হাদীস বিএন


সহীহুল বুখারী





সহীহুল বুখারী (5624)


مُوسٰى بْنُ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ جَابِرٍ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ أَطْفِئُوا الْمَصَابِيحَ إِذَا رَقَدْتُمْ وَغَلِّقُوا الأَبْوَابَ وَأَوْكُوا الأَسْقِيَةَ وَخَمِّرُوا الطَّعَامَ وَالشَّرَابَ وَأَحْسِبُه“ قَالَ وَلَوْ بِعُودٍ تَعْرُضُه“ عَلَيْهِ.




জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা যখন ঘুমাবে তখন বাতি নিভিয়ে দেবে, দরজাগুলো বন্ধ করবে, মশ্‌কের মুখ বন্ধ করবে, খাদ্য ও পানীয় দ্রব্যাদি ঢেকে রাখবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় তিনি আরো বলেছেন, কমপক্ষে একটি কাঠ আড়াআড়ি করে পাত্রের উপর রেখে দেবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১০৯)









সহীহুল বুখারী (5625)


آدَمُ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُتْبَةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ نَهٰى رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ اخْتِنَاثِ الأَسْقِيَةِ يَعْنِي أَنْ تُكْسَرَ أَفْوَاهُهَا فَيُشْرَبَ مِنْهَا.




আবূ সা‘ইদ খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মশ্‌কের মুখ খুলে, তাতে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১০)









সহীহুল বুখারী (5626)


مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ أَخْبَرَنَا يُونُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللهِ بْنُ عَبْدِ اللهِ أَنَّه“ سَمِعَ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ يَقُوْلُ سَمِعْتُ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَنْهٰى عَنْ اخْتِنَاثِ الأَسْقِيَةِ
قَالَ عَبْدُ اللهِ قَالَ مَعْمَرٌ أَوْ غَيْرُه“ هُوَ الشُّرْبُ مِنْ أَفْوَاهِهَا.




আবূ সা‘ইদ খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ‘ইখ্‌তিনাসিল আসকিয়া’ (মশ্‌কের মুখ খুলে তাতে মুখ লাগিয়ে পান করা) হতে নিষেধ করতে শুনেছি।
‘আবদুল্লাহ্‌ (রাহিঃ) বলেন, মা‘মার কিংবা অন্য কেউ বলেছেন, ‘ইখ্‌তিনাস’ হল মশ্‌কের মুখে মুখ লাগিয়ে তাথেকে পানি পান করা। [৫৬২৫; মুসলিম ৩৬/১৪, হাঃ ২০২৩, আহমাদ ১১৬৬২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১১)









সহীহুল বুখারী (5627)


عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ قَالَ لَنَا عِكْرِمَةُ أَلاَ أُخْبِرُكُمْ بِأَشْيَاءَ قِصَارٍ حَدَّثَنَا بِهَا أَبُو هُرَيْرَةَ نَهٰى رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ الشُّرْبِ مِنْ فَمِ الْقِرْبَةِ أَوْ السِّقَاءِ وَأَنْ يَمْنَعَ جَارَه“ أَنْ يَغْرِزَ خَشَبَه“ فِي دَارِهِ.




আইউব (রাহিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইক্‌রামাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাদের বললেন, আমি তোমাদের সংক্ষিপ্ত এমন কতকগুলো কথা জানাব কি যেগুলো আমাদের কাছে আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণনা করেছেন? (তা হল) রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বড় কিংবা ছোট মশ্‌কের মুখে পানি পান করতে এবং প্রতিবেশীকে তার দেয়ালের উপর খুঁটি গাড়ার ব্যাপারে বাধা দিতে নিষেধ করেছেন। [৫১](আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১২)









সহীহুল বুখারী (5628)


مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ نَهٰى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يُشْرَبَ مِنْ فِي السِّقَاءِ.




আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মশকের মুখ থেকে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৩)









সহীহুল বুখারী (5629)


مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ حَدَّثَنَا خَالِدٌ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ نَهٰى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عَنْ الشُّرْبِ مِنْ فِي السِّقَاءِ.




ইবনু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মশ্‌কের মুখ থেকে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৪)









সহীহুল বুখারী (5630)


أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا شَيْبَانُ عَنْ يَحْيٰى عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا شَرِبَ أَحَدُكُمْ فَلاَ يَتَنَفَّسْ فِي الإِنَاءِ وَإِذَا بَالَ أَحَدُكُمْ فَلاَ يَمْسَحْ ذَكَرَه“ بِيَمِينِه„ وَإِذَا تَمَسَّحَ أَحَدُكُمْ فَلاَ يَتَمَسَّحْ بِيَمِينِهِ.




‘আবদুল্লাহ্‌র পিতা আবূ ক্বাতাদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কোন ব্যক্তি যখন পানি পান করবে সে যেন তখন পানির পাত্রে নিঃশ্বাস না ফেলে। আর তোমাদের কেউ যখন প্রস্রাব করে, সে যেন ডান হাতে তার লজ্জাস্থান স্পর্শ না করে এবং তোমাদের কেউ যখন শৌচ কার্য করে তখন সে যেন ডান হাতে তা না করে। [৫২](আধুনিক প্রকাশনী- ৫২১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৫)









সহীহুল বুখারী (5631)


أَبُو عَاصِمٍ وَأَبُو نُعَيْمٍ قَالاَ حَدَّثَنَا عَزْرَةُ بْنُ ثَابِتٍ قَالَ أَخْبَرَنِي ثُمَامَةُ بْنُ عَبْدِ اللهِ قَالَ كَانَ أَنَسٌ يَتَنَفَّسُ فِي الإِنَاءِ مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا وَزَعَمَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَتَنَفَّسُ ثَلاَثًا.




সুমামা ইবনু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাহিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর নিয়ম ছিল, তিনি দুই কিংবা তিন নিঃশ্বাসে পাত্র হতে পানি পান করতেন। তিনি মনে করতেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিন নিঃশ্বাসে পানি পান করতেন। [৫৩]আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৬)









সহীহুল বুখারী (5632)


حَفْصُ بْنُ عُمَرَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنِ الْحَكَمِ عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلٰى قَالَ كَانَ حُذَيْفَةُ بِالْمَدَايِنِ فَاسْتَسْقٰى فَأَتَاه“ دِهْقَانٌ بِقَدَحِ فِضَّةٍ فَرَمَاه“ بِه„ فَقَالَ إِنِّي لَمْ أَرْمِه„ إِلاَّ أَنِّي نَهَيْتُه“ فَلَمْ يَنْتَهِ وَإِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَانَا عَنِ الْحَرِيرِ وَالدِّيبَاجِ وَالشُّرْبِ فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ وَقَالَ هُنَّ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا وَهِيَ لَكُمْ فِي الآخِرَةِ.




ইবনু আবূ লাইলা (রাহিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হুযাইফা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) মাদায়েন অঞ্চলে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তিনি পানি পান করতে চাইলেন। তখন এক গ্রামবাসী একটি রূপার পাত্রে পানি এনে তাঁকে দিল। তিনি পানি সহ পেয়ালাটি ছুঁড়ে মারলেন। এরপর তিনি বললেনঃ আমি এটি ছুঁড়ে ফেলতাম না, কিন্তু আমি তাকে নিষেধ করার পরও সে তা থেকে বিরত হয়নি। অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিষেধ করেছেন মোটা ও পাতলা রেশমের কাপড় পরতে, স্বর্ণ ও রৌপ্যের পান-পাত্র ব্যবহার করতে। তিনি আরো বলেছেনঃ উল্লেখিত বস্তুগুলো হ’ল দুনিয়াতে কাফির সম্প্রদায়ের জন্য; আর আখিরাতে তোমাদের জন্য।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৭)









সহীহুল বুখারী (5633)


مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنّٰى حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ ابْنِ عَوْنٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلٰى قَالَ خَرَجْنَا مَعَ حُذَيْفَةَ وَذَكَرَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لاَ تَشْرَبُوا فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ وَلاَ تَلْبَسُوا الْحَرِيرَ وَالدِّيبَاجَ فَإِنَّهَا لَهُمْ فِي الدُّنْيَا وَلَكُمْ فِي الآخِرَةِ.




ইবনু আবূ লাইলা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা হুযাইফা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সঙ্গে বাইরে বের হলাম। এ সময় তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কথা আলোচনা করেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা স্বর্ণ ও রৌপ্য পাত্রে পান করবে না। আর মোটা বা পাতলা রেশম বস্ত্র পরিধান করবে না। কেননা, এগুলো দুনিয়াতে তাদের (অর্থাৎ অমুসলিমদের) জন্য ভোগ্যবস্তু। আর তোমাদের জন্য হল আখিরাতের ভোগ্যবস্তু।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৮)









সহীহুল বুখারী (5634)


إِسْمَاعِيلُ قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ الَّذِي يَشْرَبُ فِي إِنَاءِ الْفِضَّةِ إِنَّمَا يُجَرْجِرُ فِي بَطْنِه„ نَارَ جَهَنَّمَ.




নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সহধর্মিনী উম্মু সালামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রৌপ্য পাত্রে পান করে সে তো তার উদরে জাহান্নামের অগ্নি প্রবিষ্ট করায়।[মুসলিম ৩৭/১, হাঃ ২০৬৫, আহমাদ ২৬৬৪৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১১৯)









সহীহুল বুখারী (5635)


مُوسٰى بْنُ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ الأَشْعَثِ بْنِ سُلَيْمٍ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ سُوَيْدِ بْنِ مُقَرِّنٍ عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ قَالَ أَمَرَنَا رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بِسَبْعٍ وَنَهَانَا عَنْ سَبْعٍ أَمَرَنَا بِعِيَادَةِ الْمَرِيضِ وَاتِّبَاعِ الْجِنَازَةِ وَتَشْمِيتِ الْعَاطِسِ وَإِجَابَةِ الدَّاعِي وَإِفْشَاءِ السَّلاَمِ وَنَصْرِ الْمَظْلُومِ وَإِبْرَارِ الْمُقْسِمِ وَنَهَانَا عَنْ خَوَاتِيمِ الذَّهَبِ وَعَنْ الشُّرْبِ فِي الْفِضَّةِ أَوْ قَالَ آنِيَةِ الْفِضَّةِ وَعَنِ الْمَيَاثِرِ وَالْقَسِّيِّ وَعَنْ لُبْسِ الْحَرِيرِ وَالدِّيبَاجِ وَالإِسْتَبْرَقِ.




বারা’ ইবনু ‘আযিব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাতটি বিষয়ের হুকুম দিয়েছেন এবং সাতটি বিষয় থেকে নিষেধ করেছেন। তিনি আমাদের হুকুম দিয়েছেনঃ রোগীর সেবা শুশ্রুষা করতে, জানাযার পেছনে যেতে, হাঁচি প্রদানকারীর জবাব দিতে, দাওয়াতদাতার দাওয়াত গ্রহণ করতে, সালামের প্রসার ঘটাতে, অত্যাচারিতকে সাহায্য করতে এবং শপথকারীকে শপথ রক্ষার সুযোগ করে দিতে। আর আমাদের তিনি নিষেধ করেছেনঃ স্বর্ণের আংটি ব্যবহার করতে, কিংবা তিনি বলেছেন, রৌপ্য পাত্রে পানি পান করতে, মায়াসির অর্থাৎ এক প্রকার নরম ও মসৃণ রেশমী কাপড় কালসী অর্থাৎ রেশম মিশ্রিত কাপড় ব্যবহার করতে এবং পাতলা কিংবা মোটা এবং অলঙ্কার খচিত রেশমী বস্ত্র পরিধান করতে। [১২৩৯; মুসলিম ৩৭/১, হাঃ ২০৬৬, আহমাদ ১৮৫৩০] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২০)









সহীহুল বুখারী (5636)


عَمْرُو بْنُ عَبَّاسٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمٰنِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سَالِمٍ أَبِي النَّضْرِ عَنْ عُمَيْرٍ مَوْلٰى أُمِّ الْفَضْلِ عَنْ أُمِّ الْفَضْلِ أَنَّهُمْ شَكُّوا فِي صَوْمِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ عَرَفَةَ فَبَعَثَتْ إِلَيْهِ بِقَدَحٍ مِنْ لَبَنٍ فَشَرِبَهُ.




উম্মুল ফায্‌ল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, লোকজন ‘আরাফাহ’র দিনে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সিয়াম পালন সম্পর্কে সন্দেহ করল। তখন আমি তাঁর নিকট একটি পেয়ালায় কিছু দুধ পাঠালাম। তিনি তা পান করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২১)









সহীহুল বুখারী (5637)


سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ حَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو حَازِمٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ ذُكِرَ لِلنَّبِيِّصلى الله عليه وسلم امْرَأَةٌ مِنَ الْعَرَبِ فَأَمَرَ أَبَا أُسَيْدٍ السَّاعِدِيَّ أَنْ يُرْسِلَ إِلَيْهَا فَأَرْسَلَ إِلَيْهَا فَقَدِمَتْ فَنَزَلَتْ فِي أُجُمِ بَنِي سَاعِدَةَ فَخَرَجَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم حَتّٰى جَاءَهَا فَدَخَلَ عَلَيْهَا فَإِذَا امْرَأَةٌ مُنَكِّسَةٌ رَأْسَهَا فَلَمَّا كَلَّمَهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ أَعُوذُ بِاللهِ مِنْكَ فَقَالَ قَدْ أَعَذْتُكِ مِنِّي فَقَالُوا لَهَا أَتَدْرِينَ مَنْ هٰذَا قَالَتْ لاَ قَالُوا هٰذَا رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم جَاءَ لِيَخْطُبَكِ قَالَتْ كُنْتُ أَنَا أَشْقٰى مِنْ ذ‘لِكَ فَأَقْبَلَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَئِذٍ حَتّٰى جَلَسَ فِي سَقِيفَةِ بَنِي سَاعِدَةَ هُوَ وَأَصْحَابُه“ ثُمَّ قَالَ اسْقِنَا يَا سَهْلُ فَخَرَجْتُ لَهُمْ بِهٰذَا الْقَدَحِ فَأَسْقَيْتُهُمْ فِيهِ فَأَخْرَجَ لَنَا سَهْلٌ ذ‘لِكَ الْقَدَحَ فَشَرِبْنَا مِنْه“ قَالَ ثُمَّ اسْتَوْهَبَه“ عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بَعْدَ ذ‘لِكَ فَوَهَبَه“ لَهُ.




সাহ্‌ল ইবনু সা’দ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে আরবের এক মহিলার কথা আলোচনা করা হলে, তিনি আবূ উসাইদ সা’ঈদী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে আদেশ দিলেন, সেই মহিলার নিকট কাউকে পাঠাতে। তখন তিনি তার নিকট একজনকে পাঠালে সে আসলো এবং সায়িদা গোত্রের দূর্গে অবতরণ করল। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বেরিয়ে এসে তার কাছে গেলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দূর্গে তার কাছে প্রবেশ করে দেখলেন, এক স্ত্রীলোক মাথা ঝুঁকিয়ে বসে আছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তার সঙ্গে কথাবার্তা বললেন, তখন সে বলে উঠল, আমি আপনার থেকে আল্লাহ্‌র নিকট পানাহ চাই। তখন তিনি বললেনঃ আমি তোমাকে পানাহ দিলাম। তখন লোকেরা তাকে বলল, তুমি কি জান ইনি কে? সে বললঃ না। তারা বললঃ ইনি তো আল্লাহ্‌র রাসূল। তোমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে এসেছিলেন। সে বলল, এ মর্যাদা থেকে আমি চিরদিনের জন্য বঞ্চিতা। এরপর সেই দিনই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এগিয়ে গেলেন এবং তিনি ও তাঁর সাহাবীগণ অবশেষে বানী সায়িদার চত্বরে এসে বসে পড়লেন। এরপর বললেনঃ হে সাহল! আমাদের পানি পান করাও। সাহ্‌ল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তখন আমি তাঁদের জন্য এ পেয়ালাটিই বের করে আনি এবং তা দিয়ে তাঁদের পান করাই। বর্ণনাকারী বলেন, সাহ্‌ল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তখন আমাদের কাছে সেই পেয়ালা বের করে আনলে আমরা তাতে করে পানি পান করি। তিনি বলেছেনঃ পরবর্তীতে ‘উমর ইবনু ‘আব্দুল ‘আযীয (রাহিঃ) তাঁর নিকট হতে সেটি দান হিসাবে পেতে চাইলে, তিনি তাঁকে তা হেবা করে দেন। [৫২৫৬; মুসলিম ৩৬/৯, হাঃ ২০০৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২২)









সহীহুল বুখারী (5638)


الْحَسَنُ بْنُ مُدْرِكٍ قَالَ حَدَّثَنِي يَحْيٰى بْنُ حَمَّادٍ أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ قَالَ رَأَيْتُ قَدَحَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عِنْدَ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ وَكَانَ قَدْ انْصَدَعَ فَسَلْسَلَه“ بِفِضَّةٍ قَالَ وَهُوَ قَدَحٌ جَيِّدٌ عَرِيضٌ مِنْ نُضَارٍ قَالَ قَالَ أَنَسٌ لَقَدْ سَقَيْتُ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم فِي هٰذَا الْقَدَحِ أَكْثَرَ مِنْ كَذَا وَكَذَا
قَالَ وَقَالَ ابْنُ سِيرِينَ إِنَّه“ كَانَ فِيهِ حَلْقَةٌ مِنْ حَدِيدٍ فَأَرَادَ أَنَسٌ أَنْ يَجْعَلَ مَكَانَهَا حَلْقَةً مِنْ ذَهَبٍ أَوْ فِضَّةٍ فَقَالَ لَه“ أَبُو طَلْحَةَ لاَ تُغَيِّرَنَّ شَيْئًا صَنَعَه“ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَتَرَكَهُ.




আসিম আহওয়াল (রাহিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর কাছে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কর্তৃক ব্যবহৃত একটি পেয়ালা দেখেছি। সেটি ফেটে গিয়েছিল। এরপর তিনি তা রূপা দিয়ে জোড়া দেন। বর্ণনাকারী আসিম বলেন, সেটি ছিল উৎকৃষ্ট, চওড়া ও নুযর কাঠের তৈরি। আসিম বলেন, আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ পেয়ালায় বহুবার পানি পান করিয়েছি।

আসিম বলেন, ইবনু সীরীন (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেনঃ পেয়ালাটিতে বৃত্তাকারে লোহা বসানো ছিল। তাই আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ইচ্ছে করেছিলেন, লোহার বৃত্তের জায়গায় সোনা বা রূপার একটি বৃত্ত বসাতে। তখন আবূ তালহা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাঁকে বললেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেভাবে বানিয়েছেন, তাতে কোন পরিবর্তন করো না। ফলে তিনি তার ইচ্ছে পরিত্যাগ করলেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২৩)









সহীহুল বুখারী (5639)


قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ الأَعْمَشِ قَالَ حَدَّثَنِي سَالِمُ بْنُ أَبِي الْجَعْدِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ هٰذَا الْحَدِيثَ قَالَ قَدْ رَأَيْتُنِي مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَدْ حَضَرَتْ الْعَصْرُ وَلَيْسَ مَعَنَا مَاءٌ غَيْرَ فَضْلَةٍ فَجُعِلَ فِي إِنَاءٍ فَأُتِيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلمبِه„ فَأَدْخَلَ يَدَه“ فِيهِ وَفَرَّجَ أَصَابِعَه“ ثُمَّ قَالَ حَيَّ عَلٰى أَهْلِ الْوُضُوءِ الْبَرَكَةُ مِنَ اللهِ فَلَقَدْ رَأَيْتُ الْمَاءَ يَتَفَجَّرُ مِنْ بَيْنِ أَصَابِعِه„ فَتَوَضَّأَ النَّاسُ وَشَرِبُوا فَجَعَلْتُ لاَ آلُوا مَا جَعَلْتُ فِي بَطْنِي مِنْه“ فَعَلِمْتُ أَنَّه“ بَرَكَةٌ قُلْتُ لِجَابِرٍ كَمْ كُنْتُمْ يَوْمَئِذٍ قَالَ أَلْفًا وَأَرْبَعَ مِائَةٍ تَابَعَه“ عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ عَنْ جَابِرٍ
وَقَالَ حُصَيْنٌ وَعَمْرُو بْنُ مُرَّةَ عَنْ سَالِمٍ عَنْ جَابِرٍ خَمْسَ عَشْرَةَ مِائَةً وَتَابَعَه“ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ عَنْ جَابِرٍ.




জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম, তখন আসরের ওয়াক্ত। অথচ আমাদের সাথে বেঁচে যাওয়া অল্প পানি ছাড়া কিছুই ছিল না। তখন সেটুকু একটি পাত্রে রেখে পাত্রটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে পেশ করা হল। তিনি পাত্রটির মধ্যে নিজের হাত প্রবেশ করালেন এবং আঙ্গুলগুলো ছড়িয়ে দিলেন। এরপর বললেনঃ এসো, যাদের অযূর দরকার আছে। বরকত তো আসে আল্লাহ্‌র নিকট হতে। জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তখন আমি দেখলাম নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আঙ্গুলগুলোর ফাঁক থেকে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। লোকজন অযূ করল এবং পানি পান করল। আমিও আমার পেটে যতটুকু সম্ভব ছিল ততটুকু পান করতে কসুর করলাম না। কেননা, আমি জানতাম এটি বরকতের পানি। রাবী বলেন, আমি জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বললামঃ সে দিন আপনারা কত জন ছিলেন? তিনি বললেনঃ এক হাজার চারশ’ জন। জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সূত্রে ‘আম্‌র এরকমই বর্ণনা করেছেন।
সালিম, জাবিরের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সূত্রের মাধ্যমে হুসাইন ও ‘আম্‌র ইবনু মুররা চৌদ্দশ’র জায়গায় পনেরশ’র কথা বলেছেন। সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে এরকমই বর্ণনা করেছেন।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২৪)









সহীহুল বুখারী (5640)


حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَا مِنْ مُصِيبَةٍ تُصِيبُ الْمُسْلِمَ إِلاَّ كَفَّرَ اللَّهُ بِهَا عَنْهُ، حَتَّى الشَّوْكَةِ يُشَاكُهَا ‏"‏‏.‏




আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিম ব্যক্তির উপর যে সকল বিপদ-আপদ আসে এর দ্বারা আল্লাহ্‌ তার পাপ দূর করে দেন। এমনকি যে কাঁটা তার শরীরে ফুটে এর দ্বারাও।[মুসলিম ৪৫/১৪, হাঃ ২৫৭২, আহমাদ ২৪৮৮২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২৫)









সহীহুল বুখারী (5641)


عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَمْرٍو حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَلْحَلَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَا يُصِيبُ الْمُسْلِمَ مِنْ نَصَبٍ وَلاَ وَصَبٍ وَلاَ هَمٍّ وَلاَ حُزْنٍ وَلاَ أَذًى وَلاَ غَمٍّ حَتّٰى الشَّوْكَةِ يُشَاكُهَا إِلاَّ كَفَّرَ اللهُ بِهَا مِنْ خَطَايَاهُ.




আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিম ব্যক্তির উপর যে কষ্ট ক্লেশ, রোগ-ব্যাধি, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তা, কষ্ট ও পেরেশানী আসে, এমনকি যে কাঁটা তার দেহে ফুটে, এ সবের মাধ্যমে আল্লাহ্‌ তার গুণাহসমূহ ক্ষমা করে দেন।[মুসলিম ৪৫/১৪, হাঃ ২৫৭৩]আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২৬)









সহীহুল বুখারী (5642)


عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَمْرٍو حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَلْحَلَةَ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَا يُصِيبُ الْمُسْلِمَ مِنْ نَصَبٍ وَلاَ وَصَبٍ وَلاَ هَمٍّ وَلاَ حُزْنٍ وَلاَ أَذًى وَلاَ غَمٍّ حَتّٰى الشَّوْكَةِ يُشَاكُهَا إِلاَّ كَفَّرَ اللهُ بِهَا مِنْ خَطَايَاهُ.




আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও আবূ হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুসলিম ব্যক্তির উপর যে কষ্ট ক্লেশ, রোগ-ব্যাধি, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তা, কষ্ট ও পেরেশানী আসে, এমনকি যে কাঁটা তার দেহে ফুটে, এ সবের মাধ্যমে আল্লাহ্‌ তার গুণাহসমূহ ক্ষমা করে দেন।[মুসলিম ৪৫/১৪, হাঃ ২৫৭৩]আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২৬)









সহীহুল বুখারী (5643)


مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيٰى عَنْ سُفْيَانَ عَنْ سَعْدٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ كَعْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَثَلُ الْمُؤْمِنِ كَالْخَامَةِ مِنَ الزَّرْعِ تُفَيِّئُهَا الرِّيحُ مَرَّةً وَتَعْدِلُهَا مَرَّةً وَمَثَلُ الْمُنَافِقِ كَالأَرْزَةِ لاَ تَزَالُ حَتّٰى يَكُونَ انْجِعَافُهَا مَرَّةً وَاحِدَةً وَقَالَ زَكَرِيَّاءُ حَدَّثَنِي سَعْدٌ حَدَّثَنَا ابْنُ كَعْبٍ عَنْ أَبِيهِ كَعْبٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم.




কা’ব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মু’মিন ব্যক্তির উদাহরণ হল শস্যক্ষেতের নরম চারা গাছের মত, যাকে বাতাস একবার কাত করে ফেলে, আরেকবার সোজা করে দেয়। আর মুনাফিকের দৃষ্টান্ত, ভূমির উপর শক্তভাবে স্থাপিত বৃক্ষ, যাকে কিছুতেই নোয়ানো যায় না। শেষে এক ঝটকায় মূলসহ তা উপড়ে যায়। যাকারিয়্যা...... কা’ব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আমাদের কাছে এরকম বর্ণনা করেছেন। [মুসলিম ৫০/১৪, হাঃ ২৮১০]আধুনিক প্রকাশনী- ৫২৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২৭)