বুলূগুল মারাম
وَعَنْهُ (أي: عن أبي هريرة -رضي الله عنه) قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَيْسَ الشَّدِيدُ بِالصُّرَعَةِ, إِنَّمَا الشَّدِيدُ الَّذِي يَمْلِكُ نَفْسَهُ عِنْدَ الْغَضَبِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6114)، ومسلم (2609)
১৪৮১। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রকৃত বীর সে নয়, যে কাউকে কুস্তিতে হারিয়ে দেয়। বরং সেই আসল বীর, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬১১৪, মুসলিম ২৬০৯, আহমাদ ৭১৭৮, ৭৬৮৪, ১০৩২৪, মালেক।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا- قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «الظُّلْمُ ظُلُمَاتٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2447)، ومسلم (2579) وزاد مسلم في أوله: إن
১৪৮২। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যুলম কিয়ামতের দিন অনেক অন্ধকারের রূপ ধারণ করবে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম তাঁর বর্ণনায় إن শব্দটি বৃদ্ধি করেছেন। বুখারী ২৪৪৭, মুসলিম ২৫৭৯, তিরমিযী ২০৩০, আহমাদ ৫৬২৯, ৬১৭৫।
وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ: «اتَّقُوا الظُّلْمَ, فَإِنَّ الظُّلْمَ ظُلُمَاتٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ, وَاتَّقُوا الشُّحَّ, فَإِنَّهُ أَهْلَكَ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (2578) وزاد: «حملهم على أن سفكوا دماءهم، واستحلوا محارمهم
১৪৮৩। জাবির (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যুলুম করা হতে নিজেকে বাঁচাও, কেননা, কিয়ামতের কঠিন দিনে যুলুম কঠিন অন্ধকাররূপে আত্মপ্রকাশ করবে। আর কৃপণতা হতেও নিজেকে বাঁচাও কারণ ওটা আগের জাতিগুলোকে ধ্বংস করেছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ২৫৭৮, আহমাদ ১৪০৫২।
وَعَنْ مَحْمُودِ بْنِ لَبِيدٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ أَخْوَفَ مَا أَخَافُ عَلَيْكُمْ الشِّرْكُ الْأَصْغَرُ: الرِّيَاءُ». أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ بِسَنَدٍ حَسَنٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أحمد (5/ 428 و 429) وزاد: «يقول الله -عز وجل- لهم يوم القيامة -إذا جزى الناس بأعمالهم-: اذهبوا إلى الذين كنتم تراءون في الدنيا فانظروا هل تجدون عندهم جزاء
১৪৮৪। মাহমুদ ইবনু লাবীদ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের ব্যাপারে আমার সর্বাপেক্ষা ভয়ের বস্তু যা আমি ভয় পাচ্ছি তা হচ্ছে ছোট শিরক- রিয়া (অর্থাৎ লোক দেখানো ধর্মকর্ম)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আহমাদ ২৩১১৯, ২৭৭৪২।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «آيَةُ الْمُنَافِقِ ثَلَاثٌ: إِذَا حَدَّثَ كَذَبَ, وَإِذَا وَعَدَ أَخْلَفَ, وَإِذَا ائْتُمِنَ خَانَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (33)، ومسلم (59) (107)
১৪৮৫। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মুনাফিকের চিহ্ন তিনটি: ১. যখন কথা বলে মিথ্যা বলে; ২) যখন অঙ্গীকার করে ভঙ্গ করে এবং ৩. আমানত রাখা হলে খিয়ানাত করে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৩৩, ২৬৮২, ২৭৪৯, ৬০৯৫, মুসলিম ৫৯, তিরমিযী ২৬৩১, নাসায়ী ৫০২১, আহমাদ ৮৪৭০, ৮৯১৩।
وَلَهُمَا: مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِوٍ: «وَإِذَا خَاصَمَ فَجَرَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (34)، ومسلم (58) ولفظه - كما عند البخاري: «أربع من كن فيه كان منافقا خالصا، ومن كانت فيه خصلة منهن كانت فيه خصلة من النفاق حتى يدعها: إذا ائتمن خان، وإذا حدث كذب، وإذا عاهد غدر، وإذا خاصم فجر
১৪৮৬। আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে উক্ত সহীহ হাদীস গ্রন্থ দুটিতে আছে, ঝগড়া করলে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারীর বর্ণনায় রয়েছে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ
أربع من كن فيه كان منافقا خالصا، ومن كانت فيه خصلة منهن كانت فيه خصلة من النفاق حتى يدعها: إذا ائتمن خان، وإذا حدث كذب، وإذا عاهد غدر، وإذا خاصم فجر
চারটি স্বভাব যার মধ্যে বিদ্যমান সে হচ্ছে খাঁটি মুনাফিক। যার মধ্যে এর কোন একটি স্বভাব থাকবে, তা পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মুনাফিকের একটি স্বভাব থেকে যায়। ১. আমানত রাখা হলে খিয়ানত করে; ২. কথা বললে মিথ্যা বলে; ৩, অঙ্গীকার করলে ভঙ্গ করে; এবং ৪. বিবাদে লিপ্ত হলে অশ্লীলভাবে গালাগালি দেয়। বুখারী ৩৪, ২৪৫৯, ৩১৭৮, মুসলিম ৫৮, তিরমিযী ২৬৩২, নাসায়ী ৫০২০, আবূ দাউদ ৪৬৮৮, আহমাদ ৬৭২৯, ৬৮২৫।
وَعَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «سِبَابُ الْمُسْلِمِ فُسُوقٌ, وَقِتَالُهُ كُفْرٌ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6044) ومسلم (64)
১৪৮৭। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন মুসলিমকে গালি দেয়া ফাসিকী এবং তাকে হত্যা করা কুফুরী।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৮, ৭০৭৬, ৬০৪৪, মুসলিম ৬৪, তিরমিযী ১৯৮০, ২৬৩৪, ২৬৩৫, নাসায়ী ৩১০৫, ৪১,০৬, ৪১০৮, ইবনু মাজাহ ৬৯, ৩৯৩৯, আহমাদ ৩৬৩৯, ৩৮৯৩।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِيَّاكُمْ وَالظَّنَّ, فَإِنَّ الظَّنَّ أَكْذَبُ الْحَدِيثِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. وهو طرف من حديث رواه البخاري (5143)، ومسلم (2563) وسيأتي -أيضا- برقم (1520)
১৪৮৮। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তোমরা কারো প্রতি খারাপ ধারণা পোষণ করো না। কেননা, খারাপ ধারণা সবচেয়ে বড় মিথ্যা।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫১৪৩, ৬০৬৪, ৬০৬৬, ৬৭২৫, মুসলিম ১৪১৩, ২৫৬৩, তিরমিযী ১৯৮৮, নাসায়ী ৩২৩৯, ৩২৪০, আবূ দাউদ ২০৮০, ইবনু মাজাহ ১৮৬৭, ২১৭৪, আহমাদ ৭২৯২, ৭৬৪৩, মালেক ১১১১, ১৬৮৪, দারেমী ২১৭৫।
وَعَنْ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ - رضي الله عنه -[قَالَ] سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «مَا مِنْ عَبْدِ يَسْتَرْعِيهِ اللَّهُ رَعِيَّةً, يَمُوتُ يَوْمَ يَمُوتُ, وَهُوَ غَاشٌّ لِرَعِيَّتِهِ, إِلَّا حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (13/ 126 - 127 / فتح)، ومسلم (142) واللفظ لمسلم
১৪৮৯। মাকিল ইবনু ইয়াসার হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, কোন দায়িত্বশীল ব্যক্তি মুসলিম জনসাধারণের দায়িত্ব লাভ করল এবং তার মৃত্যু হল এ হালতে যে, সে তার বিষয়ে ছিল খিয়ানাতকারী, তাহলে আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেবেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৯২, ৭১৭৫, আবূ দাউদ ৫৮৮।
وَعَنْ عَائِشَةَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا- قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «اللَّهُمَّ مَنْ وَلِيَ مِنْ أَمْرِ أُمَّتِي شَيْئًا, فَشَقَّ عَلَيْهِ, فَاشْقُقْ عَلَيْهِ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1828) من طريق عبد الرحمن بن شماسة قال: أتيت عائشة أسألها عن شئ. فقالت: ممن أنت؟ فقلت: رجل من أهل مصر. فقالت: كيف كان صاحبكم لكم في غزاتكم هذه؟ فقال: ما نقمنا منه شيئا إن كان ليموت للرجل منا البعير، فيعطيه البعير، والعبد فيعطيه العبد، ويحتاج إلى النفقة، فيعطيه النفقة. فقالت: أما إنه لا يمنعني الذي فعل في محمد بن أبي بكر أخي، أن أخبرك ما سمعت من رسول -صلى الله عليه وسلم- يقول في بيتي هذا .... الحديث، وزاد: «ومن ولي من أمر أمتي شيئا فرفق بهم، فارفق به
১৪৯০। ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: হে আল্লাহ! যে ব্যক্তি আমার উম্মাতের উপর শাসন কর্তৃত্বের অধিকারী হওয়ার পর তাদের প্রতি কঠোরতা অবলম্বন করবে, তুমিও তার প্রতি কঠোরতা অবলম্বন কর।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৮২৮, আহমাদ ২৩৮১৬, ২৪১০১, ২৫৭০৫।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا قَاتَلَ أَحَدُكُمْ, فَلْيَتَجَنَّبِ الْوَجْهَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (2559)، ومسلم (2612) واللفظ لمسلم، ولتمام تخريج الحديث انظر «التوحيد» لابن خزيمة (35 بتحقيقي) وما بعده
১৪৯১। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তোমাদের মধ্যে কেউ যখন যুদ্ধ করবে, তখন সে যেন মুখমণ্ডলে আঘাত করা হতে বিরত থাকে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৫৫৯, মুসলিম ২৬১২, আহমাদ ৭২৭৯, ৭৩৭২, ২৭৩৪১।
وَعَنْهُ أَنَّ رَجُلًا قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! أَوْصِنِي. فَقَالَ: «لَا تَغْضَبْ» , فَرَدَّدَ مِرَارًا. قَالَ: «لَا تَغْضَبْ». أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6116)
১৪৯২। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বলল: আপনি আমাকে অসিয়ত করুন। তিনি বললেন: তুমি রাগ করো না। লোকটি কয়েকবার তা বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক বারেই বললেন: রাগ করো না।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬১১৬, তিরমিযী ২০২০, আহমাদ ২৭৩১১, ৯৬৮২।
وَعَنْ خَوْلَةَ الْأَنْصَارِيَّةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ رِجَالًا يتخَوَّضُون فِي مَالِ اللَّهِ بِغَيْرِ حَقٍّ, فَلَهُمْ النَّارُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ». أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (3118) , ويتخوَّضون في مال الله بغير حق. أي: يتصرفون في مال المسلمين بالباطل، وفي الحديث ردع الولاة أن يأخذوا من المال شيئا بغير حقه، أو يمنعوه من أهله. انظر الفتح
১৪৯৩। খাওলাহ আনসারীয়া (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, ‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, কিছু লোক আল্লাহর দেয়া সম্পদ অন্যায়ভাবে ব্যয় করে, কিয়ামতের দিন তাদের জন্য জাহান্নাম নির্ধারিত।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৩১১৮, তিরমিযী ২৩৭৪, আহমাদ ২৬৫১৪, ২৬৫৮৩। ويتخوَّضون في مال الله بغير حق এর অর্থ: অন্যায়ভাবে মুসলিমদের সম্পদ হস্তক্ষেপ করে। উক্ত হাদীসে পৃষ্ঠপোষকদের অন্যায়ভাবে কোন সম্পদ গ্রহণ করা এবং এর হকদারদের মানা করা থেকে নিবারণ করা হচ্ছে।
وَعَنْ أَبِي ذَرٍّ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ -صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - فِيمَا يَرْوِي عَنْ رَبِّهِ- قَالَ: «يَا عِبَادِي! إِنِّي حَرَّمْتُ الظُّلْمَ عَلَى نَفْسِي, وَجَعَلْتُهُ بَيْنَكُمْ مُحَرَّمًا, فَلَا تَظَّالَمُوا». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (2577)، وهو طرف من حديث طويل، وقد شرحه شيخ الإسلام ابن تيمية شرحا نفيسا في «مجموع الفتاوى»، وأيضا طبع مفردا
১৪৯৪। আবূ যার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তাঁর প্রভু আল্লাহ তাআলা বলেছেনঃ হে আমার বান্দাগণ! আমি যুলুম করাকে নিজের উপর হারাম করেছি! এবং ওটা তোমাদের মধ্যেও হারাম করে দিয়েছি। অতএব, তোমরা পরস্পরের প্রতি যুলুম করো না।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ২৫৭৭, তিরমিযী ২৪৯৫, ইবনু মাজাহ ৪২৫৭, আহমাদ ২০৮৬০, ২০৯১১, দারেমী ২৭৮৮।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: أَتَدْرُونَ مَا الْغِيبَةُ
قَالُوا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ
قَالَ: ذِكْرُكَ أَخَاكَ بِمَا يَكْرَهُ
قِيلَ: أَرَأَيْتَ إِنْ كَانَ فِي أَخِي مَا أَقُولُ
قَالَ: «إِنْ كَانَ فِيهِ مَا تَقُولُ فَقَدْ اِغْتَبْتَهُ, وَإِنْ لَمْ يَكُنْ فَقَدْ بَهَتَّهُ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (2589)
১৪৯৫। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কি জন গীবাত কাকে বলে? উপস্থিত সাহাবীগণ বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অধিক জানেন। তিনি বললেন: তোমার ভাই যে কথা তার প্রসঙ্গে বলা অপছন্দ মনে করে তার অসাক্ষাতে তা বলার নাম গীবাত। কেউ বললো: আপনি কি মনে করেন, আমি যা বলছি তা যদি তার মধ্যে বিদ্যমান থাকে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তুমি যা বলছ তা যদি তার মধ্যে থাকে তাহলে তুমি তার গীবাত করলে, আর যদি তার মধ্যে তা না থাকে তুমি তার উপর মিথ্যা অপবাদ দিলে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ২৫৮৯, তিরমিযী ১৯৩৪, আবূ দাউদ ৪৮৩৪, আহমাদ ৭১০৬, ৮৭৫৯, দারেমী ২৭১৪।
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا تَحَاسَدُوا وَلَا تَنَاجَشُوا, وَلَا تَبَاغَضُوا, وَلَا تَدَابَرُوا, وَلَا يَبِعْ بَعْضُكُمْ عَلَى بَيْعِ بَعْضٍ, وَكُونُوا عِبَادَ اللَّهِ إِخْوَانًا, الْمُسْلِمُ أَخُو الْمُسْلِمِ, لَا يَظْلِمُهُ, وَلَا يَخْذُلُهُ, وَلَا يَحْقِرُهُ, التَّقْوَى هَا هُنَا, - وَيُشِيرُ إِلَى صَدْرِهِ ثَلَاثَ مِرَارٍ, - بِحَسْبِ امْرِئٍ مِنَ الشَّرِّ أَنْ يَحْقِرَ أَخَاهُ الْمُسْلِمَ, كُلُّ الْمُسْلِمِ عَلَى الْمُسْلِمِ حَرَامٌ, دَمُهُ, وَمَالُهُ, وَعِرْضُهُ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (2564)
১৪৯৬। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তোমরা একে অপরের প্রতি হিংসা করো না, (ক্রয় করার ভান করে) মূল্য বৃদ্ধি করে ধোঁকা দিও না। একে অপরের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে না। একে অপরকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন (অবজ্ঞা প্রকাশ) করবে না। তোমাদের একজনের সাওদা করা শেষ না হলে ঐ বস্তুর সাওদা বা কেনা-বেচার প্রস্তাব করবে না। হে আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা পরস্পর ভাই-ভাই হয়ে যাও। মুসলিম মুসলিমদের ভাই। সে তার উপর অত্যাচার করবে না, অসম্মান করবে না, তুচ্ছ ভাববে না। ‘ধর্ম ভীরুতা এখানে- এটা বলার সময় তিনি স্বীয় বক্ষস্থলের প্রতি তিনবার ইঙ্গিত করেছিলেন। কোন মুসলিম ভাইকে তুচ্ছ জ্ঞান করাটা মন্দ ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট (অর্থাৎ এরূপ তুচ্ছ জ্ঞান প্রদর্শন দ্বারা পাপ কার্য হওয়া সুনিশ্চিত) এক মুসলিম অন্য মুসলিমকে খুন করা, তার মাল গ্রাস করা ও সম্মানে আঘাত দেয়া হারাম।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫১৪৪, ৬০৬৬, ২৫৬৩, ২৫৬৪; মুসলিম ২৫৬৩, ২৫৬৪ তিরমিযী ১১৩৪, ১৯৮৮, নাসায়ী ৩২৩৯, ৪৪৯৬, আবূ দাউদ ৩৪৩৮, ৩৪,৪৩, ইবনু মাজাহ ১৮৬৭, ২১৭২,২১৭৪, আহমাদ ৭৬৭০, ৭৮১৫, মালেক ১৩৯১, ১৬৮৪।
وَعَنْ قُطْبَةَ بْنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه - قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «اللَّهُمَّ جَنِّبْنِي مُنْكَرَاتِ الْأَخْلَاقِ, وَالْأَعْمَالِ, وَالْأَهْوَاءِ, وَالْأَدْوَاءِ». أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ وَاللَّفْظِ لَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الترمذي (3591)، والحاكم (1/ 532) و «الدواء»: جمع داء، وهي الأسقام
১৪৯৭। কুত্ববাহ ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন : হে আল্লাহ! আমাকে ইসলাম গৰ্হিত স্বভাব ও মন্দ কাজ হতে, মন্দ কামনা হতে ও ব্যাধি হতে দূরে রাখো।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ৩৫৯১, হাকিম ১ম খণ্ড ৫৩২ পৃষ্ঠা। الدواء হল داء শব্দের বহুবচন। এর অর্থ হচ্ছে: রোগ-ব্যাধিসমূহ।
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا- قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا تُمَارِ أَخَاكَ, وَلَا تُمَازِحْهُ, وَلَا تَعِدْهُ مَوْعِدًا فَتُخْلِفَهُ». أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ بِسَنَدٍ فِيهِ ضَعْفٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه الترمذي (1995) وفي سنده ليث بن أبي سليم
১৪৯৮। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: তুমি তোমার মুসলিম ভাই এর সাথে ঝগড়া করবে না, তাকে ঠাট্টা করবে না ও তার সাথে ওয়াদা করে তা খিলাফ করবে না।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১৯৯৫। আবূ নাঈম তাঁর হিলইয়াতুল আউলিয়া ৩/৩৯৪ পৃষ্ঠায় বলেন, ইকরামার হাদীস গারীব। আবদুর রহমান মুবারকপুরী তাঁর তুহফাতুল আহওয়াযী ৫/৪০৩ পৃষ্ঠায় বলেন, এর সানাদে লাইস বিন আবূ সুলাইম রয়েছে। তার সম্পর্কে ইবনু হাজার আসকালানী বলেন, শেষ জীবনে তিনি হাদীস এলোমেলোভাবে বর্ণনা করেছেন, পার্থক্য করা যায় না। এ হাদীস তার জীবনের কোন সময়ের তাই তার হাদীস বর্জন করা হয়েছে। শাইখ আলবানী যঈফ আল আদাবুল মুফরাদ, ৫৯, তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ ৪৮১৮, যঈফুল জামে ৬২৭৪, যঈফ তিরমিযী ১৯৯৫ গ্রন্থে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন, ইমাম সুয়ূত্বী তাঁর আল জামেউস সগীর ৯৮৬৫ গ্রন্থেও অনুরূপ বলেছেন। ইবনে উসাইমীনও শরহে বুলুগুল মারাম ৬/৩৯১ গ্রন্থেও এর সানাদকে দুর্বল বলেছেন।
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «خَصْلَتَانِ لَا يَجْتَمِعَانِ فِي مُؤْمِنٍ: الْبُخْلُ, وَسُوءُ الْخُلُقِ». أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ, وَفِي سَنَدِهِ ضَعْفٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه الترمذي (1962) وقال: «غريب لا نعرفه إلا من حديث صدقة بن موسى». قلت: وهو ضعيف، سيئ الحفظ
১৪৯৯। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: কোন মুমিনের মধ্যে দুটো চরিত্র একত্রিত হয় না, কৃপণতা ও মন্দ চরিত্র।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] এই হাদীসটির হুকুমে দুদল মুহাদ্দিসীন দু’ ধরনের মত পাওয়া যাচ্ছে। এক দলের মধ্যে যারা রয়েছেন, তাদের মধ্যে ইমাম মুনযিরী তাঁর তারগীব ওয়াত তারহীব (৩/৩৩৯) গ্রন্থে হাদীসটিকে হাসান হওয়ার সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেয়া যায় না। ইমাম সুয়ূত্বী তাঁর আল জামেউস সগীর (৩৯১৫) গ্রন্থে হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। শাইখ আলবানী তাঁর সহীহ তারগীব (২৬০৮) গ্রন্থে হাদীসটিকে সহীহ লিগাইরিহী বলেছেন। পক্ষান্তরে দ্বিতীয় মতে হাদীসটিকে যারা দুর্বল বলেছেন তাদের মধ্যে শাইখ আলবানীই আবার সিলসিলা যাঈফা (১১১৯), যঈফুল জামে (২৮৩৩), তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ (১৮১২), যঈফ তিরমিযী (১৯৬২) গ্রন্থসমূহে হাদীসটি দুর্বল বলেছেন। ইমাম দারাকুতনী তাঁর লিসানুল মীযানুল (২/৭৮) গ্রন্থে বলেন, এ হাদীসটি আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করে বলেন, হাদীসটি প্রমাণিত নয়। ইবনু আবদুল বার তাঁর আত তামহীদ (১৬/২৫৪) গ্রন্থে আবূ হুরাইরাহ, সূত্রে বর্ণিত এ হাদীসটিকে হাদীসটিকে জাল বলে অভিহিত করেছেন। ইমাম মিযয়ী তাঁর তাহযীবুল কামাল (৯/৮৯) গ্রন্থে বলেন, এ হাদীসের বর্ণনাকারীদের মধ্যে সাদাকাহ বিন মূসা নামক বর্ণনাকারী রয়েছে, যাকে ইবনু মুঈন, ইমাম আবূ দাউদ , ইমাম নাসায়ী দুর্বল বলেছেন। ইবনু হাজারও তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ (২/২৮০) গ্রন্থে বলেছেন, এ হাদীসটি সাদাকাহ বিন মূসা এককভাবে বর্ণনা করেছেন, আর তিনি দুর্বল বর্ণনাকারী।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «الْمُسْتَبَّانِ مَا قَالَا, فَعَلَى الْبَادِئِ, مَا لَمْ يَعْتَدِ الْمَظْلُومُ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (2487)
১৫০০। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গালিদাতাদের মধ্যে প্রথম গালিদাতার উপর যাবতীয় গালির পাপ বর্তাতে থাকে, যতক্ষণ অত্যাচারিত দ্বিতীয় ব্যক্তি সীমালংঘন না করে। (গালিদানে প্রতিপক্ষকে ছাড়িয়ে না যায়।)[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম- ২৪৮৭, ২৪৮৮, বুখারী ৪১৪১, ৪১৪৬।