হাদীস বিএন


সহীহ মুসলিম





সহীহ মুসলিম (4394)


حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ بْنِ قَعْنَبٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، - يَعْنِي ابْنَ بِلاَلٍ - عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ يَزِيدَ، مَوْلَى الْمُنْبَعِثِ أَنَّهُ سَمِعَ زَيْدَ بْنَ خَالِدٍ الْجُهَنِيَّ، صَاحِبَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ اللُّقَطَةِ الذَّهَبِ أَوِ الْوَرِقِ فَقَالَ " اعْرِفْ وِكَاءَهَا وَعِفَاصَهَا ثُمَّ عَرِّفْهَا سَنَةً فَإِنْ لَمْ تَعْرِفْ فَاسْتَنْفِقْهَا وَلْتَكُنْ وَدِيعَةً عِنْدَكَ فَإِنْ جَاءَ طَالِبُهَا يَوْمًا مِنَ الدَّهْرِ فَأَدِّهَا إِلَيْهِ " . وَسَأَلَهُ عَنْ ضَالَّةِ الإِبِلِ فَقَالَ " مَا لَكَ وَلَهَا دَعْهَا فَإِنَّ مَعَهَا حِذَاءَهَا وَسِقَاءَهَا تَرِدُ الْمَاءَ وَتَأْكُلُ الشَّجَرَ حَتَّى يَجِدَهَا رَبُّهَا " . وَسَأَلَهُ عَنِ الشَّاةِ فَقَالَ " خُذْهَا فَإِنَّمَا هِيَ لَكَ أَوْ لأَخِيكَ أَوْ لِلذِّئْبِ " .




৪৩৯৪-(৫/...) আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ্ ইবনু কা'নাব (রহঃ), রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবা যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সোনার অথবা রূপার হারানো বস্তু প্রাপ্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। তিনি বললেনঃ তুমি এর বন্ধন ও থলে চিনে রাখবে; তারপর একবছর পর্যন্ত এর ঘোষণা দিবে। এরপরও যদি তুমি মালিকের সন্ধান না পাও, তবে তা তুমি ব্যয় করে ফেলতে পার। কিন্তু তা তোমার নিকট আমানাত হিসেবে থাকবে। যদি কোন সময় এর দাবীদার আসে তবে তা তুমি তাকে দিয়ে দিবে। তারপর সে হারানো উট সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করল। তিনি বললেনঃ এতে তোমার কী? তুমি এ প্রসঙ্গ বাদ দাও। কেননা এর সাথে এর জুতা আছে এবং পানি সংরক্ষণের থলে আছে। সে নিজেই পানির ঘাটে যেতে পারে এবং বৃক্ষ থেকে খেতে পারে। অবশেষে একদিন তার মনিব তাকে পেয়ে যাবে। তারপর সে বকরি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলো। তিনি বললেনঃ তুমি সেটি নিয়ে যাও। কেননা, তা তুমি নিবে অথবা তোমার ভাই নিবে অথবা নেকড়ে খেয়ে ফেলবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৫৩, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৫৩)









সহীহ মুসলিম (4395)


وَحَدَّثَنِي إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا حَبَّانُ بْنُ هِلاَلٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، وَرَبِيعَةُ الرَّأْىِ بْنُ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ يَزِيدَ، مَوْلَى الْمُنْبَعِثِ عَنْ زَيْدِ بْنِ، خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّ رَجُلاً، سَأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَنْ ضَالَّةِ الإِبِلِ . زَادَ رَبِيعَةُ فَغَضِبَ حَتَّى احْمَرَّتْ وَجْنَتَاهُ . وَاقْتَصَّ الْحَدِيثَ بِنَحْوِ حَدِيثِهِمْ وَزَادَ " فَإِنْ جَاءَ صَاحِبُهَا فَعَرَفَ عِفَاصَهَا وَعَدَدَهَا وَوِكَاءَهَا فَأَعْطِهَا إِيَّاهُ وَإِلاَّ فَهْىَ لَكَ " .




৪৩৯৫-(৬/...) ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ... যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে হারানো উট সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। রাবী'আহ্ (রহঃ) অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন, "তিনি এতে এত রাগাম্বিত হলেন যে, তার গাল দু'টো রক্তিম বর্ণ হয়ে গেল" তারপর ..... অবশিষ্ট হাদীস উল্লিখিত বর্ণনাকারীদের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তিনি আরো অতিরিক্ত বর্ণনা করেন যে, তারপর যদি এর মালিক আসে এবং তার থলে এবং (মুদ্রার) সংখ্যা ও বন্ধন সঠিকভাবে চিনতে পারে, তবে তাকে তা দিয়ে দিবে। নচেৎ তা তোমারই থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৫৪, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৫৪)









সহীহ মুসলিম (4396)


وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَرْحٍ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي الضَّحَّاكُ بْنُ عُثْمَانَ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ، قَالَ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ اللُّقَطَةِ فَقَالَ " عَرِّفْهَا سَنَةً فَإِنْ لَمْ تُعْتَرَفْ فَاعْرِفْ عِفَاصَهَا وَوِكَاءَهَا ثُمَّ كُلْهَا فَإِنْ جَاءَ صَاحِبُهَا فَأَدِّهَا إِلَيْهِ "




৪৩৯৬-(৭/...) আবূ তাহির আহমাদ ইবনু আমর ইবনু সারহ (রহঃ) ... যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে হারানো বস্তু প্রাপ্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হল। তিনি বললেন, তা তুমি এক বছর পর্যন্ত প্রচার করবে। এর মধ্যে যদি জানা না যায় তবে তুমি এর থলে ও বন্ধন চিনে রাখবে। তারপর তুমি তা খেতে পারবে। তারপর যদি তার মালিক আসে, তবে তা তাকে দিয়ে দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৫৫, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৫৫)









সহীহ মুসলিম (4397)


وَحَدَّثَنِيهِ إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ الْحَنَفِيُّ، حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ بْنُ عُثْمَانَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ فِي الْحَدِيثِ " فَإِنِ اعْتُرِفَتْ فَأَدِّهَا وَإِلاَّ فَاعْرِفْ عِفَاصَهَا وَوِكَاءَهَا وَعَدَدَهَا "




৪৩৯৭-(৮/...) ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ... যাহহাক ইবন উসমান (রহঃ) হতে এ একই সূত্রে বর্ণনা করেন। আর তিনি তার হাদীসে বলেছেন যে, যদি জানা যায়, তবে তাকে তা দিয়ে দেবে। অন্যথায় তুমি তার থলে, তার বন্ধন, তার আবরণ ও (মুদ্রার) সংখ্যা চিনে রাখবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৫৬, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৫৬)









সহীহ মুসলিম (4398)


وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، ح وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ، بْنُ نَافِعٍ - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، قَالَ سَمِعْتُ سُوَيْدَ، بْنَ غَفَلَةَ قَالَ خَرَجْتُ أَنَا وَزَيْدُ بْنُ صُوحَانَ، وَسَلْمَانُ بْنُ رَبِيعَةَ، غَازِينَ فَوَجَدْتُ سَوْطًا فَأَخَذْتُهُ فَقَالاَ لِي دَعْهُ . فَقُلْتُ لاَ وَلَكِنِّي أُعَرِّفُهُ فَإِنْ جَاءَ صَاحِبُهُ وَإِلاَّ اسْتَمْتَعْتُ بِهِ . قَالَ فَأَبَيْتُ عَلَيْهِمَا فَلَمَّا رَجَعْنَا مِنْ غَزَاتِنَا قُضِيَ لِي أَنِّي حَجَجْتُ فَأَتَيْتُ الْمَدِينَةَ فَلَقِيتُ أُبَىَّ بْنَ كَعْبٍ فَأَخْبَرْتُهُ بِشَأْنِ السَّوْطِ وَبِقَوْلِهِمَا فَقَالَ إِنِّي وَجَدْتُ صُرَّةً فِيهَا مِائَةُ دِينَارٍ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَتَيْتُ بِهَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " عَرِّفْهَا حَوْلاً " . قَالَ فَعَرَّفْتُهَا فَلَمْ أَجِدْ مَنْ يَعْرِفُهَا ثُمَّ أَتَيْتُهُ . فَقَالَ " عَرِّفْهَا حَوْلاً " . فَعَرَّفْتُهَا فَلَمْ أَجِدْ مَنْ يَعْرِفُهَا ثُمَّ أَتَيْتُهُ . فَقَالَ " عَرِّفْهَا حَوْلاً " . فَعَرَّفْتُهَا فَلَمْ أَجِدْ مَنْ يَعْرِفُهَا . فَقَالَ " احْفَظْ عَدَدَهَا وَوِعَاءَهَا وَوِكَاءَهَا فَإِنْ جَاءَ صَاحِبُهَا وَإِلاَّ فَاسْتَمْتِعْ بِهَا " . فَاسْتَمْتَعْتُ بِهَا . فَلَقِيتُهُ بَعْدَ ذَلِكَ بِمَكَّةَ فَقَالَ لاَ أَدْرِي بِثَلاَثَةِ أَحْوَالٍ أَوْ حَوْلٍ وَاحِدٍ .




৪৩৯৮-(৯/১৭২৩) মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ও আবূ বাকর ইবনু নাফি (রহঃ) ..... সুওয়াইদ ইবনু গাফালাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এবং যায়দ ইবনু সূহান ও সালমান ইবনু রাবী'আহ যুদ্ধে গিয়েছিলাম। আমি একটি চাবুক পেয়ে তা উঠিয়ে নিলাম। তখন আমার সাখী দু'জন আমাকে বললেন, তুমি তা রেখে দাও। আমি বললাম, না বরং আমি এটির ঘোষণা করব। যদি এটির মালিক আসে তো ভাল, অন্যথায় আমি এটি নিয়ে ব্যবহার করব। তিনি বলেন, আমি উভয়ের কথা প্রত্যাখ্যান করলাম। তারপর যখন আমরা যুদ্ধ থেকে ফিরে এলাম, তখন এক সময় আমার হাজ্জে (হজ্জে/হজে) যাওয়ার সুযোগ এলো। তখন আমি মাদীনায় গেলাম এবং উবাই ইবনু কাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম। আমি চাবুকের ঘটনা এবং সঙ্গীদ্বয়ের কথা তাকে বললাম।

তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় একটি থলে পেয়েছিলাম। তাতে একশ' দীনার (স্বর্ণমুদ্রা) ছিল। আমি সেটি নিয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলাম। তিনি বললেনঃ তুমি তা এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা দেবে। বর্ণনাকারী বললেন, আমি সেটির ঘোষণা দিলাম, কিন্তু তা চিনে নিতে পারে এমন কাউকে পেলাম না। পরে আমি তার কাছে এলাম, তখন তিনি বললেনঃ আরো এক বছর পর্যন্ত প্রচার কর। তারপরও আমি তার কোন দাবীদার পেলাম না। তারপর আবার আমি তার কাছে এলাম। তখন তিনি বললেনঃ আরো এক বছর তার ঘোষণা দাও। তারপরও আমি কাউকে সেটির দাবীদার পেলাম না। তিনি বললেনঃ তুমি এটির সংখ্যা, থলে ও তার বন্ধন সংরক্ষণ করে রাখবে। যদি এর মালিক আসে, তবে ভাল। অন্যথায় তুমি তা ভোগ করবে। তারপর তা আমি ভোগ করলাম। তারপর যখন মাক্কায় এলাম তখন সেটির মালিকের সাক্ষাৎ পেলাম।

বর্ণনাকারী সন্দেহ করে বলেন, আমার খেয়াল নেই যে, তিনি কি তিন বছরের কথা বলেছিলেন, না এক বছরের। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৫৭, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৫৭)









সহীহ মুসলিম (4399)


وَحَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرٍ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، أَخْبَرَنِي سَلَمَةُ، بْنُ كُهَيْلٍ أَوْ أَخْبَرَ الْقَوْمَ، وَأَنَا فِيهِمْ، قَالَ سَمِعْتُ سُوَيْدَ بْنَ غَفَلَةَ، قَالَ خَرَجْتُ مَعَ زَيْدِ بْنِ صُوحَانَ وَسَلْمَانَ بْنِ رَبِيعَةَ فَوَجَدْتُ سَوْطًا . وَاقْتَصَّ الْحَدِيثَ بِمِثْلِهِ إِلَى قَوْلِهِ فَاسْتَمْتَعْتُ بِهَا . قَالَ شُعْبَةُ فَسَمِعْتُهُ بَعْدَ عَشْرِ سِنِينَ يَقُولُ عَرَّفَهَا عَامًا وَاحِدًا .




৪৩৯৯-(.../...) আবদুর রহমান ইবনু বিশর আবদী (রহঃ) .... সুওয়াইদ ইবনু গাফালাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি যায়দ ইবনু সূহান এবং সালমান ইবনু রাবী'আহ (রহঃ) এর সাথে বের হলাম এবং আমি একটি চাবুক পেলাম। তারপর তিনি উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ ..... (তা আমি ব্যবহার করলাম) পর্যন্ত বর্ণনা করেন। শু'বাহ (রহঃ) বলেন, পরে আমি তাকে দশ বছর পর বলতে শুনেছি যে, তিনি সেটা এক বছর পর্যন্ত প্রচার করেছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৫৮, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৫৮)









সহীহ মুসলিম (4400)


وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي، شَيْبَةَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي جَمِيعًا، عَنْ سُفْيَانَ، ح وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ، بْنُ حَاتِمٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ الرَّقِّيُّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، - يَعْنِي ابْنَ عَمْرٍو - عَنْ زَيْدِ، بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ ح وَحَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، كُلُّ هَؤُلاَءِ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . نَحْوَ حَدِيثِ شُعْبَةَ . وَفِي حَدِيثِهِمْ جَمِيعًا ثَلاَثَةَ أَحْوَالٍ إِلاَّ حَمَّادَ بْنَ سَلَمَةَ فَإِنَّ فِي حَدِيثِهِ عَامَيْنِ أَوْ ثَلاَثَةً . وَفِي حَدِيثِ سُفْيَانَ وَزَيْدِ بْنِ أَبِي أُنَيْسَةَ وَحَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ " فَإِنْ جَاءَ أَحَدٌ يُخْبِرُكَ بِعَدَدِهَا وَوِعَائِهَا وَوِكَائِهَا فَأَعْطِهَا إِيَّاهُ " . وَزَادَ سُفْيَانُ فِي رِوَايَةِ وَكِيعٍ " وَإِلاَّ فَهِيَ كَسَبِيلِ مَالِكَ " . وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ نُمَيْرٍ " وَإِلاَّ فَاسْتَمْتِعْ بِهَا " .




৪৪০০-(১০/...) কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনু নুমায়র মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ও আবদুর রহমান ইবনু বাশর (রহঃ) সকলেই সালামাহ্ ইবনু কুহয়ল (রহঃ) হতে একই সূত্রে শুবাহ (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। উল্লিখিত সকলের বর্ণিত হাদীসেই তিন বছর কথাটি উল্লেখ আছে। আর সুফইয়ান, যায়দ ইবনু আবূ উনাইসাহ ও হাম্মাদ ইনু সালামাহ্ (রহঃ) এর হাদীসে রয়েছে, "যদি কোন ব্যক্তি এরপর আসে এবং তার গণনা, থলে ও তার বন্ধনের বর্ণনা দিতে পারে, তবে তাকে তা দিয়ে দিবে।"

আর সুফইয়ান (রহঃ) ..... ওয়াকী (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে একটু অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন, অন্যথায় তা তোমার মালের মতই। আর ইবনু নুমায়র (রহঃ) এর বর্ণনায় "অন্যথায় তুমি তা ব্যবহার করতে পারবে" বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৫৯, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৫৯)









সহীহ মুসলিম (4401)


حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَيُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالاَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَشَجِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ حَاطِبٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عُثْمَانَ التَّيْمِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ لُقَطَةِ الْحَاجِّ .




৪৪০১-(১১/১৭২৪) আবূ তাহির ও ইউনুস ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু উসমান তাইমী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজীদের হারানো বস্তু তুলে নিতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৬০, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৬০)









সহীহ মুসলিম (4402)


وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَيُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ بَكْرِ بْنِ سَوَادَةَ، عَنْ أَبِي سَالِمٍ الْجَيْشَانِيِّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ، الْجُهَنِيِّ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " مَنْ آوَى ضَالَّةً فَهُوَ ضَالٌّ مَا لَمْ يُعَرِّفْهَا " .




৪৪০২-(১২/১৭২৫) আবূ তাহির ও ইউনুস ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ...... যায়দ ইবনু খালিদ জুহানী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি হারানো বস্তু উঠিয়ে রাখল সে যদি তা প্রচার না করে তবে সে পথভ্রষ্ট। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৬১, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৬১)









সহীহ মুসলিম (4403)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَحْلُبَنَّ أَحَدٌ مَاشِيَةَ أَحَدٍ إِلاَّ بِإِذْنِهِ أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَنْ تُؤْتَى مَشْرُبَتُهُ فَتُكْسَرَ خِزَانَتُهُ فَيُنْتَقَلَ طَعَامُهُ إِنَّمَا تَخْزُنُ لَهُمْ ضُرُوعُ مَوَاشِيهِمْ أَطْعِمَتَهُمْ فَلاَ يَحْلُبَنَّ أَحَدٌ مَاشِيَةَ أَحَدٍ إِلاَّ بِإِذْنِهِ " .




৪৪০৩-(১৩/১৭২৬) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া তামীমী (রহঃ) ...... ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ যেন কোন ব্যক্তির পশুর দুধ তার অনুমতি ব্যতীত দোহন না করে। তোমাদের কেউ কি এটা পছন্দ করবে যে, তার কুটিরে কিছু সঞ্চিত হোক, তারপর অন্য কেউ তার ভাণ্ডার ভেঙ্গে খাদ্য সামগ্ৰী বের করে নিয়ে যাক? এমনিভাবে পশুদের স্তন তাদের ধনাগার স্বরূপ, তাতে তারা তাদের খাদ্য সামগ্ৰী সঞ্চয় করে। অতঃপর কেউ যেন কারো পশুর দুগ্ধ মালিকের বিনানুমতিতে দোহন না করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৬২, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৬২)









সহীহ মুসলিম (4404)


وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، جَمِيعًا عَنِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ، ح وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنِي أَبِي كِلاَهُمَا، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، ح وَحَدَّثَنِي أَبُو الرَّبِيعِ، وَأَبُو كَامِلٍ قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، ح وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنِي ابْنَ عُلَيَّةَ - جَمِيعًا عَنْ أَيُّوبَ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أُمَيَّةَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ،عَنْ أَيُّوبَ، وَابْنُ، جُرَيْجٍ عَنْ مُوسَى، كُلُّ هَؤُلاَءِ عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . نَحْوَ حَدِيثِ مَالِكٍ غَيْرَ أَنَّ فِي حَدِيثِهِمْ جَمِيعًا " فَيُنْتَثَلَ " . إِلاَّ اللَّيْثَ بْنَ سَعْدٍ فَإِنَّ فِي حَدِيثِهِ " فَيُنْتَقَلَ طَعَامُهُ " . كَرِوَايَةِ مَالِكٍ .




৪৪০৪-(.../...) কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনু নুমায়র, আবূ রাবি, আবূ কামিল, যুহায়র ইবনু হারব, ইবনু আবূ উমার ও মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) সকলেই ইবনু উমর (রাঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তবে তাদের হাদীসে فَيُنْتَثَلَ রয়েছে। কিন্তু লায়স ইবনু সা'দ (রহঃ) তার বর্ণিত হাদীসে "তার খাদ্য সামগ্ৰী স্থানান্তর করে নিয়ে যায়" অংশটি মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর বর্ণনার অনুরূপ বর্ণিত রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৬৩, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৬৩)









সহীহ মুসলিম (4405)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي شُرَيْحٍ الْعَدَوِيِّ، أَنَّهُ قَالَ سَمِعَتْ أُذُنَاىَ، وَأَبْصَرَتْ، عَيْنَاىَ حِينَ تَكَلَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيُكْرِمْ ضَيْفَهُ جَائِزَتَهُ " . قَالُوا وَمَا جَائِزَتُهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ " يَوْمُهُ وَلَيْلَتُهُ وَالضِّيَافَةُ ثَلاَثَةُ أَيَّامٍ فَمَا كَانَ وَرَاءَ ذَلِكَ فَهُوَ صَدَقَةٌ عَلَيْهِ - وَقَالَ - مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ " .




৪৪০৫-(১৪/৪৮) কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ...... আবূ শুরাইহ্ আদাবী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার দু'কান শুনেছে এবং দু'চক্ষু দেখেছে, যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কথা বলছিলেন। তিনি বলেছিলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং পরকালে বিশ্বাস রাখে সে যেন ভালভাবে নিজ মেহমানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। তখন সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! ভালভাবে মানে কী? তখন তিনি বললেন, তাকে একদিন ও এক রাত্রি আপ্যায়ন করবে। আর (সাধারণভাবে) মেহমানদারীর সময়কাল তিন দিন। এর চাইতে বেশি দিন মেহমানদারী করা তার জন্য সদাকাহ্ স্বরূপ। তিনি আরো বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন উত্তম কথা বলে অথবা চুপ থাকে। [দ্রষ্টব্য হাদীস ১৭৬] (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৬৪, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৬৪)









সহীহ মুসলিম (4406)


حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي شُرَيْحٍ الْخُزَاعِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الضِّيَافَةُ ثَلاَثَةُ أَيَّامٍ وَجَائِزَتُهُ يَوْمٌ وَلَيْلَةٌ وَلاَ يَحِلُّ لِرَجُلٍ مُسْلِمٍ أَنْ يُقِيمَ عِنْدَ أَخِيهِ حَتَّى يُؤْثِمَهُ " . قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَكَيْفَ يُؤْثِمُهُ قَالَ " يُقِيمُ عِنْدَهُ وَلاَ شَىْءَ لَهُ يَقْرِيهِ بِهِ " .




৪৪০৬-(১৫/...) আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা (রহঃ) ...... আবূ শুরাইহ খুযাঈ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মেহমানদারী তিন দিন এবং উত্তমরূপে মেহমানদারী একদিন ও একরাত্রি। কোন মুসলিম ব্যক্তির জন্য বৈধ নয় যে সে তার ভাই এর নিকট অবস্থান করে তাকে পাপে নিপতিত করবে। তখন সাহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রসূল! কিভাবে সে তাকে পাপে নিপতিত করবে? তিনি বললেন, সে (মেহমান) তার নিকট (এমন বেশী দিন) থাকবে, অথচ তার (মেযবানের) এমন সম্বল নেই যা দ্বারা সে তার মেহমানদারী করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৬৫, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৬৫)









সহীহ মুসলিম (4407)


وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، - يَعْنِي الْحَنَفِيَّ - حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ، بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ الْمَقْبُرِيُّ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا شُرَيْحٍ الْخُزَاعِيَّ، يَقُولُ سَمِعَتْ أُذُنَاىَ، وَبَصُرَ، عَيْنِي وَوَعَاهُ قَلْبِي حِينَ تَكَلَّمَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ اللَّيْثِ وَذَكَرَ فِيهِ " وَلاَ يَحِلُّ لأَحَدِكُمْ أَنْ يُقِيمَ عِنْدَ أَخِيهِ حَتَّى يُؤْثِمَهُ " . بِمِثْلِ مَا فِي حَدِيثِ وَكِيعٍ .




৪৪০৭-(১৬/...) মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) .... আবূ শুরায়হ খুযাঈ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার দু'কান শুনেছে, আমার দুচক্ষু দেখেছে এবং আমার অন্তর স্মরণ রেখেছে যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথা বলেছিলেন। তারপর তিনি লায়স এর হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতে তিনি উল্লেখ করেছেন, কারো জন্যে বৈধ নয় তার ভাই এর নিকট এত সময় অবস্থান করা, যাতে সে তাকে পাপে ফেলে দেয়। বাকী অংশ ওয়াকী' (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৬৬, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৬৬)









সহীহ মুসলিম (4408)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي الْخَيْرِ، عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ، أَنَّهُ قَالَ قُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّكَ تَبْعَثُنَا فَنَنْزِلُ بِقَوْمٍ فَلاَ يَقْرُونَنَا فَمَا تَرَى فَقَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنْ نَزَلْتُمْ بِقَوْمٍ فَأَمَرُوا لَكُمْ بِمَا يَنْبَغِي لِلضَّيْفِ فَاقْبَلُوا فَإِنْ لَمْ يَفْعَلُوا فَخُذُوا مِنْهُمْ حَقَّ الضَّيْفِ الَّذِي يَنْبَغِي لَهُمْ " .




৪৪০৮-(১৭/১৭২৭) কুতাইবাহ্ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... উভয়ে উকবাহ ইবনু 'আমির (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা বললাম হে আল্লাহর রসূল! আপনি আমাদের (বিভিন্ন স্থানে) পাঠিয়ে থাকেন। আমরা এমন এক সম্প্রদায়ের কাছে অবতরণ করি, যারা আমাদের মেহমানদারী করে না। এ সম্পর্কে আপনি কী মনে করেন? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বললেনঃ যদি তোমরা কোন সম্প্রদায়ের কাছে অবতরণ কর, আর তারা তোমাদের জন্য এমন সব আসবাব পত্র প্রদান করার হুকুম করে যা মেহমানদারীর জন্য প্রয়োজন, তবে তোমরা তা গ্রহণ করবে। আর যদি তারা তা না করে তবে তোমরা তাদের থেকে মেহমানদারীর হক আদায় করে নেবে, যা তাদের করণীয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৬৭, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৬৭)









সহীহ মুসলিম (4409)


حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَشْهَبِ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ بَيْنَمَا نَحْنُ فِي سَفَرٍ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِذْ جَاءَ رَجُلٌ عَلَى رَاحِلَةٍ لَهُ قَالَ فَجَعَلَ يَصْرِفُ بَصَرَهُ يَمِينًا وَشِمَالاً فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ كَانَ مَعَهُ فَضْلُ ظَهْرٍ فَلْيَعُدْ بِهِ عَلَى مَنْ لاَ ظَهْرَ لَهُ وَمَنْ كَانَ لَهُ فَضْلٌ مِنْ زَادٍ فَلْيَعُدْ بِهِ عَلَى مَنْ لاَ زَادَ لَهُ " . قَالَ فَذَكَرَ مِنْ أَصْنَافِ الْمَالِ مَا ذَكَرَ حَتَّى رَأَيْنَا أَنَّهُ لاَ حَقَّ لأَحَدٍ مِنَّا فِي فَضْلٍ .




৪৪০৯-(১৮/১৭২৮) শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ...... আবূ সাঈদ খুদরী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে এক সফরে ছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি সওয়ারীতে আরোহণ করে তার কাছে এলো এবং ডানদিকে ও বামদিকে তাকাতে লাগলো। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যার কাছে আরোহণের কোন অতিরিক্ত বাহন থাকে, সে যেন তা দিয়ে তাকে সাহায্য করে যার কোন বাহন নেই। আর যার কাছে অতিরিক্ত খাদ্যদ্রব্য থাকে সে যেন তা দিয়ে তাকে সাহায্য করে যার খাদ্যদ্রব্য নেই। তারপর তিনি বিভিন্ন প্রকার সম্পদ সম্পর্কে এমনিভাবে বললেন। এমনকি আমাদের মনে হল যে, অতিরিক্ত সম্পদের মধ্যে আমাদের কারো কোন অধিকার নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৬৮, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৬৮)









সহীহ মুসলিম (4410)


حَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ الأَزْدِيُّ، حَدَّثَنَا النَّضْرُ، - يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ الْيَمَامِيَّ - حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ، - وَهُوَ ابْنُ عَمَّارٍ - حَدَّثَنَا إِيَاسُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي غَزْوَةٍ فَأَصَابَنَا جَهْدٌ حَتَّى هَمَمْنَا أَنْ نَنْحَرَ بَعْضَ ظَهْرِنَا فَأَمَرَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَجَمَعْنَا مَزَاوِدَنَا فَبَسَطْنَا لَهُ نِطَعًا فَاجْتَمَعَ زَادُ الْقَوْمِ عَلَى النِّطَعِ قَالَ فَتَطَاوَلْتُ لأَحْزُرَهُ كَمْ هُوَ فَحَزَرْتُهُ كَرَبْضَةِ الْعَنْزِ وَنَحْنُ أَرْبَعَ عَشْرَةَ مِائَةً قَالَ فَأَكَلْنَا حَتَّى شَبِعْنَا جَمِيعًا ثُمَّ حَشَوْنَا جُرُبَنَا فَقَالَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " فَهَلْ مِنْ وَضُوءٍ " . قَالَ فَجَاءَ رَجُلٌ بِإِدَاوَةٍ لَهُ فِيهَا نُطْفَةٌ فَأَفْرَغَهَا فِي قَدَحٍ فَتَوَضَّأْنَا كُلُّنَا نُدَغْفِقُهُ دَغْفَقَةً أَرْبَعَ عَشْرَةَ مِائَةً . قَالَ ثُمَّ جَاءَ بَعْدَ ذَلِكَ ثَمَانِيَةٌ فَقَالُوا هَلْ مِنْ طَهُورٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " فَرِغَ الْوَضُوءُ " .




৪৪১০-(১৯/১৭২৯) আহমাদ ইবনু ইউসুফ আযদী (রহঃ) ..... সালামাহ্ (রহঃ) তার পিতা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে এক যুদ্ধে গিয়েছিলাম। তখন আমাদের মধ্যে খাদ্যের অভাব দেখা দিল। অবশেষে আমাদের কিছু সওয়ারীর বাহন যাবাহ করার কথা ইচ্ছা করেছিলাম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নির্দেশে আমরা আমাদের খাদ্যদ্রব্য একত্রিত করলাম। আমরা একটি চামড়া বিছালাম এবং তাতে লোকদের খাদ্যদ্রব্য জমা করা হল। বর্ণনাকারী বলেন, আমি সেটির প্রশস্ততা অনুমান করার জন্য দাঁড়ালাম এবং আমি আন্দাজ করলাম সেটি একটি ছাগল বসার স্থানের সমান। আর আমরা সংখ্যায় ছিলাম চৌদ্দশ'।

রাবী বলেন, আমরা সকলেই তৃপ্তির সাথে খেলাম। তারপর আমাদের নিজ নিজ খাদ্য রাখার থলে পূর্ণ করে নিলাম। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওযুর জন্য কি পানি আছে? বর্ণনাকারী বলেন, এক ব্যক্তি তার পাত্রে সামান্য পানি নিয়ে এগিয়ে এল। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা একটি বড় পাত্রে ঢেলে দিলেন। এরপর আমরা চৌদ্দশ' লোক সকলেই তার থেকে পানি ঢেলে ঢেলে ওযু করলাম। তারপর আরো আটজন লোক এসে বলল, ওযুর জন্য কি পানি আছে? তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ওযুর পানি সমাপ্ত হয়ে গেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৬৯, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৬৯)









সহীহ মুসলিম (4411)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، حَدَّثَنَا سُلَيْمُ بْنُ أَخْضَرَ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، قَالَ كَتَبْتُ إِلَى نَافِعٍ أَسْأَلُهُ عَنِ الدُّعَاءِ، قَبْلَ الْقِتَالِ قَالَ فَكَتَبَ إِلَىَّ إِنَّمَا كَانَ ذَلِكَ فِي أَوَّلِ الإِسْلاَمِ قَدْ أَغَارَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى بَنِي الْمُصْطَلِقِ وَهُمْ غَارُّونَ وَأَنْعَامُهُمْ تُسْقَى عَلَى الْمَاءِ فَقَتَلَ مُقَاتِلَتَهُمْ وَسَبَى سَبْيَهُمْ وَأَصَابَ يَوْمَئِذٍ - قَالَ يَحْيَى أَحْسِبُهُ قَالَ - جُوَيْرِيَةَ - أَوْ قَالَ الْبَتَّةَ - ابْنَةَ الْحَارِثِ وَحَدَّثَنِي هَذَا الْحَدِيثَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ وَكَانَ فِي ذَاكَ الْجَيْشِ




৪৪১১-(১/১৭৩০) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া তামীমী (রহঃ) ..... ইবনু 'আওন (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাফি (রহঃ) কে এ কথা জানতে চেয়ে পত্র লিখলাম যে, যুদ্ধের পূর্বে বিধর্মীদের প্রতি দীনের দাওয়াত দেয়া প্রয়োজন কি-না? ইবনু আওন বলেন, তখন তিনি আমাকে লিখলেন যে, এ (প্রথা) ইসলামের প্রারম্ভিক যুগে ছিল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বানু মুসতালিকের উপর অতর্কিত আক্রমণ করলেন এমন অবস্থায় যে, তাদের পশুদের পানি পান করানো হচ্ছিল। তিনি তাদের যোদ্ধাদের হত্যা করলেন এবং বাকীদের বন্দী করলেন। আর সেদিনেই তার হস্তগত হয়েছিল- ইয়াহইয়া বলেন যে, আমার মনে হয় তিনি বলেছেন- জুওয়াইরিয়াহ' কিংবা নিশ্চিতরূপে বলেছেন হারিসের কন্যা'। বর্ণনাকারী বলেন, এ হাদীস আমাকে আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বর্ণনা করেছেন। তিনি তখন সে সেনাদলের মধ্যে ছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৭০, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৭০)









সহীহ মুসলিম (4412)


وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . مِثْلَهُ وَقَالَ جُوَيْرِيَةَ بِنْتَ الْحَارِثِ . وَلَمْ يَشُكَّ .




৪৪১২-(.../...) মুহাম্মাদ ইবনু মুসান্না (রহঃ) ..... ইবনু 'আওন (রহঃ) হতে এ একই সূত্রে উল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি জুওয়াইরিয়াহ্ বিনতু হারিস এর নাম উল্লেখ করেছেন তাতে সন্দেহ পোষণ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৪৩৭১, ইসলামিক সেন্টার ৪৩৭১)









সহীহ মুসলিম (4413)


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، عَنْ سُفْيَانَ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ أَمْلاَهُ عَلَيْنَا إِمْلاَءً




৪৪১৩-(২/১৭৩১) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ..... সুফইয়ান (রহঃ) থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন যে, হাদীসটি আমাদের সামনে লিখিয়েছেন।