বুলূগুল মারাম
وَعَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ, عَنْ أَبِيهِ; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «أَعْلِنُوا النِّكَاحَ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أحمد (4/ 5)، والحاكم (283) بسند حسن، وله شواهد أخرى مذكورة بالأصل
৯৮১। ‘আমির বিন ‘আবদুল্লাহ বিন যুবাইর থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বিবাহ সংবাদকে ছড়িয়ে দাও। mdash;হাকিম একে সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] হাকিম ২৮৩, আহমাদ ১৫৬৯৭ শু’আইব আরনাউত হাদীসটিকে হাসান লিগাইরিহী বলেছেন।
وَعَنْ أَبِي بُرْدَةَ بْنِ أَبِي مُوسَى, عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا نِكَاحَ إِلَّا بِوَلِيٍّ». رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالْأَرْبَعَةُ (1) وَصَحَّحَهُ ابْنُ الْمَدِينِيِّ, وَالتِّرْمِذِيُّ, وَابْنُ حِبَّانَ, وَأُعِلَّ بِالْإِرْسَالِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (4/ 394 و 413)، وأبو داود (2085)، والترمذي (1101)، وابن ماجه (1881)، وابن حبان (1243) وقد صحَّحه غير واحد، وله شواهد أخرى. «تنبيه»: وَهِمَ الحافظ -رحمه الله- في عَزْو الحديث للأربعة؛ إذ لم يخرجه النسائي. والله أعلم
৯৮২। আবূ বুরদাহ ইবনু আবূ মূসা থেকে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বিবাহ অলী ব্যতীত সিদ্ধ হবে না। -ইবনুল মাদীনী, তিরমিযী ও ইবনু হিব্বান সহীহ বলেছেন এবং মুরসাল হবার ত্রুটি আরোপ করেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ২০৮৫, তিরমিযী ১১০১, ইবনু মাজাহ। ১৮৮১, আহমাদ ১৯০২৪, ১৯২৪৭।
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَيُّمَا امْرَأَةٍ نَكَحَتْ بِغَيْرِ إِذْنِ وَلِيِّهَا, فَنِكَاحُهَا بَاطِلٌ, فَإِنْ دَخَلَ بِهَا فَلَهَا الْمَهْرُ بِمَا اسْتَحَلَّ مِنْ فَرْجِهَا, فَإِنِ اشْتَجَرُوا فَالسُّلْطَانُ وَلِيُّ مَنْ لَا وَلِيَّ لَهُ». أَخْرَجَهُ الْأَرْبَعَةُ إِلَّا النَّسَائِيَّ, وَصَحَّحَهُ أَبُو عَوَانَةَ, وَابْنُ حِبَّانَ وَالْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (2083)، والترمذي (1102)، وابن ماجه (1879)، وابن حبان (1248) وقال الترمذي: «هو عندي حسن». قلت: وهو صحيح بشواهده. والله أعلم
৯৮৩। ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে নারীকে তার অভিভাবক বিবাহ দেয়নি তার বিবাহ বাতিল। স্বামী তার সাথে সহবাস করলে তাতে সে মাহরের অধিকারী হবে। তাদের মধ্যে মতবিরোধ হলে সে ক্ষেত্রে যার অভিভাবক নাই, শাসক তার অভিভাবক।
-আবূ আওয়ানাহ, ইবনু হিব্বান ও হাকিম একে সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ২০৮৩, তিরমিযী ১১০২, ইবনু মাজাহ ১৮৭৯, ১৮৮০, আহমাদ ২৩৬৮৫, ২৩৮৫১, দারেমী ২১৮৪।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا تُنْكَحُ الْأَيِّمُ حَتَّى تُسْتَأْمَرَ, وَلَا تُنْكَحُ الْبِكْرُ حَتَّى تُسْتَأْذَنَ». قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ, وَكَيْفَ إِذْنُهَا قَالَ: «أَنْ تَسْكُتَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5136)، ومسلم (1419)
৯৮৪। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন বিধবা নারীকে তার সম্মতি ব্যতীত বিয়ে দেয়া যাবে না এবং কুমারী মহিলাকে তার অনুমতি ছাড়া বিয়ে দিতে পারবে না। লোকেরা জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রসূল! কেমন করে তার অনুমতি নেয়া হবে। তিনি বললেন, তার চুপ থাকাটাই হচ্ছে তার অনুমতি।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫১৩৬, ৬৯৬৮, ৬৯৭০, মুসলিম ১৪১৯, তিরমিযী ১১০৭, নাসায়ী ৩১৬৪, ৩২৬৭, আবূ দাউদ২০৯২, ২০৯৩, ইবনু মাজাহ ১৮৭১, আহমাদ ৭০৯১, ৭৩৫৬, দারেমী ২১৮৬।
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «الثَّيِّبُ أَحَقُّ بِنَفْسِهَا مِنْ وَلِيِّهَا, وَالْبِكْرُ تُسْتَأْمَرُ, وَإِذْنُهَا سُكُوتُهَا». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
وَفِي لَفْظٍ: «لَيْسَ لِلْوَلِيِّ مَعَ الثَّيِّبِ أَمْرٌ, وَالْيَتِيمَةُ تُسْتَأْمَرُ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1421)
صحيح. رواه أبو داود (2100)، والنسائي (6/ 84)، وابن حبان (1241)
৯৮৫। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বিধবা মেয়েরা নিজেদের ব্যাপারে ওয়ালীর থেকে অধিক হকদার আর কুমারী, (সাবালিকার) অনুমতি নিতে হবে- তাদের নীরবতা অনুমতি বলে গণ্য হবে। অন্য শব্দ বিন্যাসে এরূপ আছে- বিধবা মেয়েদের সাথে ওয়ালীর কোন ব্যাপার নেই। আর ইয়াতীম মেয়েদের অনুমতি নিতে হবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৪২১, তিরমিযী ১১০৮, নাসায়ী ৩২৬০, ৩২৬১, আবূ দাউদ২০৯৮, ২১০০, ইবনু মাজাহ ১৮৭০, আহমাদ ১৮৯১, মুওয়াত্তা মালেক ১১১৪, দারেমী ২১৮৮, ২১৮৯।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا تُزَوِّجُ الْمَرْأَةُ الْمَرْأَةَ, وَلَا تُزَوِّجُ الْمَرْأَةُ نَفْسَهَا». رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ, وَالدَّارَقُطْنِيُّ, وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه ابن ماجه (1882)، والدارقطني (327)
৯৮৬। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মহিলা অপর কোন মহিলাকে বিবাহ দিবে না এবং কোন মহিলা নিজেকেও বিবাহ দিবে না। -হাদীসটির সকল রাবী নির্ভরযোগ্য।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু মাজাহ ১৮৮২।
وَعَنْ نَافِعٍ, عَنْ اِبْنِ عُمَرَ قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - عَنِ الشِّغَارِ; وَالشِّغَارُ: أَنْ يُزَوِّجَ الرَّجُلُ ابْنَتَهُ عَلَى أَنْ يُزَوِّجَهُ الْآخَرُ ابْنَتَهُ, وَلَيْسَ بَيْنَهُمَا صَدَاقٌ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
وَاتَّفَقَا مِنْ وَجْهٍ آخَرَ عَلَى أَنَّ تَفْسِيرَ الشِّغَارِ مِنْ كَلَامِ نَافِعٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5112)، ومسلم (1415)
البخاري (6960)، ومسلم (1415) (58) وفيه: «قال عبيد الله: قلت لنافع: ما الشغار؟» زاد البخاري: «قال: ينكح ابنة الرجل وينكحه ابنته بغير صداق، وينكح أخت الرجل وينكحه أخته بغير صداق
৯৮৭। নাফি থেকে বর্ণিত, তিনি ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশ-শিগার নিষিদ্ধ করেছেন। ‘আশ-শিগার হলো, কোন ব্যক্তি নিজের কন্যাকে অন্য এক ব্যক্তি পুত্রের সঙ্গে বিবাহ দিবে এবং তার কন্যা নিজের পুত্রের জন্য আনবে এবং দুকন্যাই মাহর পাবে না। অন্য সূত্রে বুখারী ও মুসলিম একমত হয়ে বলেছেন ‘শিগার নামক বিবাহের ব্যাখ্যাটি নাফি (রাঃ) এর নিজের উক্তি।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫১১২, ৬৯৬০, মুসলিম ১৪১৫, তিরমিযী ১১১৪, নাসায়ী ৩৩৩৪, ৩৩৩৭, আবূ দাউদ ২০৭৪, ইবনু মাজাহ ১৮৮৩, আহমাদ ৪৫১২, ৪৬৭৮, ৪৮৯৯, মুওয়াত্তা মালেক ১১৩৪, দারেমী ২১৮০। বুখারীতে রয়েছে, বর্ণনাকারী বলেন, আমি নাফি’ ((রহঃ))-কে জিজ্ঞেস করলাম, ‘শিগার’ কী? তিনি বললেন, কেউ এক ব্যক্তির মেয়ে বিয়ে করবে এবং সে তার মেয়ে ঐ ব্যক্তির কাছে বিনা মহরে বিয়ে দেবে। কেউ কোন লোকের বোনকে বিয়ে করবে এবং সে তার বোনকে ঐ লোকের কাছে বিনা মহরে বিয়ে দেবে।
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا؛ أَنَّ جَارِيَةً بِكْرًا أَتَتِ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - فَذَكَرَتْ: أَنَّ أَبَاهَا زَوَّجَهَا وَهِيَ كَارِهَةٌ, فَخَيَّرَهَا النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَابْنُ مَاجَهْ, وَأُعِلَّ بِالْإِرْسَالِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (2469)، وأبو داود (2096)، وابن ماجه (1875) قلت: وأما إعلانه بالإرسال فقد قال به جماعة، منهم أبو داود في «سننه» (2/ 232) وتبعه على ذلك البيهقي في «معرفة السنن والآثار» (10/ 47) بل بالغ الأخير في رد الحديث، ولو كان موصولًا من طريق الثقات، ولذلك رد عليه ابن القيم في «تهذيب السنن» (3/ 40) فكان من جملة ما قال: «وعلى طريقة البيهقي وأكثر الفقهاء وجميع أهل الأصول هذا حديث صحيح». وقال الحافظ في «الفتح» (969) «الطعن في الحديث لا معنى له، فإن طرقه يقوى بعضُها ببعض
৯৮৮। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, একটি কুমারী মেয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে তাঁকে জানায় যে, তার পিতা তার অমতে তাকে বিবাহ দিয়েছে। ফলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মেয়েটিকে ঐ বিবাহ বহাল রাখা বা বহাল না রাখার ব্যাপারে স্বাধীনতা দিলেন। -হাদীসটি মুরসালের দোষে দুষ্ট।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫৯৬০, মুসলিম ১৪১৫, তিরমিযী ১১১৪, নাসায়ী ৩৩৩৪, ৩৩৩৭, আবূ দাউদ২০৭৪, ইবনু মাজাহ ১৮৮৩, আহমাদ ৪৫১২, ৪৬৭৮, ৪৮৯৯, মুওয়াত্তা মালেক ১১৩৪, দারেমী ২১৮০।
وَعَنْ الْحَسَنِ, عَنْ سَمُرَةَ, عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «أَيُّمَا امْرَأَةٍ زَوَّجَهَا وَلِيَّانِ, فَهِيَ لِلْأَوَّلِ مِنْهُمَا». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةُ, وَحَسَّنَهُ التِّرْمِذِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أحمد (5/ 8 و 11 و 12 و 18)، وأبو داود (2088)، والنسائي (7/ 314)، والترمذي (1110)، من طريق قتادة، عن الحسن، عن سمرة، به .. وتمامه: «وإذا باع بيعا من رجلين فهو للأول منهما». وقال الترمذي: «حديث حسن». قلت: وعلته عنعنة الحسن، فإنه على جلالته كان مدلسا، فلابد من تصريحه بالتحديث. وقد تلطف الحافظ في «التلخيص» (3 65) فقال: «وصحته متوقفة على ثبوت سماع الحسن من سمرة، فإن رجاله ثقات». وقد اختلف فيه على الحسن أيضا. «تنبيه»: لم يرو ابن ماجه الحديث بتمامه، وإنما رواه بالجملة الخاصة بالبيع دون ما يتعلق بمحل الشاهد المراد، فوجب التنبيه على ذلك
৯৮৯। হাসান হতে বর্ণিত, তিনি সামুরাহ (রাঃ) থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দুজন আলী যে মহিলার বিবাহ দুজনের কাছে দিয়ে দিবে-এরূপ অবস্থায় ঐ মহিলা প্রথম স্বামীর হবে। -তিরমিযী একে হাসান বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ২০৮৮, তিরমিযী ১১১০, নাসায়ী ৪৬৮২, ইবনু মাজাহ। ২১৯০, আহমাদ ১৯৫৮১, ১৯৭৯, ১৯৬২৮, দারেমী ২১৯৩। শাইখ আলবানী যঈফ নাসায়ী ৪৬৯৬, যঈফ তিরমিযী ১১১০, যঈফ আবূ দাউদ২০৮৮, যঈফ ইবনু মাজাহ ৪২৫ গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন, যঈফুল জামে ২২২৪, ইরওয়াউল গালীল ১৮৫৩ গ্রন্থে দুর্বল বলেছেন। তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ ৩০৮৯ গ্রন্থে বলেন, হাসান বাসরী আন আন করে বর্ণনা করেছেন। সে মুদাল্লিস। ইমাম শাওকানী নাইলুল আওত্বার ৫/২৫৩ গ্রন্থে বলেন, من رواية الحسن عن سمرة وفي سماعه منه خلاف হাসানের সামুরা থেকে বর্ণনা করা ও শ্রবণ করা বিষয়ে মতানৈক্য রয়েছে।
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَيُّمَا عَبْدٍ تَزَوَّجَ بِغَيْرِ إِذْنِ مَوَالِيهِ أَوْ أَهْلِهِ, فَهُوَ عَاهِرٌ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيُّ وَصَحَّحَهُ, وَكَذَلِكَ ابْنُ حِبَّانَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أحمد (3/ 301 و 377)، وأبو داود (2078)، والترمذي (1111 و 1112) من طريق عبد الله بن محمد بن عقيل، عن جابر، به. واللفظ لأحمد، وفي لفظ وهو للترمذي: «بغير إذن سيده». ولفظ أبي داود: «بغير إذن مواليه». وقال الترمذي: «هذا حديث حسن صحيح». قلت: بل حسن فقط من أجل ابن عقيل
৯৯০। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে দাস তার মুনিবের বা আপনজনের অনুমতি ব্যতীত বিয়ে করবে। সে ব্যভিচারী বা যিনাকারী বলে গণ্য হবে। mdash;তিরমিযী; তিনি একে সহীহও বলেছেন, ইবনু হিব্বানও তদ্রুপ।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১১১১, ১১১২, আবূ দাউদ২০৭৮, আহমাদ ১৪৬১৩, ১৪৬৭৩, দারেমী ২৩৩৩।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا يُجْمَعُ بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَعَمَّتِهَا, وَلَا بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَخَالَتِهَا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5109)، ومسلم (1408)
৯৯১। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ যেন ফুফু ও তার ভাতিজিকে এবং খালা এবং তার বোনঝিকে একত্রে বিয়ে না করে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫১০৯, ৫১১১, মুসলিম ১৪০৮, তিরমিযী ১১২৬, নাসায়ী ৩২৮৮, ৩২৮৯, আবূ দাউদ২০৬৫, ২০৬৬, ইবনু মাজাহ ১৯২৯, আহমাদ ৭০৯৩, ৭৪১৩, মুওয়াত্তা মালেক ১১২৯, ১২৭৮, দারেমী ২১৭৮।
وَعَنْ عُثْمَانَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: لَا يَنْكِحُ الْمُحْرِمُ, وَلَا يُنْكَحُ - رَوَاهُ مُسْلِمٌ. وَفِي رِوَايَةٍ لَهُ: وَلَا يَخْطُبُ
وَزَادَ ابْنُ حِبَّانَ: «وَلَا يُخْطَبُ عَلَيْهِ
৯৯২। ‘উসমান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হাজের ইহরাম বেঁধে আছে এমন (মুহরিম) ব্যক্তি নিজে বিবাহ করতে পারবে না এবং অন্যকে বিয়ে দিতেও পারবে না।
মুসলিমের অন্য বর্ণনায় আছে- সে বিবাহের প্রস্তাব দিতে পারবে না; ইবনু হিব্বানের অতিরিক্ত বর্ণনায় আছে- তাকেও বিবাহের প্রস্তাব দেয়া চলবে না।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৪০৯, তিরমিযী ৮৪০, নাসাঈ ২৮৪২-২৮৪৪, ৩২৭৫, ৩২৭৬, আবূ দাউদ১৮৪১, ইবনু মাজাহ ১৯৬৬, আহমাদ ৪০৩, ৪৬৪, মালিক ৭৮০, দারিমী ১৮২৩, ২১৯৮।
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا- قَالَ: تَزَوَّجَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - مَيْمُونَةَ وَهُوَ مُحْرِمٌ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (1837)، ومسلم (1410) قلت: وهذا الحديث في كونه مع «الصحيحين» إلا أن الناس قد أكثروا فيه الكلام لمخالفة ابن عباس غيره، فقال الحافظ في «الفتح» (965): «قال الأثرم: قلت لأحمد: إن أبا ثور يقول: بأيّ شيء يدفع حديث ابن عباس - أي -: مع صحته - قال: فقال: الله المستعان. ابن المسيب يقول: وَهِمَ ابن عباس، وميمونة تقول: تزوجني وهو حلال». وقال ابن عبد الهادي في «التنقيح» (204) نقلًا عن «الإرواء» (4/ 227 - 228) «وقد عد هذا - أي: حديث ابن عباس - من الغلطات التي وقعت في «الصحيح» وميمونة أخبرت أن هذا ما وقع، والإنسان أعرف بحال نفسه
৯৯৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাইমুনাকে (রাঃ) মুহরিম অবস্থায় বিবাহ করেছিলেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪২৫৯, ৫১.১৪, মুসলিম ১৪১০, তিরমিযী ৮৪২, ৮৪৩, নাসায়ী ২৮৩৭, ২৮৩৮, ২৮৪০, আবূ দাউদ১৮৪৪, ইবনু মাজাহ ১৯৬৫, আহমাদ ১৯২২, দারেমী ১৮২২। হাদীসটি যেহেতু মুত্তাফাকুন আলাইহের হাদীস সুতরাং এর সানাদসূত্র নিয়ে কারো কোন প্রকার সন্দেহ নেই। তবে মুহাদ্দিসগণ এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন যে, ইবনু আব্বাস স্থিত। এটি ভুলবশতঃ বলেছেন। কেননা, যার সঙ্গে বিবাহ হয়েছে, তিনি নিজেই পরবর্তী হাদীসে হালাল অবস্থায় বিবাহের কথা বলছেন।
وَلِمُسْلِمٍ: عَنْ مَيْمُونَةَ نَفْسِهَا - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - تَزَوَّجَهَا وَهُوَ حَلَالٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1411)
৯৯৪। মাইমুনাহ (রাঃ) থেকে নিজের সম্পর্কে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে হালাল (ইহরামহীন) অবস্থায় বিবাহ করেছিলেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৪১১, তিরমিযী ৮৪৫, আবূ দাউদ১৮৪৩ ইবনু মাজাহ ১৯৬৪, আহমাদ ২৬২৮৮, দারেমী ১৮২৪।
وَعَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ أَحَقَّ الشُّرُوطِ أَنْ يُوَفَّى بِهِ, مَا اسْتَحْلَلْتُمْ بِهِ الْفُرُوجَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2271 و5151)، ومسلم (1418)، واللفظ لمسلم
৯৯৫. ‘উকবাহ বিন ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে শর্তের দ্বারা তোমরা মেয়েদের লজ্জাস্থানকে বৈধ করে নিয়েছ ঐ শর্তসমূহ পূরণের সর্বাপেক্ষা অধিক গুরুত্বপূর্ণ।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৭২১, ৫১৫১, মুসলিম ১৪১৮, তিরমিযী ১১২৭, নাসাঈ ৩২৮১, ৩২৮২, আবূ দাউদ২১৩৯, ইবনু মাজাহ ২১৫৪, আহমাদ ১৬৫৮১, ১৬৯১১, দারেমী ২২০৩।
وَعَنْ سَلَمَةَ بْنِ الْأَكْوَعِ - رضي الله عنه - قَالَ: رَخَّصَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - عَامَ أَوْطَاسٍ فِي الْمُتْعَةِ, ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ, ثُمَّ نَهَى عَنْهَا. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1405) (18) وأوطاس: واد بالطائف، وعام أوطاس هو عام الفتح
৯৯৬. সালামাহ বিন আল-আকওয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আওতাস অভিযানকালে তিন দিনের জন্য ‘মুতআহ বা সাময়িক বিবাহ-এর অনুমতি দিয়েছিলেন, তারপর তিনি তা নিষিদ্ধ করে দেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫১১৯, মুসলিম ১৪০৫, আহমাদ ১৬০৬৯, ১৬০৯৯, বুখারী। আওতাস হচ্ছে তায়েফের একটি উপত্যকা। আর عام أوطاس বলা হয় মক্কা বিজয়ের বছরকে।
وَعَنْ عَلَيٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - عَنْ الْمُتْعَةِ عَامَ خَيْبَرَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5115)، ومسلم (1407)
৯৯৭. ‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বার যুদ্ধাভিযানের সময় ‘মুতআহ (সাময়িক বিবাহ) নিষিদ্ধ করেন।
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মেয়েদের সাথে মুতআহ বিবাহ করা, গৃহপালিত গাধার গোশত খাওয়া, খাইবার যুদ্ধে নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন।[1]
[৯৯৮] রবী বিন সাবরাহ (রহঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি তোমাদেরকে মেয়েদের সাথে ‘মুতআ বিবাহ (স্বল্পকালীন বিবাহ) করতে অনুমতি দিয়েছিলাম। অবশ্য আল্লাহ তাআলা এখন কিয়ামত পর্যন্ত তা হারাম করে দিয়েছেন। যদি ঐরূপ কোন মেয়ে কারো নিকটে এখনও থেকে থাকে। তবে তার পথকে উম্মুক্ত করে দিবে অর্থাৎ তাকে বিদায় করে দিবে এবং তাকে তোমাদের দেয়া কিছু ফেরত নেবে না। মুসলিম, আবূ দাউদ, ইবনু মাজাহ, আহমাদ ও ইবনু হিব্বান।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪২১৬, ৫১১৫, ৫৫২৩, ৫৯৬১, মুসলিম ১৪০৭, তিরমিযী ১১২১, ১৭৯৪, নাসায়ী ৩৩৬৪, ৩৩৬৫, ৩৩৬৬, ইবনু মাজাহ ১৯৬১, আহমাদ ৫৯৩, ৮১৪, মুওয়াত্তা মালেক ১০৮০, দারেমী ১৯৯০, ২১৯৭।
[2] মুসলিম ১৪০৬, আবূ দাউদ২০৭২, ইবনু মাজাহ ১৯৬২, নাসাঈ ৩৩৬৮, আহমাদ ১৪৯১৩, ১৪৯২১, দারিমী ২১৯৫, ২১৯৬।
وَعَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ - رضي الله عنه - قَالَ: لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - الْمُحَلِّلَ وَالْمُحَلَّلَ لَهُ. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالنَّسَائِيُّ, وَالتِّرْمِذِيُّ وَصَحَّحَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (1/ 448 و 462)، والنسائي (649)، والترمذي (1120) واللفظ للترمذي قال: حديث حسن صحيح
৯৯৮। ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তিন তালাক প্রাপ্ত) হালালাকারী ও যার জন্য হালাল করা হয় উভয়ের উপর লানত করেছেন। mdash;তিরমিযী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী ৩৪১৬, তিরমিযী ১১১৯, ১১২০, আবূ দাউদ২০৭৬, ইবনু মাজাহ ১৯৩৫, আহমাদ ৪২৭১, ৪২৯৬, দারেমী ২২৫৮।
হিলা বিবাহ ইসলামে নিষিদ্ধ। তালাকদাতা স্বামীর নিকট পুনরায় স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য যৌন মিলনের পর তালাক দেয়ার শর্তে কোন ব্যক্তির নিকট সাময়িক বিবাহ দেয়াকে হিলা বিবাহ বলা হয়। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ বিবাহকারী ও প্রদানকারী উভয়কে অভিসম্পাত করেছেন। অথচ আমাদের দেশের কিছু মৌলবী আল্লাহর রাসূলের এ অভিসম্পতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে, ঢালাওভাবে এ অনৈতিক বিবাহের প্রচলন বহাল রেখেছে। আল্লাহর রাসূলের ভাষায় এদেরকে ভাড়াটিয়া পাঠা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। মূলতঃ সহীহ হাদীসকে অগ্রাহ্য করে এক তহুরে বা এক বৈঠকে তিন তালাককে এক তালাক গণ্য না করে তিন তালাক ধরে নেয়ার কারণে আমাদের দেশে এ অনৈতিক কর্মকাণ্ড অধিক পরিমাণে সংঘটিত হয়ে থাকে। হানাফী মাযহাবের আলিমদের হাদীস বিরোধী ফাতোয়াও অনেকটা এর জন্য দায়ী। আল্লাহ আমাদের হাদীস অমান্য করা থেকে বাঁচিয়ে রাখুন।
শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়াহ (রহঃ) বলেছেন- হালালা নামক অভিশপ্ত বিবাহ দ্বারা ঐ স্ত্রী, হালালাকারী ও পূর্বস্বামী কারো জন্য হালাল হবে না। (মিশরীয় টীকা)
وَفِي الْبَابِ: عَنْ عَلِيٍّ أَخْرَجَهُ الْأَرْبَعَةُ إِلَّا النَّسَائِيَّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح بشواهده. رواه أبو داود (2076)، والترمذي (1119)، وابن ماجه (1935) وفي سنده الحارث الأعور، وهو ضعيف. لكن يشهد له ما قبله، وأيضا له شواهد أخرى مذكورة بالأصل
৯৯৯। ‘আলী (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে অনুরূপ হাদীসই বর্ণিত হয়েছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী ৩৪১৬।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا يَنْكِحُ الزَّانِي الْمَجْلُودُ إِلَّا مِثْلَهُ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (2/ 324)، وأبو داود (2052)
১০০০। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দোররা লাগান (যিনার দায়ে শাস্তি প্রাপ্ত) মেয়েকে তার মত (দুশ্চরিত্র) পুরুষ ব্যতীত বিবাহ করবে না। -এর সকল রাবী নির্ভরযোগ্য।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ২০৫২, আহমাদ ৮১০১।