مسند أحمد بن حنبل
Musnad Ahmad ibnu Hambal
মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল
294 - حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، قَالَ ابْنُ شِهَابٍ: فَقَالَ سَالِمٌ: فَسَمِعْتُ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ، يَقُولُ: قَالَ عُمَرُ: أَرْسِلُوا إِلَيَّ طَبِيبًا يَنْظُرُ إِلَى جُرْحِي هَذَا. قَالَ: فَأَرْسَلُوا إِلَى طَبِيبٍ مِنَ الْعَرَبِ، فَسَقَى عُمَرَ نَبِيذًا فَشُبِّهَ النَّبِيذُ بِالدَّمِ حِينَ خَرَجَ مِنَ الطَّعْنَةِ الَّتِي تَحْتَ السُّرَّةِ، قَالَ: فَدَعَوْتُ طَبِيبًا آخَرَ مِنَ الْأَنْصَارِ مِنْ بَنِي مُعَاوِيَةَ، فَسَقَاهُ لَبَنًا، فَخَرَجَ اللَّبَنُ مِنَ الطَّعْنَةِ صَلْدًا أَبْيَضَ، فَقَالَ لَهُ الطَّبِيبُ: يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، اعْهَدْ. فَقَالَ عُمَرُ: صَدَقَنِي أَخُو بَنِي مُعَاوِيَةَ، وَلَوْ قُلْتَ غَيْرَ ذَلِكَ كَذَّبْتُكَ. قَالَ: فَبَكَى عَلَيْهِ الْقَوْمُ حِينَ سَمِعُوا ذَلِكَ، فَقَالَ: لَا تَبْكُوا عَلَيْنَا، مَنْ كَانَ بَاكِيًا فَلْيَخْرُجْ، أَلَمْ تَسْمَعُوا مَا قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَ: " يُعَذَّبُ الْمَيِّتُ بِبُكَاءِ أَهْلِهِ عَلَيْهِ ". فَمِنْ أَجْلِ ذَلِكَ كَانَ عَبْدُ اللهِ لَا يُقِرُّ أَنْ يُبْكَى عِنْدَهُ عَلَى هَالِكٍ مِنْ وَلَدِهِ وَلا غَيْرِهِمْ .
تحقيق الشيخ شعيب الأرناؤوط: [ اسناده صحيح علي شرط الشيخين ]
অনুবাদঃ ২৯৪। আবদুল্লাহ ইবনে উমার বলেন, উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেনঃ তোমরা আমার কাছে একজন চিকিৎসক পাঠাও। সে আমার এই ক্ষত স্থানটি দেখুক। অতঃপর লোকেরা জনৈক আরবীয় চিকিৎসককে ডেকে আনলো। চিকিৎসক উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে ফলের রস পান করালো। এই রস যখন নাভির নিচের ক্ষত স্থান থেকে বের হলো, তখন তা রক্তের রং ধারণ করলো। আবদুল্লাহ ইবনে উমার বলেন, অতঃপর আমি বনু মুয়াবিয়া গোত্র থেকে জনৈক আনসারী চিকিৎসক ডেকে আনলাম। সে উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে দুধ পান করালো। দুধ ক্ষতস্থান থেকে সাদা জমাট অবস্থায় বেরুলো। অতঃপর চিকিৎসক উমারকে বললোঃ হে আমীরুল মুমিনীন, দায়িত্ব হস্তান্তর করুন (অর্থাৎ আপনার আয়ু শেষ হয়ে এসেছে)।
উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, বনু মুয়াবিয়ার ভাই সত্য কথাই বলেছে। তুমি যদি অন্য কিছু বলতে, তবে আমি তা প্রত্যাখ্যান করতাম। এ কথা শোনার পর লোকেরা উমারের জন্য বিলাপ করতে লাগলো। উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, তোমরা আমার জন্য কেঁদনা। যে কাদবে, সে এখান থেকে বেরিয়ে যাক, তোমরা কি শোননি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কী বলেছেন? তিনি বলেছেন, মৃত ব্যক্তির আপনজনদের কান্নার কারণে তার ওপর আযাব হয়। এ কারণে আবদুল্লাহ কাউকে কাঁদতে দিতেন না –চাই সন্তান বা অন্য কারো মৃত্যুর শোকেই কাঁদুক না কেন।
[হাদীস নং-১৮০]