বুলূগুল মারাম
وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ - رضي الله عنه - فِي - قِصَّةِ قَتْلِ أَبِي جَهْلٍ - قَالَ: فَابْتَدَرَاهُ بِسَيْفَيْهِمَا حَتَّى قَتَلَاهُ, ثُمَّ انْصَرَفَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فَأَخْبَرَاهُ, فَقَالَ: «أَيُّكُمَا قَتَلَهُ هَلْ مَسَحْتُمَا سَيْفَيْكُمَا» قَالَا: لَا. قَالَ: فَنَظَرَ فِيهِمَا, فَقَالَ: «كِلَاكُمَا قَتَلَهُ, سَلْبُهُ لِمُعَاذِ بْنِ عَمْرِوِ بْنِ الْجَمُوحِ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (3141)، ومسلم (1752)، وقد ساقه الحافظ هنا مختصرًا
১২৮১। ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আউফ (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আবূ জাহলের হত্যাকারীদ্বয় নিজের তরবারী নিয়ে তার দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ল এবং তাকে আঘাত করে হত্যা করল। অতঃপর আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দিকে ফিরে এসে তাঁকে জানালো। তখন আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের মধ্যে কে তাকে হত্যা করেছে? আল্লাহর রসূল (রাঃ) বললেন, তোমাদের তরবারী তোমরা মুছে ফেলনি তো? তারা উভয়ে বলল, না। তখন আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের উভয়ের তরবারী দেখলেন এবং বললেন, তোমরা উভয়ে তাকে হত্যা করেছে। অবশ্য তার নিকট হতে প্রাপ্ত মালামাল মুআয ইবনু ‘আমর ইবনু জামূহের জন্য।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৩৯৮৮, ৩১৪১, মুসলিম ১৭৫২, আহমাদ ১৬৭৬।
وَعَنْ مَكْحُولٍ; - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - نَصَبَ الْمَنْجَنِيقَ عَلَى أَهْلِ الطَّائِفِ - أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ فِي «الْمَرَاسِيلِ» وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ
وَوَصَلَهُ الْعُقَيْلِيُّ بِإِسْنَادٍ ضَعِيفٍ عَنْ عَلِيٍّ - رضي الله عنه
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود في «المراسيل» (335) من طريق سفيان، عن ثور، عن مكحول، به. وهو وإن كان صحيح السند، فهو ضعيف؛ لأنه مرسل. وروي أيضًا بسند صحيح، عن الأوزاعي قال: قلت ليحيى بن أبي كثير: أبلغك أن النبي صلى الله عليه وسلم رماهم بالمنجنيق؟ فأنكر ذلك. وقال: ما يعرف هذا
১২৮২। মাকহুল (রহঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তায়িফবাসীর উপর মিনজানিক (ক্ষেপনাস্ত্ৰ) ব্যবহার করেছিলেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম যাহাবী তাঁর মীযানুল ই’তিদাল ২/৪১৩ গ্রন্থে বলেন, এতে আবদুল্লাহ বিন খাররাশ বিন হাওশাব রয়েছে যার ক্ৰটি বর্ণনা করা হয়েছে। খুলাসাহ আল বাদারুল মুনীর ২/৩৪৫ গ্রন্থে একে মুরসাল বলেছেন। ইবনু হাজার তাঁর আত-তালখীসুল হাবীর ৪/১৪৩৯ গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি মুরসাল, উকাইল ভিন্ন সানাদে আলী থেকে মুত্তাসিলরূপে বর্ণনা করেছেন।
শাইখ মুহাম্মাদ বিন আবদুল ওয়াহহাব তাঁর আল-হাদীস কিতাবে ৩/২৪৩ গ্রন্থে বলেন, এর বর্ণনাটি মুরসাল। আলবানী তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ ৩৮৮৬ গ্রন্থে একে মুরসাল উল্লেখ করে বলেন, অন্য একটি বর্ণনায় চল্লিশ দিন কথাটি বৃদ্ধি করে বর্ণিত হয়েছে সেটিও মুরসাল তবে তা সহীহ সানাদে বর্ণিত। ইমাম আবূ দাউদ একে তার মারাসীল ৩৯২ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। ইবনু কাসীর তাঁর ইরশাদুল ফাকিয়্যাহ ২/৩০৬ গ্রন্থে এবং ইবনু হাজার তাঁর আদি দিরায়্যাহ ২/১১৫ গ্রন্থে একে মুরসাল বলেছেন।
وَعَنْ أَنَسٍ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - دَخَلَ مَكَّةَ وَعَلَى رَأْسِهِ الْمِغْفَرُ, فَلَمَّا نَزَعَهُ جَاءَهُ رَجُلٌ, فَقَالَ: ابْنُ خَطَلٍ مُتَعَلِّقٌ بِأَسْتَارِ الْكَعْبَةِ, فَقَالَ: «اقْتُلُوهُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (3044)، ومسلم (1357)
১২৮৩। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। (মাক্কাহ জয়ের বছর) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাথায় শিরস্ত্ৰাণ পরা অবস্থায় প্রবেশ করেন। যখন তিনি তা খুলে ফেললেন, এক ব্যক্তি এসে বললো, ইবনু খাতাল কাবার পর্দা ধরে আছে। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তাকে হত্যা কর। (মুত্তাফাকুন আলাইহি)[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৮৪৬, ৪২৮৬, ৫৮০৮, মুসলিম ১৩৫৭, তিরমিযী ১৬৯৩, নাসায়ী ২৮৬৭, আর দাউদ ২৬৮৫, ইবনু মাজাহ ২৮০৫, আহমাদ ১১৬৫৭, ১২২৭০।
وَعَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ; - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَتَلَ يَوْمَ بَدْرٍ ثَلَاثَةً صَبْرًا. أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ فِي «الْمَرَاسِيلِ» وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف؛ لإرساله. وهو في «المراسيل» برقم (337)
১২৮৪। সাঈদ ইবনু যুবাইর (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদরের যুদ্ধে তিনজনকে বোধে হত্যা করিয়েছিলেন। (আবূ দাউদ তাঁর মারাসীলে বর্ণনা করেন, এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য)[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু উসাইমীন শরহে বুলুগুল মারাম ৫/৪৮৬ গ্রন্থে বলেন, এর সহীহ হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ রয়েছে। তবে এর শাহেদ হাদীস রয়েছে। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদরের দিন তিন ব্যক্তিকে বেঁধে হত্যা করেছিলেন, আল মুতঈম বিন আদী, আন নাযার ইবনুল হারিস ও উকবা বিন আবূ মুঈত। ইবনু হাজার তাঁর আদি দিরায়াহ ২/১১৯ গ্রন্থে মুরসাল বলেছেন, আলবানী ইরওয়াউল গালীলে ১২১৪ একে যঈফ বলেছেন।
وَعَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فَدَى رَجُلَيْنِ مِنَ الْمُسْلِمِينَ بِرَجُلٍ مِنَ الْمُشْرِكِينَ. أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ وَصَحَّحَهُ
وَأَصْلُهُ عِنْدَ مُسْلِمٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه الترمذي (1568) وقال: «هذا حديث حسن صحيح
رواه مسلم (1641) في حديث طويل من رواية عمران رضي الله عنه، وفيه: أسرت ثقيف رجلين من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم، وأسر أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا. ففدي بالرجلين
১২৮৫। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুজন মুসলিমকে মুক্ত করার জন্য বিনিময়ে একজন মুশরিক বন্দীকে ছেড়ে দিয়েছিলেন। -তিরমিযী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। হাদীসটির মূল মুসলিমে রয়েছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] সহীহ মুসলিমের ইমরান (রাঃ) থেকে বর্ণিত একটি লম্বা হাদীসে রয়েছে, أسرت ثقيف رجلين من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم، وأسر أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا ففدي بالرجلين বানু সাকীফ গোত্র রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দুজন সাহাবাকে বন্দী করে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণও তাদের একজনকে বন্দী করে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’জন মুসলিমকে মুক্ত করার জন্য বিনিময়ে একজন মুশরিক বন্দীকে ছেড়ে দিয়েছিলেন। মুসলিম ১৬৪১, তিরমিযী ১৫৬৮, আহমাদ ১৯৩২৬, দারেমী ২৪৬৬।
وَعَنْ صَخْرِ بْنِ الْعَيْلَةِ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِنَّ الْقَوْمَ إِذَا أَسْلَمُوا؛ أَحْرَزُوا دِمَاءَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَرِجَالُهُ مُوَثَّقُونَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (3067) وهو وإن كان ضعيف السند؛ إلا أن في الباب ما يشهد له
১২৮৬। সাখর ইবনু আইলাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: কোন ক্বাওম যখন ইসলাম ক্ববুল করে তখন তারা তাদের রক্ত ও সম্পদকে নিরাপদ করে নেয়। -হাদীসের রাবীগণ মজবুত।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] উক্ত হাদীসের সানাদ দুর্বল হলেও এর শাহেদ হাদীস থাকার কারণে হাদীসটি হাসান। আবূ দাউদ ৩০৬৭, আহমাদ ১৮৩০১, দারেমী ১৬৭৩।
وَعَنْ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعَمٍ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ فِي أُسَارَى بَدْرٍ: «لَوْ كَانَ الْمُطْعِمُ بْنُ عَدِيٍّ حَيًّا, ثُمَّ كَلَّمَنِي فِي هَؤُلَاءِ النَّتْنَى لَتَرَكْتُهُمْ لَهُ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (3139)
১২৮৭। জুবাইর ইবনু মুতয়িম (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদরের যুদ্ধ বন্দীদের ব্যাপারে বলেন, ‘যদি মুতয়িম ইবনু আদী (রাঃ) জীবিত থাকতেন আর আমার নিকট এ সকল নোংরা লোকের জন্যে সুপারিশ করতেন, তবে আমি তাঁর সম্মানার্থে এদের মুক্ত করে দিতাম।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪০২৪, ৩১৩৯, আবূ দাউদ ২৬৮৯, আহমাদ ২৭৫০৬।
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ: أَصَبْنَا سَبَايَا يَوْمَ أَوْطَاسٍ لَهُنَّ أَزْوَاجٌ, فَتَحَرَّجُوا, فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى: (وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ النِّسَاءِ إِلَّا مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ) [النساء: 24]. أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1456)
১২৮৮। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন: আওতাস নামক যুদ্ধে আমরা এমন কিছু যুদ্ধবন্দিনী লাভ করি যাদের স্বামী রয়েছে। ঐ বন্দিনীদের সাথে সহবাসকে মুসলিমগণ গুনাহের কাজ মনে করলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ আয়াত নাযিল করলেন- স্বামীওয়ালা মেয়েরা তোমাদের জন্য হারাম, বন্দিনী দাসী মেয়েদের ক্ষেত্রে তা নয়।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৪৫৬, তিরমিযী ১১৩২, ৩০১৬, ৩০১৭, নাসায়ী ৩৩৩৩, আর দাউদ ২১৫৫, আহমাদ ১১৩৮৮।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - سَرِيَّةٍ وَأَنَا فِيهِمْ, قِبَلَ نَجْدٍ, فَغَنِمُوا إِبِلًا كَثِيرَةً, فَكَانَتْ سُهْمَانُهُمْ اثْنَيْ عَشَرَ بَعِيرًا, وَنُفِّلُوا بَعِيرًا بَعِيرًا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (3134)، ومسلم (1749)
১২৮৯। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজদের দিকে একটি সেনাদল পাঠালেন, যাদের মধ্যে আমিও ছিলাম। এ যুদ্ধে গনীমত হিসেবে তাঁরা বহু উট লাভ করেন। তাদের প্রত্যেকের ভাগে এগারোটি কিংবা বারটি করে উট পড়েছিল এবং তাদেরকে পুরস্কার হিসেবে আরো একটি করে উট দেয়া হয়।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪৩৩৮, ৩১৩৪, মুসলিম ১৭৪৯, আর দাউদ ২৭৪১, ২৭৪৩, ২৭৪৪, আহমাদ ৪৫৬৫, ৫১৫৮, মালেক ৯৮৭, দারেমী ২৮৮১।
وَعَنْهُ قَالَ: قَسَمَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَوْمَ خَيْبَرَ لِلْفَرَسِ سَهْمَيْنِ, وَلِلرَّاجِلِ سَهْمًا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ
وَلِأَبِي دَاوُدَ: أَسْهَمَ لِرَجُلٍ وَلِفَرَسِهِ ثَلَاثَةَ أَسْهُمٍ: سَهْمَيْنِ لِفَرَسِهِ, وَسَهْمًا لَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (4228)، ومسلم (1762) من طريق نافع، عن ابن عمر - واللفظ للبخاري - وزاد: «قال: فسره نافع فقال: إذا كان مع الرجل فرس فله ثلاثة أسهم، فإن لم يكن له فرس فله سهم
رواه أبو داود (2733)
১২৯০। উক্ত সাহাবী ইবন উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাইবার যুদ্ধের গানীমাত হতে যুদ্ধে ব্যবহৃত ঘোড়ার জন্য দুটি অংশ ও পদাতিকের জন্য ১টি অংশ দিয়েছেন। -হাদীসের শব্দ বিন্যাস বুখারীর।[1]
আবূ দাউদে আছে, যোদ্ধা ও ঘোড়ার জন্য তিনটি অংশ দিয়েছিলেন, দুটো ভাগ তার ঘোড়ার ও একটি ভাগ তার নিজের।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারীর বর্ণনায় আরো রয়েছে, বর্ণনাকারী [উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার (রহঃ)] বলেন, নাফি’ হাদীসটির ব্যাখ্যা করে বলেছেন, (যুদ্ধে) যার সঙ্গে ঘোড়া থাকে। সে পাবে তিন অংশ এবং যার সঙ্গে ঘোড়া থাকে না, সে পাবে এক অংশ।
[2] বুখারী ২৮৬৩, মুসলিম ১৭৬২, তিরমিযী ১৫৫৪, আবূ দাউদ ২৭৩৩, ইবনু মাজাহ ২৮৫৪, আহমাদ ৪৪৩৪, ৪৯৮০, ৫২৬৪, দারেমী ২৪৭২।
وَعَنْ مَعْنِ بْنِ يَزِيدَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: سَمِعْتَ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «لَا نَفْلَ إِلَّا بَعْدَ الْخُمُسِ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ الطَّحَاوِيُّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (3/ 470)، وأبو داود (2753 و 2754)، والطحاوي في «المعاني» (3/ 242) من طريق أبي الجويرية قال: أصبت جرة حمراء فيها دنانير في إمارة معاوية في أرض الروم. قال: وعلينا رجل من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم من بني سليم يقال له: معن بن يزيد. قال: فأتيته بها يقسمها بين المسلمين فأعطاني مثل ما أعطى رجلا منهم، ثم قال: لولا أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ورأيته يفعله. سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ..... فذكره. وزاد: قال: ثم أخذ فعرض علي من نصيبه، فأبيت عليه. قلت: ما أنا بأحق به منك. والسياق لأحمد
১২৯১। মান ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি: গানীমাতের মাল (সরকারী) এক পঞ্চমাংশ আদায় করার পর নফল বা অতিরিক্ত দেয়া যাবে (তার আগে নয়)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২৭৫৩, আহমাদ ১৫৪৩৩।
وَعَنْ حَبِيبِ بْنِ مَسْلَمَةٍ - رضي الله عنه - قَالَ: شَهِدْتُ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - نَفَّلَ الرُّبْعَ فِي الْبَدْأَةِ, وَالثُّلُثَ فِي الرَّجْعَةِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ الْجَارُودِ, وَابْنُ حِبَّانَ, وَالْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (2750) وابن الجارود (1079)، وابن حبان (4815)، والحاكم (2/ 133) من طريق مكحول قال: كنت عبدًا بمصر لامرأة من بني هذيل فأعتقتني، فما خرجت من مصر وبها علم إلا حويت عليه فيما أرى، ثم أتيت الحجاز فما خرجت منها وبها علم إلا حويت عليه فيما أرى، ثم أتيت العراق فما خرجت منها وبها علم إلا حويت عليه فيما أرى، ثم أتيت الشام فغربلتها، كل ذلك أسأل عن النفل، فلم أجد أحدا يخبرني فيه بشيء، حتى أتيت شيخًا يقال له: زياد بن جارية التميمي. فقلت له: هل سمعت في النفل شيئًا؟ قال: نعم. سمعت حبيب بن مسلمة الفهري، به. والسياق لأبي داود
১২৯২। হাবীব ইবন মাসলামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখেছি, তিনি প্রথম দফায় আক্রমণের কারণে আক্রমণকারী মুসলিম মুজাহিদকে গানীমাত হতে এক চতুর্থাংশ দিয়েছিলেন আর (ঐ মুজাহিদের) পুনর্বার আক্রমণ করার জন্য এক তৃতীয়াংশ প্রদান করেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২৭৪৮, ২৭৫০, ইবনু মাজাহ ২৮৫১, ২৮৫৩, আহমাদ ১৭০০৮, দারেমী ২৪৮৩।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يُنَفِّلُ بَعْضَ مَنْ يَبْعَثُ مِنَ السَّرَايَا لِأَنْفُسِهِمْ خَاصَّةً, سِوَى قَسْمِ عَامَّةِ الْجَيْشِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (3135)، ومسلم (1750) (40)
১২৯৩। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রেরিত কোন কোন সেনা দলে কোন কোন ব্যক্তিকে সাধারণ সৈন্যদের প্রাপ্য অংশের চেয়ে অতিরিক্ত দান করতেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৩১৩৫, মুসলিম ১৭৫০, আবূ দাউদ ২৭৪৫, আহমাদ ৬২১৪।
وَعَنْهُ [قَالَ]: كُنَّا نُصِيبُ فِي مَغَازِينَا الْعَسَلَ وَالْعِنَبَ, فَنَأْكُلُهُ وَلَا نَرْفَعُهُ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ. وَلِأَبِي دَاوُدَ: فَلَمْ يُؤْخَذْ مِنْهُمْ الْخُمُسُ. وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (3154)
رواه أبو داود (2701)، وابن حبان (4805) ولفظ ابن حبان: فلم يخمسه النبي صلى الله عليه وسلم
১২৯৪। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধের সময় মধু ও আঙ্গুর লাভ করতাম। আমরা তা খেয়ে নিতাম, কিন্তু জমা রাখতাম না।
আবূ দাউদের বর্ণনায় আছে, তা হতে এক পঞ্চমাংশ নেয়া হতো না।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৩১৫৪, আবূ দাউদ ২৭০১।
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: أَصَبْنَا طَعَامًا يَوْمَ خَيْبَرَ, فَكَانَ الرَّجُلُ يَجِيءُ, فَيَأْخُذُ مِنْهُ مِقْدَارَ مَا يَكْفِيهِ, ثُمَّ يَنْصَرِفُ. أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ الْجَارُودِ, وَالْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (2704)، وابن الجارود ((1072)، والحاكم (2/ 126)
১২৯৫। আব্দুল্লাহ ইবনু আবী আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, আমরা খাইবার যুদ্ধে খাদ্যসামগ্ৰী লাভ করি, ফলে লোকেরা প্রয়োজন মেটানোর মত খাদ্য নিয়ে আপন আপনি স্থানে চলে যেত।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২৭০৪, আহমাদ।
وَعَنْ رُوَيْفِعِ بْنِ ثَابِتٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلَا يَرْكَبُ دَابَّةً مِنْ فَيْءِ الْمُسْلِمِينَ, حَتَّى إِذَا أَعْجَفَهَا رَدَّهَا فِيهِ, وَلَا يَلْبَسُ ثَوْبًا مِنْ فَيْءِ الْمُسْلِمِينَ حَتَّى إِذَا أَخْلَقَهُ رَدَّهُ فِيهِ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالدَّارِمِيُّ, وَرِجَالُهُ لَا بَأْسَ بِهِمْ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (2159 و 2708)،، والدارمي (2/ 230)
১২৯৬। রুওয়াইফি ইবনু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলা ও পরকালে বিশ্বাসী কোন মুসলিম যেন এমন না করে যে, ফাই-এর (বিনা যুদ্ধে অধিকৃত সরকারী মালের) কোন জন্তু ব্যবহার করে তাকে দুর্বল করে ফেলে ফেরত দেয়; আর ঐ মালের কোন কাপড় ব্যবহার করে পুরাতন করে ফেলে তা ফেরত দেয়। (অর্থাৎ সরকারী মাল শরীআত সম্মত অনুমতি ও সদিচ্ছা ছাড়া কারো ব্যবহার করা বৈধ হবে না)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২১৬৯, ২৭০৮।
وَعَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ الْجَرَّاحِ - رضي الله عنه - قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «يُجِيرُ عَلَى الْمُسْلِمِينَ بَعْضُهُمْ». أَخْرَجَهُ ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ, وَأَحْمَدُ, وَفِي إِسْنَادِهِ ضَعْفٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح بشواهده. رواه أحمد (1/ 195)، وأبو يعلى (876 و 877)
১২৯৭। আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, কোন মুসলিম স্বীয় দায়িত্বে আশ্রয় দিলে তা অন্য মুসলিমের পক্ষেও পালনীয় হবে। (অর্থাৎ যদি সৎ ও মহৎ উদ্দেশে কোন মুসলিম কোন বিধর্মীকে আশ্রয় দান করে তবে সকল মুসলিমের উপর তা পালনের দায়িত্ব অর্পিত হবে)।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আহমাদ ১৬৯৭, ১৭৩১১, আবূ ইয়া’লা ৮৭৬, ৮৭৭।
وَلِلْطَيَالِسِيِّ: مِنْ حَدِيثِ عَمْرِوِ بْنِ الْعَاصِ: يُجِيرُ عَلَى الْمُسْلِمِينَ أَدْنَاهُمْ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح بشواهده. رواه أحمد (4/ 197)
১২৯৮। তাইয়ালিসীতে ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিত; একজন তুচ্ছ মুসলিমও মুসলিমের পক্ষ হতে আশ্রয় দানের অধিকার রাখে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আহমাদ ১৭৩১১।
وَفِي «الصَّحِيحَيْنِ»: عَنْ عَلِيٍّ [رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ]: «ذِمَّةُ الْمُسْلِمِينَ وَاحِدَةٌ يَسْعَى ِبهَا أَدْنَاهُمْ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (6755)، ومسلم (1370) وهو مرفوع في حديث طويل
১২৯৯। বুখারী ও মুসলিমে আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত; মুসলিমের জিম্মা দান একই, এতে একজন নগণ্য মুসলিমও সকল মুসলিমের পক্ষ থেকে যথেষ্ঠ।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১১১, ৬৭৫৫, ১৮৭০, ৩০৪৭, ৩১৭২, মুসলিম ১৩৭০, তিরমিযী ১৪১২, ২১২৭, নাসায়ী ৪৭৩৪, আবূ দাউদ ৪৫৩০, ইবনু মাজাহ ২৬৫৮, আহমাদ ৬১৪, দারেমী ২৩৫৬।
زَادَ ابْنُ مَاجَه مِنْ وَجْهٍ آخَرَ: يُجِيرُ عَلَيْهِمْ أَقْصَاهُمْ
وَفِي «الصَّحِيحَيْنِ» مِنْ حَدِيثٍ أَمِ هَانِئٍ: «قَدْ أَجَرْنَا مَنْ أَجَرْتِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه ابن ماجه (2685) من طريق عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، ولكن لفظه ليس كما ذكره الحافظ، وإنما: « .. ويجير على المسلمين أدناهم، ويرد على المسلمين أقصاهم». ونحو الجملة الأخيرة عن ابن عباس عند ابن ماجه أيضًا (2683) ولكن رواه أبو داود (2751) باللفظ الذي ذكره الحافظ وأيضًا من طريق عمرو بن شعيب، به
১৩০০। ইবনু মাজাহ অন্য সূত্রে বর্ণনা করেছেন, মুসলিমদের একজন দূরতম ব্যক্তি অর্থাৎ নগণ্য লোকও সকল মুসলিমের পক্ষ হতে আশ্রয় প্রদানের অধিকার রাখে।[1]
বুখারী মুসলিমে উম্মু হানী (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত; হাদীসে আছে, তুমি যাকে আশ্রয় দেবে তাকে আমরাও আশ্রয় দিয়েছি বলে সাব্যস্ত হবে।
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২৭৫১, ইবনু মাজাহ ২৬৮৫, আহমাদ ৬৭৫১, ৬৯৩১।