الحديث


مسند أحمد بن حنبل
Musnad Ahmad ibnu Hambal
মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল





مسند أحمد بن حنبل (341)


341 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، أَمَلَّهُ عَلَيَّ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ الْغَطَفَانِيِّ، عَنْ مَعْدَانَ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ الْيَعْمَرِيِّ: أَنَّ عُمَرَ قَامَ خَطِيبًا، فَحَمِدَ اللهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ، وَذَكَرَ نَبِيَّ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَبَا بَكْرٍ، ثُمَّ قَالَ: إِنِّي رَأَيْتُ رُؤْيَا: كَأَنَّ دِيكًا نَقَرَنِي نَقْرَتَيْنِ، وَلا أُرَى ذَلِكَ إِلَّا لِحُضُورِ أَجَلِي، وَإِنَّ نَاسًا يَأْمُرُونَنِي أَنْ أَسْتَخْلِفَ، وَإِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ لَمْ يَكُنْ لِيُضِيعَ خِلافَتَهُ وَدِينَهُ، وَلا الَّذِي بَعَثَ بِهِ نَبِيَّهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَإِنْ عَجِلَ بِي أَمْرٌ فَالْخِلافَةُ شُورَى فِي هَؤُلاءِ الرَّهْطِ السِّتَّةِ الَّذِينَ تُوُفِّيَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ عَنْهُمْ رَاضٍ، فَأَيُّهُمْ بَايَعْتُمْ لَهُ فَاسْمَعُوا لَهُ وَأَطِيعُوا، وَقَدْ عَرَفْتُ أَنَّ رِجَالًا سَيَطْعَنُونَ فِي هَذَا الْأَمْرِ، وَإِنِّي قَاتَلْتُهُمْ بِيَدِي هَذِهِ عَلَى الْإِسْلامِ، فَإِنْ فَعَلُوا فَأُولَئِكَ أَعْدَاءُ اللهِ الْكَفَرَةُ الضُّلَّالُ. وَإِنِّي وَاللهِ مَا أَدَعُ بَعْدِي شَيْئًا هُوَ أَهَمُّ إِلَيَّ مِنْ أَمْرِ الْكَلالَةِ، وَلَقَدْ سَأَلْتُ نَبِيَّ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْهَا، فَمَا أَغْلَظَ لِي فِي شَيْءٍ قَطُّ مَا أَغْلَظَ لِي فِيهَا، حَتَّى طَعَنَ بِيَدِهِ - أَوْ بِإِصْبَعِهِ - فِي صَدْرِي - أَوْ جَنْبِي - وَقَالَ: " يَا عُمَرُ، تَكْفِيكَ الْآيَةُ الَّتِي نَزَلَتْ فِي الصَّيْفِ، الَّتِي فِي آخِرِ سُورَةِ النِّسَاءِ "، وَإِنِّي إِنْ أَعِشْ أَقْضِ فِيهَا قَضِيَّةً لَا يَخْتَلِفُ فِيهَا أَحَدٌ يَقْرَأُ الْقُرْآنَ أَوْ لَا يَقْرَأُ الْقُرْآنَ. ثُمَّ قَالَ: اللهُمَّ إِنِّي أُشْهِدُكَ عَلَى أُمَرَاءِ الْأَمْصَارِ، فَإِنِّي بَعَثْتُهُمْ يُعَلِّمُونَ النَّاسَ دِينَهُمْ، وَسُنَّةَ نَبِيِّهِمْ، وَيَقْسِمُونَ فِيهِمْ فَيْئَهُمْ، وَيُعَدِّلُونَ عَلَيْهِمْ، وَمَا أَشْكَلَ عَلَيْهِمْ يَرْفَعُونَهُ إِلَيَّ. ثُمَّ قَالَ: يَا أَيُّهَا النَّاسُ، إِنَّكُمْ تَأْكُلُونَ مِنْ شَجَرَتَيْنِ لَا أُرَاهُمَا إِلَّا خَبِيثَتَيْنِ: هَذَا الثُّومُ وَالْبَصَلُ، لَقَدْ كُنْتُ أَرَى الرَّجُلَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُوجَدُ رِيحُهُ مِنْهُ، فَيُؤْخَذُ بِيَدِهِ حَتَّى يُخْرَجَ بِهِ إِلَى الْبَقِيعِ، فَمَنْ كَانَ آكِلَهُمَا لَا بُدَّ، فَلْيُمِتْهُمَا طَبْخًا. قَالَ: فَخَطَبَ بِهَا عُمَرُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، وَأُصِيبَ يَوْمَ الْأَرْبِعَاءِ، لِأَرْبَعِ لَيَالٍ بَقِينَ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ .

تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ صحيح لغيره وهذا اسناد مسلسل بالضعفاء ]




অনুবাদঃ ৩৪১। হাদীস নং ৮৯ দ্রষ্টব্য।



৮৯। মা’দান ইবনে আবি তালহা আল ইয়ামানী বর্ণনা করেনঃ এক শুক্রবারে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) মিম্বারে দাঁড়ালেন, তারপর আল্লাহর প্রশংসা ও গুণকীর্তন করলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্মৃতিচারণ করলেন ও আবু বাকরের স্মৃতিচারণ করলেন। তারপর বললেন, আমি এমন একটা স্বপ্ন দেখেছি যা আমার মৃত্যু আসন্ন হওয়া ছাড়া আর কোন দিকে ইঙ্গিত করে বলে আমার মনে হয় না। আমি দেখলাম, একটা মোরগ যেন আমাকে দুটো ঠোকর মারলো। বর্ণনাকারী বলেনঃ তিনি আমাকে বললেন যে, সেটি ছিল লাল মোরগ। আমি এ স্বপ্ন আবু বাকরের মেয়ে আসমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিকট বর্ণনা করলাম। তিনি বললেনঃ তোমাকে (উমারকে) জনৈক অনারব ব্যক্তি হত্যা করবে। উমার বললেনঃ জনগণ আমাকে আদেশ দিচ্ছে, আমি যেন পরবর্তী খলীফা মনোনীত করি। অথচ আল্লাহ তা’আলা তার দীনকে ও তার নবীর মাধ্যমে প্রেরিত খিলাফাতকে ধ্বংস করতে চাননা।

আর কোন জিনিস যদি আমাকে তাড়া করে তবে তা হলো, এই ছয়জনের পরামর্শের ওপর ব্যাপারটা ন্যস্ত করা যাদের ওপর সন্তুষ্ট থাকা অবস্থায়ই আল্লাহর নবী ইন্তিকাল করেছেন। এই ছয়জনের মধ্য থেকে যার হাতে তোমরা বাইয়াত করবে (খালীফা মেনে নেবে) তার কথা শুনবে ও আনুগত্য করবে। আমি জানি, এমন কিছু লোক এ বিষয় নিয়ে নিন্দায় মুখর হবে, যাদের সাথে আমি ইসলামের স্বার্থে এই হাত দিয়ে যুদ্ধ করেছি। তারা আল্লাহর দুশমন, কাফির ও বিপথগামী। আল্লাহর কসম, আমার প্রতিপালক আমার নিকট যে সকল জিনিসের দায়িত্ব ন্যস্ত করেছেন ও খিলাফত অর্পণ করেছেন, সে সব জিনিসের মধ্য থেকে ‘কালালার’ চেয়ে আমার নিকট অধিক গুরুত্বপূর্ণ কিছুই আমি রেখে যাচ্ছিনা।

আল্লাহর কসম, আল্লাহর নবীর সাহচর্যে আমি যতদিন থেকেছি, ততদিন তিনি সবচেয়ে কঠোরভাবে যে জিনিসের ব্যাপারে আমাকে তাকিদ দিয়েছেন, তা হচ্ছে ‘কালালা’ (যে ব্যক্তি নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যায়) এমনকি তিনি (এর ওপর গুরুত্ব দেয়ার জন্য) তার আঙ্গুল দিয়ে আমার বুকে টোকা দিলেন এবং বললেনঃ সূরা আন নিসার শেষভাগে নাযিলকৃত গ্রীষ্মের আয়াত তোমার জন্য যথেষ্ট। আর আমি যদি বেঁচে থাকি, তবে কালালা সম্পর্কে এমন ফায়সালা করবো। যা স্বাক্ষর ও নিরক্ষর নির্বিশেষে সকলেই জানতে পারবে। আমি সকল শহরের আমীরদের ব্যাপারে আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলছি যে, আমি তাদেরকে এ জন্যই পাঠিয়েছি যেন তাঁরা জনগণকে ইসলামী শিক্ষা দেন, তাদেরকে তাঁদের নবীর অনুসৃত সুন্নাত তথা রীতিনীতি জানিয়ে দেন এবং তাঁরা যেসব বিষয় অবগত নয়, তা যেন আমার কাছে তুলে ধরেন।

তারপর শোন, তোমরা দুটো গাছের ফল খেয়ে থাকে, যাকে আমি খারাপই মনে করি। তা হচ্ছে পিয়াজ ও রসুন। আল্লাহর কসম, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখতাম, কোন ব্যক্তির মুখ থেকে পিয়াজ রসুনের গন্ধ পেলেই তার আদেশে তাকে হাত ধরে মসজিদ থেকে বের করে দেয়া হতো এবং বাকী পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হতো। তবে যে ব্যক্তির একান্তই পিয়াজ বা রসুন খাওয়া দরকার, সে যেন রান্না করে তার গন্ধ দূর করে খায়। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) জুমআর দিনে ভাষণ দিলেন এবং বুধবার শাহাদাতবরণ করলেন।