হাদীস বিএন


বুলূগুল মারাম





বুলূগুল মারাম (1101)


وَعَنْ عُمَرَ - رضي الله عنه - قَالَ: مَنْ أَقَرَّ بِوَلَدٍ طَرْفَةَ عَيْنٍ, فَلَيْسَ لَهُ أَنْ يَنْفِيَهُ. أَخْرَجَهُ الْبَيْهَقِيُّ, وَهُوَ حَسَنٌ مَوْقُوفٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه البيهقي في «الكبرى» (7/ 411 - 412) وفي سنده مجالد بن سعيد ضعفه غير واحد، وقال الحافظ نفسه في «التقريب»: ليس بالقوي، وقد تغير في آخر عمره




১১০১। উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন সন্তানের প্রতি তার সন্তান হবার স্বীকৃতি এক মুহুর্তের জন্য দান করবে। সে তার ঐ স্বীকৃতিকে আর অস্বীকার করতে পারবে না। mdash;এ হাদীস হাসান ও মাওকূফ।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বাইহাকী আল কুবরা ৭ম খণ্ড ৪১১-৪১২ পৃষ্ঠা, এর সানাদে মাজালিদ ইবনু সাঈদ রয়েছে, যাকে অনেকে যঈফ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ইবনু হাজার আসকালানী তাঁর আত তাকরীবুত তাহযীব গ্রন্থে বলেছেন, তিনি শক্তিশালী বৰ্ণনাকারী নন, শেষ বয়সে তাঁর পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিল।









বুলূগুল মারাম (1102)


وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه: أَنَّ رَجُلًا قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنَّ امْرَأَتِي وَلَدَتْ غُلَامًا أَسْوَدَ قَالَ: «هَلْ لَكَ مِنْ إِبِلٍ» قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: «فَمَا أَلْوَانُهَا?» قَالَ: حُمْرٌ. قَالَ: «هَلْ فِيهَا مَنْ أَوْرَقَ»، قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: «فَأَنَّى ذَلِكَ»، قَالَ: لَعَلَّهُ نَزَعَهُ عِرْقٌ. قَالَ: «فَلَعَلَّ ابْنَكَ هَذَا نَزَعَهُ عِرْقٌ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
وَفِي رِوَايَةٍ لِمُسْلِمٍ: وَهُوَ يُعَرِّضُ بِأَنْ يَنْفِيَهُ -, وَقَالَ فِي آخِرِهِ: وَلَمْ يُرَخِّصْ لَهُ فِي الِانْتِفَاءِ مِنْهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5305)، ومسلم (1500)




১১০২। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার স্ত্রী একটি কাল রং-এর পুত্ৰ সন্তান প্রসব করেছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কিছু উট আছে কি? সে জবাব দিল হাঁ। তিনি বললেন, সেগুলোর রং কেমন? সে বললা: লাল। তিনি বললেন: সেগুলোর মধ্যে কোনটি ছাই বর্ণের আছে কি? সে বলল: হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: তাহলে সেটিতে এমন রং কোথেকে এলো। লোকটি বলল: সম্ভবত পূর্ববর্তী বংশের কারণে এমন হয়েছে। তিনি বললেন: তাহলে হতে পারে, তোমার এ সন্তানও বংশগত কারণে এমন হয়েছে।[1]



মুসলিমের অন্য বর্ণনায় আছে- (সে তার সন্তানের রং কালো বলে অভিযোগ করার পর) সন্তানকে অস্বীকার করার ইঙ্গিত করেছিল। আর রাবী হাদীসের শেষাংশে বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সন্তানটিকে অস্বীকার করার অবকাশ তাকে দেননি।




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৬৮৪৭, ৭৩১৪, মুসলিম ১৫০০ ২১২৮, নাসায়ী ৩৪৭৮, ৩৪৭৯, আবূ দাউদ২২৬০, ইবনু মাজাহ ২০০২, আহমাদ ৭১৪১, ৭৭০২।









বুলূগুল মারাম (1103)


عَنْ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ - رضي الله عنه: أَنَّ سُبَيْعَةَ الْأَسْلَمِيَّةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - نُفِسَتْ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِلَيَالٍ, فَجَاءَتْ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - فَاسْتَأْذَنَتْهُ أَنْ تَنْكِحَ, فَأَذِنَ لَهَا, فَنَكَحَتْ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
وَأَصْلُهُ فِي الصَّحِيحَيْنِ
وَفِي لَفْظٍ: أَنَّهَا وَضَعَتْ بَعْدَ وَفَاةِ زَوْجِهَا بِأَرْبَعِينَ لَيْلَةً
وَفِي لَفْظٍ لِمُسْلِمٍ: قَالَ الزُّهْرِيُّ: وَلَا أَرَى بَأْسًا أَنْ تَزَوَّجَ وَهِيَ فِي دَمِهَا, غَيْرَ أَنَّهُ لَا يَقْرَبُهَا زَوْجُهَا حتَّى تَطْهُرَ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5320)
روى البخاري (5318)، ومسلم (1485)، عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم؛ أن امرأة من أسلم يقال لها سُبيعة، كانت تحت زوجها، توفي عنها وهي حبلى، فخطبها أبو السنابل بن بعكك، فأبت أن تَنكحه، فقال: والله ما يصلح أن تَنكحيه حتى تعتدِّي آخر الأجَلَيْن، فمكثت قريبا من عشر ليال، ثم جاءت النبي صلى الله عليه وسلم فقال: «انكحي». واللفظ للبخاري. وروى أيضا البخاري (5319)، ومسلم (1484)، وعن سبيعة نفسها أنها سألت النبي صلى الله عليه وسلم؟ فقالت: أفتاني إذا وضعت أن أنكح. واللفظ للبخاري. ولفظ مسلم: فأفتاني بأني قد حللت حين وضعت حملي. وأمرني بالتزوج إن بدا لي




১১০৩। মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, সুবায়আ আসলামীয়া তার স্বামীর মৃত্যুর কয়েকদিন পর সন্তান প্রসব করে। এরপর সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বিয়ে করার অনুমতি প্রার্থনা করে, তিনি তাকে অনুমতি দেন। তখন সে বিয়ে করে।[1]



এর মূল হাদীস বুখারী ও মুসলিম-এ রয়েছে।[2] তাতে আছেmdash;তিনি তাঁর স্বামীর মৃত্যুর ৪০ রাত পর সন্তান প্রসব করেছিলেন।



আর মুসলিমের শব্দে এসেছেmdash; যুহরী (তাবিঈ) বলেছেনঃ রক্তস্রাব হওয়া অবস্থায় বিবাহ হওয়াতে আমি ত্রুটি মনে করি না, কিন্তু পবিত্র না হওয়া পর্যন্ত স্বামী যেন তার নিকটবর্তী না হয়।[3]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫৩২০, নাসায়ী ৩৫০৬, ইবনু মাজাহ ২০২৯, আহমাদ ১৮৪৩৮, মালেক ১২৫২।

[2] বুখারীতে রয়েছে।

عن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم؛ أن امرأة من أسلم يقال لها سُبيعة، كانت تحت زوجها، توفي عنها وهي حبلى، فخطبها أبو السنابل بن بعكك، فأبت أن تَنكحه، فقال: والله ما يصلح أن تَنكحيه حتى تعتدِّي آخر الأجَلَيْن، فمكثت قريبا من عشر ليال، ثم جاءت النبي صلى الله عليه وسلم فقال: انكحي

নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আসলাম গোত্রের সুবায়’আ নামের এক স্ত্রীলোককে তার স্বামী গর্ভাবস্থায় রেখে মারা যায়। এরপর আবূ সানাবিল ইবনু বা’কাক প্রচণ্ড তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু মহিলা তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। সে (আবূ সানাবিল) বলল : আল্লাহর শপথ! দু’টি মেয়াদের মধ্যে দীর্ঘতর মেয়াদ অনুসারে ইদ্দাত পালন না করা পর্যন্ত তোমার জন্য অন্যত্র বিয়ে করা-জায়িয হবে না। এর প্রায় দশ দিনের মধ্যেই সে সন্তান প্রসব করে। এরপর সে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলে তিনি বললেন : এখন তুমি বিয়ে করতে পার। (বুখারী ৪৯০৯)

[3] মুসলিম ৩৮৮৪।









বুলূগুল মারাম (1104)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: أُمِرَتْ بَرِيرَةُ أَنْ تَعْتَدَّ بِثَلَاثِ حِيَضٍ. رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ, وَرُوَاتُهُ ثِقَاتٌ, لَكِنَّهُ مَعْلُولٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه ابن ماجه (2077)، وصححه البوصيري في الزوائد




১১০৪। ‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, বারীরাহ নাম্নী দাসীকে তিন হায়িয ইদ্দত পালনের জন্য হুকুম করা হয়েছিল। mdash;বৰ্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য কিন্তু এর সানাদে কিছু সূক্ষ্ম ত্রুটি রয়েছে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু মাজাহ ২০৭৭।

[বারীরা আযাদ হওয়ার পর তাঁর দাস স্বামী হতে বিবাহ বিচ্ছেদ করার অনুমতি লাভ করে এবং সে বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিলে তাকে স্বাধীনা মেয়েদের ন্যায় তিন ঋতু ইদ্দাত পালনের জন্য আদেশ করা হয়।]









বুলূগুল মারাম (1105)


وَعَنْ الشَّعْبِيِّ, عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ, - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - فِي الْمُطَلَّقَةِ ثَلَاثًا: «لَيْسَ لَهَا سُكْنَى وَلَا نَفَقَةٌ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1480) (44)




১১০৫। শাবী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি ফাতিমাহ বিনতে কায়েস (রাঃ) থেকে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিন তালাক প্রাপ্ত স্ত্রীর জন্য কোন বাসস্থান ও খোর-পোষের ব্যবস্থা নেই।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী এবং মুসলিমে আরো রয়েছে-

مرتين أو ثلاثا كل ذلك يقول لا ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما هي أربعة أشهر وعشر وقد كانت إحداكن في الجاهلية ترمي بالبعرة على رأس الحول

তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ অথবা তিন বার বললেন, না। তিনি আরও বললেন, এতো মাত্র চার মাস দশ দিনের ব্যাপার। অথচ জাহিলী যুগে এক মহিলা এক বছরের মাথায় বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত।

মুসলিম ১৪৮০, তিরমিযী ১১৩৫, ১১৮০, নাসায়ী ৩২২২, ৩২৩৭, ৩২৪৪, আর দাউদ ২২৮৪, ২২৮৮, ২২৮৯, ইবনু মাজাহ ১৮৬৯, ২০২৪, ২০৩৫, আহমাদ ২৬৭৭৫, ২৬৭৭৮; মালেক ১২৩৪, দারেমী ২১৭৭, ২২৭৪।









বুলূগুল মারাম (1106)


وَعَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ; أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: لَا تَحِدَّ امْرَأَةٌ عَلَى مَيِّتٍ فَوْقَ ثَلَاثٍ إِلَّا عَلَى زَوْجٍ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا, وَلَا تَلْبَسْ ثَوْبًا مَصْبُوغًا, إِلَّا ثَوْبَ عَصْبٍ, وَلَا تَكْتَحِلْ, وَلَا تَمَسَّ طِيبًا, إِلَّا إِذَا طَهُرَتْ نُبْذَةً مِنْ قُسْطٍ أَوْ أَظْفَارٍ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَهَذَا لَفْظُ مُسْلِمٍ
وَلِأَبِي دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيِّ مِنْ الزِّيَادَةِ: وَلَا تَخْتَضِبْ
وَلِلنَّسَائِيِّ: وَلَا تَمْتَشِطْ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (313)، ومسلم (2127/ رقم66)
(2) - ووقع في «أ»: «ولا تخطب»، وجاء على هامش هذه النسخة: قوله: «ولا تخطب» كذا في الأصل، والظاهر أنه تصحيف، والصحيح: «لا تختضب» كما هو ثابت في النسخة المصححة المقروءة على مشايخ. قلت: وهو الذي في «الأصل» وفي سنن أبي داود أيضا




১১০৬। উম্মু আতীয়্যাহ থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মহিলা যেন কারো মৃত্যুতে তিন দিনের অধিক শোক প্রকাশে না করে। তবে স্বামীর জন্য চার মাস দশ দিন শোক প্রকাশ করতে পারবে এবং রঙ্গীন কাপড় পরবে না, তবে রঙ্গীন সুতোর কাপড় পরতে পারবে, সুরমা ব্যবহার করবে না, সুগন্ধি দ্রব্য লাগাবে না। তবে পবিত্রতা অর্জনের জন্য কিছু কুস্ত বা আযফার সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারবে। এ শব্দ বিন্যাস মুসলিমের।



আবূ দাউদও নাসায়ীতে অতিরিক্তভাবে আছে-‘খেযাব (মেহেদী) ব্যবহার করবে না। আর নাসায়ীতে আছে চিরুনী লাগবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১২৭৮, ১২৭৯, ৫৩৪০, ৫৩৪১, মুসলিম ৯৩৮, নাসায়ী ৩৫৩৪, আর দাউদ ২৩০২, ইবনু মাজাহ ২০৮৭, আহমাদ ২০২৭০, ২৬৭৫৯, দারেমী ২২৮৬।









বুলূগুল মারাম (1107)


وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: جَعَلْتُ عَلَى عَيْنِي صَبْرًا, بَعْدَ أَنْ تُوُفِّيَ أَبُو سَلَمَةَ, فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِنَّهُ يَشِبُ الْوَجْهَ, فَلَا تَجْعَلِيهِ إِلَّا بِاللَّيْلِ, وَانْزِعِيهِ بِالنَّهَارِ, وَلَا تَمْتَشِطِي بِالطِّيبِ, وَلَا بِالْحِنَّاءِ, فَإِنَّهُ خِضَابٌ». قُلْتُ: بِأَيِّ شَيْءٍ أَمْتَشِطُ? قَالَ: «بِالسِّدْرِ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَإِسْنَادُهُ حَسَنٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (2305)، والنسائي (604 - 205)، من طريق مخرمة بن بكير، عن أبيه، قال: سمعت المغيرة بن الضحاك يقول: أخبرتني أم حكيم بنت أسيد، عن أمها أن زوجها توفي وكانت تشتكي عينها، فتكتحل الجلاء، فأرسلت مولاة لها إلى أم سلمة، فسألتها عن كحل الجلاء؟ فقالت: لا تكتحل إلا من أمر لا بد منه، دخل علي رسول الله صلى الله عليه وسلم حين توفي أبو سلمة، وقد جعلت على عيني صبرا ... الحديث. قلت: وهذا سند ضعيف. مخرمة لم يسمع من أبيه، والضحاك ومن فوقه مجاهيل، وأيضا فيه نكارة لمخالفته للحديث الصحيح التالي. والله أعلم




১১০৭। উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমার স্বামী আবূ সালামাহর ইনতিকাল হবার পর আমি আমার চোখে ‘মুসব্বর লাগিয়ে ছিলাম। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এতে তো চেহারাকে লাবণ্য দান করে, ফলে তুমি এটা রাত্র ব্যতীত লাগাবে না, আর দিনের বেলায় তাকে অপসারিত করবে, আর সুগন্ধি দ্বারা কেশ বিন্যাস করবে না এবং মেহেদী লাগবে না। কেননা এটা হচ্ছে খিযাব।



উম্মু সালামাহ বলেন, আমি বললাম, তবে আমি কোন বস্তু দিয়ে চিরুনী করব? তিনি বললেন, কুলের পাতা দিয়ে। -এর সানাদ হাসান।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] নাসায়ী ৩৫৩৭ আর দাউদ ২৩০৫। শাইখ আলবানী যঈফ নাসায়ী (৩৫৩৯) গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন। ইমাম যাহাবী তাঁর মীযানুল ইতিদাল (৪/১৬৩) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে আল মুগীরা ইবনুন যাহাহাক রয়েছেন যার পরিচয় জানা যায় না। ইমাম শাওকানী তাঁর নাইলুল আওত্বার (৭/৯৭) গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে আল মুগীরা ইবনুয যাহহাক রয়েছেন যার সম্পর্কে আবদুল হক ও আল মুনযিরী বলেন, তিনি মাজহুলুল হাল অর্থাৎ তার সম্পর্কে কোন কিছু জানা যায় না।









বুলূগুল মারাম (1108)


وَعَنْهَا; - أَنَّ امْرَأَةً قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنَّ ابْنَتِي مَاتَ عَنْهَا زَوْجُهَا, وَقَدِ اشْتَكَتْ عَيْنَهَا, أَفَنَكْحُلُهَا قَالَ: «لَا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5336)، ومسلم (1488)، وزادا: «مرتين أو ثلاثا. كل ذلك يقول: لا. ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «إنما هي أربعة أشهر وعشر، وقد كانت إحداكن في الجاهلية ترمي بالبعرة على رأس الحول




১১০৮। উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, কোন এক মহিলা বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার মেয়ের স্বামী মারা গেছে। তার চোখে অসুখ। আমি কি তার চোখে সুরমা লাগাতে পারব? তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫৩৩৯, ৫৭০৭, মুসলিম ১৪৮৯, ১৪৮৮, তিরমিযী ১১৯৭, ৩৫০১, নাসায়ী ৩৫০১, ৩৫০২









বুলূগুল মারাম (1109)


وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: طُلِّقَتْ خَالَتِي, فَأَرَادَتْ أَنْ تَجُدَّ نَخْلَهَا فَزَجَرَهَا رَجُلٌ أَنْ تَخْرُجَ, فَأَتَتْ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: «بَلْ جُدِّي نَخْلَكِ, فَإِنَّكَ عَسَى أَنْ تَصَدَّقِي, أَوْ تَفْعَلِي مَعْرُوفًا». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1483)




১১০৯। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমার খালাকে তালাক্ব দেয়া হলে তিনি তাঁর খেজুর গাছের ফল নামাবেন বলে ইচ্ছা করেন। কোন লোক তাঁকে বের হবার জন্য ধমকালেন। ফলে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সমীপে আসলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন-হাঁ, তুমি তোমার খেজুর ফল নামাবে। কেননা, তুমি এতে থেকে অচিরেই সাদাকাহ করবে অথবা সৎ কাজও করবে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৪৮৩, নাসায়ী ৩৫৫০, আর দাউদ ২২৯৭, ইবনু মাজাহ ২০৩৪, আহমাদ ১৪০৩৫, দারেমী ২২৮৮।









বুলূগুল মারাম (1110)


وَعَنْ فُرَيْعَةَ بِنْتِ مَالِكٍ: أَنَّ زَوْجَهَا خَرَجَ فِي طَلَبِ أَعْبُدٍ لَهُ، فَقَتَلُوهُ. قَالَتْ: فَسَأَلْتُ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - أَنْ أَرْجِعَ إِلَى أَهْلِي; فَإِنَّ زَوْجِي لَمْ يَتْرُكْ لِي مَسْكَنًا يَمْلِكُهُ وَلَا نَفَقَةً, فَقَالَ: «نَعَمْ». فَلَمَّا كُنْتُ فِي الْحُجْرَةِ نَادَانِي, فَقَالَ: «امْكُثِي فِي بَيْتِكِ حَتَّى يَبْلُغَ الْكِتَابُ أَجَلَهُ». قَالَتْ: فَاعْتَدَدْتُ فِيهِ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا, قَالَتْ: فَقَضَى بِهِ بَعْدَ ذَلِكَ عُثْمَانُ. أَخْرَجَهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةُ, وَصَحَّحَهُ التِّرْمِذِيُّ, والذُّهْلِيُّ, وَابْنُ حِبَّانَ, وَالْحَاكِمُ وَغَيْرُهُمْ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أحمد (6/ 370 و 420 - 421)، وأبو داود (2300)، والنسائي (699)، والترمذي (1204)، وابن ماجه (2031)، وابن حبان (1331 و 1332)، والحاكم (208) وقال الترمذي: «حديث حسن صحيح». وتصحيح الذهلي نقله الحاكم، وأما تضعيف ابن حزم له (10/ 302) فمردود عليه كما تجده بالأصل




১১১০। ফুরাইয়াহ বিনতে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তার স্বামী স্বীয়- পলাতক ক্রীতদাসদের সন্ধানে বের হয়েছিলেন। ফলে তারা তাকে হত্যা করে ফেলে, তিনি বলেছেন, আমি এ ব্যাপারে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলাম যে আমি আমার পিত্ৰালয়ে ফিরে যাই। কেননা আমার স্বামী আমার জন্য তাঁর কোন মালিকানাধীন বাসগৃহ ও খাদ্যবস্তু রেখে যাননি। তিনি বলেছেন- হাঁ রেখে যায়নি, অতঃপর আমি যখন কক্ষে রয়েছি, তিনি আমাকে ডেকে বললেন-তুমি তোমার ঘরেই থেকে যাওmdash;যতক্ষণ না তোমার ইদ্দতের ধার্য সময় পূর্ণ না হয়। তিনি (ফুরাইয়াহ) বললেনmdash; আমি চার মাস দশ দিন তথায় অবস্থান করলাম। তিনি বলেছেন- এরূপ ফয়সালা তৃতীয় খলিফা উসমান (রাঃ) করেছিলেন। mdash;তিরমিযী, যুহালী, ইবনু হিব্বান, হাকিম ও অন্যান্যগণ একে সহীহ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২৩০০, তিরমিযী ১২০৪, নাসায়ী ৩৫২৮, ৩৫২৯, ইবনু মাজাহ ৩০৩১, আহমাদ ২৬৫৪৭, ২৬৮১৭, মালেক ১২৫৪, দারেমী ২২৮৭। শাইখ সুমাইর আয যুহাইরী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (1111)


وَعَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ قَيْسٍ قَالَتْ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنَّ زَوْجِي طَلَّقَنِي ثَلَاثًا, وَأَخَافُ أَنْ يُقْتَحَمَ عَلَيَّ, قَالَ: فَأَمَرَهَا, فَتَحَوَّلَتْ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (14182)




১১১১। ফাতিমাহ বিনতে কায়স (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার স্বামী আমাকে যথারীতি তিন তালাক দিয়েছেন। আমার ভয় হচ্ছে হয়তো আমার উপর চড়াও হয়ে যেতে পারে। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশের ফলে তিনি ঐ স্থান পরিবর্তন করে ফেলেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৪৮২, নাসায়ী ৩৫৪৭, ইবনু মাজাহ ২০৩৩।









বুলূগুল মারাম (1112)


وَعَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ: لَا تُلْبِسُوا عَلَيْنَا سُنَّةَ نَبِيِّنَا, عِدَّةُ أُمِّ الْوَلَدِ إِذَا تُوُفِّيَ عَنْهَا سَيِّدُهَا أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ, وَابْنُ مَاجَهْ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ, وَأَعَلَّهُ الدَّارَقُطْنِيُّ بِالِانْقِطَاعِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أحمد (403)، وأبو داود (2308)، وابن ماجه (2083)، والحاكم (208) من طريق قبيصة بن ذؤيب، عن عمرو، به. وعلته قول الدارقطني في «السنن» (3/ 309): «قبيصة لم يسمع من عمرو». قلت: وروي موقوفا وصحح الوقف غير واحد، وأيضا استنكره الإمام أحمد




১১১২। আমর ইবনু আস্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমরা আমাদের সামনে আমাদের নবী মুহাম্মাদ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাতকে বিপর্যন্ত করো না। উম্মুল ওয়ালাদের[1] মুনিবের মৃত্যুতে ইদ্দত চার মাস দশ দিন। -দারাকুতনী হাদীসটিকে মুনকাতে সানাদ হবার দোষারোপ করেছেন।[2]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] যে ক্রীতদাসী তার মনীবের সন্তান ভূমিষ্ট করে তাকে উম্মু ওয়ালাদ বলা হয়। যারা মনীবের সন্তান প্রসব করে সেই ক্রীতদাসীকে আর বিক্রি করা যায় না।

[2] ইমাম দারাকুতনী এ হাদীসটিকে ইনকিতার দোষে দুষ্ট করেছেন। ইমাম সনআনী তাঁর সুবুলুস সালাম ৩/৩১৯ গ্রন্থে বলেন, এ হাদীসটি কুবাইসাহ বিন যুওয়াইব আমর ইবনুল আস থেকে বর্ণনা করেছেন। অথচ তিনি তার নিকট থেকে শ্রবণই করেননি। তার মধ্যে দোষ এই রয়েছে যে, তারা দ্বারা ইযতিরাব অর্থাৎ এলোমেলো সংঘটিত হয়েছে। ইবনু উসাইমীন তাঁর শরহে বুলুগুল মারাম ৫/১২৪ গ্রন্থে বলেন, এর মধ্যে দু’টি ত্রুটি রয়েছে। শাইখ আলবানী সহীহ ইবনু মাজাহ ১৭০৭ গ্রন্থে, সহীহ আবূ দাউদ ২৩০৮ গ্রন্থদ্বয়ে একে সহীহ বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (1113)


وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: إِنَّمَا الْأَقْرَاءُ; الْأَطْهَارُ. أَخْرَجَهُ مَالِكٌ فِي قِصَّةٍ بِسَنَدٍ صَحِيحٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مالك في «الموطأ» (2/ 576 - 577/ 54)




১১১৩। ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আকরাআ শব্দের অর্থ হায়িয পরবর্তী পবিত্রকাল। mdash;মালিক, আহমাদ এবং নাসায়ী একটি সহীহ সানাদে কোন এক ঘটনা উপলক্ষে বর্ণনা করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুওয়াত্তা মালিক ১২২১।









বুলূগুল মারাম (1114)


وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: طَلَاقُ الْأَمَةِ تَطْلِيقَتَانِ, وَعِدَّتُهَا حَيْضَتَانِ. رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيُّ
وَأَخْرَجَهُ مَرْفُوعًا وَضَعَّفَهُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح موقوفا. رواه الدارقطني (4/ 38)، موقوفا من طريق سالم ونافع، عن ابن عمر وصححه

منكر. رواه ابن ماجه (2079)، والدارقطني (4/ 38)، من طريق عمر بن شبيب، عن عبد الله بن عيسى، عن عطية، عن ابن عمر، مرفوعا. وقال الدارقطني: «حديث عبد الله بن عيسى، عن عطية، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم منكر غير ثابت من وجهين، أحدهما: أن عطية ضعيف، وسالم ونافع أثبت منه وأصح رواية. والوجه الآخر: أن عمر بن شبيب ضعيف الحديث لا يحتج بروايته. والله أعلم




১১১৪। ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেনঃ ক্রীতদাসীর জন্য তালাক্ব মাত্র দু ত্বলাক (তালাক)্ব আর তার ইদ্দত পালন করতে হবে দুহায়িয কাল। mdash;দারাকুতনী মারফূ সানাদে, তবে তিনি একে যঈফ বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু মাজাহ ২০৭৯, দারাকুতনী ৪র্থ খণ্ড ৩৮ পৃষ্ঠা। সালিম ও নাফি’ সূত্রে ইবনু উমার কর্তৃক বর্ণিত এ হাদীসটি মাউকূফ হিসেবে সহীহ।









বুলূগুল মারাম (1115)


وَأَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيُّ, وَابْنُ مَاجَهْ: مِنْ حَدِيثِ عَائِشَةَ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ, وَخَالَفُوهُ, فَاتَّفَقُوا عَلَى ضَعْفِهِ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أبو داود (2189)، والترمذي (1182)، وابن ماجه (2080)، والحاكم (250) من طريق أبي عاصم، عن ابن جريج، عن مظاهر، عن القاسم بن محمد، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «طلاق الأمة تطليقتان، وقرؤها حيضتان» قال أبو عاصم: حدثني مظاهر، حدثني القاسم، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله؛ إلا أنه قال: «وعدتها حيضتان». قال أبو داود: «وهو حديث مجهول». وقال الترمذي: «حديث عائشة حديث غريب؛ لا نعرفه مرفوعا إلا من حديث مظاهر بن أسلم، ومظاهر لا نعرف له في العلم غير هذا الحديث». وروى الدارقطني (4/ 40) بالسند الصحيح، عن أبي عاصم النبيل؛ الضحاك بن مخلد، قال: ليس بالبصرة حديث أنكر من حديث مظاهر هذا




১১১৫। আর আবূ দাউদ, তিরমিযী ও ইবনু হিব্বান ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। হাকিম একে সহীহ বলেছেন- অন্যান্য মুহাদ্দিস এতে দ্বিমত করে এর যঈফ হওয়াতে ঐকমত্য পোষণ করেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১১৮২, ইবনু মাজাহ ২০৮০, দারেমী ২২৯৪। ইমাম বুখারী তাঁর আত-তারীখুস সগীর ২/১১৯ গ্রন্থে বলেন, এতে মাযাহির বিন আসলাম নামক বর্ণনাকারীকে আবূ আসিম দুর্বল হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ইমাম খাত্তাবী তাঁর মাআলিমুস সুনান ৩/২০৭ গ্রন্থে বলেন, আহলুল হাদীসগণ একে দুর্বল বলেছেন। ইমাম শাওকানী তাঁর আদি দিরায়াহ ২৩৬ গ্রন্থেও একে দুর্বল বলেছেন, বিন বায তাঁর বুলুগুল মারামের হাশিয়া ৬৩৩ গ্রন্থে বলেন, এতে মাযাহের বিন আসলাম আল মাখযুমী আল মুদ্দীনী নামক দুর্বল বর্ণনাকারী রয়েছে। আলবানী যঈফ ইবনু মাজাহ ৪০৫, যঈফ আবূ দাউদ ২১৮৯, যঈফুল জামে ৩৬৫০ গ্ৰন্থসমূহে একে দুর্বল বলেছেন।









বুলূগুল মারাম (1116)


وَعَنْ رُوَيْفِعِ بْنِ ثَابِتٍ - رضي الله عنه - عَنْ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا يَحِلُّ لِامْرِئٍ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ أَنْ يَسْقِيَ مَاءَهُ زَرْعَ غَيْرِهِ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالتِّرْمِذِيُّ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ, وَحَسَّنَهُ الْبَزَّارُ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
حسن. رواه أبو داود (2158)، والترمذي (1131)، وابن حبان (4830) وقال الترمذي: حديث حسن




১১১৬। রুঅয়ফি ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন পরকালে বিশ্বাসী মুমিন মানুষের জন্য বৈধ হবে না যে সে নিজের পানি অপরের ক্ষেতের ফসলকে পান করাবে। -ইবনু হিব্বান হাদীসটিকে সহীহ এবং বাযযার হাসান বলেছেন।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২১৫৮, আহমাদ ১৬৬৪৪, দারেমী ২৪৭৭। গর্ভে যদি পূর্ব স্বামীর ভ্রুণ থাকা নিশ্চিত হয়, সেক্ষেত্রে পরবর্তী স্বামীর গর্ভবতীর সঙ্গে যৌন মিলন বৈধ নয়।









বুলূগুল মারাম (1117)


وَعَنْ عُمَرَ - رضي الله عنه - فِي امْرَأَةِ الْمَفْقُودِ: تَرَبَّصُ أَرْبَعَ سِنِينَ, ثُمَّ تَعْتَدُّ أَرْبَعَةَ أَشْهُرٍ وَعَشْرًا. أَخْرَجَهُ مَالِكٌ, وَالشَّافِعِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه مالك في «الموطأ» (2/ 575 /52)، من طريق سعيد بن المسيب، عن عمر، به وهو منقطع




১১১৭। উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি নিরুদ্দিষ্ট (দীর্ঘদিন অনুপস্থিত) পুরুষের স্ত্রীকে চার বৎসর কাল অপেক্ষা করার জন্য বলেছেন। অতঃপর সে চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করবে। --মালিক ও শাফিয়ী[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুওয়াত্তা মালিক ১২১৯। হাদীসটি দুর্বল। ইমাম সনআনী তাঁর সুবুলুস সালাম (৩/৩২৪) গ্রন্থে বলেন, এর অনেক সানাদ রয়েছে।









বুলূগুল মারাম (1118)


وَعَنْ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «امْرَأَةُ الْمَفْقُودِ امْرَأَتُهُ حَتَّى يَأْتِيَهَا الْبَيَانُ». أَخْرَجَهُ الدَّارَقُطْنِيُّ بِإِسْنَادٍ ضَعِيفٍ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف جدا. رواه الدارقطني (3/ 31255)، بإسناد رجاله ما بين متروك ومجهول




১১১৮। মুগীরাহ বিন শুবাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিরুদ্দিষ্ট বা দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ব্যক্তির সংবাদ তার স্ত্রীর নিকটে না পৌছা পর্যন্ত ঐ স্ত্রী তারই থাকবে। mdash;দারাকুতনী দুর্বল সানাদে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইমাম বাইহাকী তাঁর সুনান আল কুবরা (৭/৪৪৫) গ্রন্থে বলেন, এটি সম্বলিত হলেও এর সানাদে এমন বৰ্ণনাকারী বিদ্যমান যাদের দ্বারা হাদীস গ্রহণ সিদ্ধ নয়। আল কামাল বিন আল হাম্মাম তাঁর শরহে ফাতহুল কাদীর (৬/১৩৭) গ্রন্থে বলেন, এর একজন বৰ্ণনাকারী মুহাম্মাদ বিন শুরাহবীলকে দুর্বল বলা হয়েছে। ইমাম যাঈলয়ী তাঁর নাসবুর রায়াহ (৩/৪৭৩) গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন। শাইখ আলবানী তাঁর সিলসিলা যঈফা (২৯৩১) ও যঈফুল জামে ১২৫৩ গ্রন্থদ্বয়ে একে অত্যন্ত দুর্বল আখ্যায়িত করেছেন। সুমাইর আয যুহাইরী বলেন, এর বর্ণনারীকারীগণ হয় মাতরূক না হলে মাজহুল।









বুলূগুল মারাম (1119)


وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا يَبِيتَنَّ رَجُلٌ عِنْدَ امْرَأَةٍ, إِلَّا أَنْ يَكُونَ نَاكِحًا, أَوْ ذَا مَحْرَمٍ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (2171)




১১১৯। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বিবাহ করেছে এমন পুরুষ অথবা মাহরাম (কখনই বিবাহ বৈধ নয় এমন ব্যক্তি) ব্যতীত কোন পুরুষ যেন কোন মহিলার নিকটে রাত্রে না থাকে।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ২১৭১।









বুলূগুল মারাম (1120)


وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا, عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِامْرَأَةٍ, إِلَّا مَعَ ذِي مَحْرَمٍ». أَخْرَجَهُ الْبُخَارِيُّ

تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5233)، وهو لمسلم أيضا (1341) إلا أنه قال: «إلا ومعها ذو محرم




১১২০। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মাহরামের বিনা উপস্থিতিতে কোন পুরুষ কোন নারীর সঙ্গে নির্জনে সাক্ষাৎ করবে না।[1]




তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ১৮৬২, ৩০০৬, ৩০৬১, মুসলিম ১৩৪১, ইবনু মাজাহ ২৯০০, আহমাদ ১৯৩৫, ৩২২১।