي سلمة، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم أحسن شيء في هذا الباب وأصح
قلت: وسبب ضعفه عمر بن أبي سلمة فهو متكلم فيه من قبل حفظه هذا أولا. وثانيا: وهم الحافظ رحمه الله في العزو إذ لم يروه من أصحاب السنن إلا الترمذي. وأما حديث ابن عمرو فهو التالي

صحيح. رواه أبو داود (3580)، والترمذي (1337)، وابن ماجه (2313) بلفظ: «لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم الراشي والمرتشي». وفي رواية ابن ماجه: «لعنة الله على ... » والباقي مثله. وقال الترمذي: حديث حسن صحيح




১৩৯৭। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফায়সালার ক্ষেত্রে ঘুষদাতা ও ঘুষ গ্ৰহিতাকে লানত করেছেন।[1]



এ হাদীসের অনুরূপ অর্থের একটা সহযোগী হাদীস ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে আবূ দাউদ, তিরমিযী ও ইবনু মাজাহয় বর্ণিত হয়েছে।[2]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ , তিরমিযী এবং ইবনু মাজাহ-এ রয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুষদাতা এবং ঘুষগ্ৰহিতাকে অভিসম্পাত করেছেন। ইবনু মাজাহর এক বর্ণনায় আল্লাহর লা’নতের কথা বর্ণিত হয়েছে। ইমাম তিরমিযী বলেছেন, হাদীসটি হাসান সহীহ। তিরমিযী ১৩৩৫।

[2] আবূ দাউদ ৩৫৮৮, আহমাদ ১৫৬৭২। ইবনুল মুলকিন তাঁর তুহফাতুল মুহতাজ (২/৫৭৪) গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি মুসআব বিন সাবিতের কারণে মাওকুফ। ইমাম শাওকানী তাঁর আদদারারী আল মুষীয়া (৩৭৪) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে মুসআব বিন সাবিত বিন আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর নামক দুর্বল রাবী রয়েছে। তিনি সাইলুল জাররার (৪/২৮০) গ্রন্থেও অনুরূপ মন্তব্য করেছেন। শাইখ আলবানী তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ (৩৭১১) গ্রন্থে বলেন, মুসা’আব বিন সাবিত হাদীসের ক্ষেত্রে লীন (দুর্বল)। যঈফ আবূ দাউদ (৩৫৮৮) গ্রন্থেও একে দুর্বল বলা হয়েছে।









বুলূগুল মারাম (1398)


وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بنِ الزُّبَيْرِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَضَى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَنَّ الْخَصْمَيْنِ يَقْعُدَانِ بَيْنَ يَدَيِ الْحَاكِمِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ




১৩৯৮। আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফায়াসলাহ দিয়েছেন যে, বাদী ও বিবাদী বিচারকের সামনে বসে থাকবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৭১৯, তিরমিযী ২২৯৫, ২২৯৭, আবূ দাউদ ৩৫৯৬, ইবনু মাজাহ ২৩৬৪, আহমাদ ১৬৫৯২, ১৬৫৯৯, মালেক ১৪২৬।









বুলূগুল মারাম (1399)


عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ الشُّهَدَاءِ? الَّذِي يَأْتِي بِشَهَادَتِهِ قَبْلَ أَنْ يُسْأَلَهَا». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1719)




১৩৯৯। যায়েদ ইবনু খালিদ জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমাদেরকে উত্তম সাক্ষীগণের সংবাদ দেব না কি? (অবশ্যই দেব) তারা হচ্ছে, সাক্ষ্য প্রদানের জন্য আহবান করার আগেই যারা সাক্ষ্য দেয়ার জন্য উপস্থিত হয়।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৩৬৫০, ৬৪২৮, ৬৬৯৫, মুসলিম ২৫৩৫, তিরমিযী ২২২১, ২২২২, আবূ দাউদ ৪৬৫৭, আহমাদ ১৯৩১৯, ১৯৩৩৪, ১৯৪৫১।









বুলূগুল মারাম (1400)


وَعَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ خَيْرَكُمْ قَرْنِي, ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ, ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ, ثُمَّ يَكُونُ قَوْمٌ يَشْهَدُونَ وَلَا يُسْتَشْهَدُونَ, وَيَخُونُونَ وَلَا يُؤْتَمَنُونَ, وَيَنْذِرُونَ وَلَا يُوفُونَ, وَيَظْهَرُ فِيهِمُ [ص: 428] السِّمَنُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2651)، ومسلم (2535)




১৪০০। ‘ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার যুগের লোকেরাই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম। অতঃপর তাদের নিকটবর্তী যুগের লোকেরা, অতঃপর তাদের নিকটবর্তী যুগের লোকেরা। অতঃপর তোমাদের পর এমন লোকেরা আসবে, যারা সাক্ষ্য দিতে না ডাকলেও তারা সাক্ষ্য দিবে, যারা খিয়ানত করবে, আমানত রক্ষা করবে না। তারা মান্নত করবে কিন্তু তা পূর্ণ করবে না। তাদের মধ্যে মেদওয়ালাদের প্রকাশ ঘটবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩৬০০, আহমাদ ৬৮৬০, ৬৯০১।