বুলূগুল মারাম
وَفِي رِوَايَةٍ لِأَبِي دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيِّ: عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه: «لَا تَحْلِفُوا بِآبَائِكُمْ, وَلَا بِأُمَّهَاتِكُمْ, وَلَا بِالْأَنْدَادِ, وَلَا تَحْلِفُوا إِلَّا بِاللَّهِ, وَلَا تَحْلِفُوا بِاللَّهِ إِلَّا وَأَنْتُمْ صَادِقُونَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3248)، والنسائي (7/ 5)
১৩৬১। আবূ দাউদ ও নাসায়ীতে আবূ হুরাইরা (রাঃ) কর্তৃক মারফূরূপে বৰ্ণিতঃ তোমরা তোমাদের পিতার নামে কসম করবে না, মাতার বা দেব দেবির নামেও না। কেবল আল্লাহর নামেই কসম করবে। আর আল্লাহর নামে কসম করার ব্যাপারে তোমাদের সত্যবাদী থাকতে হবে। (মিথ্যা কসম খাবে না)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩২৪৮, নাসায়ী ৩৭৬৯।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «يَمِينُكَ عَلَى مَا يُصَدِّقُكَ بِهِ صَاحِبُكَ». وَفِي رِوَايَةٍ: «الْيَمِينُ عَلَى نِيَّةِ الْمُسْتَحْلِفِ». أَخْرَجَهُمَا مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه مسلم (1653)
১৩৬২। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ক্বসম করার জন্য তোমাকে যে ব্যক্তি চাপ দেয় বা দাবী জানায় তার উদ্দেশ্যের অনুকূলে তোমাকে ক্বসম করতে হবে। অন্য রিওয়ায়াতে আছে, প্রতিপক্ষের নিয়্যাতের বা উদ্দেশ্যের অনুকূলে (কসম সাব্যস্ত) হবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৬৫৩, তিরমিযী ১৩৫৪, আবূ দাউদ ৩২৫৫, ইবনু মাজাহ ২১২০, আহমাদ ৭০৭৯, দারেমী ২৩৪৯।
وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَمُرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «وَإِذَا حَلَفْتَ عَلَى يَمِينٍ, فَرَأَيْتَ غَيْرَهَا خَيْرًا مِنْهَا, فَكَفِّرْ عَنْ يَمِينِكَ, وَائْتِ الَّذِي هُوَ خَيْرٌ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
وَفِي لَفْظٍ لِلْبُخَارِيِّ: فَائْتِ الَّذِي هُوَ خَيْرٌ, وَكَفِّرْ عَنْ يَمِينِكَ
وَفِي رِوَايَةٍ لِأَبِي دَاوُدَ: «فَكَفِّرْ عَنْ يَمِينِكَ, ثُمَّ ائْتِ الَّذِي هُوَ خَيْرٌ». وَإِسْنَادُهَا صَحِيحٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6622)، ومسلم (1652)
البخاري (6722)
أبو داود (3278)
১৩৬৩। ‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কোন ব্যাপারে যদি শপথ কর আর তা ছাড়া অন্য কিছুর ভিতর কল্যাণ দেখতে পাও, তবে নিজ শপথের কাফফারা আদায় করে তাত্থেকে উত্তমটি গ্রহণ কর।
বুখারীর শব্দে আছে, “ভাল কাজটি কর আর শপথ ভঙ্গের কাফফারা দাও।
আবূ দাউদের এক বর্ণনায় আছে, “শপথ ভঙ্গের কাফফারা দাও, তারপর ভাল কাজটি কর।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৭২২, ৭১৪৬, ৭১৪৭, মুসলিম ১৬৫২, তিরমিযী ১৫২৯, নাসায়ী ৩৭৮২, ৩৭৮৩, ৩৭৮৪, আবূ দাউদ ২৯২৯, ৩২৭৭, আহমাদ ২০০৯৩, দারেমী ২৩৪৬।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ حَلَفِ عَلَى يَمِينٍ فَقَالَ: إِنْ شَاءَ اللَّهُ, فَلَا حِنْثَ عَلَيْهِ». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ (1) وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (2/ 10)، وأبو داود (3261)، والنسائي (7/ 25)، والترمذي (1531)، وابن ماجه (2105)، وابن حبان (1184) قلت: اللفظ للترمذي؛ إلا أنه زاد: «فقد استثنى» بعد قوله: «إن شاء الله»، وإلى هذه الزيادة دون الجملة الأخيرة رواه أبو داود. والنسائي وأحمد. وأما لفظ ابن حبان فهو: «من حلف فقال: إن شاء الله، لم يحنث». ولفظ ابن ماجه: «من حلف واستثنى، إن شاء رجع، وإن شاء ترك، غير حانث». وهو أيضًا لبعضهم، وله ألفاظ أخرى، ذكرتها مفصلة مع طرقها في الأصل
১৩৬৪। ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যদি কেউ ইনশাআল্লাহ বাক্য জুড়ে দিয়ে কোন ক্বসম করে তবে সে ক্বসম ভঙ্গকারী হবে না। (যদিও সে ক্বসমের বিপরীত কাজ করে বসে)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৬১৬২, তিরমিযী ১৫৩১, নাসায়ী ৩৭৯৩, ইবনু মাজাহ ২১০৫, ২১০৬, আহমাদ ৪৪৯৭, ৪৫৬৭, ৫০৭৪, মালেক ১০৩৩, দারেমী ২৩৪২।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: كَانَتْ يَمِينُ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم: «لَا, وَمُقَلِّبِ الْقُلُوبِ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح رواه البخاري (6628)
১৩৬৫. আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কসম ছিলوَمُقَلِّبِ الْقُلُوبِ বাক্য দ্বারা। অর্থাৎ অন্তরের পরিবর্তনকারীর কসম।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৬১৭, ৭৩৯১, তিরমিযী ১৫৪০, নাসায়ী ৩৭৬১, আবূ দাউদ ৩২৬৩, ইবনু মাজাহ ২০৯২, আহমাদ ৪৭৭৩, মালেক ১০৩৭, দারেমী ২৩৫০।
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِوٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! مَا الْكَبَائِرُ? … فَذَكَرَ الْحَدِيثَ, وَفِيهِ قُلْتُ: وَمَا الْيَمِينُ الْغَمُوسُ? قَالَ: «الَّذِي يَقْتَطِعُ مَالَ امْرِئٍ مُسْلِمٍ, هُوَ فِيهَا كَاذِبٌ». أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6920)
১৩৬৬। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, এক বেদুঈন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! কবীরা গুনাহসমূহ কী? এর পর উক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেন। তাতে আরো আছে, আমি জিজ্ঞেস করলাম, মিথ্যা শপথ কী? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি (শপথের সাহায্যে) মুসলিমের ধন-সম্পদ হরণ করে নেয়। অথচ সে এ শপথের ক্ষেত্রে মিথ্যাচারী।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৬৭৫, ৬৮৭০, তিরমিযী ৩০২১, নাসায়ী ৪০১১, আহমাদ ৬৮৪৫, দারেমী ২৩৬০।
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - فِي قَوْلِهِ تَعَالَى: (لَا يُؤَاخِذُكُمُ اللَّهُ بِاللَّغْوِ فِي أَيْمَانِكُمْ) [البقرة: 225]
قَالَتْ: هُوَ قَوْلُ الرَّجُلِ: لَا وَاللَّهِ. بَلَى وَاللَّهِ. أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ وَأَوْرَدَهُ أَبُو دَاوُدَ مَرْفُوعًا
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6663)
رواه أبو داود (3254) وأشار أبو داود إلى وقفه، وهو الذي صححه الدارقطني
১৩৬৭। ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, [لَا يُؤَاخِذُكُمُ اللَّهُ بِاللَّغْوِ فِي أَيْمَانِكُمْ] আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে মানুষের উদ্দেশ্যবিহীন উক্তি لَا وَاللَّهِ না আল্লাহর শপথ, بَلَى وَاللَّهِ হ্যাঁ আল্লাহর শপথ ইত্যাদি উপলক্ষে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৬১৩, ৬৬৬৩, আবূ দাউদ ৩২৪৫, মালেক ১০৩২।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ لِلَّهِ تِسْعًا وَتِسْعِينَ اسْمًا, مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
وَسَاقَ التِّرْمِذِيُّ وَابْنُ حِبَّانَ الْأَسْمَاءِ, وَالتَّحْقِيقُ أَنَّ سَرْدَهَا إِدْرَاجٌ مِنْ بَعْضِ الرُّوَاةِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2736) و (7392)، ومسلم (2677) (6) وزادا: «مائة إلا واحدًا» بعد: «اسمًا». وعندهما زيادة أخرى: «وهو وتر يحب الوتر». وفي رواية للبخاري (6410) ومسلم: من حفظها
১৩৬৮। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর নিরানব্বই অর্থ্যাৎ এক কম একশটি নাম হয়েছে, যে ব্যক্তি তা মনে রাখবে সে জান্নাতে প্ৰবেশ করবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী এবং মুসলিমে আরো রয়েছে, مائة إلا واحدًا এক কম একশ’টি নাম রয়েছে। বুখারী ৬৪১০, ৭৩৯২, মুসলিম ২৬৭৭, তিরমিযী ৩৫০৭, ৩৫০৮, ইবনু মাজাহ ৩৮৬০, ৩৮৬১, আহমাদ ৭৪৫০, ৭৫৬৮, ৭৮৩৬।
وَعَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ صُنِعَ إِلَيْهِ مَعْرُوفٌ, فَقَالَ لِفَاعِلِهِ: جَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا فَقَدْ أَبْلَغَ فِي الثَّنَاءِ». أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الترمذي (2035)، وابن حبان (3404) وقال الترمذي: هذا حديث حسن جيد غريب
১৩৬৯। উসামা ইবনু যাইদ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত; তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার প্রতি কোন কল্যাণ করা হবে আর সে তার ঐ কণ্যাণের বিনিময়ে কল্যাণকারীর উদ্দেশে বলবে (দুআ করবে) আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন, তবে সে তার চরম গুণ বর্ণনা করলো।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ২০৩৫।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا, - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - أَنَّهُ نَهَى عَنِ النَّذْرِ وَقَالَ: «إِنَّهُ لَا يَأْتِي بِخَيْرٍ وَإِنَّمَا يُسْتَخْرَجُ بِهِ مِنَ الْبَخِيلِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6608)، ومسلم (1639) واللفظ لمسلم. وفي لفظ لهما: «إنه لا يرد شيئًا» وآخره مثله. إلا أنه وقع عند مسلم في رواية: «وإنما يستخرج به من الشحيح». وفي أخرى لهما أيضًا: «إن النذر لا يقدم شيئًا، ولا يؤخر» والباقي مثله
১৩৭০। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানত করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, মানত কোন কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। এর দ্বারা শুধু কৃপণের কিছু মাল বের হয়ে যায়।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৬৯২, ৬৬৯৩, মুসলিম ১৬৩৯, নাসায়ী ৩৮০১, ৩৮০২, ৩৮০৩, আবূ দাউদ ৩২৮৭, ইবনু মাজাহ ২১২২, আহমাদ ৫২৫৩, ৫৫৬৭, দারেমী ২৩৪০।
وَعَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «كَفَّارَةُ النَّذْرِ كَفَّارَةُ يَمِينٍ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ.
وَزَادَ التِّرْمِذِيُّ فِيهِ: إِذَا لَمْ يُسَمِّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1645)
ضعيف. رواه الترمذي (1528) وفيه محمد بن يزيد الفلسطيني وهو «مجهول» وهذا الزيادة أيضًا عند ابن ماجه (2127) بسند ضعيف
১৩৭১। ‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মানতের (পুরণ না করার) কাফফারা ক্বসম ভঙ্গের কাফফারার অনুরূপ।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৬৪৫, তিরমিযী ১৫২৮, নাসায়ী ৩৮৩২, আবূ দাউদ ৩৩২৩, আহমাদ ১৬৮৫০, ১৬৮৬৮।
وَلِأَبِي دَاوُدَ: مِنْ حَدِيثِ ابْنِ عَبَّاسٍ مَرْفُوعًا: «مَنْ نَذَرَ نَذْرًا لَمْ يُسَمِّهِ, فَكَفَّارَتُهُ كَفَّارَةُ يَمِينٍ, وَمَنْ نَذَرَ نَذْرًا فِي مَعْصِيَةٍ, فَكَفَّارَتُهُ كَفَّارَةُ يَمِينٍ, وَمَنْ نَذَرَ نَذْرًا لَا يُطِيقُهُ, فَكَفَّارَتُهُ كَفَّارَةُ يَمِينٍ». وَإِسْنَادُهُ صَحِيحٌ; إِلَّا أَنَّ الْحُفَّاظَ رَجَّحُوا وَقْفَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف مرفوعًا. رواه أبو داود (3322) من طريق طلحة بن يحيى الأنصاري عن عبد الله بن سعيد بن أي هند، عن بكير بن عبد الله الأشج، عن كريب، عن ابن عباس مرفوعًا، به. وزاد: «ومن نذر نذرًا أطاقه، فليف به» قلت: هكذا رواه طلحة، وخالفه وكيع، فرواه موقوفًا. رواه عن ابن أبي شيبة (4/ 173) ولا شك أن رواية وكيع هي الصواب خاصة إذا قابلت بين ترجمة الرجلين ولذا قال أبو داود: «روي هذا الحديث وكيع وغيره عن عبد الله بن سعيد أوقفوه علي بن عباس». وكذلك قال أبو زرعة وأبو حاتم (1/ 441 / 1326): الموقوف الصحيح
১৩৭২। আবূ দাউদে ইবন আব্বাস (রাঃ) কর্তৃক মারফূ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি কোন (বস্তুর) নাম উল্লেখ না করে মানত মানবে তার কাফফারা হবে আল্লাহর নামে ক্বসম করে তা ভেঙ্গে ফেলার কাফফারার অনুরূপ। আর যে পাপ কাজ করার মানত করবে তার কাফফারা হবে। আল্লাহর নামে কসম করে তা ভাঙ্গার অনুরূপ কাফফারা। আর যে এমন বস্তুর মানত করবে যা সাধ্যাতীত তার কাফফারা হবে ক্বসম ভঙ্গের কাফফারার অনুরূপ। এর সানাদ সহীহ কিন্তু হাদীস শাস্ত্রের হাফিযগণ হাদীসটির মাওকুফ হওয়াকে অধিক প্রাধান্য দিয়েছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩৩২২, ইবনু মাজাহ ২১২৮।
শাইখ আলবানী যঈফ আবূ দাউদ ৩৩২২, তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ ৩৩৬৯ গ্রন্থদ্বয়ে হাদীসটিকে মারফূ হিসেবে দুর্বল বলেছেন, আর যঈফুল জামে ৫৮৬২ তে দুর্বল বলেছেন। ইরওয়াউল গালীল ৮/২১০ গ্রন্থে বলেন, সঠিক হচ্ছে সানাদটি পৌছেছে ইবনু আব্বাস পর্যন্ত। যঈফ ইবনু মাজাহ ৪১৫ গ্রন্থে বলেন, অত্যন্ত দুর্বল তবে মাওকুফ হিসেবে সহীহ। আত্তালিকাত আর রাযীয়্যাহ ১২/৩ গ্রন্থে বলেন, এটি মাওকূফের দোষে দুষ্ট।
وَلِلْبُخَارِيِّ: مِنْ حَدِيثِ عَائِشَةَ: «وَمَنْ نَذَرَ أَنْ يَعْصِيَ اللَّهَ فَلَا يَعْصِهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6700) وأوله: من نذر أن يطيع الله، فليطعه
১৩৭৩। ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। বুখারীতে আছে, যে আল্লাহর বিরুদ্ধাচরণ করার নযর মানবে সে যেন তাঁর বিরুদ্ধাচরণ না করে। (তথা নযর পূরণ না করে)[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] এর প্রথমাংশটুকু হচ্ছে: من نذر أن يطيع الله، فليطعه যে লোক আল্লাহর আনুগত্য করার মানত করে সে যেন তাঁর আনুগত্য করে। বুখারী ৬৬৯৬, নাসায়ী ৩৮০৬, ৩৮০৭, আবূ দাউদ ৩২৮৯, ইবনু মাজাহ ২১২৬, আহমাদ ২৩৫৫৫, ২৩৬২১, মালেক ১০৩১, দারেমী ২৩৩৮।
وَلِمُسْلِمٍ: مِنْ حَدِيثِ عِمْرَانَ: «لَا وَفَاءَ لِنَذْرٍ فِي مَعْصِيَةٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6700) وأوله: «من نذر أن يطيع الله، فليطعه
صحيح. رواه مسلم (1641) في حديث طويل، وهو حديث عظيم، فيه أحكام عظيمة، منها جواز سفر المرأة بدون محرم في حالة مخصوصة، كما كنت بينت ذلك في كتابي «أوضح البيان في حكم سفر النسوان
১৩৭৪। মুসলিমে ইমরান (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে আছে; পাপ কাজের নযর মানলে তা পূরণ করা যাবে না।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম মুসলিম (রহঃ) একটি লম্বা হাদীসে বর্ণনা করেছেন। আর তা একটি মর্যাদাপূর্ণ হাদীস। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিধান রয়েছে। তন্মধ্য হতে একটি হলোঃ নির্দিষ্ট কিছু অবস্থায় মহিলার মাহরাম পুরুষ ব্যতিত একাকী সফর করার বৈধতা। মুসলিম ১৬৪১, নাসায়ী ৩৮১২, ৩৮৪৭, আবূ দাউদ ৩৩১৬, আহমাদ ১৯৩৫৫, ১৯৩৬২, দারেমী ২৩৩৭, ২৫০৫।
وَعَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: نَذَرَتْ أُخْتِي أَنْ تَمْشِيَ إِلَى بَيْتِ اللَّهِ حَافِيَةً, فَقَالَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم: «لِتَمْشِ وَلْتَرْكَبْ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1866)، ومسلم (1644)، وهو نفس لفظ البخاري سوى قوله: «حافية». وعندهما قول عقبة: فأمرتني أن أستفتي لها النبي صلى الله عليه وسلم، فاستفتيته
১৩৭৫। ‘উকবাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমার বোন খালি পায়ে হেঁটে বায়তুল্লাহ হাজ্জ করার মানত করেছিল। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, পায়ে হেঁটেও চলুক, সওয়ারও হোক।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী এবং মুসলিমে রয়েছে, ‘উকবাহ ইবনু ‘আমির (রা)- বলেন, আমাকে আমার বোন এ বিষয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে ফাতাওয়া আনার নির্দেশ করলে আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। বুখারী ১৮৬৬, মুসলিম ১৬৪৪, তিরমিযী ১৫৪৪, নাসায়ী ৩৮১৪, ৩৮১৫, আহমাদ ১৬৮৪০, দারেমী ২৩৩৪।
وَلِلْخَمْسَةِ فَقَالَ: «إِنَّ اللَّهَ لَا يَصْنَعُ بِشَقَاءِ أُخْتِكَ شَيْئًا, مُرْهَا: [فَلْتَخْتَمِرْ] , وَلْتَرْكَبْ, وَلْتَصُمْ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
منكر. رواه أحمد (4/ 143 و 145 و 149) وأبو داود (3293)، والنسائي (7/ 20)، والترمذي (1544)، وابن ماجه (2134) قال الترمذي: «هذا حديث حسن». قلت: بل ضعيف؛ فإن في سنده عبيد الله بن زحر، وهو «ضعيف. منكر الحديث»، وذكر الذهبي في «الميزان» هذا الحديث من منكراته
১৩৭৬। আহমদ, আবূ দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনু মাজাহ-এর বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, অবশ্যই তোমার বোনের কোন কষ্ট দ্বারা আল্লাহ কিছু করবেন না। তোমার বোনকে বল সে ওড়না (চাদর) পরে নেয়। সাওয়ার হোক আর তিন দিন রোযা রাখুক।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৮৬৬, মুসলিম ১৬৪৪, তিরমিযী ১৫৪৪, নাসায়ী ৩৮১৪, ৩৮১৫, আবূ দাউদ ৩২৯৯, ৩৩০৪, ইবনু মাজাহ ২১৩৪, আহমাদ ১৬৮৪০, ১৬৮৫৫, দারেমী ২৩৩৪। শাইখ আলবানী ইরওয়াউল গালীলে ২৫৯২ একে দুর্বল বলেছেন। ইমাম ইবনু তাইমিয়্যা নাযারিয়াতুল আকদ ৪০ গ্রন্থে বলেন, এই সানাদের কোন দোষ জানায় যায় না।
ইমাম শাওকানী নাইলুল আওতার ৯/১৪৫ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে আবদুল্লাহ বিন যুহর সম্পর্কে একদল ইমাম সমালোচনা করেছেন। ইমাম বাইহাকী আস সুনান আল কুবরা ১০/৮০ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদের ব্যাপারে মতানৈক্য রয়েছে। আলবানী যঈফ নাসায়ী ৩৮২৪ এ একে দুর্বল বলেছেন।
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: اسْتَفْتَى سَعْدُ بْنُ عُبَادَةَ - رضي الله عنه - رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فِي نَذْرٍ كَانَ عَلَى أُمِّهِ, تُوُفِّيَتْ قَبْلِ أَنْ تَقْضِيَهُ? فَقَالَ: «اقْضِهِ عَنْهَا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2761)، ومسلم (1638)
১৩৭৭। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, সাদ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট জানতে চাইলেন যে, আমার মা মারা গেছেন এবং তার উপর মানৎ ছিল, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তার পক্ষ থেকে তা পূর্ণ কর।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৭৫৬, ২৭৬২, ২৭৭০, মুসলিম ১৬৩৮, তিরমিযী ৬৬৯, ১৫৪৬, নাসায়ী ৩৮১৭, ৩৮১৮, ৩৮১৯, আবূ দাউদ ২৮৮২, ৩৩০৭, ইবনু মাজাহ ২১৩২, আহমাদ ৩০৭০, ৩৪৯৪, মালেক ১০২৫।
وَعَنْ ثَابِتِ بْنِ الضَّحَّاكِ - رضي الله عنه - قَالَ: نَذَرَ رَجُلٌ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَنْ يَنْحَرَ إِبِلًا بِبُوَانَةَ, فَأَتَى رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فَسَأَلَهُ: فَقَالَ: «هَلْ كَانَ فِيهَا وَثَنٌ يُعْبَدُ». قَالَ: لَا. قَالَ: «فَهَلْ كَانَ فِيهَا عِيدٌ مِنْ أَعْيَادِهِمْ» فَقَالَ: لَا. فَقَالَ: «أَوْفِ بِنَذْرِكَ; فَإِنَّهُ لَا وَفَاءَ لِنَذْرٍ فِي مَعْصِيَةِ اللَّهِ, وَلَا فِي قَطِيعَةِ رَحِمٍ, وَلَا فِيمَا لَا يَمْلِكُ ابْنُ آدَمَ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالطَّبَرَانِيُّ وَاللَّفْظُ لَهُ, وَهُوَ صَحِيحُ الْإِسْنَادِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (3313)، والطبراني في «الكبير» (2/ 57 - 76/ 1341)
১৩৭৮। সাবিত ইবনু যাহহাক (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, কোন এক লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে বুওয়ানা নামক স্থানে একটা উট যাবাহ করার জন্য নযর মেনেছিল। সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে এসে তাকে জিজ্ঞেস করায় তিনি তাকে বললেন, ঐ স্থানে কি কোন ঠাকুরের মূর্তি ছিল যার পূজা করা হতো? সে বললো, না। তিনি বললেন, সেখানে কি মুশরিকদের কোন ঈদের মেলা হত? সে বললো, না; তা হত না। এবারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তোমার নযর পূরণ কর, কেননা কোন পাপ কাজের নযর, আত্নীয়তা ছিন্ন করার নযার, মানুষ যার অধিকারী নয় এমন বস্তুর নযর পূরণ করার বিধান নেই।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩৩১৩।
وَلَهُ شَاهِدٌ: مِنْ حَدِيثِ كَرْدَمٍ. عِنْدَ أَحْمَدَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
وهو صحيح أيضًا. مسند أحمد (3/ 419)
১৩৭৯। আহমদে কারদাম হতে বর্ণিত এর একটি শাহিদ (সমাৰ্থবোধক হাদীস আছে)[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আহমাদ ১৫০৩০।
وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه: أَنَّ رَجُلًا قَالَ يَوْمَ الْفَتْحِ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنِّي نَذَرْتُ إِنْ فَتَحَ اللَّهُ عَلَيْكَ مَكَّةَ أَنْ أُصَلِّيَ فِي بَيْتِ الْمَقْدِسِ, فَقَالَ: «صَلِّ هَا هُنَا». فَسَأَلَهُ, فَقَالَ: «صَلِّ هَا هُنَا». فَسَأَلَهُ, فَقَالَ: «شَأْنُكَ إِذًا». رَوَاهُ أَحْمَدُ, أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (3/ 363)، وأبو داود (3305)، والحاكم (4/ 304 - 305) بسند على شرط مسلم كما قال الحاكم
১৩৮০। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত; কোন এক ব্যক্তি মাক্কা বিজয়ের দিন বললোঃ হে আল্লাহর রসূল! আমি এরূপ মানত মেনেছি যে, যদি মাক্কা আপনার হাতে বিজিত হয় তবে আমি বাইতুল মাক্বদিসের মসজিদে নামায পড়র। তিনি বললেনঃ তুমি এখানে (মাক্কায়) নামায পড়; তারপর জিজ্ঞাসা করায় বলেঃ এখানে নামায পড়, তারপর তৃতীয় বার জিজ্ঞেস করায় তিনি বলেনঃ তবে তোমার যা ইচ্ছা (হয় কর)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৩৩০৫, আহমাদ ১৪৫০২, ২২৬৫৮, দারেমী ২৩৩৯, হাকিম ৪র্থ খণ্ড ৩০৪ ও ৩০৫ পৃষ্ঠা।