বুলূগুল মারাম
وَعَنْ حَكِيمِ بْنِ مُعَاوِيَةَ الْقُشَيْرِيِّ, عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! مَا حَقُّ زَوْجَةِ أَحَدِنَا عَلَيْهِ? قَالَ: «أَنْ تُطْعِمَهَا إِذَا طَعِمْتَ, وَتَكْسُوَهَا إِذَا اكْتَسَيْتَ, وَلَا تَضْرِبِ الْوَجْهَ, وَلَا تُقَبِّحْ…]». الْحَدِيثُ. وتَقَدَّمَ فِي عِشْرَةِ النِّسَاءِ
১১৪১। হাকীম ইবনু মুআবিয়া আল কুশাইরী (রাঃ) তাঁর পিতা মুআবিয়া হতে রিওয়ায়াত করেন, তিনি বলেন, আমি বললাম হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কারো স্ত্রীর হক তার উপর কতটুকু? তিনি বললেন, তুমি যখন আহার করবে তখন তাকেও আহার করাবে; আর যখন তুমি বস্ত্র পরবে, তখন তাকেও বস্ত্র পরাবে। মুখমণ্ডলে প্রহার করবে না। আর অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করবে না। হাদীসটি ইতিপূর্বে ১০১৮ নং বর্ণিত হয়েছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২১৪২-২১৪৪, ইবনু মাজাহ ১৮৫০।
وَعَنْ جَابِر بْنِ عَبْدِ اللَّهِ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - فِي حَدِيثِ الْحَجِّ بِطُولِهِ - قَالَ فِي ذِكْرِ النِّسَاءِ: «وَلَهُنَّ عَلَيْكُمْ رِزْقُهُنَّ وَكِسْوَتُهُنَّ بِالْمَعْرُوفِ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
১১৪২। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাজ্জ সংক্রান্ত দীর্ঘ হাদীসে মেয়েদের সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে, তোমাদের উপর তাঁদের আহার ও পোশাক ন্যায্যভাবে বহন করা ন্যস্ত রয়েছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১২১৬, বুখারী ১৫১৬, ১৫৬৮, ১৬৫১, ১৭৮৫, তিরমিযী ৮৫৬, ৮৫৭, ৮৬২, ৮৬৯, নাসায়ী ২৯১, ৪২৯, ৬০৪, আবূ দাউদ১৭৮৭, ১৭৮৮, ১৭৮৯, ইবনু মাজাহ ২৯১৩, ২৯১৯, ২৯৫১, আহমাদ ১৩৮০৬, ১৩৮২৬, ১৩৮৬৭, মালিক ৮১৬, ৮৩৫, ৮৩৬, দারেমী ১৮৫০, ১৮৯৯।
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «كَفَى بِالْمَرْءِ إِثْمًا أَنْ يُضَيِّعَ مَنْ يَقُوتُ». رَوَاهُ النَّسَائِيُّ
وَهُوَ عِنْدَ مُسْلِمٍ بِلَفْظِ: «أَنْ يَحْبِسَ عَمَّنْ يَمْلِكُ قُوتَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف بهذا اللفظ. رواه النسائي في «عشرة النساء» (294 و 295)، وأيضا أبو داود (1692) من طريق أبي إسحاق، عن وهب بن جابر، عن عبد الله بن عمرو، به. وفي رواية النسائي الأولى: «يعول» بدل: «يقوت». قلت: ووهب هذا ليس له راو غير أبي إسحاق وقال النسائي: مجهول، وأبى ابن حبان إلا أن يدخله في «الثقات» (5/ 489)، وأما الذهبي فنقل تجهيل ابن المديني له، ثم قال في «الميزان» (4/ 350) لا يكاد يعرف
صحيح. رواه مسلم (996) من طريق خيثمة قال: كنا جلوسا مع عبد الله بن عمرو، إذ جاءه قهرمان له، فدخل. فقال: أعطيت الرقيق قوتهم؟ قال: لا. قال: فانطلق فأعطهم. قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «كفى بالمرء إثما ... » الحديث. قلت: هذا هو أصل الحديث، فمخالفة وهب لمثل خيثمة غير مقبولة، والله أعلم
১১৪৩। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মানুষ পাপী হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে তার পোষ্যকে ভরণ-পোষণ না দিয়ে তাকে নষ্ট করে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আহমাদ ৬৪৫৯, ৬৭৮০, আবূ দাউদ ১৬৯২। এ শব্দে হাদীসটি দুর্বল। ইমাম নাসায়ী তাঁর আশরাতুন নিসা (২৯৪, ২৯৫) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। আবূ দাউদও (১৬৯২) এটি বর্ণনা করেছেন। যার পূর্ণ সানাদ হচ্ছে। আবূ ইসহাক ওয়াহব বিন জাবির থেকে, তিনি আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণনা করেছেন। নাসায়ীর বর্ণনায় يعول এর স্থলে يقوت রয়েছে। শাইখ সুমাইর আয যুহাইর বলেন, ওয়াহব থেকে আবূ ইসহাক ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেননি।
ইমাম নাসায়ী বলেন, আবূ ইসহাক মাজহুল। তবে ইবনু হিব্বান তাঁর সিকাত (৫/৪৮৯) গ্রন্থে তাকে বিশ্বস্ত রাবীদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। ইমাম যাহাবী তাঁর মীযানুল ইতিদাল (৪/৩৫০) গ্রন্থে বলেন, ইবনুল মাদীনী তাকে মাজহুল বলেছেন। তার অবস্থা জানা যায় না।
وَعَنْ جَابِرٍ - يَرْفَعُهُ, فِي الْحَامِلِ الْمُتَوَفَّى عَنْهَا - قَالَ: «لَا نَفَقَةَ لَهَا». أَخْرَجَهُ الْبَيْهَقِيُّ, وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ, لَكِنْ قَالَ: الْمَحْفُوظُ وَقْفُهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه البيهقي (7/ 431) من طريق حرب بن أبي العالية، عن أبي الزبير، عن جابر مرفوعا، به. قلت: وأبو الزبير مدلس وقد عنعنه
১১৪৪। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত; (মারফূ সূত্ৰে) গৰ্ভবতী বিধবা মেয়েদের প্রসঙ্গে বলেন: তাদের জন্য কোন খোর-পোষ হবে না। (কেননা এরূপ ক্ষেত্রে স্বামীর মালের ওয়ারিস হওয়ার সুযোগ বিধবা মেয়েদের জন্য রয়েছে)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম যাহাবী তাঁর আল মুহাযযিবা ৬/৩০৩১ গ্রন্থে একে মারফূ ও এর বর্ণনারীকারীগণকে বিশ্বস্ত বলেছেন। ইবনু উসাইমীন তাঁর বুলুগুল মারামের শরাহ ৫/১৮৮ গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি মারফূ হিসেবে বিশুদ্ধ নয়, তবে মাওকুফ হিসেবে নিরাপদ আর মারফূ হিসেবে শায।
وَثَبَتَ نَفْيُ النَّفَقَةِ فِي حَدِيثِ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ كَمَا تَقَدَّمَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1480) وفيه: «ليس لك عليه نفقة». وتقدم برقم (1004)
১১৪৫। খরচ না পাওয়ার ব্যবস্থা ফাতিমাহ বিনতু ক্বাইস এর হাদীস মূলে আগে সাব্যস্ত হয়েছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৪৮০, তিরমিযী ১১৩৫, ১১৮০, নাসায়ী ৩২২২, ৩২৩৭, ৩২৪৪, আর দাউদ ২২৮৪, ২২২৮, ২২৮৯, ইবনু মাজাহ ১৮৬৯, ২০২৪, ২০৩৫, আহমাদ ২৬৫৬০, ২৬৫৭৫, মালেক ১২৩৪, দারেমী ২১৭৭, ২২৭৪, ২২৭৫।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «الْيَدِ الْعُلْيَا خَيْرٌ مِنَ الْيَدِ السُّفْلَى, وَيَبْدَأُ أَحَدُكُمْ بِمَنْ يَعُولُ». تَقُولُ الْمَرْأَةُ: أَطْعِمْنِي, أَوْ طَلِّقْنِي. رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ, وَإِسْنَادُهُ حَسَنٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه الدارقطني (39791) من طريق عاصم بن بهدلة، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، وزاد: «ويقول عبده: أطعمني واستعملني، ويقول ولده: إلى من تكلنا». ونعم هذا إسناد حسن كما قال الحافظ، ولكن قوله: «تقول المرأة ... » موقوف على أبي هريرة رضي الله عنه، ورفعه خطأ كما بينتْ ذلك رواية البخاري (5355) ففيه «قالوا: سمعت هذا من رسول الله صلى الله عليه وسلم؟ قال: لا. هذا من كيس أبي هريرة». بل قال الحافظ نفسه -رحمه الله- على رواية الدارقطني وجعل هذه الزيادة مرفوعة قال (9/ 501): لا حجة فيه لأن في حفظ عاصم شيئا
১১৪৬। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উপরের হাত (দাতার হাত) নিচের (গ্রহীতার) হাত হতে উত্তম, তোমাদের প্রত্যেকেই তার দান কার্য তার পোষ্যদের মধ্যে আরম্ভ করবে। এমন যেন না হয় যে, বিবি বলতে বাধ্য হবে আমাকে খেতে তাও, না হয় তালাক দাও।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম সুয়ূত্বী তাঁর আল জামেউস সগীর ৬২৫৩ গ্রন্থে একে যঈফ বলেছেন, আহমাদ শাকের মুসনাদ আহমাদ ১১/৭২ গ্রন্থে এর সানাদকে সহীহ বলেছেন। শাইখ আলবানী তাঁর ইরওয়াউল গালীল ৯৮৯ ও৮৯৪ গ্রন্থে সহীহ বলেছেন, সহীহুল জামে ৪৪৮১ একে হাসান বলেছেন, গায়াতুল মারাম ২৪৫ গ্রন্থে বলেন, এই শব্দে দুর্বল, একই গ্রন্থে ২৭০ নং হাদীসে একে দুর্বল বলেছেন। সহীহ তারগীব ১৯৬৫ গ্রন্থে একে হাসান লিগাইরিহী বলেছেন, সহীহ আবূ দাউদ ১৬৯২ গ্রন্থে একে হাসান বলেছেন।
وَعَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ - فِي الرَّجُلِ لَا يَجِدُ مَا يُنْفِقُ عَلَى أَهْلِهِ - قَالَ: يُفَرَّقُ بَيْنَهُمَا. أَخْرَجَهُ سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ: عَنْ سُفْيَانَ, عَنْ أَبِي الزِّنَادِ, عَنْهُ. قَالَ: فَقُلْتُ لِسَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ: سُنَّةٌ? فَقَالَ: سُنَّةٌ. وَهَذَا مُرْسَلٌ قَوِيَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف؛ لإرساله، وإن كان رجاله ثقات. رواه سعيد بن منصور (2/ 55/رقم 2022)
১১৪৭। সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব হতে ঐ ব্যক্তি প্রসঙ্গে বর্ণিত; যে তার বিবিকে খেতে -পরতে দেয়ার সঙ্গতি রাখে না, তিনি বলেন, তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানো যাবে। সাঈদ ইবনু মানসুর সুফইয়ান হতে, তিনি আবূ যিনাদ হতে, তিনি বলেন, সাঈদকে বললাম (এ ব্যবস্থা কি রাসূলের) সুন্নাত মূলে। তিনি বললেনঃ সুন্নাত মূলে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম সনআনী তাঁর সুবুলুস সালাম ৩/৩৪৮ গ্রন্থে বলেন, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িব এর মুরসাল হাদীস আমলযোগ্য। ইমাম শাওকানী তাঁর নাইলুল আওত্বার ৭/১৩২ গ্রন্থে একে শক্তিশালী মুরসাল বলেছেন। ইমাম যাহাবী তাঁর তানকীহুত তাহকীক ২/২২৫ গ্রন্থে একে মুনকার বলেছেন। শাইখ আলবানী তাঁর আত-তালীকাত আর রযীয়্যাহ ২/২৫৮ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদ সহীহ, তবে মারফূ হিসেবে বর্ণনা করলে মুরসাল হবে। আর ইরওয়াউল গালীল ২১৬১ গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন।
وَعَنْ عُمَرَ - رضي الله عنه - أَنَّهُ كَتَبَ إِلَى أُمَرَاءِ الْأَجْنَادِ فِي رِجَالٍ غَابُوا عَنْ نِسَائِهِمْ: أَنْ يَأْخُذُوهُمْ بِأَنَّ يُنْفِقُوا أَوْ يُطَلِّقُوا, فَإِنْ طَلَّقُوا بَعَثُوا بِنَفَقَةِ مَا حَبَسُوا. أَخْرَجَهُ الشَّافِعِيُّ. ثُمَّ الْبَيْهَقِيّ بِإِسْنَادِ حَسَنٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
رواه الشافعي (2/ 65/ رقم 213)، ومن طريقه البيهقي (7/ 469) أخبرنا مسلم بن خالد عن عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، عن عمر، به، قلت: ومسلم بن خالد: هو الزنجي، وهو كثير الأوهام
১১৪৮। উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি সৈন্যবাহিনীর পরিচালকবৃন্দের নিকট লিখেছিলেন, যেসব পুরুষ তাদের স্ত্রীদের থেকে দূরে থাকছে, তাদের ব্যাপারে যেন এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় যে, তারা তাদের স্ত্রীদের খোরপোষ আদায় করুক অথবা তালাক দিয়ে দিক যদি তালাকই দিয়ে দেয়। তবে তাদের আবদ্ধ রাখাকালীন খরচ বিবিদের নিকটে তারা পাঠিয়ে দিক।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসনাদ শাফিঈ ২য় খণ্ড ৬৫ পৃষ্ঠা, হাদীস নং ২১৩, বাইহাকী (৭/৪৬৯), এ হাদীসের একজন বৰ্ণনাকারী মুসলিম বিন খালিদ যানজী যিনি অধিক বিভ্রাটে পতিত হয়েছেন।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! عِنْدِي دِينَارٌ قَالَ: «أَنْفِقْهُ عَلَى نَفْسِكَ». قَالَ: عِنْدِي آخَرُ قَالَ: «أَنْفِقْهُ عَلَى وَلَدِكَ». قَالَ: عِنْدِي آخَرُ قَالَ: «أَنْفِقْهُ عَلَى أَهْلِكَ». قَالَ: عِنْدِي آخَرُ, قَالَ: «أَنْفِقُهُ عَلَى خَادِمِكَ». قَالَ عِنْدِي آخَرُ, قَالَ: «أَنْتَ أَعْلَمَ». أَخْرَجَهُ الشَّافِعِيُّ وَاللَّفْظُ لَهُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَأَخْرَجَهُ النَّسَائِيُّ وَالْحَاكِمُ بِتَقْدِيمِ الزَّوْجَةِ عَلَى الْوَلَدِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه الشافعي (2/ 63 - 64/ رقم 209)، وأبو داود (1691)، والنسائي (5/ 62)، والحاكم (1/ 415) من طريق محمد بن عجلان، عن المقبري، عن أبي هريرة، به. «تنبيه» هذا لفظ الشافعي. وزاد وحده أيضا: قال المقبري: ثم يقول أبو هريرة: إذا حدث بهذا الحديث: يقول ولدك: أنفق علي إلى من تكلني، تقول زوجتك: أنفق علي أو طلقني. يقول خادمك: أنفق علي أو بعني. وأما قول الحافظ في رواية النسائي والحاكم بتقديم الزوجة وعلى الولد فليس كذلك وإنما هذا للنسائي فقط، وأما الحاكم فهو كغيره بتقديم الولد على الزوجة
১১৪৯। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেনঃ কোন লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললো: আমার কাছে একটা দিনার (স্বর্ণমুদ্রা) রয়েছে। তিনি বললেন, তুমি ওটা তোমার জন্য ব্যবহার কর লোকটা বললো: আরো একটা আছে, তিনি বললেন, তুমি ওটা তোমার সন্তানের জন্য খরচ করা। লোকটি বললো, আমার কাছে আরো একটা আছে, তিনি বললেন, তুমি তা তোমার স্ত্রীর জন্য খরচ কর। লোকটি বললো: আমার নিকট আরো একটা আছে। তিনি বললেন, তুমি সেটা তোমাদের খাদিমের জন্য খরচ করো। লোকটি বললো, আমার নিকট আরো আছে। তিনি বললেন, সে প্রসঙ্গে তুমি বেশি জানো।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ১৬৯১, নাসায়ী ২৫৩৫, ৭৩৭১, আহমাদ ৭৩৭১, ৯৭৩৬। হাকিম (১ম খণ্ড ৪১৫ পৃষ্ঠা।) তবে নাসায়ী এবং হাকিমে সন্তানের পূর্বে স্ত্রীর খরচের কথাও আছে।
وَعَنْ بَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ, عَنْ أَبِيهِ, عَنْ جَدِّهِ قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! مَنْ أَبَرُّ قَالَ: «أُمَّكَ». قُلْتُ: ثُمَّ مِنْ قَالَ: «أُمَّكَ». قُلْتُ: ثُمَّ مِنْ قَالَ: «أُمَّكَ». قُلْتُ: ثُمَّ مِنْ قَالَ: «أَبَاكَ, ثُمَّ الْأَقْرَبَ فَالْأَقْرَبَ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيُّ وَحُسَّنَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (5139)، والترمذي، (1897)، وقال الثاني: حديث حسن
১১৫০। বাহয তার পিতা হাকীম হতে, তিনি তার দাদা (রাঃ) হতে, তিনি বলেছেন, আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! কল্যাণ সাধন করার ক্ষেত্রে কে উত্তম? তিনি বললেন, তোমার মা। তারপর কে? তিনি বলেন, তোমার মা। তারপর কে? বললেন: তোমার মা। তারপরে কে? বললেন তোমার পিতা। তারপর যে তোমার যত নিকটাত্মীয় সে তত তোমার কল্যাণের বেশি হক্বদার।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ৫১৩৯, তিরমিযী ১৮৯৭, আহমাদ ১৯৫২৪, ১৯৫৪৪।
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِوٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; أَنَّ اِمْرَأَةً قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنَّ ابْنِي هَذَا كَانَ بَطْنِي لَهُ وِعَاءً, وَثَدْيِي لَهُ سِقَاءً, وَحِجْرِي لَهُ حِوَاءً, وَإِنَّ أَبَاهُ طَلَّقَنِي, وَأَرَادَ أَنْ يَنْتَزِعَهُ مِنِّي. فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَنْتِ أَحَقُّ بِهِ, مَا لَمْ تَنْكِحِي». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أحمد (282)، وأبو داود (2276)، والحاكم (207)، من طريق عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده. وقال الحاكم: «هذا حديث صحيح الإسناد». قلت: وحسبه التحسين للكلام المعروف في هذا السند
১১৫১। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত; কোন এক রমণী এসে বললো: হে আল্লাহর রাসূল! আমার এ পুত্রের জন্য আমার পেট তার আধার, আমার স্তনদ্বয় তার জন্য মশক, আমার কোলই তাঁর আশ্রয় স্থল ছিল। তার পিতা আমাকে ত্বলাক (তালাক) দিয়েছে এবং আমার নিকট হতে তাকে ছিনিয়ে নেয়ার ইচ্ছা করছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ মেয়েটিকে বললেন, তুমিই এ সন্তানের (পালনের) অধিক হাক্বদার যতক্ষণ তুমি অন্য স্বামী গ্ৰহণ না করবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবু দাউদ ২২৭৬, আহমাদ ৬৬৬৮, হাকিম ২০৭।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - أَنَّ امْرَأَةً قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنَّ زَوْجِي يُرِيدُ أَنْ يَذْهَبَ بِابْنِي, وَقَدْ نَفَعَنِي, وَسَقَانِي مِنْ بِئْرِ أَبِي عِنَبَةَ فَجَاءَ زَوْجُهَا, فَقَالَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم: «يَا غُلَامُ! هَذَا أَبُوكَ، وَهَذِهِ أُمُّكَ, فَخُذْ بِيَدِ أَيُّهُمَا شِئْتَ». فَأَخَذَ بِيَدِ أُمِّهِ, فَانْطَلَقَتْ بِهِ. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةُ, وَصَحَّحَهُ التِّرْمِذِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (246)، وأبو داود (2277)، والنسائي (685 - 186)، والترمذي (1357)، وابن ماجه (2351) ولفظ الترمذي: أن النبي صلى الله عليه وسلم خير غلاما بين أبيه وأمه. ولفظ ابن ماجه وأحمد، مثله، وزادا: «يا غلام هذا أبوك، وهذه أمك» وزاد أحمد: «اختر». وقال الترمذي: «حديث حسن صحيح». وفي الحديث قصة عند أبي داود: قال أبو ميمونة: بينما أنا جالس مع أبي هريرة جاءته امرأة فارسية معها ابن لها، فادعياه، وقد طلقها زوجها، فقالت: يا أبا هريرة! ورطنت له بالفارسية، زوجي يريد أن يذهب بابني، فقال أبو هريرة: استهما عليه، ورطن لها بذلك، فجاء زوجها، فقال: من يحاقني في ولدي؟ فقال أبو هريرة: اللهم إني لا أقول هذا إلا أني سمعت امرأة جاءت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنا قاعد عنده فقالت: يا رسول الله… الحديث. وفيه من قوله صلى الله عليه وسلم: «استهما عليه». قبل: تخيير الغلام
১১৫২। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত; কোন এক রমণী বলল: হে আল্লাহর রাসূল! আমার স্বামী আমার পুত্রকে নিয়ে যেতে চান আর ঐ পুত্র আমার উপকার করছে এবং ইনাবার কুয়া হতে আমাকে পানি এনে পান করাচ্ছে। তারপর তার স্বামী এসে গেল তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: হে বৎস! এটা তোমার পিতা আর এটা তোমার মাতা, তুমি তাদের যে কোন একজনের হাত ধরা বালকটি তার মা-এর হাত ধরলো। ফলে তার মা তাকে নিয়ে চলে গেল।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ২২৭৭, তিরমিযী ১৩৫৭, নাসায়ী ৩৪৯৬, আহমাদ ৯৪৭৯, দারেমী ২২৯৩।
وَعَنْ رَافِعِ بْنِ سِنَانٍ; أَنَّهُ أَسْلَمَ, وَأَبَتِ امْرَأَتُهُ أَنْ تُسْلِمَ. فَأَقْعَدَ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - الْأُمَّ نَاحِيَةً, وَالْأَبَ نَاحِيَةً, وَأَقْعَدَ الصَّبِيَّ بَيْنَهُمَا. فَمَالَ إِلَى أُمِّهِ, فَقَالَ: «اللَّهُمَّ اهْدِهِ». فَمَالَ إِلَى أَبِيهِ, فَأَخَذَهُ. أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَالْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (2244)، والنسائي (685)، والحاكم (206 - 213) وقال الحاكم: حديث صحيح الإسناد ولم يخرجاه
১১৫৩। রাফি ইবনু সিনান (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি ইসলাম ক্ববুল করলেন আর তার স্ত্রী ইসলাম ক্ববুল করতে অস্বীকার করে। এরূপ অবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (কাফিরা) মাকে এক প্রান্তে বসালেন এবং পিতাকে বসালেন এবং বালকটিকে দুজনের মাঝে বসালেন। বালকটি তার মার দিকে ঝুঁকে পড়তে আরম্ভ করলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ বলে দুয়া করলেন, হে আল্লাহ! তাকে সঠিক পথের সন্ধান দাও। তারপর সে তার পিতার দিকে অগ্রসর হলো, ফলে তার পিতা তাকে ধরে নিলো।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২২৪৪, আহমাদ ২৩২৪৫।
وَعَنْ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَضَى فِي ابْنَةِ حَمْزَةَ لِخَالَتِهَا, وَقَالَ: «الْخَالَةُ بِمَنْزِلَةِ الْأُمِّ». أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. وهو قطعة من حديث رواه البخاري (2699)
১১৫৪। বারা ইবনু আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হামযার কন্যা প্রসঙ্গে (দাবী উঠলে) খালার পক্ষে ফয়সালা দিলেন এবং বললেন, ‘খালা মায়ের স্থান অধিকারিণী।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৭৮১, ১৮৪৪, ২৬৯৮, ৩১৮৪, ৪২৫৮, মুসলিম ১৭৮৩, তিরমিযী ৯৩৮, ১৯০৪, আর দাউদ ১৮৩২, আহমাদ ১৮০৭৪, ১৮০৯৫, দারেমী ২৫০৭।
وَأَخْرَجَهُ أَحْمَدُ: مِنْ حَدِيثِ عَلَيٍّ فَقَالَ: وَالْجَارِيَةُ عِنْدَ خَالَتِهَا, فَإِنَّ الْخَالَةَ وَالِدَةٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (770)
১১৫৫। ইমাম আহমাদ হাদীসটিকে আলি (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন, তাতে আছে: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: মেয়ে খালার নিকটে থাকবে, কেননা খালা মাতার সমতুল্য।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আহমাদ ৭৭২, আবূ দাউদ২২৭৮।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا أَتَى أَحَدَكُمْ خَادِمُهُ بِطَعَامِهِ, فَإِنْ لَمْ يُجْلِسْهُ مَعَهُ, فَلْيُنَاوِلْهُ لُقْمَةً أَوْ لُقْمَتَيْنِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5460)، ومسلم (1663)، ولمسلم: (أُكلة أو أُكلتين) وهي أيضا للبخاري، وفسرها أحد رواة مسلم بـ: «لقمة أو لقمتين». وزاد البخاري: «فإنه ولي حره وعلاجه» ولمسلم: حره ودخانه
১১৫৬। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কারো খাদিম যখন তার খাবার নিয়ে আসে, তখন তাকে যদি সাথে না বসায় তাহলে সে যেন তাকে এক লুকমা বা দু লুকমা খাবার দেয়।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৫৫৭, মুসলিম ১৬৬৩, তিরমিযী ১৮৫৩, ইবনু মাজাহ ৩২৮৯, ৩২৯০, আহমাদ ৭২৯৩, ৭৪৬২, ৭৬৬৯, দারেমী ২০৭৩, ২০৭৪।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا; عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «عُذِّبَتْ امْرَأَةٌ فِي هِرَّةٍ سَجَنَتْهَا حَتَّى مَاتَتْ, فَدَخَلْتِ النَّارَ فِيهَا, لَا هِيَ أَطْعَمَتْهَا وَسَقَتْهَا إِذْ هِيَ حَبَسَتْهَا, وَلَا هِيَ تَرَكَتْهَا, تَأْكُلُ مِنْ خَشَاشِ الْأَرْضِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (3482)، ومسلم (2242)
১১৫৭। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: এক নারীকে একটি বিড়ালের কারণে আযাব দেয়া হয়েছিল। সে বিড়ালটিকে বেঁধে রেখেছিল। সে অবস্থায় বিড়ালটি মরে যায়। মহিলাটি ঐ কারণে জাহান্নামে গেল। কেননা সে বিড়ালটিকে খানা-পিনা কিছুই করাইনি এবং ছেড়েও দেয়নি যাতে সে যমীনের পোকা-মাকড় খেয়ে বেঁচে থাকত।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] উক্ত হাদীসটি মুসলিমের শব্দানুযায়ী বর্ণিত হয়েছে। কেননা বুখারীর বর্ণনায় يوم القيامة শব্দটির উল্লেখ নেই। বুখারী ২৩৬৫, ৩৩১৮, মুসলিম ২২৪২, দারেমী ২৮১৪।
عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا يَحِلُّ دَمُ امْرِئٍ مُسْلِمٍ; يَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ, وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ, إِلَّا بِإِحْدَى ثَلَاثٍ: الثَّيِّبُ الزَّانِي, وَالنَّفْسُ بِالنَّفْسِ, وَالتَّارِكُ لِدِينِهِ; الْمُفَارِقُ لِلْجَمَاعَةِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6878)، ومسلم (1676)
১১৫৮। ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল এ সত্যে বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও এর প্রতি স্বীকৃতি ঘোষণা করেছে এমন কোন মুসলিমের জীবননাশ বৈধ নয়, তবে যদি সে তিনটি অপরাধের কোন একটি করে বসে (১) বিবাহিত হওয়ার পর যিানা (ব্যভিচার) করে (২) অন্যায়ভাবে কারো জীবন নাশ করে, (৩) ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করতঃ মুসলিমের জামাআত হতে যে দূরে চলে যায়।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৮৭৮, মুসলিম ১৬৭৬, তিরমিযী ১৪০২, নাসায়ী ৪০১৬, আর দাউদ ৪৩৫২, ইবনু মাজাহ ২৫৩৪, আহমাদ ৩৬১৪, ৪০৫৫ দারেমী ২২৯৮, ২৪৪৭।
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا, عَنْ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا يَحِلُّ قَتْلُ مُسْلِمٍ إِلَّا فِي إِحْدَى ثَلَاثِ خِصَالٍ: زَانٍ مُحْصَنٌ فَيُرْجَمُ, وَرَجُلٌ يَقْتُلُ مُسْلِمًا مُتَعَمِّدًا فَيُقْتَلُ, وَرَجُلٌ يَخْرُجُ مِنَ الْإِسْلَامِ فَيُحَارِبُ اللَّهَ وَرَسُولَهُ, فَيُقْتَلُ, أَوْ يُصْلَبُ, أَوْ يُنْفَى مِنَ الْأَرْضِ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (4353)، والنسائي (7/ 91)، والحاكم (4/ 367)
১১৫৯। আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত; রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিম ব্যক্তি যদি সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রসূল, তবে তিন-তিনটি কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করা বৈধ নয়। (যথা) বিবাহিত ব্যভিচারী, জানের বদলে জান, আর নিজের দীন ত্যাগকারী মুসলিম জামাআত থেকে পৃথক হয়ে যাওয়া ব্যক্তি।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ৪৩৫৩, নাসায়ী ৪০১৬, ৪০১৭, ৪০৪৮, আহমাদ ২৩৭৮৩, ২৫১৭২।
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَوَّلُ مَا يُقْضَى بَيْنَ النَّاسِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فِي الدِّمَاءِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6533)، ومسلم (1678) واللفظ لمسلم، إذ البخاري ليس عنده اللفظ: يوم القيامة
১১৬০। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিবসে মানুষের হক্ব প্রসঙ্গে সবার আগে খুনের বিচার করা হবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৮৬৪, মুসলিম ১৬৭৮, তিরমিযী ১৩৯৬, ১৩৯৭, নাসায়ী ৩৯৯১, ৩৯৯২, ইবনু মাজাহ ২৬১৫, ২৬১৭, আহমাদ ৩৬৬৫, ৪১৮৮, ৪২০১।