আল-আদাবুল মুফরাদ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ زَيْدٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ قَالَ : أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ رَجُلاً يَسْأَلُ جَابِرًا عَنْ خَادِمِ الرَّجُلِ، إِذَا كَفَاهُ الْمَشَقَّةَ وَالْحَرَّ، أَمَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَدْعُوهُ ؟ قَالَ : نَعَمْ، فَإِنْ كَرِهَ أَحَدُكُمْ أَنْ يَطْعَمَ مَعَهُ فَلْيُطْعِمْهُ أُكْلَةً فِي يَدِهِ .
১৯৭। ইবনুয যুবাইর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে তার খাদেম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলো। সে তার (জন্য আহার তৈরি করতে) পরিশ্রম ও তাপ সহ্য করেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি আহারের সময় তাকে ডাকার নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বলেন, হাঁ, তোমাদের কেউ যদি তার সাথে আহার করতে অনিচ্ছুক হয়, তবে সে যেন নিজ হাতে তার মুখে এক গ্রাস খাবার তুলে দেয় (মুসনাদ আহমাদ, ইবনে হিব্বান)।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، قَالَ : حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، عَنِ الْفَضْلِ بْنِ مُبَشِّرٍ قَالَ : سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللهِ يَقُولُ : كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُوصِي بِالْمَمْلُوكِينَ خَيْرًا وَيَقُولُ : أَطْعِمُوهُمْ مِمَّا تَأْكُلُونَ، وَأَلْبِسُوهُمْ مِنْ لَبُوسِكُمْ، وَلاَ تُعَذِّبُوا خَلْقَ اللهِ .
১৯৮। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাসদের সাথে উত্তম ব্যবহার করার উপদেশ দিতেন এবং বলতেনঃ তোমরা যা খাও তাদেরকেও তা খাওয়াও, তোমরা যা পরিধান করো তাদেরকেও তা পরিধান করাও এবং আল্লাহর সৃষ্টিকে কষ্ট দিও না।
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : إِذَا جَاءَ أَحَدَكُمْ خَادِمُهُ بِطَعَامِهِ فَلْيُجْلِسْهُ، فَإِنْ لَمْ يَقْبَلْ فَلْيُنَاوِلْهُ مِنْهُ .
১৯৯। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কারো খাদেম তার আহারাদি নিয়ে তার কাছে আসলে সে যেন তাকেও সাথে বসায়। সে যদি তাতে সম্মত না হয়, তবে তাকে (তার মুখে) তা থেকে কিছু তুলে দেয় (বুখারী, মুসলিম, দারিমী)।
حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ، قَالَ : أَخْبَرَنَا أَبُو يُونُسَ الْبَصْرِيُّ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ قَالَ : قَالَ أَبُو مَحْذُورَةَ : كُنْتُ جَالِسًا عِنْدَ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، إِذْ جَاءَ صَفْوَانُ بْنُ أُمَيَّةَ بِجَفْنَةٍ يَحْمِلُهَا نَفَرٌ فِي عَبَاءَةٍ، فَوَضَعُوهَا بَيْنَ يَدَيْ عُمَرَ، فَدَعَا عُمَرُ نَاسًا مَسَاكِينَ وَأَرِقَّاءَ مِنْ أَرِقَّاءِ النَّاسِ حَوْلَهُ، فَأَكَلُوا مَعَهُ، ثُمَّ قَالَ عِنْدَ ذَلِكَ : فَعَلَ اللَّهُ بِقَوْمٍ، أَوْ قَالَ : لَحَا اللَّهُ قَوْمًا يَرْغَبُونَ عَنْ أَرِقَّائِهِمْ أَنْ يَأْكُلُوا مَعَهُمْ، فَقَالَ صَفْوَانُ : أَمَا وَاللَّهِ، مَا نَرْغَبُ عَنْهُمْ، وَلَكِنَّا نَسْتَأْثِرُ عَلَيْهِمْ، لاَ نَجْدُ وَاللَّهِ مِنَ الطَّعَامِ الطِّيبِ مَا نَأْكُلُ وَنُطْعِمُهُمْ .
২০০। আবু মাহযূরা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর দরবারে বসা ছিলাম। তখন সাফওয়ান ইবনে উমাইয়া (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) একটি বিরাট পাত্রসহ সেখানে আসেন। পাত্রটি একটি পশমী আবায় করে কয়েক ব্যক্তি বহন করে আনে। তারা তা উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সামনে রাখে। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) দরিদ্র লোকজনকে এবং তার নিকট উপস্থিত লোকজনের দাসদেরকে ডাকলেন। তারা তার সাথে একত্রে আহার করলো। তিনি বলেন, আল্লাহ এমন একটি সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছেন অথবা আল্লাহ এমন সম্প্রদায়কে অপদস্থ করেছেন, যারা নিজেদের দাসদের সাথে আহার করতে অপছন্দ করতো। সাফওয়ান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমরা তাদের ঘৃণা করি না, বরং আমরা তাদেরকে আমাদের উপর অগ্রাধিকার দেই। আল্লাহর শপথ! আমরা উত্তম খাবার পেলেই তা নিজেরাও খাই এবং তাদেরকেও খাওয়াই।
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ : حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ : إِنَّ الْعَبْدَ إِذَا نَصَحَ لِسَيِّدِهِ، وَأَحْسَنَ عِبَادَةَ رَبِّهِ، لَهُ أَجْرُهُ مَرَّتَيْنِ .
২০১। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে গোলাম তার মনিবের কল্যাণ কামনা করে এবং উত্তমরূপে তার প্রতিপালকের ইবাদত করে, তার জন্য দ্বিগুণ পুরস্কার রয়েছে (বুখারী, মুসলিম, দারিমী)।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلاَمٍ، قَالَ : أَخْبَرَنَا الْمُحَارِبِيُّ، قَالَ : حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ حَيٍّ قَالَ : قَالَ رَجُلٌ لِعَامِرٍ الشَّعْبِيِّ : يَا أَبَا عَمْرٍو، إِنَّا نَتَحَدَّثُ عِنْدَنَا أَنَّ الرَّجُلَ إِذَا أَعْتَقَ أُمَّ وَلَدِهِ ثُمَّ تَزَوَّجَهَا كَانَ كَالرَّاكِبِ بَدَنَتَهُ، فَقَالَ عَامِرٌ : حَدَّثَنِي أَبُو بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ : قَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : ثَلاَثَةٌ لَهُمْ أَجْرَانِ : رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ آمَنَ بِنَبِيِّهِ، وَآمَنَ بِمُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم فَلَهُ أَجْرَانِ . وَالْعَبْدُ الْمَمْلُوكُ إِذَا أَدَّى حَقَّ اللهِ وَحَقَّ مَوَالِيهِ . وَرَجُلٌ كَانَتْ عِنْدَهُ أَمَةٌ يَطَأهَا، فَأَدَّبَهَا فَأَحْسَنَ تَأْدِيبَهَا، وَعَلَّمَهَا فَأَحْسَنَ تَعْلِيمَهَا، ثُمَّ أَعْتَقَهَا فَتَزَوَّجَهَا، فَلَهُ أَجْرَانِ قَالَ عَامِرٌ : أَعْطَيْنَاكَهَا بِغَيْرِ شَيْءٍ، وَقَدْ كَانَ يَرْكَبُ فِيمَا دُونَهَا إِلَى الْمَدِينَةِ .
২০২। এক ব্যক্তি আমের আশ-শাবী (রহঃ)-কে বললো, হে আমরের পিতা! আমরা পরস্পর বলাবলি করি যে, কোন ব্যক্তি তার সন্তানদাত্রী দাসীকে দাসত্বমুক্ত করার পর বিবাহ করলে সে যেন তার কোরবানীর পশুকে বাহনরূপে ব্যবহার করলো। আমের (রহঃ) বলেন, আবু বুরদা (রহঃ) তার পিতার সূত্রে আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বলেছেনঃ তিন ব্যক্তির জন্য দুটি করে পুরস্কার রয়েছে। (১) আহলে কিতাব সম্প্রদায়ের যে ব্যক্তি তার নবীর উপর ঈমান এনেছে এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপরও ঈমান এনেছে তার জন্য দুইটি পুরস্কার। (২) যে ক্রীতদাস আল্লাহর হক এবং তার মনিবের হক আদায় করে (৩) যে ব্যক্তির কাছে একটি দাসী ছিল, সে তাকে শয্যাসঙ্গিনী করেছে, তাকে উত্তমরূপে শিষ্টাচার শিখিয়েছে এবং উত্তমরূপে শিক্ষাদীক্ষা দিয়েছে, অতঃপর তাকে দাসত্বমুক্ত করে বিবাহ করেছে, তার জন্য দুইটি পুরস্কার রয়েছে। আমের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি তোমাকে তা (জ্ঞান) বিনিময় ছাড়াই দান করলাম। এর চাইতে ক্ষুদ্র কথা শেখার জন্যও মানুষকে ইতিপূর্বে মদীনা পর্যন্ত সফর করতে হতো (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ بُرَيْدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : الْمَمْلُوكُ الَّذِي يُحْسِنُ عِبَادَةَ رَبِّهِ، وَيُؤَدِّي إِلَى سَيِّدِهِ الَّذِي فُرِضَ، الطَّاعَةُ وَالنَّصِيحَةُ، لَهُ أَجْرَانِ .
২০৩। আবু মূসা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ক্রীতদাস উত্তমরূপে তার প্রভুর ইবাদত করে এবং তার মনিবের আনুগত্য ও কল্যাণ কামনার যে কর্তব্য তার উপর রয়েছে তাও পালন করে, তার জন্য রয়েছে দুটি পুরস্কার (বুখারী)।
حَدَّثَنَا مُوسَى، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو بُرْدَةَ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا بُرْدَةَ يُحَدِّثُ، عَنْ أَبِيهِ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : الْمَمْلُوكُ لَهُ أَجْرَانِ إِذَا أَدَّى حَقَّ اللهِ فِي عِبَادَتِهِ، أَوْ قَالَ : فِي حُسْنِ عِبَادَتِهِ، وَحَقَّ مَلِيكِهِ الَّذِي يَمْلِكُهُ .
২০৪। আবু বুরদা (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ ক্রীতদাসের জন্য রয়েছে দু’টি পুরস্কার। সে যখন উত্তমরূপে আল্লাহর ইবাদতের হক আদায় করে এবং মনিবের প্রতি তার কর্তব্যও পালন করে (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, নাসাঈ)।
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ قَالَ : حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ : كُلُّكُمْ رَاعٍ، وَكُلُّكُمْ مَسْؤولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ، فَالأَمِيرُ الَّذِي عَلَى النَّاسِ رَاعٍ، وَهُوَ مَسْؤولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ، وَالرَّجُلُ رَاعٍ عَلَى أَهْلِ بَيْتِهِ، وَهُوَ مَسْؤُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ، وَعَبْدُ الرَّجُلِ رَاعٍ عَلَى مَالِ سَيِّدِهِ، وَهُوَ مَسْؤُولٌ عَنْهُ، أَلاَ كُلُّكُمْ رَاعٍ، وَكُلُّكُمْ مَسْؤُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ .
২০৫। ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের প্রত্যেকেই রাখাল বা দায়িত্বশীল এবং তোমাদের প্রত্যেককেই তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। শাসক জনগণের রাখাল, তাকে তার জনগণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। যে কোন ব্যক্তি তার পরিবারের রাখাল। তাকে তাঁর পরিবার সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। দাস তার মনিবের সম্পদরাজির রাখাল, তাকে এই সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সাবধান! তোমাদের প্রত্যেকেই রাখাল এবং তোমাদের প্রত্যেককেই তার অধীনস্থদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে (বুখারী, মুসলিম, দারিমী)।
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عِيسَى، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ وَهْبٍ قَالَ : أَخْبَرَنِي مَخْرَمَةُ بْنُ بُكَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ سَعْدٍ مَوْلَى عَائِشَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ : الْعَبْدُ إِذَا أَطَاعَ سَيِّدَهُ، فَقَدْ أَطَاعَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ، فَإِذَا عَصَى سَيِّدَهُ فَقَدْ عَصَى اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ .
২০৬। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, দাস তার মনিবের আনুগত্য করলে সে মহামহিম আল্লাহরই আনুগত্য করলো এবং সে মনিবের অবাধ্যাচারী হলে মহামহিমান্বিত আল্লাহরই অবাধ্যতা করলো।
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ قَالَ : حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ : الْعَبْدُ الْمُسْلِمُ إِذَا أَدَّى حَقَّ اللهِ وَحَقَّ سَيِّدِهِ، لَهُ أَجْرَانِ، وَالَّذِي نَفْسُ أَبِي هُرَيْرَةَ بِيَدِهِ، لَوْلاَ الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللهِ، وَالْحَجُّ، وَبِرُّ أُمِّي، لَأَحْبَبْتُ أَنْ أَمُوتَ مَمْلُوكًا .
২০৭। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন মুসলিম গোলাম যখন আল্লাহর হক ও তার মনিবের হক আদায় করে, তখন সে দু’টি পুরস্কার পাবার অধিকারী হয়। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, সেই সত্তার শপথ যাঁর হাতে আবু হুরায়রার জীবন! যদি আল্লাহর পথে জিহাদ ও হজ্জ না থাকতো এবং আমার মায়ের সাথে সদ্ব্যবহার করার মত গুরুত্বপূর্ণ কাজ না থাকতো তাহলে আমি গোলামী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা অধিক পছন্দ করতাম (বুখারী, মুসলিম, আহমাদ, মুসনাদ আবু আওয়ানা)।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللهِ قَالَ : حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنِ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : لاَ يَقُلْ أَحَدُكُمْ : عَبْدِي، أَمَتِي، كُلُّكُمْ عَبِيدُ اللهِ، وَكُلُّ نِسَائِكُمْ إِمَاءُ اللهِ، وَلْيَقُلْ : غُلاَمِي، جَارِيَتِي، وَفَتَايَ، وَفَتَاتِي .
২০৮। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ ‘আমার বান্দা’ ‘আমার বান্দী’ বলবে না। তোমরা সবাই আল্লাহর বান্দা এবং তোমাদের সব মহিলা আল্লাহর বান্দী। বরং সে যেন বলে, আমার ছেলে, আমার মেয়ে, আমার যুবক, আমার যুবতী (বুখারী, মুসলিম, নাসাঈ, ইবনে হিব্বান)।
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَيُّوبَ، وَحَبِيبٍ، وَهِشَامٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : لاَ يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ : عَبْدِي وَأَمَتِي، وَلاَ يَقُولَنَّ الْمَمْلُوكُ : رَبِّي وَرَبَّتِي، وَلْيَقُلْ : فَتَايَ وَفَتَاتِي، وَسَيِّدِي وَسَيِّدَتِي، كُلُّكُمْ مَمْلُوكُونَ، وَالرَّبُّ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ .
২০৯। আবু হুরায়রা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ যেন আমার দাস, আমার দাসী না বলে। ক্রীতদাসও যেন আমার প্রভু না বলে। সে বলবে, আমার যুবক, আমার যুবতী, আমার নেতা। তোমাদের প্রত্যেকেই দাস, কেবল মহামহিম আল্লাহই হচ্ছেন রব (প্রভু) (আবু দাউদ, নাসাঈ)।
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْفَضْلِ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو مَسْلَمَةَ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ مُطَرِّفٍ قَالَ : قَالَ أَبِي : انْطَلَقْتُ فِي وَفْدِ بَنِي عَامِرٍ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالُوا : أَنْتَ سَيِّدُنَا، قَالَ : السَّيِّدُ اللَّهُ، قَالُوا : وَأَفْضَلُنَا فَضْلاً، وَأَعْظَمُنَا طَوْلاً، قَالَ : فَقَالَ : قُولُوا بِقَوْلِكُمْ، وَلاَ يَسْتَجْرِيَنَّكُمُ الشَّيْطَانُ .
২১০। মুতাররিফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা বললেন, আমি আমের গোত্রের প্রতিনিধি দলের সাথে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে গেলাম। লোকেরা (রাসূলকে) বললো, আপনি আমাদের সাইয়েদ (নেতা)। তিনি বললেনঃ সাইয়েদ তো হচ্ছেন আল্লাহ। লোকেরা বললো, আপনি আমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে বড়। রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা নিজেদের কথা বলো এবং শয়তান যেন তোমাদের মধ্যে অনুপ্রবেশ না করতে পারে (আবু দাউদ, নাসাঈ, আহমাদ)।
حَدَّثَنَا عَارِمٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ : قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : كُلُّكُمْ رَاعٍ، وَكُلُّكُمْ مَسْؤولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ، فَالأَمِيرُ رَاعٍ وَهُوَ مَسْؤُولٌ، وَالرَّجُلُ رَاعٍ عَلَى أَهْلِهِ وَهُوَ مَسْؤُولٌ، وَالْمَرْأَةُ رَاعِيَةٌ عَلَى بَيْتِ زَوْجِهَا وَهِيَ مَسْؤُولَةٌ، أَلاَ وَكُلُّكُمْ رَاعٍ، وَكُلُّكُمْ مَسْؤُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ .
২১১। ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সকলেই অভিভাবক এবং তোমাদের প্রত্যেককেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আমীর (শাসক, অধিনায়ক) একজন পৃষ্ঠপোষক। তাকেও জবাবদিহি করতে হবে। পুরুষলোক তার পরিবারের অভিভাবক। তাকেও জবাবদিহি করতে হবে। স্ত্রী তার স্বামীর সংসারের পৃষ্ঠপোষক, তাকেও জবাবদিহি করতে হবে। সাবধান! তোমাদের প্রত্যেকেই অভিভাবক ও পৃষ্ঠপোষক এবং প্রত্যেককেই তার অভিভাবকত্ব সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)।
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي سُلَيْمَانَ مَالِكِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ قَالَ : أَتَيْنَا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَنَحْنُ شَبَبَةٌ مُتَقَارِبُونَ، فَأَقَمْنَا عِنْدَهُ عِشْرِينَ لَيْلَةً، فَظَنَّ أَنَّا اشْتَهَيْنَا أَهْلِينَا، فَسَأَلْنَا عَنْ مَنْ تَرَكْنَا فِي أَهْلِينَا ؟ فَأَخْبَرْنَاهُ، وَكَانَ رَفِيقًا رَحِيمًا، فَقَالَ : ارْجِعُوا إِلَى أَهْلِيكُمْ فَعَلِّمُوهُمْ وَمُرُوهُمْ، وَصَلُّوا كَمَا رَأَيْتُمُونِي أُصَلِّي، فَإِذَا حَضَرَتِ الصَّلاَةُ، فَلْيُؤَذِّنْ لَكُمْ أَحَدُكُمْ، وَلْيَؤُمَّكُمْ أَكْبَرُكُمْ .
২১২। আবু সুলায়মান মালেক ইবনুল হুয়াইরিস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা কয়েকজন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে হাযির হলাম। আমরা ছিলাম সমবয়স্ক যুবক। আমরা একাধারে বিশ রাত তাঁর কাছে অবস্থান করলাম। তিনি অনুভব করলেন, আমরা আমাদের পরিবারে ফিরে যেতে আগ্রহী। তিনি জিজ্ঞেস করলেন যে, আমরা বাড়িতে কাকে কাকে রেখে এসেছি। আমরা এ সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করলাম। তিনি বাস্তবিকই অত্যন্ত সদয় এবং দয়াশীল ছিলেন। তিনি বলেনঃ তোমরা নিজেদের পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে যাও, তাদের দীনের জ্ঞান দান করো এবং ভালো কাজ করার নির্দেশ দাও। আর তোমরা আমাকে যেভাবে নামায পড়তে দেখেছো ঠিক সেভাবে নামায পড়ো। নামাযের ওয়াক্ত হলে তোমাদের মধ্যে একজন আযান দিবে এবং তোমাদের মধ্যে বয়জ্যেষ্ঠ ব্যক্তি তোমাদের নামাযে ইমামতি করবে (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)
حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ : أَخْبَرَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ : أَخْبَرَنَا سَالِمٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ : كُلُّكُمْ رَاعٍ، وَكُلُّكُمْ مَسْؤُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ، الإِمَامُ رَاعٍ وَهُوَ مَسْؤُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ، وَالرَّجُلُ رَاعٍ فِي أَهْلِهِ، وَالْمَرْأَةُ رَاعِيَةٌ فِي بَيْتِ زَوْجِهَا، وَالْخَادِمُ فِي مَالِ سَيِّدِهِ، سَمِعْتُ هَؤُلاَءِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، وَأَحْسَبُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ : وَالرَّجُلُ فِي مَالِ أَبِيهِ .
২১৩। ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেনঃ তোমাদের সবাই রাখাল (অভিভাবক, পৃষ্ঠপোষক, পরিচালক, দায়িত্বশীল) এবং তোমাদের সবাইকে নিজ নিজ রাখালী সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে। ইমাম একজন রাখাল এবং তাকে নিজের রাখালী সম্পর্কে জবাবদিহি করতে হবে। ব্যক্তি তার পরিবারবর্গের রাখাল, স্ত্রী তার স্বামীর ঘর-সংসারের রাখাল এবং খাদেম তার মনিবের সম্পদের রাখাল। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছ থেকে এ কথাগুলো শুনেছি। আমার অনুমান নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেনঃ ব্যক্তি তার পিতার সম্পদের রাখাল (বুখারী)।
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عُفَيْرٍ قَالَ : حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ غَزِيَّةَ، عَنْ شُرَحْبِيلَ مَوْلَى الأَنْصَارِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ الأَنْصَارِيِّ قَالَ : قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم : مَنْ صُنِعَ إِلَيْهِ مَعْرُوفٌ فَلْيُجْزِئْهُ، فَإِنْ لَمْ يَجِدْ مَا يُجْزِئُهُ فَلْيُثْنِ عَلَيْهِ، فَإِنَّهُ إِذَا أَثْنَى فَقَدْ شَكَرَهُ، وَإِنْ كَتَمَهُ فَقَدْ كَفَرَهُ، وَمَنْ تَحَلَّى بِمَا لَمْ يُعْطَ، فَكَأَنَّمَا لَبِسَ ثَوْبَيْ زُورٍ .
২১৪। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ আনসারী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার সাথে ভালো ব্যবহার করা হয় সে যেন তাকে তার অনুরূপ বিনিময় দান করে। যদি বিনিময় দান করার সামথ্য না থাকে তাহলে সে তার প্রশংসা করবে। কেননা সে যখন তার প্রশংসা করলো তখন সে যেন তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলো। যে ব্যক্তি তা (ভালো ব্যবহার) গোপন রাখলে সে যেন তার প্রতি অকৃজ্ঞতা প্রকাশ করলো। যে ব্যক্তি কোন কিছু না পেয়েও বলে, পেয়েছি, সে দ্বিগুণ মিথ্যাবাদী (তিরমিযী, আবু দাউদ, আহমাদ)।
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، قَالَ : حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : مَنِ اسْتَعَاذَ بِاللَّهِ فَأَعِيذُوهُ، وَمَنْ سَأَلَ بِاللَّهِ فَأَعْطُوهُ، وَمَنْ أَتَى إِلَيْكُمْ مَعْرُوفًا فَكَافِئُوهُ، فَإِنْ لَمْ تَجِدُوا فَادْعُوا لَهُ، حَتَّى يَعْلَمَ أَنْ قَدْ كَافَأْتُمُوهُ .
২১৫। ইবনে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহর নামে আশ্রয় প্রার্থনা করে তাকে আশ্রয় দাও। যে ব্যক্তি আল্লাহর নামে কিছু প্রার্থনা করে তাকে দান করো। যে ব্যক্তি তোমাদের সাথে ভালো ব্যবহার করে তোমরা তার প্রতিদান দাও। প্রতিদান দেয়ার মত কিছু না থাকলে তার জন্য দোয়া করো, যাতে সে অনুভব করতে পারে যে, তোমরা তার ভালো কাজের প্রতিদান দিয়েছে (আবু দাউদ, নাসাঈ, আহমাদ)।
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ : حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ الْمُهَاجِرِينَ قَالُوا : يَا رَسُولَ اللهِ، ذَهَبَ الأَنْصَارُ بِالأَجْرِ كُلِّهِ ؟ قَالَ : لاَ، مَا دَعَوْتُمُ اللَّهَ لَهُمْ، وَأَثْنَيْتُمْ عَلَيْهِمْ بِهِ .
২১৬। আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। মুহাজির সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সমস্ত সওয়াব তো আনসারগণ নিয়ে গেলো। তিনি বলেনঃ না, যতক্ষণ তোমরা তাদের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করতে থাকবে এবং তাদের ভালো ব্যবহারের বা উপকারের প্রশংসা করতে থাকবে তোমরাও তাদের সাথে সমান সওয়াব পাবে (আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ)।