হাদীস বিএন


আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান





আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (27)


27 - حديث أَنَس قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لا يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ والِدِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعينَ
__________
أخرجه البخاري في: 2 كتاب الإيمان: 8 باب حب الرسول صَلَّى اللَّهُ عَل
الدليل على أن من خصال الإيمان أن يحب لأَخيه ما يحب لنفسه من الخير




27. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ প্রকৃত মু’মিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার নিকট তার পিতা, তার সন্তান ও সব মানুষের অপেক্ষা অধিক প্রিয় হই।











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (28)


28 - حديث أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لا يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتّى يُحِبَّ َلأخيهِ ما يُحِبُّ لِنَفْسِهِ
__________
أخرجه البخاري في: 2 كتاب الإيمان: 7 باب من الإيمان أن يحب لأخيه ما يحب لنفسه
الحث على إِكرام الجار والضيف وقول الخير أو لزوم الصمت وكون ذلك كله من الإيمان




28. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ প্রকৃত মু‘মিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না সে তার ভাইয়ের জন্য সেটাই পছন্দ করবে, যা তার নিজের জন্য পছন্দ করে।











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (29)


29 - حديث أَبي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ كانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلا يُؤْذِ جارَهُ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ، وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِالل




29. আবূ হুরায়রাহ্ (রাযি.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলা ও পরকালের প্রতি বিশবাস স্থাপন করে সে যেন তার প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয়। এবং যে আল্লাহ তা‘আলা ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসস্থাপন করে সে যেন তার মেহমানের সম্মান করে এবং যে আল্লাহ তা‘আলা ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসস্থাপন করে সে যেন উত্তম কথা বলে অথবা চুপ থাকে।











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (30)


30 - حديث أَبي شُرَيْحٍ الْعَدَوِيّ قَالَ: سَمِعَتْ أُذُنَايَ وَأَبْصَرَتْ عَيْنَايَ حِينَ تَكَلَّمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيُكْرِمْ جَارَهُ، وَمَنْ كانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ
تفاضل أهل الإيمان فيه ورجحان أهل اليمن فيه




30. আবূ শুরায়হ ‘আদাবী (রাযি.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বলেন তখন আমার দু’চক্ষু দেখেছে এবং দু’কান শুনেছে, যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলা ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, সে যেন তার প্রতিবেশিকে সম্মান করে এবং যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলা ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, সে যেন তার মেহমানকে তার জায়েযাহ স্বরূপ সম্মান করে। আবূ শুরায়হ (রাযি.) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! জায়িযাহ কী? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, একদিন একরাত। মেহমানদারী তিন দিন, এর পরে (অর্থাৎ তিন দিনের অতিরিক্ত দিনগুলো) তার জন্য সদাকাহ। যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলা ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, সে যেন উত্তম কথা বলে অথবা চুপ থাকে।











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (31)


31 - حديثُ عُقْبَةَ بْنِ عَمْرٍو أَبي مَسْعودٍ قَالَ: أَشارَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِيَدِهِ نَحْوَ الْيَمَنِ فَقالَ: الإِيمانُ يَمانٍ هَهنا، أَلا إِنَّ الْقَسْوَةَ وَغِلَظَ الْقُلُوبِ في الْفَدَّادِينَ عِنْدَ أُصولِ أَذْنابِ الإِ




31. ‘উকবাহ ইবনু ‘আমির ও আবূ মাস‘উদ (রাযি.) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ হাত দ্বারা ইয়ামানের দিকে ইশারা করে বলেন, ‘ঈমান তো ওদিকে ইয়ামানের মধ্যে। কঠোরতা ও মনের কাঠিন্য এমন সব বেদুইনদের মধ্যে যারা তাদের উট নিয়ে ব্যস্ত থাকে এবং ধর্মের প্রতি মনোযোগী হয় না, যেখান থেকে শয়তানের শিং দু’টি বেরোয় রাবী‘আহ্ ও মুযার গোত্রদ্বয়ের মাঝে।











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (32)


32 - حديث أَبي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: أَتاكُمْ أَهْلُ الْيَمَنِ، أَضْعَف قُلوبًا، وَأَرَقُّ أَفْئِدَةً، الْفِقْهُ يَمانٍ وَالْحِكْمَةُ يَمانِيَةٌ
__________
أخرجه البخاري في: 64 كتاب المغازي: 74 با




32. আবূ হুরায়রাহ (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়ামানবাসীরা তোমাদের কাছে এসেছে। তাঁরা অন্তরের দিক থেকে অত্যন্ত কোমল। আর মনের দিক থেকে অত্যন্ত দয়ার্দ্র। ফিকহ্ হল ইয়ামানীদের আর হিকমাত হল ইয়ামানীদের।











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (33)


33 - حديث أَبي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: رَأْسُ الْكُفْرِ نَحْوَ الْمَشْرِقِ، وَالْفَخْرُ وَالْخُيَلاءُ في أَهْلِ الْخَيْلِ وَالإِبِلِ وَالْفَدَّادينَ أَهْلِ الْوَبَرِ، وَالسَّكينَةُ في أَهْلِ الْ




33. আবূ হুরায়রাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘কুফরীর মূল পূর্বদিকে, গর্ব এবং অহংকার ঘোড়া এবং উটের মালিকদের মধ্যে এবং বেদুইনদের মধ্যে যারা তাদের উটের পাল নিয়ে ব্যস্ত থাকে, আর শান্তি বকরির পালের মালিকদের মধ্যে।’











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (34)


34 - حديث أَبي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: الْفَخْر وَالْخُيَلاءُ في الْفَدَّادينَ أَهْلِ الْوَبَرِ، وَالسَّكينَةُ في أَهْلِ الْغَنَمِ، وَالإِيمانُ يَمانٍ، وَالْحِكْمَةُ يَمانِيَةٌ
_____
بيان أن الدين النصيحة




34. আবূ হুরায়রাহ্ (রাযি.) বলেন। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, গর্ব ও অহমিকা রয়েছে চিৎকার ও শোরগোলকারী বেদুঈনদের মধ্যে, স্বস্তি ও শান্তি বকরী পালকদের মধ্যে, ঈমান ইয়ামানবাসীদের মধ্যে এবং হিকমাতও ইয়ামানবাসীদের মধ্যে বেশী রয়েছে।











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (35)


35 - حديث جَريرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ قَالَ بايَعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلى السَّمْعِ وَالطَّاعَةِ، فَلَقَّنَني فِيما اسْتَطَعْتُ، وَالنُّصْحِ لِكلِّ مُسْلِمٍ
__________
أخرجه البخاري في: 93 كتاب الأحكام: 43 باب كيف يبايع الإمام ال




35. জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তাঁর কথা শোনা ও তাঁর আনুগত্য করা ও প্রত্যেক মুসলিমের জন্য কল্যাণ কামনার ব্যাপারে বায়‘আত গ্রহণ করলাম। তিনি আমাকে এ কথা বলতে শিখিয়ে দিলেন যে, আমার সাধ্যানুযায়ী বিষয়ে।











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (36)


36 - حديثُ أَبي هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لا يَزْنِي الزَّانِي حِينَ يَزْني وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلا يَشْرَبُ الْخَمْرَ حِينَ يَشْرَبُهَا وَهُوَ مُؤْمِنٌ، وَلا يَسْرِقُ السَّارِقُ حِينَ يَسْرِقُ وَهُوَ مُؤْمِنٌ
وزَا
بيان خصال المنافق




36. আবূ হুরায়রাহ (রাযি.) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন ব্যক্তি ঈমান থাকা অবস্থায় যেনা করতে পারে না এবং কোন ব্যক্তি ঈমান থাকা অবস্থায় মদ্যপান করতে পারে না। আর কোন ব্যক্তি ঈমান থাকা অবস্থায় চুরি করতে পারে না।





অন্য বর্ণনায় এটাও বৃদ্ধি করা হয়েছেঃ ছিনতাইকারী এমন মূল্যবান জিনিস- যার দিকে লোকজন চোখ উঁচিয়ে তাকিয়ে থাকে- ছিনতাই করার সময়ে মু’মিন থাকে না।











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (37)


37 - حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: أَرْبَعٌ مَنْ كنَّ فِيهِ كَانَ مُنافِقًا خَالِصًا، وَمَنْ كانَتْ فِيهِ خَصْلَةٌ مِنْهُنَّ كانَتْ فِيهِ خَصْلَةٌ مِنَ النِّفاقِ حَتّى يَدَعَهَا: إِذا اؤْتُمِنَ خَ




37. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাযি.) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ চারটি স্বভাব যার মধ্যে বিদ্যমান সে হবে খাঁটি মুনাফিক। যার মধ্যে এর কোন একটি স্বভাব থাকবে, তা পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মুনাফিকের একটি স্বভাব থেকে যায়। 1. আমানত রাখা হলে খিয়ানত করে; 2. কথা বললে মিথ্যা বলে; 3. অঙ্গীকার করলে ভঙ্গ করে; এবং 4. বিবাদে লিপ্ত হলে অশ্লীল গালি দেয়।











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (38)


38 - حديث أَبي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: آيَةَ الْمُنافِق ثَلاثٌ: إِذا حَدَّثَ كَذَب، وَإِذا وَعَد أَخْلَفَ، وَإِذا اؤْتُمِنَ خَانَ
__________
أخرجه البخاري في: 2 كتاب الإيمان: 24 باب علامة المنافق
بيان حال إيمان من قال لأَخيه المسلم يا كافر




38. আবূ হুরায়রাহ্ (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মুনাফিকের চিহ্ন তিনটিঃ 1. যখন কথা বলে মিথ্যা বলে; 2. যখন অঙ্গীকার করে ভঙ্গ করে এবং 3. আমানত রাখা হলে খিয়ানাত করে।











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (39)


39 - حديثُ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: أَيُّما رَجُلٍ قالَ َلأخيهِ يا كافِرُ فَقَدْ باءَ بِها أَحَدَهُما
__________
أخرجه البخاري في: 78 كتاب الأدب: 73 باب من كفر أخاه بغير تأويل
بيان حال إيمان من رغب عن أبيه وهو يعلم




39. আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি.) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন লোক তার কোন ভাইকে ‘হে কাফির’ বলে সম্বোধন করলে তাদের একজন কুফরীর শিকার হল।











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (40)


40 - حديث أَبي ذَرٍّ رضي الله عنه أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: لَيْسَ مِنْ رَجُلٍ ادَّعَى لِغَيْرِ أَبيهِ وَهُوَ يَعْلَمُهُ إِلاَّ كَفَرَ، وَمَنِ ادَّعى قَوْمًا لَيْسَ لَهُ فِيهِمْ نَسَبٌ فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ




40. আবূ যার (রাযি.) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছে, কোন ব্যক্তি জেনে শুনে অন্যকে পিতা বলে দাবী করলে সে কুফরী করল। এবং যে ব্যক্তি অন্য বংশের দিকে নিজেকে সম্বোধন করল সে যেন তার ঠিকানা জাহান্নামে বানিয়ে নেয়।











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (41)


41 - حديثُ أَبي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لا تَرْغَبُوا عَنْ آبائِكِمْ فَمَنْ رَغِبَ عَنْ أَبيهِ فَهُوَ كُفْرٌ
__________
أخرجه البخاري في: 85 كتاب الفرائض: 29 باب من ادعى إلى غير أبيه




41. আবূ হুরায়রাহ (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত।তিনি বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের পিতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিও না (অস্বীকার করো না)। কেননা, যে ব্যক্তি আপন পিতা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় (পিতাকে অস্বীকার করে) সেটি কুফরী।











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (42)


42 - حديثُ سَعْدِ بْنِ أَبي وَقَّاصٍ وَأَبي بَكْرَةَ قَالَ سَعْدٌ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: مَنِ ادَّعى إِلى غَيْرِ أَبيهِ وَهُوَ يَعْلَمُ أَنَّهُ غَيْرُ أَبيهِ فَالْجَنَّةُ عَلَيْهِ حَرامٌ فَذُكِرَ َلأبي بَكْرَةَ فَقَ
بيان قول النبيّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سباب المسلم فسوق وقتاله كُفر




42. সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস ও আবূ বাকরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, সা‘দ বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি জেনে শুনে অন্যকে পিতা হিসেবে দাবী করল তার জন্য জান্নাত হারাম, এটা আবূ বাকরাহর নিকট বর্ণনা করা হলো। তখন তিনি বললেন, আমি আমার দু’কান দ্বারা শুনেছি এবং আমার অন্তরের মধ্যে সংরক্ষণ করেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে।











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (43)


43 - حديثُ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعودٍ أَنَّ النَّبِيّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: سِبَابُ الْمُسْلِم فُسُوقٌ وَقِتالُهُ كُفْرٌ
__________
أخرجه البخاري في: كتاب الإيمان: 36 باب خوف المؤمن من أن يحبط عمله وهو لا يشعر
لا ترجعوا بعدي كفارًا يضرب بعضكم رقاب بعض




43 লুলু . আব্দুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মুসলিমকে গালি দেয়া ফাসিক্বি এবং তাদের সাথে যুদ্ধ করা কুফরী। (বুখারী পর্ব 2ঃ /36 হাঃ 48 )











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (44)


44 - حديثُ جَريرٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَهُ في حَجَّةِ الْوَداعِ: اسْتَنْصِتِ النَّاسَ، فَقالَ: لا تَرْجِعُوا بَعْدي كُفَّارًا يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقابَ بَعْضٍ
__________
أخرجه البخاري في: 3 كتاب العلم: 43 باب الإنصات




44. জারীর (রাযি.) থেকে বর্ণিত যে, বিদায় হাজ্জের সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ তুমি লোকদেরকে চুপ করিয়ে দাও, তারপর তিনি বললেনঃ ‘আমার পরে তোমরা একে অপরের গর্দান কাটাকাটি করে কাফির হয়ে যেও না।’











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (45)


45 - حديثُ ابْنِ عُمَرَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: وَيْلَكُمْ أَوْ وَيْحَكُمْ، لا تَرْجِعُوا بَعْدي كُفَّارًا يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقابَ بَعْضٍ
__________
أخرجه البخاري في: 78 كتاب الأدب: 95 باب ما جاء في قول الرجل ويلك
بيان كفر من قال مطرنا بالنوء




45. ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ‘ওয়াইলাকুম’ (অমঙ্গল) ‘ওয়াইহাকুম’ (ধ্বংস)! আমার পরে তোমরা আবার কাফির হয়ে যেয়ো না যাতে তোমরা একে অন্যের গর্দান মারবে।











আল-লু’লু’ ওয়াল-মারজান (46)


46 - حديث زَيْدِ بْنِ خالِدٍ الْجُهَنِيِّ قَالَ: صَلّى لَنا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلاةَ الصُّبْحِ بالحُدَيْبِيَةِ عَلى إِثْرِ سَماءٍ كانَتْ مِنَ اللَّيْلَةِ، فَلَمّا انْصَرَفَ أَقْبَلَ عَلى النَّاسِ فَقالَ: هَلْ تَدْرُونَ مَاذا
الدليل على أن حب الأَنصار من الإيمان




46. যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে বৃষ্টি হবার পর হুদায়বিয়াতে আমাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষ করে তিনি লোকদের দিকে ফিরে বললেনঃ তোমরা কি জান, তোমাদের পরাক্রমশালী ও মহিমাময় প্রতিপালক কী বলেছেন? তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলই উত্তম জানেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ (রব) বলেন, আমার বান্দাদের মধ্য কেউ আমার প্রতি মু’মিন হয়ে গেল এবং কেউ কাফির। যে বলেছে, আল্লাহর করুণা ও রহমতের আমরা বৃষ্টি লাভ করেছি, সে হল আমার প্রতি বিশ্বাসী এবং নক্ষত্রের প্রতি অবিশ্বাসী। আর যে বলেছে, অমুক অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে আমাদের উপর বৃষ্টিপাত হয়েছে, সে আমার প্রতি অবিশ্বাসী হয়েছে এবং নক্ষত্রের প্রতি বিশ্বাস স্থাপনকারী হয়েছে।