হাদীস বিএন


সহীহ মুসলিম





সহীহ মুসলিম (2894)


وَحَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، وَأَحْمَدُ بْنُ عِيسَى، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ، مَوْلَى أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ - رضى الله عنهما - حَدَّثَهُ أَنَّهُ، كَانَ يَسْمَعُ أَسْمَاءَ كُلَّمَا مَرَّتْ بِالْحَجُونِ تَقُولُ صَلَّى اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ وَسَلَّمَ لَقَدْ نَزَلْنَا مَعَهُ هَا هُنَا وَنَحْنُ يَوْمَئِذٍ خِفَافُ الْحَقَائِبِ قَلِيلٌ ظَهْرُنَا قَلِيلَةٌ أَزْوَادُنَا فَاعْتَمَرْتُ أَنَا وَأُخْتِي عَائِشَةُ وَالزُّبَيْرُ وَفُلاَنٌ وَفُلاَنٌ فَلَمَّا مَسَحْنَا الْبَيْتَ أَحْلَلْنَا ثُمَّ أَهْلَلْنَا مِنَ الْعَشِيِّ بِالْحَجِّ . قَالَ هَارُونُ فِي رِوَايَتِهِ أَنَّ مَوْلَى أَسْمَاءَ . وَلَمْ يُسَمِّ عَبْدَ اللَّهِ .




২৮৯৪-(১৯৩/১২৩৭) হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী ও আহমাদ ইবনু ঈসা (রহঃ) ..... আসমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর আযাদকৃত গোলাম আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত। আসমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যখনই আল-হাজুন (হারাম শরীফের সীমার মধ্যে মাক্কার (মক্কার) উচ্চভূমিতে একটি পাহাড়) অতিক্রম করতেন, তখনই তিনি তাকে বলতে শুনতেন, সল্লাল্লাহু আলা রসূলহী (আল্লাহ তা'আলা তার রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে অনুগ্রহ করুন)। আমরা তার সঙ্গে এখানে অবতরণ করেছিলাম, আমাদের বোঝা ছিল কম, বাহনের সংখ্যা অত্যন্ত কম এবং রসদও ছিল সামান্য। আমি, আমার বোন আয়িশাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা), যুবায়র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং আরও অমুক অমুক উমরাহ পালন করেছিলাম। আমরা যখনই বায়তুল্লাহ স্পর্শ করলাম, তখনই ইহরাম খুলে ফেললাম। এরপর তৃতীয় প্রহরে হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বাঁধলাম। অধঃস্তন রাবী হারূন তার রিওয়ায়াতে বলেছেন, "আসমা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর মুক্তদাস" এবং তিনি 'আবদুল্লাহ' নাম উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭০, ইসলামীক সেন্টার ২৮৬৯)









সহীহ মুসলিম (2895)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُسْلِمٍ الْقُرِّيِّ، قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ - رضى الله عنهما - عَنْ مُتْعَةِ الْحَجِّ، فَرَخَّصَ فِيهَا وَكَانَ ابْنُ الزُّبَيْرِ يَنْهَى عَنْهَا فَقَالَ هَذِهِ أُمُّ ابْنِ الزُّبَيْرِ تُحَدِّثُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَخَّصَ فِيهَا فَادْخُلُوا عَلَيْهَا فَاسْأَلُوهَا قَالَ فَدَخَلْنَا عَلَيْهَا فَإِذَا امْرَأَةٌ ضَخْمَةٌ عَمْيَاءُ فَقَالَتْ قَدْ رَخَّصَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِيهَا .




২৮৯৫-(১৯৪/১২৩৮) মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... মুসলিম আল কুররী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নিকট তামাত্তু হাজ্জ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি তার অনুমতি দিলেন কিন্তু ইবনু যুবায়র তা নিষেধ করতেন। ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, এই তো ইবনু যুবায়র (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর মা, তিনি বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা করার অনুমতি দিয়েছেন। তোমরা তার কাছে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস কর। রাবী বলেন, আমরা তার কাছে গেলাম, তিনি ছিলেন স্থূলদেহী এবং তার দৃষ্টিশক্তি লোপ পেয়েছিল। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তামাত্তু হাজ্জের (হজ্জের/হজের) অনুমতি দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭১, ইসলামীক সেন্টার ২৮৭০)









সহীহ মুসলিম (2896)


وَحَدَّثَنَاهُ ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، ح وَحَدَّثَنَاهُ ابْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، - يَعْنِي ابْنَ جَعْفَرٍ - جَمِيعًا عَنْ شُعْبَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ فَأَمَّا عَبْدُ الرَّحْمَنِ فَفِي حَدِيثِهِ الْمُتْعَةُ وَلَمْ يَقُلْ مُتْعَةُ الْحَجِّ . وَأَمَّا ابْنُ جَعْفَرٍ فَقَالَ قَالَ شُعْبَةُ قَالَ مُسْلِمٌ لاَ أَدْرِي مُتْعَةُ الْحَجِّ أَوْ مُتْعَةُ النِّسَاءِ .




২৮৯৬-(১৯৫/...) ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ... শু'বাহ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। অধঃস্তন রাবী আবদুর রহমানের বর্ণনায় "আল মুত'আহ" উল্লেখ আছে- "মুত'আতুল হাজ্জ (হজ্জ/হজ)" নয় এবং ইবনু জাফার (রহঃ) এর বর্ণনায় শুবাহ (রহঃ) বলেন, মুসলিম আল কুররী (রহঃ) বলেছেন, তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) না মুত'আহ বিবাহ সম্পর্কে বলা হয়েছে, তা আমি জানি না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭২, ইসলামীক সেন্টার ২৮৭১)









সহীহ মুসলিম (2897)


وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ الْقُرِّيُّ، سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - يَقُولُ أَهَلَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِعُمْرَةٍ وَأَهَلَّ أَصْحَابُهُ بِحَجٍّ فَلَمْ يَحِلَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَلاَ مَنْ سَاقَ الْهَدْىَ مِنْ أَصْحَابِهِ وَحَلَّ بَقِيَّتُهُمْ فَكَانَ طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ فِيمَنْ سَاقَ الْهَدْىَ فَلَمْ يَحِلَّ .




২৮৯৭-(১৯৬/১২৩৯) উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... মুসলিম আল কুররী (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমরার ইহরাম বাঁধলেন এবং তার সাহাবীগণ হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বাঁধলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার সাহাবীগণের মধ্যে যাদের সাথে কুরবানীর পশু ছিল, তারা ইহরাম খুলেননি। অন্যরা (তওয়াফ ও সাঈর পর) ইহরাম মুক্ত হয়ে গেলেন। যারা সাথে কুরবানীর পশু এনেছিলেন, তলহাহ্ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অতএব তিনিও ইহরাম খুলেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৩, ইসলামীক সেন্টার ২৮৭২)









সহীহ মুসলিম (2898)


وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، - يَعْنِي ابْنَ جَعْفَرٍ - حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ وَكَانَ مِمَّنْ لَمْ يَكُنْ مَعَهُ الْهَدْىُ طَلْحَةُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ وَرَجُلٌ آخَرُ فَأَحَلاَّ .




২৮৯৮-(১৯৭/...) মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... শু'বাহ (রহঃ) থেকে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে তার বর্ণনায় হাদীসের শেষাংশ এরূপঃ "যাদের সাথে কুরবানীর পশু ছিল না, ত্বলহাহ ইবনু উবায়দুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং আরও এক ব্যক্তি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অতএব তারা উভয়ে ইহরাম খুলে ফেলেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৪, ইসলামীক সেন্টার ২৮৭৩)









সহীহ মুসলিম (2899)


وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - قَالَ كَانُوا يَرَوْنَ أَنَّ الْعُمْرَةَ فِي أَشْهُرِ الْحَجِّ مِنْ أَفْجَرِ الْفُجُورِ فِي الأَرْضِ وَيَجْعَلُونَ الْمُحَرَّمَ صَفَرً وَيَقُولُونَ إِذَا بَرَأَ الدَّبَرْ وَعَفَا الأَثَرْ وَانْسَلَخَ صَفَرْ حَلَّتِ الْعُمْرَةُ لِمَنِ اعْتَمَرْ . فَقَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَصْحَابُهُ صَبِيحَةَ رَابِعَةٍ مُهِلِّينَ بِالْحَجِّ فَأَمَرَهُمْ أَنْ يَجْعَلُوهَا عُمْرَةً فَتَعَاظَمَ ذَلِكَ عِنْدَهُمْ فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَىُّ الْحِلِّ قَالَ " الْحِلُّ كُلُّهُ " .




২৮৯৯-(১৯৮/১২৪০) মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন জাহিলী যুগে লোকেরা হজ্জের মাসসমূহে উমরাহ পালন করাকে পৃথিবীর বুকে সর্বাপেক্ষা বড় অপরাধ মনে করত এবং মুহাররম মাসকে 'সফর মাস হিসেবে গণনা করত। তারা বলত, যখন উটের পিঠ ভালো হয়ে যাবে, হাজীদের পদচিহ্ন লুপ্ত হয়ে যাবে এবং সফর মাস অতিবাহিত হয়ে যাবে, তখন যে ব্যক্তি উমরাহ করতে চায়, তার জন্য তা করা জায়িয হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাহাবীগণ হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বেঁধে যিলহাজের চার তারিখে মাক্কায় (মক্কায়) পৌছলে তিনি তাদের হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরামকে উমরার ইহরামে পরিণত করার নির্দেশ দেন। কিন্তু এ নির্দেশ তাদের কাছে গুরুতর কাজ বলে মনে হল। অতএব তারা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! কিরূপে ইহরামমুক্ত হব? তিনি বললেন, সম্পূর্ণরূপে ইহরামমুক্ত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৫, ইসলামীক সেন্টার ২৮৭৪)









সহীহ মুসলিম (2900)


حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ، الْبَرَّاءِ أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - يَقُولُ أَهَلَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْحَجِّ فَقَدِمَ لأَرْبَعٍ مَضَيْنَ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ فَصَلَّى الصُّبْحَ وَقَالَ لَمَّا صَلَّى الصُّبْحَ " مَنْ شَاءَ أَنْ يَجْعَلَهَا عُمْرَةً فَلْيَجْعَلْهَا عُمْرَةً " .




২৯০০-(১৯৯/...) নাসর ইবনু আলী আল জাহযামী (রহঃ) ..... আবূল আলিয়াহ্ আল বাররা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বাঁধলেন। তিনি যিলহাজ্জ মাসের ৪ তারিখের পর (মাক্কাহ (মক্কাহ) পৌছলেন এবং ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) শেষে তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি এ ইহরামকে উমরার ইহরামে পরিণত করতে চায়, সে তা করতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৬, ইসলামীক সেন্টার ২৮৭৫)









সহীহ মুসলিম (2901)


وَحَدَّثَنَاهُ إِبْرَاهِيمُ بْنُ دِينَارٍ، حَدَّثَنَا رَوْحٌ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الْمُبَارَكِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ كَثِيرٍ، كُلُّهُمْ عَنْ شُعْبَةَ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ أَمَّا رَوْحٌ وَيَحْيَى بْنُ كَثِيرٍ فَقَالاَ كَمَا قَالَ نَصْرٌ أَهَلَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْحَجِّ . وَأَمَّا أَبُو شِهَابٍ فَفِي رِوَايَتِهِ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نُهِلُّ بِالْحَجِّ . وَفِي حَدِيثِهِمْ جَمِيعًا فَصَلَّى الصُّبْحَ بِالْبَطْحَاءِ . خَلاَ الْجَهْضَمِيَّ فَإِنَّهُ لَمْ يَقُلْهُ .




২৯০১-(২০০/...) ইবরাহীম ইবনু দীনার, আবূ দাউদ আল মুবারাকী ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... শু'বাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। রাওহ ও ইয়াহইয়া ইবনু কাসীর (রহঃ) এর বর্ণনায় নাসর (রহঃ) এর অনুরূপ কথা আছেঃ "রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ্জের ইহরাম বাঁধলেন।" আবূ শিহাব (রহঃ) এর বর্ণনায় আছেঃ "আমরা হজ্জের ইহরাম বেঁধে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে রওনা হলাম।" তাদের সকলের বর্ণনায় আছেঃ "রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল বাত্বহা নামক স্থানে ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন।" কিন্তু আল জাহযামী (রহঃ) এর বর্ণনায় এ কথার উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৭, ইসলামীক সেন্টার ২৮৭৬)









সহীহ মুসলিম (2902)


وَحَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ السَّدُوسِيُّ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، أَخْبَرَنَا أَيُّوبُ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ الْبَرَّاءِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - قَالَ قَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَأَصْحَابُهُ لأَرْبَعٍ خَلَوْنَ مِنَ الْعَشْرِ وَهُمْ يُلَبُّونَ بِالْحَجِّ فَأَمَرَهُمْ أَنْ يَجْعَلُوهَا عُمْرَةً .




২৯০২-(২০১/...) হারূন ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাহাবীগণ হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বেঁধে (যিলহাজ্জ মাসের প্রথম) দশ দিনের চারদিন অতিবাহিত হওয়ার পর মাক্কায় (মক্কায়) উপনীত হন। তিনি তাদেরকে নির্দেশ দিলেন, তারা যেন এ ইহরামকে উমরার ইহরামে পরিণত করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৮, ইসলামীক সেন্টার ২৮৭৭)









সহীহ মুসলিম (2903)


وَحَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي الْعَالِيَةِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الصُّبْحَ بِذِي طَوًى وَقَدِمَ لأَرْبَعٍ مَضَيْنَ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ وَأَمَرَ أَصْحَابَهُ أَنْ يُحَوِّلُوا إِحْرَامَهُمْ بِعُمْرَةٍ إِلاَّ مَنْ كَانَ مَعَهُ الْهَدْىُ .




২৯০৩-(২০২/...) আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'যি তুওয়া' নামক স্থানে ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। যিলহাজ্জ মাসের চারদিন অতিক্রান্ত হবার পর (মাক্কা (মক্কা)-য়) পৌছলেন এবং তার সাহাবীগণের নির্দেশ দিলেন, তারা যেন নিজেদের ইহরামকে উমরায় পরিণত করে- কিন্তু যার সাথে কুরবানীর পশু আছে, সে ব্যতীত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৯, ইসলামীক সেন্টার ২৮৭৮)









সহীহ মুসলিম (2904)


وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، ح وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " هَذِهِ عُمْرَةٌ اسْتَمْتَعْنَا بِهَا فَمَنْ لَمْ يَكُنْ عِنْدَهُ الْهَدْىُ فَلْيَحِلَّ الْحِلَّ كُلَّهُ فَإِنَّ الْعُمْرَةَ قَدْ دَخَلَتْ فِي الْحَجِّ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ " .




২৯০৪-(২০৩/১২৪১) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার ও উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এই সে উমরাহ যা থেকে আমরা ফায়দাহ উঠিয়েছি। অতএব যার সাথে কুরবানীর পশু নেই- সে যেন সম্পূর্ণরূপে ইহরাম খুলে ফেলে। কেননা উমরাকে কিয়ামত পর্যন্ত হাজ্জের (হজ্জের/হজের) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮০, ইসলামীক সেন্টার ২৮৭৯)









সহীহ মুসলিম (2905)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا جَمْرَةَ الضُّبَعِيَّ، قَالَ تَمَتَّعْتُ فَنَهَانِي نَاسٌ عَنْ ذَلِكَ، فَأَتَيْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ فَسَأَلْتُهُ عَنْ ذَلِكَ، فَأَمَرَنِي بِهَا . - قَالَ - ثُمَّ انْطَلَقْتُ إِلَى الْبَيْتِ فَنِمْتُ فَأَتَانِي آتٍ فِي مَنَامِي فَقَالَ عُمْرَةٌ مُتَقَبَّلَةٌ وَحَجٌّ مَبْرُورٌ - قَالَ - فَأَتَيْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ فَأَخْبَرْتُهُ بِالَّذِي رَأَيْتُ فَقَالَ اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ سُنَّةُ أَبِي الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم .




২৯০৫-(২০৪/১২৪২) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ জামরাহ্ আয যুবাঈ (রহঃ) বলেন, আমি তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করলাম। কতিপয় লোক আমাকে তা করতে নিষেধ করল। আমি ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি আমাকে তা করার নির্দেশ দিলেন। এরপর আমি বায়তুল্লাহতে আসলাম এবং ঘুমালাম। স্বপ্নে আমার কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল, উমরা কবুল হয়েছে এবং হাজ্জও কবুল হয়েছে। আমি ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে এ স্বপ্লের কথা বললাম। তিনি বললেন, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার! এতো আবূল কাসিম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮১, ইসলামীক সেন্টার ২৮৮০)









সহীহ মুসলিম (2906)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ جَمِيعًا عَنِ ابْنِ أَبِي عَدِيٍّ، - قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، - عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي حَسَّانَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الظُّهْرَ بِذِي الْحُلَيْفَةِ ثُمَّ دَعَا بِنَاقَتِهِ فَأَشْعَرَهَا فِي صَفْحَةِ سَنَامِهَا الأَيْمَنِ وَسَلَتَ الدَّمَ وَقَلَّدَهَا نَعْلَيْنِ ثُمَّ رَكِبَ رَاحِلَتَهُ فَلَمَّا اسْتَوَتْ بِهِ عَلَى الْبَيْدَاءِ أَهَلَّ بِالْحَجِّ .




২৯০৬-(২০৫/১২৪৩) মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ...... ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল হুলায়ফাহ নামক স্থানে যুহরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। অতঃপর নিজের (কুরবানীর) উষ্ট্রী নিয়ে আসতে বললেন এবং কুঁজের ডান দিক দিয়ে ফেড়ে দিলেন। ফলে রক্ত প্রবাহিত হল। অতঃপর তিনি এর গলায় দু'টি পাদুকার মালা পরিয়ে দিলেন। এরপর নিজের বাহনে আরোহণ করলেন। অতঃপর তা যখন তাকে নিয়ে আল বায়দায় পৌছল, তখন তিনি হাজ্জের (হজ্জের/হজের) তালবিয়াহ পাঠ করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮২, ইসলামীক সেন্টার ২৮৮১)









সহীহ মুসলিম (2907)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ . بِمَعْنَى حَدِيثِ شُعْبَةَ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ إِنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمَّا أَتَى ذَا الْحُلَيْفَةِ . وَلَمْ يَقُلْ صَلَّى بِهَا الظُّهْرَ .




২৯০৭-(.../...) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... কাতাদাহ্ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে শুবাহ (রহঃ) এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে, অবশ্য তিনি এখানে বলেছেন, যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুল হুলায়ফাহ এলেন তবে যুহরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করেছেন" এ কথা উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮৩, ইসলামীক সেন্টার ২৮৮২)









সহীহ মুসলিম (2908)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالَ ابْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا حَسَّانَ الأَعْرَجَ، قَالَ قَالَ رَجُلٌ مِنْ بَنِي الْهُجَيْمِ لاِبْنِ عَبَّاسٍ مَا هَذِهِ الْفُتْيَا الَّتِي قَدْ تَشَغَّفَتْ أَوْ تَشَغَّبَتْ بِالنَّاسِ أَنَّ مَنْ طَافَ بِالْبَيْتِ فَقَدْ حَلَّ فَقَالَ سُنَّةُ نَبِيِّكُمْ صلى الله عليه وسلم وَإِنْ رَغِمْتُمْ .




২৯০৮-(২০৬/...) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... কাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ হাসসান আ'রাজ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলতে শুনেছি, আল হুযায়ম গোত্রের এক ব্যক্তি ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলল, আপনি এ কী ফাতাওয়া দিচ্ছেন যা নিয়ে লোকেরা জটিলতায় পড়েছে? (তা এই) যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহ এ তওয়াফ করবে, সে ইহরামমুক্ত হতে পারবে। ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, এটা তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাত, তা তোমাদের মনঃপুত হোক বা না হোক। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮৪, ইসলামীক সেন্টার ২৮৮৩)









সহীহ মুসলিম (2909)


وَحَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ الدَّارِمِيُّ، حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا هَمَّامُ بْنُ يَحْيَى، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَبِي حَسَّانَ، قَالَ قِيلَ لاِبْنِ عَبَّاسٍ إِنَّ هَذَا الأَمْرَ قَدْ تَفَشَّغَ بِالنَّاسِ مَنْ طَافَ بِالْبَيْتِ فَقَدْ حَلَّ الطَّوَافُ عُمْرَةٌ . فَقَالَ سُنَّةُ نَبِيِّكُمْ صلى الله عليه وسلم وَإِنْ رَغِمْتُمْ .




২৯০৯-(২০৭/...) আহমাদ ইবনু সাঈদ আদ দারিমী (রহঃ) ... আবূ হাসসান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে বলা হল, এ ব্যাপারটি লোকদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহ এর তওয়াফ করে, সে হালাল হয়ে যায় এবং তার ইহরাম উমরায় পরিণত হয় (যদিও হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম হয়ে থাকে)। ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, এটা তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাত যদিও তোমাদের নাক ধূলিমলিন হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮৫, ইসলামীক সেন্টার ২৮৮৪)









সহীহ মুসলিম (2910)


وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ، قَالَ كَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ يَقُولُ لاَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ حَاجٌّ وَلاَ غَيْرُ حَاجٍّ إِلاَّ حَلَّ . قُلْتُ لِعَطَاءٍ مِنْ أَيْنَ يَقُولُ ذَلِكَ قَالَ مِنْ قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى ( ثُمَّ مَحِلُّهَا إِلَى الْبَيْتِ الْعَتِيقِ ) قَالَ قُلْتُ فَإِنَّ ذَلِكَ بَعْدَ الْمُعَرَّفِ . فَقَالَ كَانَ ابْنُ عَبَّاسٍ يَقُولُ هُوَ بَعْدَ الْمُعَرَّفِ وَقَبْلَهُ . وَكَانَ يَأْخُذُ ذَلِكَ مِنْ أَمْرِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم حِينَ أَمَرَهُمْ أَنْ يَحِلُّوا فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ .




২৯১০-(২০৮/১২৪৫) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আতা (রহঃ) বলেন, ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলতেন, যে ব্যক্তি (মক্কায়) পৌছে) বায়তুল্লাহ এর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করল, সে ইহরামমুক্ত হয়ে গেল- সে হাজ্জ (হজ্জ/হজ) পালনকারী হোক অথবা অন্য কিছু (উমরাহ) পালনকারী। আমি (ইবনু জুরায়জ) আতাকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কিসের ভিত্তিতে এ কথা বলেন? তিনি বললেন, আল্লাহর কালামের ভিত্তিতেঃ "অতঃপর এগুলো কুরবানীর স্থান মর্যাদাবান ঘরের নিকট"- (সূরা হাজ ২২ঃ ৩৩)। আমি বললাম, তা তো আরাফাহ থেকে ফেরার পর। তিনি বললেন, ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলতেন, (কুরবানীর স্থান সম্মানিত ঘরের নিকট) তা আরাফায় উকুফের পর হোক অথবা পূর্বে। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কার্যক্রম থেকে প্রমাণ গ্রহণ করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বয়ং বিদায় হজ্জের সময়ে ইহরাম খোলার নির্দেশ দেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮৬, ইসলামীক সেন্টার ২৮৮৫)









সহীহ মুসলিম (2911)


حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حُجَيْرٍ، عَنْ طَاوُسٍ، قَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ قَالَ لِي مُعَاوِيَةُ أَعَلِمْتَ أَنِّي قَصَّرْتُ مِنْ رَأْسِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عِنْدَ الْمَرْوَةِ بِمِشْقَصٍ فَقُلْتُ لَهُ لاَ أَعْلَمُ هَذَا إِلاَّ حُجَّةً عَلَيْكَ .




২৯১১-(২০৯/১২৪৬) আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেছেন, মু'আবিয়াহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে বললেন, তুমি কি জান আমি কাঁচি দিয়ে মারওয়াহ পাহাড়ের নিকট রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাথার চুল ছেটে দিয়েছি? আমি তাকে বললাম, এটা আপনার বিরুদ্ধে দলীল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮৭, ইসলামীক সেন্টার ২৮৮৬)









সহীহ মুসলিম (2912)


وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، حَدَّثَنِي الْحَسَنُ، بْنُ مُسْلِمٍ عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ مُعَاوِيَةَ بْنَ أَبِي سُفْيَانَ، أَخْبَرَهُ قَالَ قَصَّرْتُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِشْقَصٍ وَهُوَ عَلَى الْمَرْوَةِ أَوْ رَأَيْتُهُ يُقَصَّرُ عَنْهُ بِمِشْقَصٍ وَهُوَ عَلَى الْمَرْوَةِ .




২৯১২-(২১০/...) মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। মু'আবিয়াহ ইবনু আবূ সুফইয়ান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে অবহিত করে বলেছেন, আমি মারওয়াহ পাহাড়ে একটি কাঁচির সাহায্যে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মাথার চুল ছেটে দিয়েছি। অথবা আমি (অধঃস্তন রাবীর সন্দেহ) মারওয়াহ পাহাড়ের উপর কাঁচির সাহায্যে তার মাথার চুল ছাঁটতে দেখেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮৮, ইসলামীক সেন্টার ২৮৮৭)









সহীহ মুসলিম (2913)


حَدَّثَنِي عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ الْقَوَارِيرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا دَاوُدُ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَصْرُخُ بِالْحَجِّ صُرَاخًا فَلَمَّا قَدِمْنَا مَكَّةَ أَمَرَنَا أَنْ نَجْعَلَهَا عُمْرَةً إِلاَّ مَنْ سَاقَ الْهَدْىَ فَلَمَّا كَانَ يَوْمُ التَّرْوِيَةِ وَرُحْنَا إِلَى مِنًى أَهْلَلْنَا بِالْحَجِّ .




২৯১৩-(২১১/১২৪৭) উবায়দুল্লাহ ইবনু উমার আল কাওয়ারীরী (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা উচ্চস্বরে হজ্জের তালবিয়াহ পাঠ করতে করতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে রওনা হলাম। আমরা মাক্কায় (মক্কায়) পৌছলে তিনি আমাদের তা উমরায় পরিণত করার নির্দেশ দিলেন। তালবিয়ার দিন এলে আমরা হজ্জের ইহরাম বেঁধে মিনার দিকে রওনা হলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮৯, ইসলামীক সেন্টার ২৮৮৮)