হাদীস বিএন


সহীহ মুসলিম





সহীহ মুসলিম (4574)


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ أُمَّ سُلَيْمٍ، اتَّخَذَتْ يَوْمَ حُنَيْنٍ خِنْجَرًا فَكَانَ مَعَهَا فَرَآهَا أَبُو طَلْحَةَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذِهِ أُمُّ سُلَيْمٍ مَعَهَا خَنْجَرٌ فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا هَذَا الْخَنْجَرُ " . قَالَتِ اتَّخَذْتُهُ إِنْ دَنَا مِنِّي أَحَدٌ مِنَ الْمُشْرِكِينَ بَقَرْتُ بِهِ بَطْنَهُ . فَجَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَضْحَكُ قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ اقْتُلْ مَنْ بَعْدَنَا مِنَ الطُّلَقَاءِ انْهَزَمُوا بِكَ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَا أُمَّ سُلَيْمٍ إِنَّ اللَّهَ قَدْ كَفَى وَأَحْسَنَ "




৪৫৭৪-(১৩৪/১৮০৯) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, (তার মা) উম্মু সুলায়ম হুনায়নের যুদ্ধের দিন একটি ছোরা ধারণ করেছিলেন, যা তার সঙ্গে থাকত। (তার স্বামী) আবু তালহাহ্ তা দেখতে পেয়ে বলেন, হে আল্লাহর রসূল! ইনি উম্মু সুলায়ম। আর তার সাথে একটি ছোরা রয়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ এ ছোরা কিসের জন্য? তিনি বললেন, এটি এজন্য নিয়েছি যদি কোন বিধর্ম মুশরিক আমার কাছাকাছি আসে, তবে এ দিয়ে আমি তার পেট চিরে ফেলবো। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসতে লাগলেন। তখন তিনি (উম্মু সুলায়ম) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! (মাক্কাহ বিজয়ের দিন) আমাদের ছাড়া যারা ছাড়া পেয়ে গেছে এবং পরাজয়ের মুখে ইসলাম গ্রহণ করেছে, তাদের হত্যা করে ফেলুন। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে উম্মু সুলায়ম। আল্লাহই (মুশরিকদের বিরুদ্ধে) যথেষ্ট। তিনি (আমাদের প্রতি) সদয় রয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩০, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৩২)









সহীহ মুসলিম (4575)


وَحَدَّثَنِيهِ مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ، عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، فِي قِصَّةِ أُمِّ سُلَيْمٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَ حَدِيثِ ثَابِتٍ




৪৫৭৫-(.../...) মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত উম্মু সুলায়মের কাহিনী বর্ণনা প্রসঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পক্ষ থেকে পূর্বে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩০, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৩৩)









সহীহ মুসলিম (4576)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَغْزُو بِأُمِّ سُلَيْمٍ وَنِسْوَةٍ مِنَ الأَنْصَارِ مَعَهُ إِذَا غَزَا فَيَسْقِينَ الْمَاءَ وَيُدَاوِينَ الْجَرْحَى .




৪৫৭৬-(১৩৫/১৮১০) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মু সুলায়ম ও আনসারের কতিপয় মহিলাকে তার সাথে যুদ্ধক্ষেত্রে নিয়ে যেতেন। তারা আর্তদের পানি পান করাতেন এবং আহতদের শুশ্ৰুষা করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩১, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৩৪)









সহীহ মুসলিম (4577)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الدَّارِمِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو، - وَهُوَ أَبُو مَعْمَرٍ الْمِنْقَرِيُّ - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ، - وَهُوَ ابْنُ صُهَيْبٍ - عَنْ أَنَسِ، بْنِ مَالِكٍ قَالَ لَمَّا كَانَ يَوْمُ أُحُدٍ انْهَزَمَ نَاسٌ مِنَ النَّاسِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَأَبُو طَلْحَةَ بَيْنَ يَدَىِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُجَوِّبٌ عَلَيْهِ بِحَجَفَةٍ - قَالَ - وَكَانَ أَبُو طَلْحَةَ رَجُلاً رَامِيًا شَدِيدَ النَّزْعِ وَكَسَرَ يَوْمَئِذٍ قَوْسَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا - قَالَ - فَكَانَ الرَّجُلُ يَمُرُّ مَعَهُ الْجَعْبَةُ مِنَ النَّبْلِ فَيَقُولُ انْثُرْهَا لأَبِي طَلْحَةَ . قَالَ وَيُشْرِفُ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَنْظُرُ إِلَى الْقَوْمِ فَيَقُولُ أَبُو طَلْحَةَ يَا نَبِيَّ اللَّهِ بِأَبِي أَنْتَ وَأُمِّي لاَ تُشْرِفْ لاَ يُصِبْكَ سَهْمٌ مِنْ سِهَامِ الْقَوْمِ نَحْرِي دُونَ نَحْرِكَ قَالَ وَلَقَدْ رَأَيْتُ عَائِشَةَ بِنْتَ أَبِي بَكْرٍ وَأُمَّ سُلَيْمٍ وَإِنَّهُمَا لَمُشَمِّرَتَانِ أَرَى خَدَمَ سُوقِهِمَا تَنْقُلاَنِ الْقِرَبَ عَلَى مُتُونِهِمَا ثُمَّ تُفْرِغَانِهِ فِي أَفْوَاهِهِمْ ثُمَّ تَرْجِعَانِ فَتَمْلآنِهَا ثُمَّ تَجِيئَانِ تُفْرِغَانِهِ فِي أَفْوَاهِ الْقَوْمِ وَلَقَدْ وَقَعَ السَّيْفُ مِنْ يَدَىْ أَبِي طَلْحَةَ إِمَّا مَرَّتَيْنِ وَإِمَّا ثَلاَثًا مِنَ النُّعَاسِ .




৪৫৭৭-(১৩৬/১৮১১) আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান দারিমী (রহঃ) ..... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, উহুদ যুদ্ধের দিন যুদ্ধে পরাস্ত হয়ে কতিপয় লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আড়াল করে রেখেছিলেন। আর আবূ তালহাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ছিলেন একজন অতি দক্ষ তীরন্দাজ। সেদিন (যুদ্ধে) তিনি দু' বা তিনটি ধনুক ভেঙ্গে ফেলেন। রাবী বলেন, যখনই কোন ব্যক্তি তীর নিয়ে তার পাশ দিয়ে গমন করতো, তখনই তিনি (রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন, এগুলো আবূ তালহার জন্য রেখে যাও। রাবী বলেন, যখনই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাথা তুলে লোকজনের প্রতি তাকাতেন, তখনই আবূ তালহাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলে উঠতেন, হে আল্লাহর নবী! আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা কুরবান। আপনি মাথা উঠাবেন না; এমন না হয় শত্রুপক্ষের তীর এসে আপনার গায়ে লাগে। আপনার বক্ষ রক্ষার্থে আমার বক্ষ নিবেদিত।

আবূ তালহাহ বলেন, আমি (সেদিন) আবূ বাকর কন্যা আয়িশাহ ও উম্মু সুলায়মকে এমন অবস্থায় দেখেছি, তারা তাদের পিঠে পানির মশক বয়ে আনছিলেন। তখন তারা এমনভাবে কাপড় গুছিয়ে চলছিলেন যে, আমি তাদের পায়ে পরিহিত অলংকার দেখতে পাচ্ছিলাম। তারা আহতদের মুখে পানি ঢেলে দিচ্ছিলেন। তারা আবার গিয়ে মশক ভরে পানি এনে আহতদের মুখে পানি দিচ্ছিলেন। আবূ তালহার হাত থেকে সেদিন তন্দ্রার ঘোরে দু'বার বা তিনবার তলোয়ার পড়ে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩২, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৩৫)









সহীহ মুসলিম (4578)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ بْنِ قَعْنَبٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، - يَعْنِي ابْنَ بِلاَلٍ - عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هُرْمُزَ، أَنَّ نَجْدَةَ، كَتَبَ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ يَسْأَلُهُ عَنْ خَمْسِ، خِلاَلٍ . فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ لَوْلاَ أَنْ أَكْتُمَ، عِلْمًا مَا كَتَبْتُ إِلَيْهِ . كَتَبَ إِلَيْهِ نَجْدَةُ أَمَّا بَعْدُ فَأَخْبِرْنِي هَلْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَغْزُو بِالنِّسَاءِ وَهَلْ كَانَ يَضْرِبُ لَهُنَّ بِسَهْمٍ وَهَلْ كَانَ يَقْتُلُ الصِّبْيَانَ وَمَتَى يَنْقَضِي يُتْمُ الْيَتِيمِ وَعَنِ الْخُمْسِ لِمَنْ هُوَ فَكَتَبَ إِلَيْهِ ابْنُ عَبَّاسٍ كَتَبْتَ تَسْأَلُنِي هَلْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَغْزُو بِالنِّسَاءِ وَقَدْ كَانَ يَغْزُو بِهِنَّ فَيُدَاوِينَ الْجَرْحَى وَيُحْذَيْنَ مِنَ الْغَنِيمَةِ وَأَمَّا بِسَهْمٍ فَلَمْ يَضْرِبْ لَهُنَّ وَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَكُنْ يَقْتُلُ الصِّبْيَانَ فَلاَ تَقْتُلِ الصِّبْيَانَ وَكَتَبْتَ تَسْأَلُنِي مَتَى يَنْقَضِي يُتْمُ الْيَتِيمِ فَلَعَمْرِي إِنَّ الرَّجُلَ لَتَنْبُتُ لِحْيَتُهُ وَإِنَّهُ لَضَعِيفُ الأَخْذِ لِنَفْسِهِ ضَعِيفُ الْعَطَاءِ مِنْهَا فَإِذَا أَخَذَ لِنَفْسِهِ مِنْ صَالِحِ مَا يَأْخُذُ النَّاسُ فَقَدْ ذَهَبَ عَنْهُ الْيُتْمُ وَكَتَبْتَ تَسْأَلُنِي عَنِ الْخُمْسِ لِمَنْ هُوَ وَإِنَّا كُنَّا نَقُولُ هُوَ لَنَا . فَأَبَى عَلَيْنَا قَوْمُنَا ذَاكَ .




৪৫৭৮-(১৩৮/১৮১২) আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ ইবনু কা'নাব (রহঃ) ..... ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, নাজদাহ্ (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে পাঁচটি ব্যাপারে প্রশ্ন করে পত্র লিখলেন। তখন ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, যদি আমি ইলম গোপনকারী হওয়ার আশংকা না করতাম তাহলে আমি তার কাছে জবাব লিখতাম না। নাজদাহ সে পত্রে তাকে লিখেছিলেন, হামদ ও সালাতের পর আমাকে অবহিত করুন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি মহিলাদেরকে নিয়ে যুদ্ধযাত্রা করতেন? তিনি তাদেরকে কি গনীমাতের ভাগ দিতেন? তিনি কি শত্রুপক্ষের শিশুদের হত্যা করতেন? আর কখন ইয়াতীমের ইয়াতীম অবস্থার সমাপ্তি হয়? আর গনীমাতের এক পঞ্চমাংশের হকদার কারা?

জবাবে ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) লিখলেন, তুমি আমাকে লিখিত প্রশ্ন করেছে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি মহিলাদেরকে নিয়ে যুদ্ধযাত্রা করতেন? হ্যাঁ, তিনি তাদেরকে নিয়ে যুদ্ধ যাত্রা করতেন এবং তারা আহতদের সেবা-শুশ্রুষা করতেন এবং গনীমাতের মাল থেকে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হতো, কিন্তু গনীমাতের ভাগ তাদের জন্য বরাদ্দ করা হতো না। আর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনও শিশুদেরকে হত্যা করতেন না। সুতরাং তুমিও শিশুদেরকে হত্যা করবে না। আর তোমার চিঠিতে আমাকে এও প্রশ্ন করেছ যে, কখন ইয়াতীমের ইয়াতীম অবস্থা সমাপ্ত হয়? আমার জীবনের শপথ অনেক সময় কোন ব্যক্তির দাড়ি গজিয়ে যায়; অথচ সে তার নিজের হক গ্রহণে দুর্বল থাকে এবং অন্য কারো হক প্রদানের বেলায়ও দুর্বল থাকে। সুতরাং যখন সে লোকদের মতো নিজের অধিকার বুঝে নিতে পারে তখনই তার ইয়াতীম অবস্থার সমাপ্তি হয়। আর তুমি লিখেছ, গনীমাতের এক পঞ্চমাংশ কাদের প্রাপ্য? আমরা বলি, তা আমাদের (আহলে বায়তদের) জন্যই, কিন্তু আমাদের গোত্রের লোকেরা (বানু উমাইয়াহ্) তা অস্বীকার করছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩৩, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৩৬)









সহীহ মুসলিম (4579)


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، كِلاَهُمَا عَنْ حَاتِمِ بْنِ إِسْمَاعِيلَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هُرْمُزَ، أَنَّ نَجْدَةَ، كَتَبَ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ يَسْأَلُهُ عَنْ خِلاَلٍ، . بِمِثْلِ حَدِيثِ سُلَيْمَانَ بْنِ بِلاَلٍ غَيْرَ أَنَّ فِي، حَدِيثِ حَاتِمٍ وَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَكُنْ يَقْتُلُ الصِّبْيَانَ فَلاَ تَقْتُلِ الصِّبْيَانَ إِلاَّ أَنْ تَكُونَ تَعْلَمُ مَا عَلِمَ الْخَضِرُ مِنَ الصَّبِيِّ الَّذِي قَتَلَ . وَزَادَ إِسْحَاقُ فِي حَدِيثِهِ عَنْ حَاتِمٍ وَتُمَيِّزَ الْمُؤْمِنَ فَتَقْتُلَ الْكَافِرَ وَتَدَعَ الْمُؤْمِنَ .




৪৫৭৯-(১৩৮/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইবনু হুরমুয (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, নাজদাহ্ (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে কয়েকটি ব্যাপারে প্রশ্ন করে পত্র লিখেন। পরবর্তী অংশ সুলাইমান ইবনু বিলালের হাদীসের অনুরূপ। তবে হাতিমের এ হাদীসে রয়েছে যে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিশুদেরকে হত্যা করতেন না। সুতরাং তুমিও বালকদেরকে হত্যা করবে না। তবে যদি তুমি তা জানতে পারো, যা খিযির সেই বালক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন, যাকে তিনি হত্যা করেছিলেন, তবে স্বতন্ত্র কথা। এ হাদীসের একজন রাবী ইসহাক (রহঃ) তার বর্ণনায় হাদীসের সূত্রে এতটুকু বাড়িয়েছেন- আর যদি তুমি বেছে বের করতে পারো মু'মিনকে, তবে তুমি কাফিরকে হত্যা করবে এবং মুমিনকে ছেড়ে দেবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩৪, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৩৭)









সহীহ মুসলিম (4580)


وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أُمَيَّةَ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هُرْمُزَ، قَالَ كَتَبَ نَجْدَةُ بْنُ عَامِرٍ الْحَرُورِيُّ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ يَسْأَلُهُ عَنِ الْعَبْدِ، وَالْمَرْأَةِ يَحْضُرَانِ الْمَغْنَمَ هَلْ يُقْسَمُ لَهُمَا وَعَنْ قَتْلِ الْوِلْدَانِ وَعَنِ الْيَتِيمِ مَتَى يَنْقَطِعُ عَنْهُ الْيُتْمُ وَعَنْ ذَوِي الْقُرْبَى مَنْ هُمْ فَقَالَ لِيَزِيدَ اكْتُبْ إِلَيْهِ فَلَوْلاَ أَنْ يَقَعَ فِي أُحْمُوقَةٍ مَا كَتَبْتُ إِلَيْهِ اكْتُبْ إِنَّكَ كَتَبْتَ تَسْأَلُنِي عَنِ الْمَرْأَةِ وَالْعَبْدِ يَحْضُرَانِ الْمَغْنَمَ هَلْ يُقْسَمُ لَهُمَا شَىْءٌ وَإِنَّهُ لَيْسَ لَهُمَا شَىْءٌ إِلاَّ أَنْ يُحْذَيَا وَكَتَبْتَ تَسْأَلُنِي عَنْ قَتْلِ الْوِلْدَانِ وَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَقْتُلْهُمْ وَأَنْتَ فَلاَ تَقْتُلْهُمْ إِلاَّ أَنْ تَعْلَمَ مِنْهُمْ مَا عَلِمَ صَاحِبُ مُوسَى مِنَ الْغُلاَمِ الَّذِي قَتَلَهُ وَكَتَبْتَ تَسْأَلُنِي عَنِ الْيَتِيمِ مَتَى يَنْقَطِعُ عَنْهُ اسْمُ الْيُتْمِ وَإِنَّهُ لاَ يَنْقَطِعُ عَنْهُ اسْمُ الْيُتْمِ حَتَّى يَبْلُغَ وَيُؤْنَسَ مِنْهُ رُشْدٌ وَكَتَبْتَ تَسْأَلُنِي عَنْ ذَوِي الْقُرْبَى مَنْ هُمْ وَإِنَّا زَعَمْنَا أَنَّا هُمْ فَأَبَى ذَلِكَ عَلَيْنَا قَوْمُنَا .




৪৫৮০-(১৩৯/...) ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, নাজদাহ্ ইবনু আমর হারূরী ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নিকট পত্র লিখে জানতে চাইলেন, জিহাদে উপস্থিত গোলাম ও মহিলাদের গনীমাতের অংশ দেয়া হবে কি? আর (শত্রুপক্ষের) শিশুদের হত্যা সম্পর্কে এবং ইয়াতীম সম্পর্কে যে, কখন তার ইয়াতীম অবস্থার সমাপ্তি ঘটে? এবং 'যাবিল কুরবা বা নিকটাত্মীয় কারা? তখন তিনি ইয়াযীদকে বললেন, তুমি তাকে লিখ, তার নির্বুদ্ধিতায় পতিত হওয়ার আশঙ্কা না থাকলে আমি তাকে পত্র লিখাতাম না। লিখ, তুমি আমাকে লিখেছে এ প্রশ্ন করে যে, যারা জিহাদে যোগ দিয়েছে এমন নারী এবং গোলামকে কি গনীমাতের কিছু দেয়া হবে?

তাদের (নির্ধারিত) কিছুই দেয়া হবে না। তবে সবার কাছ থেকে কিছু কিছু নিয়ে (বখশিশরূপে) দেয়া হবে। তুমি আমাকে প্রশ্ন করে লিখেছ শিশুদের হত্যা সম্পর্কে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনও তাদেরকে হত্যা করেননি এবং তুমিও তাদেরকে হত্যা করবে না। তবে (তা স্বতন্ত্র কথা) যদি তুমি তাদের ব্যাপারে তা জানতে পারো যা মূসা (আঃ) এর সঙ্গী খিযির (আঃ) জানতে পেরেছিলেন, যে ছেলেটিকে তিনি হত্যা করেছিলেন তার সম্পর্কে। তার ইয়াতীম নাম ঘুচবে না যতক্ষণ না সে বালিগ হবে এবং তার মধ্যে বুদ্ধিমত্তা পরিলক্ষিত হবে। আর তুমি আমাকে যাবিল কুরবা সম্বন্ধে প্রশ্ন করে লিখেছ যে, তারা কারা? আমরা মনে করি আমরাই তার। কিন্তু আমাদের লোকেরা তা অস্বীকার করেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩৫, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৩৮)









সহীহ মুসলিম (4581)


وَحَدَّثَنَاهُ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرٍ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أُمَيَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هُرْمُزَ، قَالَ كَتَبَ نَجْدَةُ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ . وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِمِثْلِهِ . قَالَ أَبُو إِسْحَاقَ حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، بِهَذَا الْحَدِيثِ بِطُولِهِ




৪৫৮১-(.../...) আবদুর রহমান ইবনু বাশশার আবদী (রহঃ) ..... ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন নাজদাহ্ (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর কাছে পত্র লিখেন এবং অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেন। আবূ ইসহাক বলেন, সুফইয়ান (রহঃ) অনুরূপ হাদীস বিস্তারিত বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩৬, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৩৯)









সহীহ মুসলিম (4582)


حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرِ بْنِ حَازِمٍ، حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ، سَمِعْتُ قَيْسًا، يُحَدِّثُ عَنْ يَزِيدَ بْنِ هُرْمُزَ، ح وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - قَالَ حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا جَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ، حَدَّثَنِي قَيْسُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هُرْمُزَ، قَالَ كَتَبَ نَجْدَةُ بْنُ عَامِرٍ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ فَشَهِدْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ حِينَ قَرَأَ كِتَابَهُ وَحِينَ كَتَبَ جَوَابَهُ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ وَاللَّهِ لَوْلاَ أَنْ أَرُدَّهُ عَنْ نَتْنٍ يَقَعُ فِيهِ مَا كَتَبْتُ إِلَيْهِ وَلاَ نُعْمَةَ عَيْنٍ قَالَ فَكَتَبَ إِلَيْهِ إِنَّكَ سَأَلْتَ عَنْ سَهْمِ ذِي الْقُرْبَى الَّذِي ذَكَرَ اللَّهُ مَنْ هُمْ وَإِنَّا كُنَّا نَرَى أَنَّ قَرَابَةَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم هُمْ نَحْنُ فَأَبَى ذَلِكَ عَلَيْنَا قَوْمُنَا وَسَأَلْتَ عَنِ الْيَتِيمِ مَتَى يَنْقَضِي يُتْمُهُ وَإِنَّهُ إِذَا بَلَغَ النِّكَاحَ وَأُونِسَ مِنْهُ رُشْدٌ وَدُفِعَ إِلَيْهِ مَالُهُ فَقَدِ انْقَضَى يُتْمُهُ وَسَأَلْتَ هَلْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقْتُلُ مِنْ صِبْيَانِ الْمُشْرِكِينَ أَحَدًا فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَكُنْ يَقْتُلُ مِنْهُمْ أَحَدًا وَأَنْتَ فَلاَ تَقْتُلْ مِنْهُمْ أَحَدًا إِلاَّ أَنْ تَكُونَ تَعْلَمُ مِنْهُمْ مَا عَلِمَ الْخَضِرُ مِنَ الْغُلاَمِ حِينَ قَتَلَهُ وَسَأَلْتَ عَنِ الْمَرْأَةِ وَالْعَبْدِ هَلْ كَانَ لَهُمَا سَهْمٌ مَعْلُومٌ إِذَا حَضَرُوا الْبَأْسَ فَإِنَّهُمْ لَمْ يَكُنْ لَهُمْ سَهْمٌ مَعْلُومٌ إِلاَّ أَنْ يُحْذَيَا مِنْ غَنَائِمِ الْقَوْمِ




৪৫৮২-(১৪০/...) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... কায়স (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়াযীদ ইবনু হুরমুযকে আমি এ হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাজদাহ্ ইবনু আমির ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে পত্র লিখেন। রাবী বলেন, ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যখন তার পত্ৰখানি পাঠ করেন এবং যখন তিনি তার জবাব লিখেন তখন আমি তার (ইবনু আব্বাস) সামনেই উপস্থিত ছিলাম। ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, যদি সে নাপাকীতে (অজ্ঞানতা প্রসূত কথাবার্তায়) পতিত হবে বলে আশংকা না করতাম তবে আমি তার কাছে জবাব লিখতাম না। তার চোখ কোন দিন না জুড়াক (অর্থাৎ আল্লাহ তাকে খুশী না রাখুক, তার বাতিল আকীদার দরুন এ বদদু'আ করলেন)।

রাবী (ইয়াযীদ) বলেন, তারপর তিনি তাকে লিখলেন, তুমি আমাকে জিজ্ঞেস করেছ, আল্লাহ (গনীমাতের অংশ সংক্রান্ত আয়াতে) যাদের সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সে ঘনিষ্ঠজন কারা? আমরা মনে করি, আমরাই রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সে ঘনিষ্ঠজন। কিন্তু আমাদের গোত্রের লোকেরা তা অস্বীকার করে। আর তুমি ইয়াতীম সম্পর্কে প্রশ্ন করেছ যে, কখন তার ইয়াতীম অবস্থার সমাপ্তি ঘটে? যখন সে বিবাহযোগ্য হয়, তার মধ্যে বুদ্ধি-বিবেচনা পরিলক্ষিত হয় এবং তার সম্পদ তার কাছে প্রত্যপণ করা হয়, তখন তার ইয়াতীম অবস্থার অবসান ঘটে।

আর তুমি প্রশ্ন করেছ, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি মুশরিকদের কোন শিশুকে হত্যা করতেন? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোনদিন তাদের শিশুদের কাউকে হত্যা করেননি। সুতরাং তুমিও তাদের কাউকে হত্যা করবে না। অবশ্য যদি তুমি অবগত হও, যা অবগত হয়েছিলেন খিযির (আঃ) সে বালকটির সম্পর্কে যখন তিনি তাকে হত্যা করেন। আর তুমি প্রশ্ন করেছ, নারী ও গোলাম সম্পর্কে, যখন তারা যুদ্ধে উপস্থিত থাকে, তাদের জন্য নির্ধারিত অংশ নেই। তবে লোকদের গনীমাতের মাল থেকে তারা উপটৌকন হিসেবে পায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩৭, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৪০)









সহীহ মুসলিম (4583)


وَحَدَّثَنِي أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا زَائِدَةُ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ الأَعْمَشُ، عَنِ الْمُخْتَارِ بْنِ صَيْفِيٍّ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ هُرْمُزَ، قَالَ كَتَبَ نَجْدَةُ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ . فَذَكَرَ بَعْضَ الْحَدِيثِ وَلَمْ يُتِمَّ الْقِصَّةَ كَإِتْمَامِ مَنْ ذَكَرْنَا حَدِيثَهُمْ .




৪৫৮৩-(১৪১/...) আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাজদাহ্ ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে লিখেছিলেন, বর্ণনাকারী এ হাদীসের কিয়দংশ রিওয়ায়াত করেছেন। তবে তাদের হাদীসসমূহের মতো তিনি ঘটনা হুবহু বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩৮, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৪১)









সহীহ মুসলিম (4584)


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ حَفْصَةَ، بِنْتِ سِيرِينَ عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ الأَنْصَارِيَّةِ، قَالَتْ غَزَوْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَبْعَ غَزَوَاتٍ أَخْلُفُهُمْ فِي رِحَالِهِمْ فَأَصْنَعُ لَهُمُ الطَّعَامَ وَأُدَاوِي الْجَرْحَى وَأَقُومُ عَلَى الْمَرْضَى




৪৫৮৪-(১৪২/১৮১২) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... উম্মু আতিয়্যাহ্ আনসারীয়াহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। আমি তাদের শিবিরের পশ্চাতে অবস্থান করতাম, তাদের খাবার তৈরী করতাম, আহতদের চিকিৎসা করতাম এবং রোগীদের সেবা-শুশ্রুষা করতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৩৯, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৪২)









সহীহ মুসলিম (4585)


وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ .




৪৫৮৫-(.../...) 'আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... হিশাম ইবনু হাসসান (রহঃ)-ও এ সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪০, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৪৩)









সহীহ মুসলিম (4586)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ الْمُثَنَّى - قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ، بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ يَزِيدَ، خَرَجَ يَسْتَسْقِي بِالنَّاسِ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ اسْتَسْقَى قَالَ فَلَقِيتُ يَوْمَئِذٍ زَيْدَ بْنَ أَرْقَمَ - وَقَالَ - لَيْسَ بَيْنِي وَبَيْنَهُ غَيْرُ رَجُلٍ أَوْ بَيْنِي وَبَيْنَهُ رَجُلٌ - قَالَ - فَقُلْتُ لَهُ كَمْ غَزَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ تِسْعَ عَشْرَةَ فَقُلْتُ كَمْ غَزَوْتَ أَنْتَ مَعَهُ قَالَ سَبْعَ عَشْرَةَ غَزْوَةً - قَالَ - فَقُلْتُ فَمَا أَوَّلُ غَزْوَةٍ غَزَاهَا قَالَ ذَاتُ الْعُسَيْرِ أَوِ الْعُشَيْرِ .




৪৫৮৬-(১৪৩/১২৫৪) মুহাম্মদ ইবনু মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ... আবূ ইসহাক (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) লোকজনকে নিয়ে ইসতিস্কার (বৃষ্টি প্রার্থনার) সালাত আদায়ের উদ্দেশে বের হলেন। তিনি দুরাকাআত সালাত আদায় করলেন, এরপর বৃষ্টির জন্যে দুআ করলেন। রাবী বলেন, সেদিন আমি যায়দ ইবনু আরকাম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম। তিনি বলেন, আমার এবং তার মাঝে একজন ছাড়া কোন লোক ছিল না। অথবা তিনি বলেছেন, আমার এবং তার মাঝে কেবল একজন লোক ছিল, আমি তখন তাকে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতগুলো যুদ্ধ করেছেন? তিনি বললেন, উনিশটি। তখন আমি বললাম, আপনি তার সঙ্গে কতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন? তিনি বললেন, সতেরটি যুদ্ধে। রাবী বলেন, তখন আমি প্রশ্ন করলাম, সর্বপ্রথম তিনি কোন যুদ্ধটি করেছেন? তিনি বললেন, যাতুল-উসায়র বা যাতুল-উশায়র। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪১, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৪৪)









সহীহ মুসলিম (4587)


وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، سَمِعَهُ مِنْهُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غَزَا تِسْعَ عَشْرَةَ غَزْوَةً وَحَجَّ بَعْدَ مَا هَاجَرَ حَجَّةً لَمْ يَحُجَّ غَيْرَهَا حَجَّةَ الْوَدَاعِ .




৪৫৮৭-(১৪৪/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু আরকাম (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনিশটি যুদ্ধ করেছেন। হিজরাতের পর একবার মাত্র হাজ্জ করেছিলেন, যেটি ছাড়া আর কোন হাজ্জ করেননি- তা হল বিদায় হাজ্জ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪২, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৪৫)









সহীহ মুসলিম (4588)


حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ، أَخْبَرَنَا أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ غَزَوْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تِسْعَ عَشْرَةَ غَزْوَةً - قَالَ جَابِرٌ - لَمْ أَشْهَدْ بَدْرًا وَلاَ أُحُدًا مَنَعَنِي أَبِي فَلَمَّا قُتِلَ عَبْدُ اللَّهِ يَوْمَ أُحُدٍ لَمْ أَتَخَلَّفْ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي غَزْوَةٍ قَطُّ .




৪৫৮৮-(১৪৫/১৮১৩) যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... জাবির ইবনু 'আবদুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে উনিশটি যুদ্ধ করেছি। জাবির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি বদর ও উহুদ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারিনি। আমার পিতা আমাকে তা থেকে বাধা দিয়েছিলেন। তারপর যখন উহুদ যুদ্ধে (আমার পিতা) আবদুল্লাহ নিহত হলেন, তারপর থেকে আমি আর কখনো কোন যুদ্ধে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে পশ্চাৎপদ হইনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪৩, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৪৬)









সহীহ মুসলিম (4589)


وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، ح وَحَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، الْجَرْمِيُّ حَدَّثَنَا أَبُو تُمَيْلَةَ، قَالاَ جَمِيعًا حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ وَاقِدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، . قَالَ غَزَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تِسْعَ عَشْرَةَ غَزْوَةً قَاتَلَ فِي ثَمَانٍ مِنْهُنَّ . وَلَمْ يَقُلْ أَبُو بَكْرٍ مِنْهُنَّ . وَقَالَ فِي حَدِيثِهِ حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بُرَيْدَةَ .




৪৫৮৯-(১৪৬/১৮১৪) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও সাঈদ ইবনু মুহাম্মাদ জারমী (রহঃ) ..... বুরাইদাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনিশটি যুদ্ধে শরীক হন। তন্মধ্যে আটটিতে তিনি সক্রিয়ভাবে যুদ্ধ করেন। রাবী আবূ বাকর 'তন্মধ্যে' শব্দটি বলেননি বরং তিনি তার বর্ণনায় আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ আমার কাছে বর্ণনা করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪৪, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৪৭)









সহীহ মুসলিম (4590)


وَحَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ كَهْمَسٍ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ غَزَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سِتَّ عَشْرَةَ غَزْوَةً .




৪৫৯০-(১৪৭/...) আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) ..... বুরাইদাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ষোলটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪৫, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৪৮)









সহীহ মুসলিম (4591)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ، حَدَّثَنَا حَاتِمٌ، - يَعْنِي ابْنَ إِسْمَاعِيلَ - عَنْ يَزِيدَ، - وَهُوَ ابْنُ أَبِي عُبَيْدٍ قَالَ سَمِعْتُ سَلَمَةَ، يَقُولُ غَزَوْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سَبْعَ غَزَوَاتٍ وَخَرَجْتُ فِيمَا يَبْعَثُ مِنَ الْبُعُوثِ تِسْعَ غَزَوَاتٍ مَرَّةً عَلَيْنَا أَبُو بَكْرٍ وَمَرَّةً عَلَيْنَا أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ .




৪৫৯১-(১৪৮/১৮১৫) মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাস (রহঃ) ..... সালামাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সাতটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। তিনি যতগুলো অভিযানে সৈন্য প্রেরণ করেছেন তার মধ্যে নয়টিতে আমি অংশগ্রহণ করি। একবার আমাদের সেনাপতি ছিলেন আবূ বাকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আর একবার আমাদের সেনাপতি ছিলেন উসামাহ ইবনু যায়দ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪৬, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৪৯)









সহীহ মুসলিম (4592)


وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا حَاتِمٌ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ فِي كِلْتَيْهِمَا سَبْعَ غَزَوَاتٍ .




৪৫৯২-(.../...) কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... হাতিম (রহঃ) এ হাদীসটি উল্লেখিত সূত্রে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি তার বর্ণনায় উভয় ধরনের সাতটি অভিযানের সংখ্যা বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪৭, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৫০)









সহীহ মুসলিম (4593)


حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَرَّادٍ الأَشْعَرِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ الْهَمْدَانِيُّ، - وَاللَّفْظُ لأَبِي عَامِرٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ بُرَيْدِ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي غَزَاةٍ وَنَحْنُ سِتَّةُ نَفَرٍ بَيْنَنَا بَعِيرٌ نَعْتَقِبُهُ - قَالَ - فَنَقِبَتْ أَقْدَامُنَا فَنَقِبَتْ قَدَمَاىَ وَسَقَطَتْ أَظْفَارِي فَكُنَّا نَلُفُّ عَلَى أَرْجُلِنَا الْخِرَقَ فَسُمِّيَتْ غَزْوَةَ ذَاتِ الرِّقَاعِ لِمَا كُنَّا نُعَصِّبُ عَلَى أَرْجُلِنَا مِنَ الْخِرَقِ . قَالَ أَبُو بُرْدَةَ فَحَدَّثَ أَبُو مُوسَى بِهَذَا الْحَدِيثِ ثُمَّ كَرِهَ ذَلِكَ . قَالَ كَأَنَّهُ كَرِهَ أَنْ يَكُونَ شَيْئًا مِنْ عَمَلِهِ أَفْشَاهُ . قَالَ أَبُو أُسَامَةَ وَزَادَنِي غَيْرُ بُرَيْدٍ وَاللَّهُ يَجْزِي بِهِ .




৪৫৯৩-(১৪৯/১৮১৬) আবূ আমির আবদুল্লাহ ইবনু বাররাদ আশ'আরী ও মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা আল-হামদানী (রহঃ) ...... আবূ মূসা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে একটি যুদ্ধাভিযানে বের হলাম। আমাদের প্রতি ছয়জনের মধ্যে ছিল একটি উট, যার উপর আমরা পর্যায়ক্রমে সওয়ার হতাম। তিনি বলেন, এতে আমাদের পা ক্ষত-বিক্ষত হয়ে যায়। আমার দু'পা এতই বিক্ষত হয়েছিল যে, পায়ের নখগুলো উপড়ে পড়ে যায়। তাই আমরা আমাদের পায়ে পট্টি বেঁধেছিলাম। এ কারণে এ অভিযান যাতুর-রিকা বা পট্টি যুদ্ধ নামে অভিহিত হয়। কেননা আমরা আমাদের পায়ে পট্টি বেঁধেছিলাম।

আবূ বুরদাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আবূ মূসা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এ হাদীসটি একবার বর্ণনা করার পর পুনরায় বর্ণনা করা পছন্দ করেননি। রাবী বলেন, এ দ্বারা তার আমলের প্রকাশ পায় বলে তিনি তা উল্লেখ করা পছন্দ করেননি। আবূ উসামাহ্ বলেন, বুরায়দ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) ছাড়া এ হাদীসের অন্য রাবী এ কথা অতিরিক্ত বলেছেন, "আল্লাহ তার প্রতিদান দিবেন"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৫৪৮, ইসলামিক সেন্টার ৪৫৫১)