বুলূগুল মারাম
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «إِذَا دَعَا الرَّجُلُ امْرَأَتَهُ إِلَى فِرَاشِهِ فَأَبَتْ أَنْ تَجِيءَ, لَعَنَتْهَا الْمَلَائِكَةُ حَتَّى تُصْبِحَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ
وَلِمُسْلِمٍ: «كَانَ الَّذِي فِي السَّمَاءِ سَاخِطًا عَلَيْهَا حَتَّى يَرْضَى عَنْهَا
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5193)، ومسلم (1436)
১০২১। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বৰ্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি কোন পুরুষ তার স্ত্রীকে তার সঙ্গে একই বিছানায় শোয়ার জন্য ডাকে, আর সে আসতে অস্বীকার করে, তাহলে সকাল পর্যন্ত ফেরেশতাগণ ঐ মহিলার ওপর লানত বর্ষণ করতে থাকে। শব্দ বিন্যাস বুখারীর।
মুসলিমে আছে-আসমানে অবস্থানকারী ফেরেশতাগণ তার উপর অসন্তুষ্ট থাকে যতক্ষণ না তার স্বামী তার উপর সম্ভষ্ট হয়।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৩২৩৭, মুসলিম ১৪৩৬, আবূ দাউদ২১৪১, আহমাদ ৭৪২২, ৮৩৭৩, ৮৭৮৬, দারেমী ২২২৮।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا؛ - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - لَعَنَ الْوَاصِلَةَ وَالْمُسْتَوْصِلَةَ, وَالْوَاشِمَةَ وَالْمُسْتَوْشِمَةَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5940)، ومسلم (2124)
১০২২। ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐসব মহিলাদেরকে লানত করেছেন- যেসব মহিলা (কেশ বড় করার জন্য অন্য) কেশ সংযোগ করে আর যে মহিলা কেশ সংযোগ করায়, আর উলকিকারিণী এবং যে উলকি করায় এমন মহিলাদেরকেও।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫৯৩৭, ৫৯৪২, ৫৯৪৭, মুসলিম ২১১৪, ১৭৫৯, ২৭৮৩, নাসায়ী ৩৪২৬, ৫০৯১, ৫২৫১, আবূ দাউদ২১৬৮, ইবনু মাজাহ ১৯৮৭, আহমাদ ৪৭১০।
وَعَنْ جُذَامَةَ بِنْتِ وَهْبٍ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا- قَالَتْ: حَضَرْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فِي أُنَاسٍ, وَهُوَ يَقُولُ: «لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ أَنْهَى عَنِ الْغِيلَةِ, فَنَظَرْتُ فِي الرُّومِ وَفَارِسَ, فَإِذَا هُمْ يُغِيلُونَ أَوْلَادَهُمْ فَلَا يَضُرُّ ذَلِكَ أَوْلَادَهُمْ شَيْئًا
ثُمَّ سَأَلُوهُ عَنِ الْعَزْلِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - «ذَلِكَ الْوَأْدُ الْخَفِيُّ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1442) (141) من طريق سعيد بن أبي أيوب، حدثني أبو الأسود، عن عروة، عن عائشة، عن جذامة، به. وقد ضعَّف بعضُهم هذا الحديثَ؛ لتعارضه مع الحديث التالي، ولهم في ذلك علل أشبه بالأوهام حتى قال الحافظ في «الفتح» (9/ 309) في معرض الرد عليهم: «وهذا دفع للأحاديث الصحيحة بالتوهم، والحديث صحيح لا ريب فيه». وانظر ما بعده
১০২৩। জুযামাহ বিনতু ওয়াহাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, কিছু লোকের মধ্যে আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে উপস্থিত ছিলাম, আর তিনি বলছিলেন, ‘আমি অবশ্য তোমাদেরকে ‘গীলা করার ব্যাপারে নিষেধ করার ইচ্ছা করেছিলাম। তারপর দেখলাম রোম ও পারস্যের লোকেরা ‘গীলা[1] করে থাকে তাতে তাদের শিশু সন্তানদের কোন ক্ষতি করে না। এরপর তাঁকে আযল সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, mdash;এটাতো গোপন শিশু হত্যা![2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] গীলা’ শব্দের অর্থ সন্তানকে দুধ খাওয়ান অবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে সঙ্গম করা। আবার কেউ বলেছেন, যে গর্ভবতী স্ত্রী সন্তানকে দুধ খাওয়াচ্ছে সেই মুহূর্তে তার সঙ্গে সঙ্গম করা।
[2] মুসলিম ১৪৪২, তিরমিযী ২০৭৬, ২০৭৭, নাসায়ী ৩৩২৬, আর দাউদ ৩৮৮২, ইবনু মাজাহ ২০১১, আহমাদ ২৬৪৯৪, ২৬৯০১, মালেক ১২৯২, দারেমী ২২১৭।
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ - رضي الله عنه - أَنَّ رَجُلًا قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنَّ لِي جَارِيَةً, وَأَنَا أَعْزِلُ عَنْهَا, وَأَنَا أَكْرَهُ أَنْ تَحْمِلَ, وَأَنَا أُرِيدُ مَا يُرِيدُ الرِّجَالُ, وَإِنَّ الْيَهُودَ تُحَدِّثُ: أَنَّ الْعَزْلَ المَوْؤُدَةُ الصُّغْرَى. قَالَ: «كَذَبَتْ يَهُودُ, لَوْ أَرَادَ اللَّهُ أَنْ يَخْلُقَهُ مَا اسْتَطَعْتَ أَنْ تَصْرِفَهُ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَأَبُو دَاوُدَ وَاللَّفْظُ لَهُ, وَالنَّسَائِيُّ, وَالطَّحَاوِيُّ, وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (3/ 33 و 51 و 53)، وأبو داود (2171)، والنسائي في «عشرة النساء» (194)، والطحاوي في «المشكل» (1916)
১০২৪। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, একটি লোক বললো, হে আল্লাহর রসূল! আমার একটি দাসী আছে, আমি তার সাথে আযল[1] করে থাকি। আর আমি তার গর্ভ ধারণ চাই না। অথচ পুরুষ যা চায় আমিও তা (যৌন মিলন) চাই। আর ইহুদীগণ বলে থাকে, আযল করা হচ্ছে মিনি শিশু হত্যা। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ইহুদীগণ মিথ্যা বলেছে। যদি আল্লাহ সন্তান সৃষ্টির ইচ্ছা করেন তাহলে তুমি তা প্রতিরোধ করতে পারবে না। শব্দ বিন্যাস আবূ দাউদের। এর রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ‘আযল’ শব্দের অর্থ স্ত্রী সঙ্গমকালে বীৰ্য যোনির বাইরে স্থলন করা।
[2] বুখারী ২২২৯, ২৫৪২, ৪১৩৮, আর দাউদ ২১৭০,২১৭২।
وَعَنْ جَابِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: كُنَّا نَعْزِلُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - وَالْقُرْآنُ يَنْزِلُ, وَلَوْ كَانَ شَيْئًا يُنْهَى عَنْهُ لَنَهَانَا عَنْهُ الْقُرْآنُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
وَلِمُسْلِمٍ: فَبَلَغَ ذَلِكَ نَبِيَّ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فَلَمْ يَنْهَنَا
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري 9/ 305 / فتح)، ومسلم (1440) «تنبيه»: عَزْو الحديث بهذا التمام للبخاري ومسلم وَهْمٌ من الحافظ - رحمه الله - إذ المتفق عليه إلى قوله: «والقرآن ينزل». وأما هذه الزيادة: «لو كان شيئًا ... » فرواها مسلم وحده من طريق إسحاق بن راهويه قال: قال سفيان: «لو كان شيئا ... » فإدراج الحافظ لها في الحديث وَهْمٌ، وعزوها إلى الشيخين وهْمٌ آخر، بل هو نفسه -رحمه الله- قال في «الفتح». «هذا ظاهر في أن سفيان قاله استنباطا، وأوهم كلام صاحب «العمدة» ومَن تبعه أن هذه الزيادة من نفس الحديث فأدْرَجها، وليس الأمر كذلك؛ فإني تتبعته من المسانيد، فوجدت أكثر رواته عن سفيان لا يذكرون هذه الزيادة
১০২৫। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এবং কুরআন অবতীর্ণ হওয়াকালে ‘আযল করতাম। যদি তাতে নিষেধ করার মত কিছু থাকতো তাহলে কুরআন সে ব্যাপারে আমাদেরকে নিষেধ করতো।
মুসলিমে আরো আছে- এ কথা আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট যাওয়ার পরও তিনি আমাদেরকে নিষেধ করেননি।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫২০৯, মুসলিম ১৪৪০, তিরমিযী ১১৩৭, ইবনু মাজাহ ১৯২৭, আহমাদ ১৩৯০৬, ১৪৫৪০, ১৪৬১৪।
وَعَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - كَانَ يَطُوفُ عَلَى نِسَائِهِ بِغُسْلٍ وَاحِدٍ. أَخْرَجَاهُ, وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (268) و (284 و 5068 و 5215)، ومسلم (309)، وهذا لفظ مسلم كما قال الحافظ. وأما لفظ البخاري فهو: «كان يطوف على نسائه في ليلة واحدة». وفي أخرى: «كان يدور على نسائه في الساعة الواحدة من الليل والنهار
১০২৬। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের সাথে শেষে একবার মাত্ৰ গোসল করতেন। শব্দ বিন্যাস মুসলিমের।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২৬৮, ২৮৪, ৫০৪৮, মুসলিম ৩০৯, তিরমিযী ১৪০, নাসায়ী ২৬৪, আর দাউদ ২১৮, ইবনু মাজাহ ৫৮৮, ৫৮৯, আহমাদ ১১৫৩৫, ১১৬৮৭, ১২২:২১, দারেমী ৭৫৩, ৭৫৪।
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ, عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم؛ أَنَّهُ أَعْتَقَ صَفِيَّةَ, وَجَعَلَ عِتْقَهَا صَدَاقَهَا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5086)، ومسلم (2/ 1045 / رقم 85)
১০২৭। আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাঁর স্ত্রী সাফীয়াহ (রাঃ)-এর দাসত্ব মুক্তির বিনিময়কে তাঁর মাহরানা ধাৰ্য করেছিলেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৩৭১,৬১০, ৯৪৭, ৫০৮৬, মুসলিম ১৩৪৫, ১৩৬৫, ১৩৬৮, তিরমিযী ১০৯৫, ১১১৫, ১৫৫০, নাসায়ী ৫৪৭,৩৩৪২, ৩৩৪৩, আর দাউদ ২৯৯৫, ২৯৯৬, ২৯৯৭, ইবনু মাজাহ ১৯০৯, ১৯৫৭, ২২৭২, আহমাদ ১১৫৩২, ১১৫৮১, ১১৬৬৮, মালেক ১৬৩৬, দারেমী ২২৪২, ২২৪৩।
খায়বার যুদ্ধে বন্দিনী সাফীয়াহ (রাঃ)-কে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মুক্তি পণকে মাহরানাগণ্য করে তার বিনিময়ে তাঁকে বিয়ে করেন। মাহরানা হিসেবে মুদ্রা বা অলংকার পরিশোধে অক্ষম ব্যক্তি কল্যাণ যে কোন জিনিস এমনটি নেকী লাভের উপকরণও মাহরানা হিসেবে প্ৰদান করতে পারে।
وَعَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ; أَنَّهُ قَالَ: سَأَلْتُ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - كَمْ كَانَ صَدَاقُ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَتْ: كَانَ صَدَاقُهُ لِأَزْوَاجِهِ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ أُوقِيَّةً وَنَشًّا. قَالَتْ: أَتَدْرِي مَا النَّشُّ قَالَ: قُلْتُ: لَا. قَالَتْ: نِصْفُ أُوقِيَّةٍ. فَتِلْكَ خَمْسُمِائَةِ دِرْهَمٍ, فَهَذَا صَدَاقُ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - لِأَزْوَاجِهِ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1426)
১০২৮. আবূ সালামাহ ইবনু ‘আবদুর রহমান থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী ‘আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেছিলামmdash; নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (বিবিদের জন্য) কি পরিমাণ মাহরানা দিয়েছিলেন? ‘আয়িশা (রাঃ) বলেছেন- সাড়ে বারো উকিয়াহ বা স্বর্ণমুদ্রা পরিমাণ মাহরানা তিনি তাঁর স্ত্রীদের জন্য দিয়েছিলেন এবং নাশশ। আয়িশা (রাঃ) বলেন, নাশশ কি তা জান? রাবী বলেন, আমি বললাম, না। তিনি বললেন, অর্ধ উকিয়াহ বা স্বর্ণ মুদ্রা। এগুলো যা রৌপ্য মুদ্রার পাঁচশত দিরহামের সমান। এটাই ছিল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বিবিদের জন্য মাহরানা।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৪২৬, নাসায়ী ৩৩৪৭, আবূ দাউদ২১০৫, ইবনু মাজাহ ১৮৮৬, আহমাদ ২৪১০৫, দারেমী ২১৯৯।
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا- قَالَ: لَمَّا تَزَوَّجَ عَلِيٌّ فَاطِمَةَ. قَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَعْطِهَا شَيْئًا». قَالَ: مَا عِنْدِي شَيْءٌ. قَالَ: «فَأَيْنَ دِرْعُكَ الحُطَمِيَّةُ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَالنَّسَائِيُّ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (2125)، والنسائي (6/ 130) الحطمية. قال في «النهاية» (1/ 402): «هي التي تُحَطِّم السيوف؛ أي: تكسرها، وقيل: هي العريضة الثقيلة. وقيل: هي منسوبة إلى بطن من عبد القيس يقال لهم: حطمة بن محارب، كانوا يعملون بالدروع، وهذا أشبه بالأقوال
১০২৯। ইবনে ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন আলী (রাঃ) ফাতিমাহ (রাঃ))-কে বিবাহ করেন তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন- তুমি ফাতিমাহকে (মাহরানা স্বরূপ) কিছু দাও। ‘আলী (রাঃ) বললেন, আমার নিকটে কিছু নেই। নবী (রহঃ) তাকে বললেন, তোমার হুতামিয়্যাহ বর্মটি কোথায়? আবূ দাউদ, নাসায়ী, হাকিম হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ ২১২৫, নাসায়ী ৩৩৭৫, ৩৩৭৬।
وَعَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ, عَنْ أَبِيهِ, عَنْ جَدِّهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَيُّمَا امْرَأَةٍ نَكَحَتْ عَلَى صَدَاقٍ, أَوْ حِبَاءٍ, أَوْ عِدَةٍ, قَبْلَ عِصْمَةِ النِّكَاحِ, فَهُوَ لَهَا, وَمَا كَانَ بَعْدَ عِصْمَةِ النِّكَاحِ, فَهُوَ لِمَنْ أُعْطِيَهُ, وَأَحَقُّ مَا أُكْرِمَ الرَّجُلُ عَلَيْهِ ابْنَتُهُ, أَوْ أُخْتُهُ. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةُ إِلَّا التِّرْمِذِيَّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف. رواه أحمد (2/ 182)، وأبو داود (2129)، والنسائي (6/ 120)، وابن ماجه (1955) من طريق ابن جريج، عن عمرو، به. وعلته عنعنة ابن جريج، فهو مدلس
১০৩০। আমর ইবনু শুআইব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি তার পিতা হতে, তিনি তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অনুষ্ঠানের পূর্বে যে উপঢৌকন, হাদিয়া (উপহার) ইত্যাদি দেয়া হয় তা নারীর প্রাপ্য এবং বিবাহের পর দেয় বস্তুসমূহ সেই পাবে, যাকে তা দান করা হয় বা যার জন্য তা আনা হয়। কোন ব্যক্তির সর্বাধিক অনুগ্রহ পাওয়ার অধিকারী হলো তার বোন অথবা তার কন্যা।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] শাইখ আলবানী যঈফ আবূ দাউদ২১২৯, সিলসিলা যঈফা ১০০৭, যঈফুল জামে ২২২৯, যঈফ নাসায়ী ৩৩৫৩ গ্রন্থসমূহে হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। ইমাম শাওকানী নাইলুল আওত্বার ৬/৩২০ গ্রন্থে বলেন, আমর ইবনু শুআইব কর্তৃক তার পিতা থেকে, (বর্ণিত হাদীস হাসান)। আর এ সানাদে আমর ব্যতীত সকলেই বিশ্বস্ত। ইমাম সুয়ূত্বী আল জামেউস সগীর ২৯৯৩ গ্রন্থে একে হাসান বলেছেন। বিন বায তার হাশিয়ায় ৫৯৬ এর সানাদকে উত্তম বলেছেন। আহমাদ শাকেরও মুসনাদ আহমাদ ১০/১৭৯ গ্রন্থে এর সানাদকে সহীহ বলেছেন। ইমাম শাওকানী তাঁর আস সাইলুল জাররার ২/২৮৬ গ্রন্থে বলেন, এ হাদীস সম্পর্কে কোন মতভেদ নেই।
وَعَنْ عَلْقَمَةَ, عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ - رضي الله عنه - أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ تَزَوَّجَ امْرَأَةً, وَلَمْ يَفْرِضْ لَهَا صَدَاقًا, وَلَمْ يَدْخُلْ بِهَا حَتَّى مَاتَ, فَقَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ: لَهَا مِثْلُ صَدَاقِ نِسَائِهَا, لَا وَكْسَ, وَلَا شَطَطَ, وَعَلَيْهَا الْعِدَّةُ, وَلَهَا الْمِيرَاثُ، فَقَامَ مَعْقِلُ بْنُ سِنَانٍ الْأَشْجَعِيُّ فَقَالَ: قَضَى رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - فِي بِرْوَعَ بِنْتِ وَاشِقٍ - امْرَأَةٍ مِنَّا - مِثْلَ مَا قَضَيْتَ, فَفَرِحَ بِهَا ابْنُ مَسْعُودٍ. رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةُ, وَصَحَّحَهُ التِّرْمِذِيُّ وَالْجَمَاعَةُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أحمد (4 79 - 280)، وأبو داود (2115)، والنسائي (6 21)، والترمذي (1145)، وابن ماجه (1891) وقال الترمذي: «حسن صحيح». الوَكْس: النقصُ؛ أي: لا ينقص عن مهر نسائها. والشَّطَط: الجَوْر؛ أي: لا يُجَار على زوجها بزيادة مهرها على نسائها
১০৩১। আলকামাহ, ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তাকে এক ব্যক্তি কোন মহিলাকে মোহর ধার্য না করে বিবাহ করলো আর তার সাথে যৌন মিলন না করে মরে গেল এমন লোক সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করা হলো। ইবনু মাসউদ (রাঃ) বললেন, মহিলাটি তার পরিবারের মহিলাদের সমপরিমাণ মোহর পাবে। তার কম বা অধিক নয়, আর তাকে ইদ্দত পালন করতে হবে এবং সে স্বামীর সম্পদের ওয়ারিস হবে। অতঃপর মাকিল বিন সিনান আশজয়ী (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, আমাদের এক মেয়ে ‘বারওয়া- বিনতে ওয়াশেক সম্বন্ধে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপনার ফয়সালার মতই এরূপ ফয়সালাহ করেছিলেন। এরূপ শুনে ইবনু মাসউদ (রাঃ) অত্যন্ত খুশী হলেন। -তিরমিযী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, এবং আরো এক জামাআত মুহাদ্দিস হাসান বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ২১১৫, তিরমিযী ১১৪৫, নাসায়ী ৩৩৫৫, ৩৩৫৬, ৩৩৫৮, ইবনু মাজাহ ১৮৯১, দারেমী ২২৪৬।
وَعَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ أَعْطَى فِي صَدَاقِ امْرَأَةٍ (1) سَوِيقًا, أَوْ تَمْرًا, فَقَدْ اسْتَحَلَّ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَأَشَارَ إِلَى تَرْجِيحِ وَقْفِهِ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
ضعيف رواه أبو داود (2110) من طريق موسى بن مسلم بن رومان، عن أبي الزبير، عن جابر، به. قال الحافظ في «التلخيص» (3/ 190): «وفي إسناده ابن رومان، وهو ضعيف». قلت: وأيضًا أبو الزبير مُدَلِّس، وقد عَنْعَنَهُ، وقد صرح في بعض المصادر إلا أن أسانيدها مُهَلْهَلَةٌ. انظر «ناسخ الحديث» لابن شاهين (507)
১০৩২। জাবির বিন ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,-যে ব্যক্তি কোন রমণীকে মোহরানায় ছাতু বা খেজুর দিলো সে ঐ মহিলাকে (তার জন্য) হালাল করে নিলো। -আবূ দাউদ হাদীসটির মাওকুফ হওয়ার প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] মুসলিম ১৪০৫, আর দাউদ ২১১০, আহমাদ ১৪৪১০। শাইখ আলবানী যঈফ আবূ দাউদ ২১১০, তাখরীজ মিশকাতুল মাসাবীহ ৩১৪১, যঈফুল জামে ৫৪৫৩ গ্রন্থত্রয়ে একে দুর্বল বলেছেন। ইবনু হাজার আত-তালখীসুল হাবীর ৩/১২১৯ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে মুসলিম বিন রুমান নামক দুর্বল রাবী আছে। আল-আইনী তাঁর উমদাতুল কারী ২০/১৯৪ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে রয়েছে মূসা, আর ইবনুল কাত্তান বলেন, তিনি তাকে চিনেন না, আবূ মুহাম্মাদ বলেন, لا يعول عليه তার উপর নির্ভর করা যায় না।
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ, عَنْ أَبِيهِ: أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - أَجَازَ نِكَاحَ امْرَأَةٍ عَلَى نَعْلَيْنِ. أَخْرَجَهُ التِّرْمِذِيُّ وَصَحَّحَهُ, وَخُولِفَ فِي ذَلِكَ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
منكر. رواه الترمذي (1113)، وابن ماجه (1888) من طريق عاصم بن عبيد الله، عن عبد الله بن عامر، عن أبيه: أن امرأة من بني فَزَارَة تزوجت على نعلين. فقال رسول الله -صلى الله عليه وسلم-: «أرضيتِ من نفسك ومالك بنعلين؟» قالت: نعم. قال: فأجازه. والسياق للترمذي، وقال: «حديث حسن صحيح». قلت: كيف؟ وعاصم ضعيف سيء الحفظ، وترَكه بعضُهم. وقد أورد الذهبي حديثه هذا في «الميزان» مما أنكر له. وقال ابن أبي حاتم في «العلل» (1/ 424 / رقم 1276): «سألت أبي عن عاصم بن عبيد الله؟ فقال: منكر الحديث. يقال: إنه ليس له حديث يعتمد عليه. قلت: ما أنكروا عليه؟ قال: روى عن عبد الله بن عامر بن ربيعة، عن أبيه؛ أن رجلًا تزوج امرأة على نعلين، فأجازه النبي -صلى الله عليه وسلم-. وهو منك
১০৩৩। ‘আবদুল্লাহ ইবনু আমির বিন রবীয়া (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি তাঁর পিতা (রাবীয়া) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুখানা জুতার বিনিময়ে (মোহর ধার্যে) জনৈক মহিলার নিকাহ বা বিবাহকে জায়িয করেছিলেন। mdash;তিরমিযী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন এবং এ (সহীহ হওয়ার) ব্যাপারে ভিন্ন মতও রয়েছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] তিরমিযী ১১১৩, ইবনু মাজাহ ১৮৮৮। শাইখ আলবানী যঈফ ইবনু মাজাহ ৩৬৯ গ্রন্থে একে দুর্বল বলেছেন, ইমাম বাইহাকী তার সুনান আল কুবরা ৭/২৩৯ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে আসিম বিন উবাইদুল্লাহ বিন আসিম বিন আমর ইবনুল খাত্তাব রয়েছেন, তার সম্পর্কে বির্তক রয়েছে। ইমাম যাহাবী বলেন, আসিমকে ইবনু মুঈন দুর্বল বলেছেন। অনুরূপ একটি হাদীস মা আয়িশা থেকেও বর্ণিত হয়েছে। ইমাম যাহাবী তাঁর মীযানুল ইতিদাল ১/৩৪৬ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদের এক বর্ণনাকারী বকর বিন শারুদের দোষত্রুটি উল্লেখ করা হয়েছে।
وَعَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا- قَالَ: زَوَّجَ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - رَجُلًا امْرَأَةً بِخَاتَمٍ مِنْ حَدِيدٍ. أَخْرَجَهُ الْحَاكِمُ
وَهُوَ طَرَفٌ مِنَ الْحَدِيثِ الطَّوِيلِ الْمُتَقَدِّمِ فِي أَوَائِلِ النِّكَاحِ
وَعَنْ عَلَيٍّ - رضي الله عنه - قَالَ: «لَا يَكُونُ الْمَهْرُ أَقَلَّ مِنْ عَشَرَةِ دَرَاهِمَ». أَخْرَجَهُ الدَّارَقُطْنِيُّ مَوْقُوفًا, وَفِي سَنَدِهِ مَقَالٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
منكر. رواه الحاكم (278)، والطبراني في «الكبير» (656 - 157/ 5837) من طريق عبد الله بن مصعب الزبيري، عن أبي حازم، عن سهل، به. وزادا: «فصه من فضة». قلت: وآفته عبد الله الزبيري، فقد ضعَّفه ابن معين، ثم هو خالف الثقات عن أبي حازم كما في الحديث السابق (979): وفيه قوله -صلى الله عليه وسلم-: «انظر ولو خاتما من حديد» وذهاب الرجل وعودته إلى النبي -صلى الله عليه وسلم- وقوله له: لا، والله يا رسول الله. ما وجدت شيئا، ولا خاتما من حديد. «تنبيه»: قال الحافظ في «الفتح» (9/ 211): «وقع عند الحاكم والطبراني من طريق الثوري، عن أبي حازم، عن سهل بن سعد؛ أن النبي -صلى الله عليه وسلم- زوج رجلًا بخاتم من حديد فصه من فضة. قلت: وهذا وَهْمٌ من الحافظ -رحمه الله - إذ قد عرفت أنه من طريق الزبيري لا من طريق الثوري
ضعيف. رواه الدارقطني في «السنن» (3/ 245 / رقم 13) من طريق داود الأودي، عن الشعبي قال: قال عليٌّ: فذكره. قلت: داود: هو ابن يزيد وهو «ضعيف» كما في «التقريب»، والشعبي لم يسمع من عليٍّ
১০৩৪। সাহল বিন সাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি লোহার আংটির বিনিময়ে একজন লোকের সাথে এক মহিলার বিবাহ দিয়েছিলেন। mdash;এটা একটি পূর্ববতী দীর্ঘ হাদীসের অংশবিশেষ যা বিবাহ অধ্যায়ের প্রথম দিকে উল্লেখ রয়েছে।[1]
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, মোহর (সাধারণত) দশ দিরহামের কমে হয় না।
mdash;দারাকুৎনী, মওকুফ রূপে; এর সানাদে ত্রুটি রয়েছে।[2]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু হাজার তার ইতহাফুল মাহরাহ ৬/১১ গ্রন্থে বলেনঃ এ বিষয়ে দীর্ঘ হাদীস বুখারী মুসলিমে বর্ণিত হলেও فصه ও فضة এ দু’টি শব্দের বৃদ্ধি গ্রন্থ দ্বয়ে নেই। ইমাম হাইসামী মাজমাউয যাওয়ায়িদ ৪/২৮৪ গ্রন্থে বলেন, এর সনদে আবদুল্লাহ বিন মাসআব আয যুহাইরী নামক দুর্বল রাবী রয়েছে।
[2] দারাকুতনী ৩য় খণ্ড ২০০ পৃষ্ঠা, হাদীস নং ৩৪৯ ও ৩য় খণ্ড ২৪৫ পৃষ্ঠা হাদীস নং ১৩। ইবনু হযম তাঁর আল মুহাল্লা ৯/৪৯৪ গ্রন্থে হাদীসটি বাতিল বলেছেন। ইমাম সনআনী সুবুলুস সালাম ৩/২৩৯ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে মুবাশশির বিন উবাইদ নামক বর্ণনাকারী রয়েছেন তার সম্পর্কে ইমাম আহমাদ বলেন, এর সনদে মুবাশশির বিন উবাইদ রয়েছে। ইমাম আহমাদ বলেন, সে হাদীস তৈরী করত। হাদীসটি মারফু সূত্রে জাবির থেকে বর্ণিত হলেও সহীহ নয়। ইবনু উসাইমীন বুলুগুল মারামের শরাহ ৪/৫৯৭ গ্রন্থে বলেন, হাদীসটি বিশুদ্ধ নয়। আবদুর রহমান মুবারকপুরী বলেন, তুহফাতুল আহওয়াযীতে ৩/৫৭৭, এর সানাদে দাউদ আল উয়াদী নামক দুর্বল বর্ণনাকারী রয়েছে। ইমাম বাইহাকী তাঁর সুনান আল কুবর ৮/২৬১ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে অপরিচিত ও দুর্বল বর্ণনাকারীদের অনুপ্রবেশ ঘটেছে।
وَعَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «خَيْرُ الصَّدَاقِ أَيْسَرُهُ». أَخْرَجَهُ أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ الْحَاكِمُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه أبو داود (2117)، والحاكم (2/ 181 - 182) ولفظه كما عند الحاكم: عن عقبة بن عامر - رضي الله عنه-؛ أن النبي -صلى الله عليه وسلم- قال لرجل: «أترضى أن أزوجك فلانة؟» قال: نعم. وقال للمرأة: «أترضين أن أزوجك فلانا؟» قالت: نعم. فزوج أحدهما صاحبه، ولم يفرض لها صدقا ولا يعطها شيئا، وكان ممن شهد الحديبية - وكان من شهد الحديبية له سهم بخيبر - فلما حضرته الوفاة. قال: إن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- زوجني فلانة، ولم أفرض لها صداقا، ولم أعطها شيئا، وإني أشهدكم أني أعطيتها صداقها سهمي بخيبر، فأخذت سهما فباعته بمئة ألف. قال: وقال رسول الله -صلى الله عليه وسلم: «خير الصداق أيسره
১০৩৫। উকবাহ ইবন আমির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, উত্তম মোহর হচ্ছে যা দেয়া সহজ হয়। mdash;আবূ দাউদ; হাকিম সহীহ বলেছেন।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] আবূ দাউদ২১১৭, হাকিম ২য় খণ্ড ১৮১-১৮২ পৃষ্ঠা।
وَعَنْ عَائِشَةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - أَنَّ عَمْرَةَ بِنْتَ الْجَوْنِ تَعَوَّذَتْ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - حِينَ أُدْخِلَتْ عَلَيْهِ - تَعْنِي: لَمَّا تَزَوَّجَهَا - فَقَالَ: «لَقَدْ عُذْتِ بِمَعَاذٍ» , فَطَلَّقَهَا, وَأَمَرَ أُسَامَةَ فَمَتَّعَهَا بِثَلَاثَةِ أَثْوَابٍ. أَخْرَجَهُ ابْنُ مَاجَهْ, وَفِي إِسْنَادِهِ رَاوٍ مَتْرُوكٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
منكر. رواه ابن ماجه (2037) من طريق عبيد القاسم، حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، به. قلت: وآفته عبيد بن القاسم، وهو كذَّاب يضع الحديث. ولقد كان في الحديث التالي الصحيح غُنْيَة عنه، والله المستعان
১০৩৬। ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আল-জাওন কন্যা ‘আমরাহকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট পেশ করা হলে সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে (আল্লাহর) আশ্রয় প্রার্থনা করে। তিনি বলেন : তুমি এক মহান সত্তার নিকটই আশ্রয় প্রার্থনা করেছে। অতঃপর তিনি তাকে তিন তালাক দিলেন এবং উসামাহ (রাঃ)-কে নির্দেশ দিলে তদনুযায়ী তিনি তাকে (উপঢৌকনস্বরূপ) তিনখানা সাদা লম্বা কাপড় দেন। ইবনু মাজাহ; এর সানাদে একজন মাতরুক (পরিত্যক্ত) রাবী রয়েছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] ইবনু মাজাহ ২০৩৭, শাইখ আলবানী, যঈফ ইবনু মাজাহ ৩৯৫ গ্রন্থে বলেন, উসামার বর্ণনাটি মুনকার, আর আনাসের বর্ণনাটি فأمر أبا أسيد أن يجهزها শব্দে সহীহ। তিনি সহীহ ইবনু মাজাহ ১৬৭০ গ্রন্থে বলেন, فأمر أبا أسيد أن يجهزها ويكسوها ثوبين رازقتين শব্দে সহীহ, তবে উসমাহ ও আনাসকে উল্লেখ করা মুনকার। ইবনু হাজার আসকালানী ফাতহুল বারী ৯/২৬৯ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে উবাইদ রয়েছে, সে মাতরুক। তিনি তাঁর আত-তালখীসুল হাবীর ৩/১২২ গ্রন্থে বলেন, এর মধ্যে উবাইদ ইবনুল কাসিম রয়েছে সে واهي (মারাত্মক দুর্বল)। আর জাওনিয়ার ঘটনা। সহীহ বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে।
وَأَصْلُ الْقِصَّةِ فِي «الصَّحِيحِ» مِنْ حَدِيثِ أَبِي أُسَيْدٍ السَّاعِدِيِّ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
البخاري برقم (5255) - وفيه: «وقد أُتِيَ بالجَوْنِيَة ... فلما دخل عليها النبي -صلى الله عليه وسلم- قال: «هَبي نفسك لي». قالت: وهل تهب الملكة نفسها للسوقة؟ قال: «فأهوى بيده يضع يده عليها لتسكن». فقالت: أعوذ بالله منك. فقال: «قد عُذْتِ بمَعَاذ». ثم خرج علينا. فقال: يا أبا أسيد! اكسها رَازِقِيَّتَيْن، وأَلْحِقْهَا بأهلها
১০৩৭। আর আবূ উসাইদ সাঈদী কর্তৃক মূল বিরাবণ সহীহ বুখারীর হাদীসে রয়েছে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫২৫৫, ৫৬৩৭, মুসলিম ২০০৭, আহমাদ ১৫৬৩১, ২২৩৬২। বুখারীতে উক্ত ঘটনাটি বর্ণিত হয়েছে, আবূ উসায়দ ((রহঃ)) হতে বৰ্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা নাবী কমল এর সঙ্গে বের হয়ে শাওত নামক বাগানের নিকট দিয়ে চলতে চলতে দু’টি বাগান পর্যন্ত পৌঁছলাম এবং এ দু’টির মাঝে বসলাম। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তোমরা এখানে বসে থাক। তিনি (ভিতরে) প্রবেশ করলেন।
وقد أُتِيَ بالجَوْنِيَة ... فلما دخل عليها النبي -صلى الله عليه وسلم- قال: «هَبي نفسك لي». قالت: وهل تهب الملكة نفسها للسوقة؟ قال: فأهوى بيده يضع يده عليها لتسكن». فقالت: أعوذ بالله منك. فقال: قد عُذْتِ بمَعَاذ. ثم خرج علينا. فقال: يا أبا أسيد! اكسها رَازِقِيَّتَيْن، وأَلْحِقْهَا بأهلها
তখন নুমান ইবন শারাহীলের কন্যা উমাইমার খেজুর বাগানস্থিত ঘরে জাওনিয়াকে আনা হয়। আর তাঁর খিদমতের জন্য ধাত্রীও ছিল। নাবী যখন তার কাছে গিয়ে বললেন, তুমি নিজেকে আমার কাছে সমৰ্পণ কর। তখন সে বলল : কোন রাজকুমারী কি কোন বাজারিয়া ব্যক্তির কাছে নিজেকে সমর্পণ করে? রাবী বলেনঃ এরপর তিনি তার হাত প্রসারিত করলেন তার শরীরে রাখার জন্য, যাতে সে শান্ত হয়। সে বলল : আমি আপনার থেকে আল্লাহর নিকট পানাহ চাই। তিনি বললেন : তুমি উপযুক্ত সত্তারই আশ্রয় নিয়েছ। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিকট বেরিয়ে আসলেন এবং বললেন, হে আবূ উসায়দ! তাকে দুখানা কাতান কাপড় পরিয়ে দাও এবং তাকে তার পরিবারের নিকট পৌছিয়ে দাও।
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ - رضي الله عنه - أَنَّ النَّبِيَّ - صلى الله عليه وسلم - رَأَى عَلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ أَثَرَ صُفْرَةٍ, قَالَ: «مَا هَذَا»، قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ! إِنِّي تَزَوَّجْتُ امْرَأَةً عَلَى وَزْنِ نَوَاةٍ مِنْ ذَهَبٍ. فَقَالَ: «فَبَارَكَ اللَّهُ لَكَ, أَوْلِمْ وَلَوْ بِشَاةٍ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِمُسْلِمٍ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5155)، ومسلم (1427) ولا معنى لقول الحافظ: «واللفظ لمسلم» إذ هو نفس لفظ البخاري
১০৩৮। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ)-এর দেহে সুফরার (হলুদ রং) চিহ্ন দেখতে পেয়ে বললেন, এ কী? ‘আবদুর রহমান (রাঃ) বললেন, হে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমি এক মহিলাকে একটি খেজুরের আঁটি পরিমাণ স্বর্ণের বিনিময়ে বিয়ে করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আল্লাহ্ তাআলা তোমার এ বিয়েতে বারাকাত দান করুন। তুমি একটি ছাগলের দ্বারা হলেও ওয়ালীমার ব্যবস্থা কর। শব্দ বিন্যাস মুসলিমের।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ২০৪৯, ২২৯৩, ৩৭৮১, ৩৯৩৭, ৫০৭২, মুসলিম ১৪২৭, তিরমিযী ১০৯৪, ১৯৩৩, নাসায়ী ৩৩৪১, ৩৩৫২, ৩৩৭২, ২১০৯, ইবনু মাজাহ ১৯০৭, আহমাদ ১২২৭৪, ১২৫৬৪, ১২৭১০, মালেক ১১৫৭, দারেমী ২২০৪।
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا- قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْوَلِيمَةِ فَلْيَأْتِهَا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
وَلِمُسْلِمٍ: إِذَا دَعَا أَحَدُكُمْ أَخَاهُ, فَلْيُجِبْ; عُرْسًا كَانَ أَوْ نَحْوَهُ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه البخاري (5173)، ومسلم (1429) (96)
১০৩৯। ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কাউকে ওয়ালীমার দাওয়াত করা হলে তা অবশ্যই গ্রহণ করবে।
মুসলিমে আছে- যখন কেউ তাঁর (মুসলিম) ভাইকে বিবাহ উপলক্ষে বা তদনুরূপ কোন ব্যাপারে দাওয়াত করবে। তখন যেন সে তা গ্ৰহণ করে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৪১৭৯, মুসলিম ১৪২৯, তিরমিযী ১০৯৮, আর দাউদ ৩৭৩৬, ৩৭৩৮, ইবনু মাজাহ ১৯১৪, আহমাদ ৪৬৯৮, ৪৭১৬, মালেক ১১৫৯, দারেমী ২০৮২, ২২০৫।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «شَرُّ الطَّعَامِ طَعَامُ الْوَلِيمَةِ: يُمْنَعُهَا مَنْ يَأْتِيهَا, وَيُدْعَى إِلَيْهَا مَنْ يَأْبَاهَا, وَمَنْ لَمْ يُجِبِ الدَّعْوَةَ فَقَدْ عَصَى اللَّهَ وَرَسُولَهُ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
تحقيق وتخريج وتعليق: سمير بن أمين الزهيري
صحيح. رواه مسلم (1432) (110) قلت: ورواه البخاري (5177)، ومسلم (14532) (107) بنحوه، ولكن موقوفا على أبي هريرة، وله حكم الرفع كما ذكر ذلك الحافظ في «الفتح» (9/ 244)
১০৪০। আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- ওয়ালিমাহর ঐ খানা মন্দ খানা যার আগমনকারীকে নিষেধ করা হয়। আর অস্বীকারকারীকে আহবান করা হয়। আর যে ব্যক্তি ওয়ালিমাহর দাওয়াত গ্ৰহণ করে না সে আল্লাহ ও তদীয় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নাফরমানী করে।[1]
তাহক্বীক ও তাখরীজঃ শায়খ সামীর বিন আমীন আয যুহায়রী
[1] বুখারী ৫১৭৭, মুসলিম ১৪৩২, আর দাউদ ৩৭৪২, ইবনু মাজাহ ১৯১৩, আহমাদ ৭৫৬৯, ৯০০৮, ১০০৪০, মালেক ১১৬০, দারেমী ২০৬৬। ইমাম সনআনী সুবুলুস সালাম ৩/২৪৭ গ্রন্থে বলেন, ইবনু উসাইমীন বুলুগুল মারামের শরাহু ৪/৬০৯ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদের ব্যাপারে কিছু কথা আছে। ইবনুল কাত্তান তাঁর আল ওয়াহম ওয়াল ঈহাম ৩/১২১ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদে যিয়াদ বিন আবদুল্লাহ ও আত্মা ইবনুস সায়িব বর্ণনাকারীদ্বয় হচ্ছে মুখতালিত্ব (এলোমেলো বর্ণনাকারী)। শাইখ আলবানী যঈফ তিরমিযী ১০৯৭, যঈফ আল জামে ৩৬১৬ গ্ৰন্থদ্বয়ে একে দুর্বল বলেছেন। ইমাম সুয়ুত্ব আল জামেউস সগীর ৫২৬০ গ্রন্থে একে সহীহ বলেছেন, আবদুর রহমান মুবারকপুরী তুহফাতুল আহওয়াযী ৩/৫৫১ গ্রন্থে বলেন, এর অনেক শাহেদ থাকায় বোঝা যাচ্ছে হাদীসটির মূল ভিত্তি রয়েছে। বিন বায হাশিয়া বুলুগুল মারাম ৬০০ গ্রন্থে বলেন, এর সানাদ দুর্বল আর এর শাহেদ হাদীসগুলোও দুর্বল।