হাদীস বিএন


আল-আদাবুল মুফরাদ





আল-আদাবুল মুফরাদ (537)


حَدَّثَنَا حَدَّثَنَا خَطَّابٌ ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ عَجْلانَ ، وَإِسْحَاقَ بْنِ يَزِيدَ ، قَالا : حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ، قَالَ : حَدَّثَنِي ثَابِتٌ ، عَنِ الْقَاسِمِ ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : يَقُولُ اللَّهُ : " يَا ابْنَ آدَمَ ، إِذَا أَخَذْتُ كَرِيمَتَيْكَ ، فَصَبَرْتَ عِنْدَ الصَّدْمَةِ وَاحْتَسَبْتَ ، لَمْ أَرْضَ لَكَ ثَوَابًا دُونَ الْجَنَّةِ




৫৩৭। আবু উমামা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, আল্লাহ তায়ালা বলেন, হে আদম সন্তান! আমি যখন তোমার প্রিয় জিনিস দু’টি নিয়ে নেই (চোখের জ্যোতি হরণ করি) এবং তুমি সে বিপদে ধৈর্য ধারণ করো ও সওয়াবের আশা করো, আমি তোমাকে সওয়াবের পরিবর্তে জান্নাত না দেয়া পর্যন্ত খুশি হই না। (বুখারী, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ, আহমাদ)









আল-আদাবুল মুফরাদ (538)


حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ ، قَالَ : أَخْبَرَنِي عَمْرٌو ، عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ بْنِ سَعِيدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنِي الْمِنْهَالُ بْنُ عَمْرٍو ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ، قَالَ : " كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا عَادَ الْمَرِيضَ جَلَسَ عِنْدَ رَأْسِهِ ، ثُمَّ قَالَ سَبْعَ مِرَارٍ : أَسْأَلُ اللَّهَ الْعَظِيمَ ، رَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ ، أَنْ يَشْفِيكَ ، فَإِنْ كَانَ فِي أَجَلِهِ تَأْخِيرٌ عُوفِيَ مِنْ وَجَعِهِ




৫৩৮। ইবনে আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুগ্ন ব্যক্তিকে দেখতে গেলে তার মাথার কাছে বসতেন এবং সাতবার বলতেনঃ ”আমি মহান আল্লাহর নিকট মহান আরশের প্রভুর নিকট প্রার্থনা করি, তিনি যেন তোমাকে রোগমুক্ত করেন”। তার মৃত্যু বিলম্বিত হলে সে রোগমুক্ত হয়ে যেতো। (আবু দাউদ, তিরমিযী, আহমাদ, হাকিম, ইবনে হিব্বান)









আল-আদাবুল মুফরাদ (539)


حَدَّثَنَا مُوسَى ، قَالَ : حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالَ : " ذَهَبْتُ مَعَ الْحَسَنِ إِلَى قَتَادَةَ نَعُودُهُ ، فَقَعَدَ عِنْدَ رَأْسِهِ ، فَسَأَلَهُ ، ثُمَّ دَعَا لَهُ ، قَالَ : اللَّهُمَّ اشْفِ قَلْبَهُ ، وَاشْفِ سَقَمَهُ




৫৩৯। রাবী ইবনে আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, আমি হাসান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সাথে অসুস্থ কাতাদা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে দেখতে গেলাম। তিনি তার মাথার নিকট বসে তার কুশলাদি জিজ্ঞেস করেন, অতঃপর তার জন্য দোয়া করেনঃ ”হে আল্লাহ! তুমি তার অন্তরাত্মাকে আরোগ্য দান করো এবং তাকে রোগমুক্ত করো”।









আল-আদাবুল মুফরাদ (540)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ رَجَاءٍ، وَحَفْصُ بْنُ عُمَرَ، قَالاَ : حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ قَالَ : سَأَلْتُ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا : مَا كَانَ يَصْنَعُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي أَهْلِهِ ؟ فَقَالَتْ : كَانَ يَكُونُ فِي مِهْنَةِ أَهْلِهِ، فَإِذَا حَضَرَتِ الصَّلاةُ خَرَجَ .




৫৪০। আসওয়াদ (রহঃ) বলেন, আমি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পরিবারবর্গের সাথে অবস্থানকালে কি কাজ করতেন? তিনি বলেন, পরিবারের কাজকর্ম করতেন এবং নামাযের ওয়াক্ত হলে বের হয়ে যেতেন। (বুখারী, তিরমিযী)









আল-আদাবুল মুফরাদ (541)


حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ : حَدَّثَنَا مَهْدِيُّ بْنُ مَيْمُونٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ : سَأَلْتُ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا : مَا كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَعْمَلُ فِي بَيْتِهِ ؟ قَالَتْ : يَخْصِفُ نَعْلَهُ، وَيَعْمَلُ مَا يَعْمَلُ الرَّجُلُ فِي بَيْتِهِ .




৫৪১। হিশাম ইবনে উরওয়া (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ঘরে অবস্থানকালে কি কাজ করতেন? তিনি বলেন, তিনি তার জুতা মেরামত করতেন এবং লোকজন নিজ ঘরে সাধারণত যা করে থাক, তিনিও তাই করতেন (আবু দাউদ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (542)


حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ : سَأَلْتُ عَائِشَةَ : مَا كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَصْنَعُ فِي بَيْتِهِ ؟ قَالَتْ : مَا يَصْنَعُ أَحَدُكُمْ فِي بَيْتِهِ ؟ قَالَتْ : مَا يَصْنَعُ أَحَدُكُمْ فِي بَيْتِهِ، يَخْصِفُ النَّعْلَ، وَيَرْقَعُ الثَّوْبَ، وَيَخِيطُ .




৫৪২। হিশাম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে জিজ্ঞেস করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘরে কি কাজ করতেন? তিনি বলেন, তোমাদের কোন ব্যক্তি নিজ ঘরে যা করে থাকে, তিনি জুতা মেরামত করতেন, কাপড়ে তালি দিতেন এবং সেলাই করতেন (আবু দাউদ)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (543)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ قَالَ : حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرَةَ، قِيلَ لِعَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا : مَاذَا كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَعْمَلُ فِي بَيْتِهِ ؟ قَالَتْ : كَانَ بَشَرًا مِنَ الْبَشَرِ، يَفْلِي ثَوْبَهُ، وَيَحْلِبُ شَاتَهُ .




৫৪৩। আমর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। আয়েশা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে বলা হলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ঘরে কি কাজ করতেন? তিনি বলেন, তিনি তো লোকজনের মতো একজন মানুষই ছিলেন। তিনি তাঁর কাপড় পরিষ্কার করতেন এবং তাঁর বকরীর দুধ দোহন করতেন (শামাইলে তিরমিযী, বাযযার)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (544)


حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ ثَوْرٍ قَالَ : حَدَّثَنِي حَبِيبُ بْنُ عُبَيْدٍ، عَنِ الْمِقْدَامِ بْنِ مَعْدِي كَرِبَ، وَكَانَ قَدْ أَدْرَكَهُ، قَالَ : قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : إِذَا أَحَبَّ أَحَدُكُمْ أَخَاهُ فَلْيُعْلِمْهُ أَنَّهُ أَحَبَّهُ .




৫৪৪। মিকদাম ইবনে মাদীকারিব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ তার অপর (মুসলিম) ভাইকে মহব্বত করলে সে যেন তাকে জানিয়ে দেয় যে, সে তাকে মহব্বত করে। (আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, হাকিম, ইবনে হিব্বান)









আল-আদাবুল মুফরাদ (545)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بِشْرٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ رَبَاحٍ، عَنْ أَبِي عُبَيْدِ اللهِ، عَنْ مُجَاهِدٍ قَالَ : لَقِيَنِي رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَأَخَذَ بِمَنْكِبِي مِنْ وَرَائِي، قَالَ : أَمَا إِنِّي أُحِبُّكَ، قَالَ : أَحَبَّكَ الَّذِي أَحْبَبْتَنِي لَهُ، فَقَالَ : لَوْلاَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ : إِذَا أَحَبَّ الرَّجُلُ الرَّجُلَ فَلْيُخْبِرْهُ أَنَّهُ أَحَبَّهُ مَا أَخْبَرْتُكَ، قَالَ : ثُمَّ أَخَذَ يَعْرِضُ عَلَيَّ الْخِطْبَةَ قَالَ : أَمَا إِنَّ عِنْدَنَا جَارِيَةً، أَمَا إِنَّهَا عَوْرَاءُ .




৫৪৫। মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোন এক সাহাবী আমার সাথে সাক্ষাত করলেন। তিনি আমার পেছন দিক থেকে আমার কাঁধ ধরে বলেন, শোন! আমি তোমাকে ভালোবাসি। রাবী বলেন, আমি বললাম, যে সত্তার (সন্তুষ্টির) জন্য আপনি আমাকে ভালোবাসেন, তিনি যেন আপনাকে ভালোবাসেন। সাহাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যদি একথা না বলতেনঃ ”কেউ কাউকে ভালোবাসলে সে যেন তাকে অবহিত করে যে, সে তাকে ভালোবাসে”, তবে আমি তোমাকে তা অবহিত করতাম না। রাবী বলেন, অতঃপর তিনি আমাকে বিবাহের প্রস্তাব দিয়ে বলেন, শোন! আমার কাছে একটি বালিকা আছে। তবে তার এক চোখ অন্ধ।









আল-আদাবুল মুফরাদ (546)


حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ : حَدَّثَنَا مُبَارَكٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ : قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : مَا تَحَابَّا الرَّجُلاَنِ إِلاَّ كَانَ أَفْضَلُهُمَا أَشَدَّهُمَا حُبًّا لِصَاحِبِهِ .




৫৪৬। আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুই ব্যক্তি পরস্পরকে মহব্বত করলে, তাদের মধ্যে যে অপরজনকে অধিক মহব্বত করে সে অধিক উত্তম। (হাকিম, ইবনে হিব্বান)









আল-আদাবুল মুফরাদ (547)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ صَالِحٍ قَالَ : حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ، أَنَّ أَبَا الزَّاهِرِيَّةِ حَدَّثَهُ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ أَنَّهُ قَالَ : إِذَا أَحْبَبْتَ أَخًا فَلاَ تُمَارِهِ، وَلاَ تُشَارِّهِ، وَلاَ تَسْأَلْ عَنْهُ، فَعَسَى أَنْ تُوَافِيَ لَهُ عَدُوًّا فَيُخْبِرَكَ بِمَا لَيْسَ فِيهِ، فَيُفَرِّقَ بَيْنَكَ وَبَيْنَهُ .




৫৪৭। মুআয ইবনে জাবাল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তুমি তোমার কোন (মুসলিম) ভাইকে মহব্বত করলে তার সাথে ঝগড়া করবে না, তার ক্ষতি সাধনের চিন্তাও করবে না এবং তার কাছে কিছু চাইবেও না। এমন যেন না হয় যে, তুমি শক্রর খপ্পরে পড়ে যাও এবং সে তোমাকে তার সম্পর্কে এমন কথা বলবে যা তার মধ্যে নেই। এভাবে সে তোমার ও তার মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করবে (জামে সগীর, হিলইয়া)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (548)


حَدَّثَنَا الْمُقْرِئُ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : مَنْ أَحَبَّ أَخًا لِلَّهِ، فِي اللهِ، قَالَ : إِنِّي أُحِبُّكَ لِلَّهِ، فَدَخَلاَ جَمِيعًا الْجَنَّةَ، كَانَ الَّذِي أَحَبَّ فِي اللهِ أَرْفَعَ دَرَجَةً لِحُبِّهِ، عَلَى الَّذِي أَحَبَّهُ لَهُ .




৫৪৮। আবদুল্লাহ ইবন আমর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি তাঁর অপর ভাইকে আল্লাহর উদ্দেশ্যে মহব্বত করে এবং বলে, আমি তোমাকে আল্লাহর (সন্তুষ্টি লাভের) উদ্দেশ্যে মহব্বত করি, তারা উভয়ে জান্নাতে দাখিল হবে। যার মহব্বত অধিক প্রবল হবে সে তার ভাইকে মহব্বত করার কারণে অধিক মর্যাদাবান হবে।









আল-আদাবুল মুফরাদ (549)


حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ قَالَ : أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عِيَاضِ بْنِ خَلِيفَةَ، عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أَنَّهُ سَمِعَهُ بِصِفِّينَ يَقُولُ : إِنَّ الْعَقْلَ فِي الْقَلْبِ، وَالرَّحْمَةَ فِي الْكَبِدِ، وَالرَّأْفَةَ فِي الطِّحَالِ، وَالنَّفَسَ فِي الرِّئَةِ .




৫৪৯। ইয়াদ ইবনে খলীফা (রহঃ) থেকে আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি তাকে সিফফীন নামক স্থানে বলতে শুনেছেন, অন্তর হলো বুদ্ধির উৎসস্থল, করুণার স্থান হৃদপিণ্ড, মায়া-মমতার স্থান যকৃত এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের স্থান ফুসফুস।









আল-আদাবুল মুফরাদ (550)


حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنِ الصَّقْعَبِ بْنِ زُهَيْرٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ قَالَ : لاَ أَعْلَمُهُ إِلاَّ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ : كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَجَاءَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ عَلَيْهِ جُبَّةُ سِيجَانٍ، حَتَّى قَامَ عَلَى رَأْسِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ : إِنَّ صَاحِبَكُمْ قَدْ وَضَعَ كُلَّ فَارِسٍ، أَوْ قَالَ : يُرِيدُ أَنْ يَضَعَ كُلَّ فَارِسٍ، وَيَرْفَعَ كُلَّ رَاعٍ، فَأَخَذَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِمَجَامِعِ جُبَّتِهِ فَقَالَ : أَلاَ أَرَى عَلَيْكَ لِبَاسَ مَنْ لاَ يَعْقِلُ، ثُمَّ قَالَ : إِنَّ نَبِيَّ اللهِ نُوحًا صلى الله عليه وسلم لَمَّا حَضَرَتْهُ الْوَفَاةُ قَالَ لِابْنِهِ : إِنِّي قَاصٌّ عَلَيْكَ الْوَصِيَّةَ، آمُرُكَ بِاثْنَتَيْنِ، وَأَنْهَاكَ عَنِ اثْنَتَيْنِ : آمُرُكَ بِلاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، فَإِنَّ السَّمَاوَاتِ السَّبْعَ وَالأَرَضِينَ السَّبْعَ، لَوْ وُضِعْنَ فِي كِفَّةٍ وَوُضِعَتْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ فِي كِفَّةٍ لَرَجَحَتْ بِهِنَّ، وَلَوْ أَنَّ السَّمَاوَاتِ السَّبْعَ وَالأَرَضِينَ السَّبْعَ كُنَّ حَلْقَةً مُبْهَمَةً لَقَصَمَتْهُنَّ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَسُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ، فَإِنَّهَا صَلاَةُ كُلِّ شَيْءٍ، وَبِهَا يُرْزَقُ كُلُّ شَيْءٍ، وَأَنْهَاكَ عَنِ الشِّرْكِ وَالْكِبْرِ، فَقُلْتُ، أَوْ قِيلَ : يَا رَسُولَ اللهِ، هَذَا الشِّرْكُ قَدْ عَرَفْنَاهُ، فَمَا الْكِبْرُ ؟ هُوَ أَنْ يَكُونَ لأَحَدِنَا حُلَّةٌ يَلْبَسُهَا ؟ قَالَ : لاَ، قَالَ : فَهُوَ أَنْ يَكُونَ لأَحَدِنَا نَعْلاَنِ حَسَنَتَانِ، لَهُمَا شِرَاكَانِ حَسَنَانِ ؟ قَالَ : لاَ، قَالَ : فَهُوَ أَنْ يَكُونَ لأَحَدِنَا دَابَّةٌ يَرْكَبُهَا ؟ قَالَ : لاَ، قَالَ : فَهُوَ أَنْ يَكُونَ لأَحَدِنَا أَصْحَابٌ يَجْلِسُونَ إِلَيْهِ ؟ قَالَ : لاَ، قَالَ : يَا رَسُولَ اللهِ، فَمَا الْكِبْرُ ؟ قَالَ : سَفَهُ الْحَقِّ، وَغَمْصُ النَّاسِ .




৫৫০। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট বসা ছিলাম। তখন বনভূমি থেকে সীজান (এক প্রকার মাছ) রং-এর জুব্বা পরিহিত এক ব্যক্তি এসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মাথার কাছে দাঁড়ালো এবং বললো, তোমাদের সাথী প্রত্যেক আরোহীকে অবদমিত করেছে বা আরোহীদেরকে অবদমিত করার সংকল্প করেছে এবং প্রত্যেক রাখালকে সমুন্নত করেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জুব্বার হাতা ধরে বলেনঃ আমি কি তোমাকে নির্বোধের পোশাক পরিহিত দেখছি না?

অতঃপর তিনি বলেনঃ আল্লাহর নবী নূহ (আঃ) এর ইন্তিকালের সময় উপস্থিত হলে তিনি তাঁর পুত্রকে বলেনঃ আমি তোমাকে একটি উপদেশ দিচ্ছি। আমি তোমাকে দুটি বিষয়ের আদেশ দিচ্ছি এবং দুটি বিষয় নিষেধ করছি। আমি তোমাকে ”লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্”-এর নির্দেশ দিচ্ছি। কেননা, সাত আসমান ও সাত জমিনকে যদি এক পাল্লায় তোলা হয় এবং অপর পাল্লায় ”লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্” তোলা হয়, তবে সেই তাওহীদের পাল্লাই ভারী হবে। সাত আসমান ও সাত জমিন যদি একটি জটিল গ্রন্থির রূপ ধারণ করে, তবে ”লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্” এবং ”সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী” তা চুরমার করে দিবে। কেননা তা প্রত্যেক বস্তুর নামায এবং সকলেই এর বদৌলতে রিযিক লাভ করে থাকে।

আর আমি তোমাকে বারণ করছি শিরক এবং অহংকারে লিপ্ত হতে। আমি বললাম অথবা বলা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! শিরক তো আমরা বুঝলাম, তবে অহংকার কি? আমাদের মধ্যকার কারো যদি কারুকার্য খচিত চাদর থাকে, আর তা পরিধান করে? তিনি বলেনঃ না। সে আবার বললো, যদি আমাদের কারো সুন্দর ফিতাযুক্ত সুন্দর একজোড়া জুতা থাকে? তিনি বলেনঃ না। সে পুনরায় বললো, যদি আমাদের কারো আরোহণের একটি জন্তুযান থাকে? তিনি বলেনঃ না। সে বললো, যদি আমাদের কারো বন্ধু-বান্ধব থাকে এবং তারা তার সাথে ওঠা-বসাও করে (তবে তা কি অহংকার হবে)? তিনি বলেনঃ না।

সে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তাহলে অহংকার কি? তিনি বলেনঃ সত্য থেকে বিমুখ থাকা এবং মানুষকে হেয় জ্ঞান করা। (আহমাদ, নাসাঈ, বাযযার, হাকিম, হিব্বান, তাহাবী)









আল-আদাবুল মুফরাদ (551)


حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ الْقَاسِمِ أَبُو عُمَرَ الْيَمَامِيُّ، قَالَ : حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ خَالِدٍ قَالَ : سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ : مَنْ تَعَظَّمَ فِي نَفْسِهِ، أَوِ اخْتَالَ فِي مِشْيَتِهِ، لَقِيَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ وَهُوَ عَلَيْهِ غَضْبَانُ .




৫৫১। ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি নিজেকে বড়ো মনে করে অথবা তার চালচলনে অহংকার প্রকাশ করে, সে এমন অবস্থায় মহামহিম আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করবে যে, তিনি তার প্রতি অসন্তুষ্ট থাকবেন (আবু দাউদ, হাকিম)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (552)


حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللهِ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : مَا اسْتَكْبَرَ مَنْ أَكَلَ مَعَهُ خَادِمُهُ، وَرَكِبَ الْحِمَارُ بِالأَسْوَاقِ، وَاعْتَقَلَ الشَّاةَ فَحَلَبَهَا .




৫৫২। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার খাদেমকে সাথে নিয়ে আহার করে, গাধায় চড়ে বাজারে যায়, ছাগল পোষে এবং তার দুধ দোহন করে, সে অহংকারী নয়।









আল-আদাবুল মুফরাদ (553)


حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ بَحْرٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ هَاشِمِ بْنِ الْبَرِيدِ، قَالَ : حَدَّثَنَا صَالِحٌ بَيَّاعُ الأَكْسِيَةِ، عَنْ جَدَّتِهِ قَالَتْ : رَأَيْتُ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ اشْتَرَى تَمْرًا بِدِرْهَمٍ، فَحَمَلَهُ فِي مِلْحَفَتِهِ، فَقُلْتُ لَهُ، أَوْ قَالَ لَهُ رَجُلٌ : أَحْمِلُ عَنْكَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ ؟ قَالَ : لاَ، أَبُو الْعِيَالِ أَحَقُّ أَنْ يَحْمِلَ .




৫৫৩। কাপড় বিক্রেতা সালেহ (রহঃ) থেকে তার দাদীর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে দেখলাম যে, তিনি এক দিরহামের খেজুর কিনে তা তার চাদরে করে নিয়ে যাচ্ছেন। আমি তাকে বললাম অথবা এক ব্যক্তি তাকে বললো, হে আমীরুল মুমিনীন! আপনার বোঝাটি আমিই বহন করি। তিনি বলেন, না, পরিবারের পিতাই বোঝা বহনের অধিক উপযুক্ত (তারীখুল কামিল)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (554)


حَدَّثَنَا عُمَرُ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ : حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي مُسْلِمٍ الأَغَرِّ حَدَّثَهُ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، وَأَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : الْعِزُّ إِزَارِي، وَالْكِبْرِيَاءُ رِدَائِي، فَمَنْ نَازَعَنِي بِشَيْءٍ مِنْهُمَا عَذَّبْتُهُ .




৫৫৪। আবু সাঈদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ও আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মহান আল্লাহ বলেন, ইজ্জত আমার পরিধেয় এবং কিবরিয়া (অহংকার) আমার চাদর। যে কেউ আমার সাথে এই দু’টি জিনিস নিয়ে বিবাদ করবে, আমি তাকে শাস্তি দিবো। (মুসলিম, ইবনে মাজাহ, হাকিম)









আল-আদাবুল মুফরাদ (555)


حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ : حَدَّثَنِي أَبُو رَوَاحَةَ يَزِيدُ بْنُ أَيْهَمَ، عَنِ الْهَيْثَمِ بْنِ مَالِكٍ الطَّائِيِّ قَالَ : سَمِعْتُ النُّعْمَانَ بْنَ بَشِيرٍ يَقُولُ عَلَى الْمِنْبَرِ، قَالَ : إِنَّ لِلشَّيْطَانِ مَصَالِيًا وَفُخُوخًا، وَإِنَّ مَصَالِيَ الشَّيْطَانِ وَفُخُوخَهُ : الْبَطَرُ بِأَنْعُمِ اللهِ، وَالْفَخْرُ بِعَطَاءِ اللهِ، وَالْكِبْرِيَاءُ عَلَى عِبَادِ اللهِ، وَاتِّبَاعُ الْهَوَى فِي غَيْرِ ذَاتِ اللهِ .




৫৫৫। হায়সাম ইবনে মালেক আত-তাই (রহঃ) বলেন, আমি নোমান ইবনে বশীর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে মিম্বারের উপর বলতে শুনেছি, শয়তানের অনেক রকম জাল ও ফাঁদ আছে। শয়তানের জাল ও ফাঁদ হচ্ছে আল্লাহর নিয়ামত সম্পর্কে অহংকার করা, আল্লাহর দান সম্পর্কে গর্ব করা, আল্লাহর বান্দাগণের উপর অহংকার করা এবং আল্লাহর সত্তা ব্যতীত নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ করা (বায়হাকীর শুআবুল ঈমান, জামে সগীর, ইবনে আসাকির)।









আল-আদাবুল মুফরাদ (556)


حَدَّثَنَا عَلِيٌّ، قَالَ : حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : احْتَجَّتِ الْجَنَّةُ وَالنَّارُ، وَقَالَ سُفْيَانُ أَيْضًا : اخْتَصَمَتِ الْجَنَّةُ وَالنَّارُ، قَالَتِ النَّارُ : يَلِجُنِي الْجَبَّارُونَ، وَيَلِجُنِي الْمُتَكَبِّرُونَ، وَقَالَتِ الْجَنَّةُ : يَلِجُنِي الضُّعَفَاءُ، وَيَلِجُنِي الْفُقَرَاءُ . قَالَ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى لِلْجَنَّةِ : أَنْتِ رَحْمَتِي أَرْحَمُ بِكِ مَنْ أَشَاءُ، ثُمَّ قَالَ لِلنَّارِ : أَنْتِ عَذَابِي أُعَذِّبُ بِكِ مَنْ أَشَاءُ، وَلِكُلِّ وَاحِدَةٍ مِنْكُمَا مِلْؤُهَا .




৫৫৬। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বেহেশত ও দোযখ পরস্পর বিতর্ক ও বাদানুবাদে লিপ্ত হলো। দোযখ বললো, পরাক্রমশালী, স্বৈরাচারী ও অহংকারীরা আমার মধ্যে প্রবেশ করবে। বেহেশত বললো, দুর্বল ও দরিদ্ররা আমার মধ্যে প্রবেশ করবে। বরকতময় মহান আল্লাহ বেহেশতকে বলেন, তুমি হলে আমার রহমত, আমি যাকে ইচ্ছা তোমার মাধ্যমে অনুগ্রহ করবো। অতঃপর তিনি দোযখকে বলেন, তুমি হলে আমার শাস্তি। আমি যাকে ইচ্ছা তোর মাধ্যমে শাস্তি দিবো। তোদের দু’জনকেই পূর্ণ করা হবে। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, আহমাদ, ইবনে খুজাইমাহ, ইবনে হিব্বান)