হাদীস বিএন


সহীহ মুসলিম





সহীহ মুসলিম (2354)


حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ قَالُوا حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، كِلاَهُمَا عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ . وَلَيْسَ فِي حَدِيثِهِمَا " يَمْرُقُونَ مِنَ الدِّينِ كَمَا يَمْرُقُ السَّهْمُ مِنَ الرَّمِيَّةِ " .




২৩৫৪-(.../...) উসমান ইবনু আবূ শায়বাহ, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, আবূ কুরায়ব ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... আ'মাশ (রহঃ) থেকে অপর এক সানাদে উপরে বর্ণিত হাদীসটির অনুরূপ একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তবে এখানে- "তীর যেভাবে শিকার থেকে বেরিয়ে যায় তারা অনুরূপভাবে দীন থেকে বেরিয়ে যাবে" কথাটির উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩২, ইসলামীক সেন্টার ২৩৩৩)









সহীহ মুসলিম (2355)


وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ الْمُقَدَّمِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ، وَحَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، ح وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُمَا - قَالاَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَبِيدَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ ذَكَرَ الْخَوَارِجَ فَقَالَ فِيهِمْ رَجُلٌ مُخْدَجُ الْيَدِ - أَوْ مُودَنُ الْيَدِ أَوْ مَثْدُونُ الْيَدِ - لَوْلاَ أَنْ تَبْطَرُوا لَحَدَّثْتُكُمْ بِمَا وَعَدَ اللَّهُ الَّذِينَ يَقْتُلُونَهُمْ عَلَى لِسَانِ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم - قَالَ - قُلْتُ آنْتَ سَمِعْتَهُ مِنْ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ إِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ إِي وَرَبِّ الْكَعْبَةِ .




২৩৫৫-(১৫৫/...) মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর আল মুকদ্দামী, কুতায়বাহ্ ইবনু সাঈদ, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... 'আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি খারিজীদের সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে বলেন, তাদের মধ্যে এমন এক ব্যক্তি থাকবে যার হাত খাটো বা মহিলাদের স্তনের ন্যায় হবে। তোমরা যদি অহংকারে লিপ্ত না হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে পার তাহলে আমি তোমাদেরকে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যবানে আল্লাহ প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি সম্বন্ধে আলাপ করব যা তিনি তাদের হত্যাকারীদের সম্পর্কে করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩৩, ইসলামীক সেন্টার ২৩৩৪)









সহীহ মুসলিম (2356)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَبِيدَةَ، قَالَ لاَ أُحَدِّثُكُمْ إِلاَّ مَا سَمِعْتُ مِنْهُ، . فَذَكَرَ عَنْ عَلِيٍّ، نَحْوَ حَدِيثِ أَيُّوبَ مَرْفُوعًا .




২৩৫৬-(.../...) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু আবীদাহ্ (রহঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি সরাসরি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুখে এ কথা শুনেছেন? তিনি বলেন, হ্যাঁ, কা'বার প্রভুর শপথ! হ্যাঁ কা'বার প্রভুর শপথ হ্যাঁ, কা'বার প্রভুর শপথ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩৪, ইসলামীক সেন্টার, নাই)









সহীহ মুসলিম (2357)


حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ بْنُ هَمَّامٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا سَلَمَةُ بْنُ كُهَيْلٍ، حَدَّثَنِي زَيْدُ بْنُ وَهْبٍ الْجُهَنِيُّ، أَنَّهُ كَانَ فِي الْجَيْشِ الَّذِينَ كَانُوا مَعَ عَلِيٍّ - رضى الله عنه - الَّذِينَ سَارُوا إِلَى الْخَوَارِجِ فَقَالَ عَلِيٌّ رضى الله عنه أَيُّهَا النَّاسُ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " يَخْرُجُ قَوْمٌ مِنْ أُمَّتِي يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ لَيْسَ قِرَاءَتُكُمْ إِلَى قِرَاءَتِهِمْ بِشَىْءٍ وَلاَ صَلاَتُكُمْ إِلَى صَلاَتِهِمْ بِشَىْءٍ وَلاَ صِيَامُكُمْ إِلَى صِيَامِهِمْ بِشَىْءٍ يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ يَحْسِبُونَ أَنَّهُ لَهُمْ وَهُوَ عَلَيْهِمْ لاَ تُجَاوِزُ صَلاَتُهُمْ تَرَاقِيَهُمْ يَمْرُقُونَ مِنَ الإِسْلاَمِ كَمَا يَمْرُقُ السَّهْمُ مِنَ الرَّمِيَّةِ " . لَوْ يَعْلَمُ الْجَيْشُ الَّذِينَ يُصِيبُونَهُمْ مَا قُضِيَ لَهُمْ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّهِمْ صلى الله عليه وسلم لاَتَّكَلُوا عَنِ الْعَمَلِ وَآيَةُ ذَلِكَ أَنَّ فِيهِمْ رَجُلاً لَهُ عَضُدٌ وَلَيْسَ لَهُ ذِرَاعٌ عَلَى رَأْسِ عَضُدِهِ مِثْلُ حَلَمَةِ الثَّدْىِ عَلَيْهِ شَعَرَاتٌ بِيضٌ فَتَذْهَبُونَ إِلَى مُعَاوِيَةَ وَأَهْلِ الشَّامِ وَتَتْرُكُونَ هَؤُلاَءِ يَخْلُفُونَكُمْ فِي ذَرَارِيِّكُمْ وَأَمْوَالِكُمْ وَاللَّهِ إِنِّي لأَرْجُو أَنْ يَكُونُوا هَؤُلاَءِ الْقَوْمَ فَإِنَّهُمْ قَدْ سَفَكُوا الدَّمَ الْحَرَامَ وَأَغَارُوا فِي سَرْحِ النَّاسِ فَسِيرُوا عَلَى اسْمِ اللَّهِ . قَالَ سَلَمَةُ بْنُ كُهَيْلٍ فَنَزَّلَنِي زَيْدُ بْنُ وَهْبٍ مَنْزِلاً حَتَّى قَالَ مَرَرْنَا عَلَى قَنْطَرَةٍ فَلَمَّا الْتَقَيْنَا وَعَلَى الْخَوَارِجِ يَوْمَئِذٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ الرَّاسِبِيُّ فَقَالَ لَهُمْ أَلْقُوا الرِّمَاحَ وَسُلُّوا سُيُوفَكُمْ مِنْ جُفُونِهَا فَإِنِّي أَخَافُ أَنْ يُنَاشِدُوكُمْ كَمَا نَاشَدُوكُمْ يَوْمَ حَرُورَاءَ . فَرَجَعُوا فَوَحَّشُوا بِرِمَاحِهِمْ وَسَلُّوا السُّيُوفَ وَشَجَرَهُمُ النَّاسُ بِرِمَاحِهِمْ - قَالَ - وَقُتِلَ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ وَمَا أُصِيبَ مِنَ النَّاسِ يَوْمَئِذٍ إِلاَّ رَجُلاَنِ فَقَالَ عَلِيٌّ رضى الله عنه الْتَمِسُوا فِيهِمُ الْمُخْدَجَ . فَالْتَمَسُوهُ فَلَمْ يَجِدُوهُ فَقَامَ عَلِيٌّ - رضى الله عنه - بِنَفْسِهِ حَتَّى أَتَى نَاسًا قَدْ قُتِلَ بَعْضُهُمْ عَلَى بَعْضٍ قَالَ أَخِّرُوهُمْ . فَوَجَدُوهُ مِمَّا يَلِي الأَرْضَ فَكَبَّرَ ثُمَّ قَالَ صَدَقَ اللَّهُ وَبَلَّغَ رَسُولُهُ - قَالَ - فَقَامَ إِلَيْهِ عَبِيدَةُ السَّلْمَانِيُّ فَقَالَ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ لَسَمِعْتَ هَذَا الْحَدِيثَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِي وَاللَّهِ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ . حَتَّى اسْتَحْلَفَهُ ثَلاَثًا وَهُوَ يَحْلِفُ لَهُ .




২৩৫৭-(১৫৬/...) আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যায়দ ইবনু ওয়াহব আল জুহানী থেকে বর্ণিত। যে সৈন্যদল আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সাথে খারিজীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছিল- তিনি তাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, হে লোক সকল! আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ "আমার উম্মাতের মধ্যে এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব ঘটবে যারা কুরআন পাঠ করবে। তোমাদের পাঠ তাদের পাঠের তুলনায় নিম্নমানের হবে। অনুরূপভবে তাদের সালাত ও সিয়ামের তুলনায় তোমাদের সালাত-সিয়াম (রোজা/রোযা) সামান্য বলে মনে হবে। কুরআন পাঠ করে তারা ধারণা করবে এতে তাদের খুব লাভ হচ্ছে। অথচ এটা তাদের জন্য ক্ষতির কারণই হবে। তাদের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না। তারা ইসলাম থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমনটি তীর বেরিয়ে যায় শিকার থেকে। আর যে সৈন্যদল তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাবে তারা যদি তাদের নীরব মাধ্যমে কৃত ওয়াদা সম্পর্কে জানতে পারত তাহলে তারা এক কাজের (পুরস্কারের) উপরই ভরসা করে বসে থাকত।

সে দলের চিহ্ন হলো- তাদের মধ্যে এমন এক লোক থাকবে যার বাহুর অগ্রভাবে স্ত্রী লোকের স্তনের বোটার ন্যায় একটি মাংসপেশী থাকবে। এর উপর সাদা পশম থাকবে। আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, অতএব তোমরা মু'আবিয়াহ ও সিরিয়ার অধিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানে যাচ্ছো। অপরদিকে তোমরা নিজেদের সন্তান-সন্ততি ও ধন-সম্পদের পিছনে এদেরকে (খারিজী) রেখে যাচ্ছ। আল্লাহর শপথ! আমার বিশ্বাস এরাই হচ্ছে সেই সম্প্রদায় (যাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করার ব্যাপারে তোমাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে)। কেননা এরা অবৈধভাবে রক্তপাত ঘটিয়েছে এবং মানুষের গবাদি পশু লুট করেছে। সুতরাং আল্লাহর নাম নিয়ে যাত্রা শুরু কর।

সালামাহ্ ইবনু কুহায়ল বলেন, অতঃপর যায়দ ইবনু ওয়াহব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) প্রতিটি মঞ্জিলের বর্ণনাই আমাকে দিয়েছেন। এমনকি তিনি বলেছেন, "আমরা একটি পুলের উপর দিয়ে অতিক্রম করে খারিজীদের মুখোমুখী হলাম। এ দিন আবদুল্লাহ ইবনু ওয়াহব আর রাসিবী খারিজীদের সেনাপতি ছিলেন। সে তাদেরকে বলল, তোমরা বল্লম ফেলে দিয়ে খাপ থেকে তরবারি বের কর। কেননা আমার আশঙ্কা হচ্ছে, তার হারূরার দিনের ন্যায় আজও তোমাদের উপর চরম আঘাত হানবে। সুতরাং তারা ফিরে গিয়ে বল্লম ফেলে দিয়ে তরবারি খাপ থেকে বের করে নিল। লোকজন বল্লম নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হল। তারা একের পর এক নিহত হতে থাকল। সেদিন আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর দল থেকে মাত্র দু'জন লোক নিহত হলো।

অতঃপর 'আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, তোমরা এদের মধ্যে থেকে সে বিকলাঙ্গ ব্যক্তিকে খুঁজে বের কর। অতঃপর তারা তাকে খুঁজে পেল না। তখন আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিজেই দাঁড়ালেন এবং নিহতদের কাছে গিয়ে লাশগুলো সরাবার নির্দেশ দিলেন। তিনি তাকে জমিনের উপর পড়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে- "আল্লাহু আকবার" বলে উঠলেন। অতঃপর তিনি পুনরায় বললেন, "আল্লাহ তা'আলা সত্য কথাই বলেছেন এবং তাঁর রসূল সঠিক সংবাদই পৌছিয়েছেন।"

রাবী বলেন, এরপর আবীদাহ আস্ সালমানী তার কাছে দাঁড়িয়ে বললেন, হে আমীরুল মুমিনীন সে মহান আল্লাহর শপথ যিনি ছাড়া অন্য কোন মা'বূদ নেই। আমিও এ হাদীসটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে শুনেছি। এভাবে তিনি ('আলী) তিনবার শপথ করে আবদাহ্ আস্ সালমানীকে একই কথার পুনরাবৃত্তি করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩৫, ইসলামীক সেন্টার ২৩৩৫)









সহীহ মুসলিম (2358)


حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَيُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، قَالاَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الأَشَجِّ، عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَافِعٍ، مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّ الْحَرُورِيَّةَ لَمَّا خَرَجَتْ وَهُوَ مَعَ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ - رضى الله عنه - قَالُوا لاَ حُكْمَ إِلاَّ لِلَّهِ . قَالَ عَلِيٌّ كَلِمَةُ حَقٍّ أُرِيدَ بِهَا بَاطِلٌ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَصَفَ نَاسًا إِنِّي لأَعْرِفُ صِفَتَهُمْ فِي هَؤُلاَءِ " يَقُولُونَ الْحَقَّ بِأَلْسِنَتِهِمْ لاَ يَجُوزُ هَذَا مِنْهُمْ - وَأَشَارَ إِلَى حَلْقِهِ - مِنْ أَبْغَضِ خَلْقِ اللَّهِ إِلَيْهِ مِنْهُمْ أَسْوَدُ إِحْدَى يَدَيْهِ طُبْىُ شَاةٍ أَوْ حَلَمَةُ ثَدْىٍ " . فَلَمَّا قَتَلَهُمْ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ - رضى الله عنه - قَالَ انْظُرُوا . فَنَظَرُوا فَلَمْ يَجِدُوا شَيْئًا فَقَالَ ارْجِعُوا فَوَاللَّهِ مَا كَذَبْتُ وَلاَ كُذِبْتُ . مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلاَثًا ثُمَّ وَجَدُوهُ فِي خَرِبَةٍ فَأَتَوْا بِهِ حَتَّى وَضَعُوهُ بَيْنَ يَدَيْهِ . قَالَ عُبَيْدُ اللَّهِ وَأَنَا حَاضِرُ ذَلِكَ مِنْ أَمْرِهِمْ . وَقَوْلِ عَلِيٍّ فِيهِمْ زَادَ يُونُسُ فِي رِوَايَتِهِ قَالَ بُكَيْرٌ وَحَدَّثَنِي رَجُلٌ عَنِ ابْنِ حُنَيْنٍ أَنَّهُ قَالَ رَأَيْتُ ذَلِكَ الأَسْوَدَ .




২৩৫৮-(১৫৭/...) আবূ তহির ও ইউনুস ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ..... রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুক্ত গোলাম উবায়দুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। যখন হারূরিয়াহ্ বের হলো এবং যখন সে আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর সাথে ছিল তখন বলল, "আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো হুকুম দেয়ার অধিকার নেই।" আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, "এ কথাটি সত্য কিন্তু এর পিছনে তাদের হীন উদ্দেশ্য নিহিত রয়েছে।" রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তি সম্পর্কে বর্ণনা দিয়েছিলেন, আমি তাদের মধ্যে সে চিহ্নগুলো ভালভাবেই লক্ষ্য করছি। তারা মুখে সত্য কথা বলে কিন্তু তা তাদের এটা থেকে অতিক্রম করে না। এ বলে তিনি (উবায়দুল্লাহ) তার কণ্ঠনালীর দিকে ইঙ্গিত করলেন। (অর্থাৎ সত্য কথা গলার নীচে যায় না)। আল্লাহর সৃষ্টিজগতে এরা তার চরম শত্রু। তাদের মধ্যে কালো বর্ণের এক ব্যক্তি রয়েছে যার একটি হাত বকরীর স্তন বা স্তনের বোটার ন্যায়।

অতঃপর 'আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাদেরকে হত্যা করার পর বললেন, তোমরা তাকে খুঁজে বের কর। কিন্তু তারা তাকে খুঁজে পেল না। তিনি পুনরায় বললেন, তোমরা গিয়ে আবার খোঁজ কর। আল্লাহর শপথ আমি মিথ্যা বলিনি এবং আমার কাছেও মিথ্যা বলা হয়নি। (অর্থাৎ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে মিথ্যা বলেননি এবং আমিও তোমাদের কাছে মিথ্যা বলছি না)। এ কথাটি তিনি দু' অথবা তিনবার বললেন। তারা তাকে ধ্বংস-স্তুপের মধ্যে পেয়ে গেল এবং নিয়ে এসে তার সামনে রাখল। উবায়দুল্লাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তাদের এ তৎপরতার সময় এবং 'আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) খারিজীদের সম্বন্ধে এ উক্তিটি করার সময় আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। ইউনুসের বর্ণনায় আরো আছে, বুকায়র বলেনঃ 'আমার কাছে এক ব্যক্তি ইবনু হুনায়নের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, "সে কালো লোকটিকে আমি দেখেছি।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩৬, ইসলামীক সেন্টার ২৩৩৬)









সহীহ মুসলিম (2359)


حَدَّثَنَا شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ هِلاَلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الصَّامِتِ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ بَعْدِي مِنْ أُمَّتِي - أَوْ سَيَكُونُ بَعْدِي مِنْ أُمَّتِي - قَوْمٌ يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ لاَ يُجَاوِزُ حَلاَقِيمَهُمْ يَخْرُجُونَ مِنَ الدِّينِ كَمَا يَخْرُجُ السَّهْمُ مِنَ الرَّمِيَّةِ ثُمَّ لاَ يَعُودُونَ فِيهِ هُمْ شَرُّ الْخَلْقِ وَالْخَلِيقَةِ " . فَقَالَ ابْنُ الصَّامِتِ فَلَقِيتُ رَافِعَ بْنَ عَمْرٍو الْغِفَارِيَّ أَخَا الْحَكَمِ الْغِفَارِيِّ قُلْتُ مَا حَدِيثٌ سَمِعْتُهُ مِنْ أَبِي ذَرٍّ كَذَا وَكَذَا فَذَكَرْتُ لَهُ هَذَا الْحَدِيثَ فَقَالَ وَأَنَا سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .




২৩৫৯-(১৫৮/১০৬৭) শায়বান ইবনু ফাররুখ (রহঃ) ..... আবূ যার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার পরে আমার উম্মাতের মধ্যে বা অচিরেই আমার উম্মাতের মধ্যে এমন এক সম্প্রদায়ের আবির্ভাব হবে- তারা কুরআন পাঠ করবে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করবে না, তীর যেভাবে শিকার ভেদ করে চলে যায় তারাও তেমনিভাবে দীন থেকে বেরিয়ে যাবে, আর ফিরে আসবে না। সৃষ্টিকুলের মধ্যে তারা নিকৃষ্ট ও অধম।

ইবনু সামিত (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি হাকাম আল গিফারীর ভাই রাফি ইবনু আমর আল গিফারীর সাথে সাক্ষাৎ করে বললাম, আমি আবূ যার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে এ ধরনের যে হাদীস শুনেছি এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কী? তার সামনে এ হাদীসটিও উল্লেখ করলাম। তিনি বললেন, আমিও এ হাদীসটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩৭, ইসলামীক সেন্টার ২৩৩৭)









সহীহ মুসলিম (2360)


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ يُسَيْرِ بْنِ، عَمْرٍو قَالَ سَأَلْتُ سَهْلَ بْنَ حُنَيْفٍ هَلْ سَمِعْتَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَذْكُرُ الْخَوَارِجَ فَقَالَ سَمِعْتُهُ - وَأَشَارَ بِيَدِهِ نَحْوَ الْمَشْرِقِ " قَوْمٌ يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ بِأَلْسِنَتِهِمْ لاَ يَعْدُو تَرَاقِيَهُمْ يَمْرُقُونَ مِنَ الدِّينِ كَمَا يَمْرُقُ السَّهْمُ مِنَ الرَّمِيَّةِ " .




২৩৬০-(১৫৯/১০৬৮) আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... ইউসায়র ইবনু আমর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে জিজ্ঞেস করলাম যে, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে খারিজীদের সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে হাত দিয়ে পূর্ব দিকে ইঙ্গিত করে বলতে শুনেছিঃ এরা এমন এক সম্প্রদায়, তারা কুরআন পড়ে কিন্তু তা তাদের কণ্ঠনালী অতিক্রম করে না। তারা দীন থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যাবে যেমন তীর শিকার থেকে বেরিয়ে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩৮, ইসলামীক সেন্টার ২৩৩৮)









সহীহ মুসলিম (2361)


وَحَدَّثَنَاهُ أَبُو كَامِلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ الشَّيْبَانِيُّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ يَخْرُجُ مِنْهُ أَقْوَامٌ .




২৩৬১-(.../...) আবূ কামিল (রহঃ) ..... সুলায়মান আশ শায়বানী (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদে হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, এ উম্মাতের থেকে কতিপয় সম্প্রদায় আবির্ভূত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৩৯, ইসলামীক সেন্টার ২৩৩৯)









সহীহ মুসলিম (2362)


حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَإِسْحَاقُ، جَمِيعًا عَنْ يَزِيدَ، - قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، - عَنِ الْعَوَّامِ بْنِ حَوْشَبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ الشَّيْبَانِيُّ، عَنْ أُسَيْرِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " يَتِيهُ قَوْمٌ قِبَلَ الْمَشْرِقِ مُحَلَّقَةٌ رُءُوسُهُمْ " .




২৩৬২-(১৬০/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইসহাক (রহঃ) ..... সাহল ইবনু হুনায়ফ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "মাথা নেড়া এক সম্প্রদায় (খারিজী) পূর্ব দিক থেকে বেরুবে।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪০, ইসলামীক সেন্টার ২৩৪০)









সহীহ মুসলিম (2363)


حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ مُحَمَّدٍ، - وَهُوَ ابْنُ زِيَادٍ - سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ أَخَذَ الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ تَمْرَةً مِنْ تَمْرِ الصَّدَقَةِ فَجَعَلَهَا فِي فِيهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " كِخْ كِخْ ارْمِ بِهَا أَمَا عَلِمْتَ أَنَّا لاَ نَأْكُلُ الصَّدَقَةَ " .




২৩৬৩-(১৬১/১০৬৯) উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয আল আম্বারী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাসান ইবনু 'আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যাকাতের খেজুর থেকে একটি খেজুর তুলে মুখে দিলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি থুথু করে ফেলে দাও। তুমি কি জান না আমরা সদাকাহ বা যাকাত খাই না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪১, ইসলামীক সেন্টার ২৩৪১)









সহীহ মুসলিম (2364)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ جَمِيعًا عَنْ وَكِيعٍ، عَنْ شُعْبَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ " أَنَّا لاَ، تَحِلُّ لَنَا الصَّدَقَةُ " .




২৩৬৪-(.../...) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... শুবাহ (রহঃ) থেকে এ সানাদে উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এতে আছে, "আমাদের জন্য সদাকাহ-যাকাতের মাল হালাল নয়।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪২, ইসলামীক সেন্টার ২৩৪২)









সহীহ মুসলিম (2365)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ، أَبِي عَدِيٍّ كِلاَهُمَا عَنْ شُعْبَةَ، فِي هَذَا الإِسْنَادِ كَمَا قَالَ ابْنُ مُعَاذٍ " أَنَّا لاَ، نَأْكُلُ الصَّدَقَةَ " .




২৩৬৫-(.../...) মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ও ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... শুবাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। এ সূত্রেও ইবনু মুআয বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছেঃ "আমরা যাকাত-সদাকাহ ইত্যাদি খাই না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪৩, ইসলামীক সেন্টার ২৩৪৩)









সহীহ মুসলিম (2366)


حَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرٌو، أَنَّ أَبَا يُونُسَ، مَوْلَى أَبِي هُرَيْرَةَ حَدَّثَهُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " إِنِّي لأَنْقَلِبُ إِلَى أَهْلِي فَأَجِدُ التَّمْرَةَ سَاقِطَةً عَلَى فِرَاشِي ثُمَّ أَرْفَعُهَا لآكُلَهَا ثُمَّ أَخْشَى أَنْ تَكُونَ صَدَقَةً فَأُلْقِيهَا " .




২৩৬৬-(১৬২/১০৭০) হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি ঘরে ফিরে গিয়ে (কোন কোন সময়) আমার বিছানার উপর খেজুর পড়ে থাকতে দেখি। আমি তা খাওয়ার জন্য তুলে নেই। কিন্তু পরক্ষণেই সদাকার খেজুর হতে পারে এ আশঙ্কায় তা ফেলে দেই (এবং খাওয়া থেকে বিরত থাকি)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪৪, ইসলামীক সেন্টার ২৩৪৪)









সহীহ মুসলিম (2367)


وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ بْنُ هَمَّامٍ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ، مُنَبِّهٍ قَالَ هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ أَحَادِيثَ مِنْهَا وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " وَاللَّهِ إِنِّي لأَنْقَلِبُ إِلَى أَهْلِي فَأَجِدُ التَّمْرَةَ سَاقِطَةً عَلَى فِرَاشِي - أَوْ فِي بَيْتِي - فَأَرْفَعُهَا لآكُلَهَا ثُمَّ أَخْشَى أَنْ تَكُونَ صَدَقَةً - أَوْ مِنَ الصَّدَقَةِ - فَأُلْقِيهَا " .




২৩৬৭-(১৬৩/...) মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... হাম্মাম ইবনু মুনব্বিহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ হুরায়রাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আল্লাহর রসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কিছু সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করেন। তার মধ্যে একটি হাদীস নিম্নরূপঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ "আল্লাহর শপথ আমি ঘরে ফিরে আমার বিছানায় অথবা (তিনি বলেছেন) আমার ঘরের মধ্যে খেজুর পড়ে থাকতে দেখতে পাই। আমি তা খাওয়ার জন্য হাতে তুলে নেই। পরক্ষণেই আমার সন্দেহ হয়, এটা সদাকার খেজুর হতে পারে। তাই আমি তা ফেলে দেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪৫, ইসলামীক সেন্টার ২৩৪৫)









সহীহ মুসলিম (2368)


حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ مُصَرِّفٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَجَدَ تَمْرَةً فَقَالَ " لَوْلاَ أَنْ تَكُونَ مِنَ الصَّدَقَةِ لأَكَلْتُهَا " .




২৩৬৮-(১৬৪/১০৭১) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাস্তায় একটি খেজুর পেয়ে বললেন, যদি এটা সদাকার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা খেয়ে নিতাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪৬, ইসলামীক সেন্টার ২৩৪৬)









সহীহ মুসলিম (2369)


وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ مُصَرِّفٍ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَرَّ بِتَمْرَةٍ بِالطَّرِيقِ فَقَالَ " لَوْلاَ أَنْ تَكُونَ مِنَ الصَّدَقَةِ لأَكَلْتُهَا " .




২৩৬৯-(১৬৫/...) আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাস্তায় একটি খেজুর দেখতে পেলেন। তিনি বলেন, এটি যদি সদাকার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা তুলে খেয়ে নিতাম (নষ্ট হতে দিতাম না)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪৭, ইসলামীক সেন্টার ২৩৪৭)









সহীহ মুসলিম (2370)


حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَابْنُ، بَشَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَجَدَ تَمْرَةً فَقَالَ " لَوْلاَ أَنْ تَكُونَ صَدَقَةً لأَكَلْتُهَا " .




২৩৭০-(১৬৬/...) মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনুল বাশশার (রহঃ) ..... আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি খেজুর দেখতে পেয়ে বললেন, এটা যদি সদাকার খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা না থাকত তাহলে আমি এটা তুলে খেয়ে নিতাম (এভাবে নষ্ট হতে দিতাম না)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪৮, ইসলামীক সেন্টার ২৩৪৮)









সহীহ মুসলিম (2371)


حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ الضُّبَعِيُّ، حَدَّثَنَا جُوَيْرِيَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نَوْفَلِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، حَدَّثَهُ أَنَّ عَبْدَ الْمُطَّلِبِ بْنَ رَبِيعَةَ بْنِ الْحَارِثِ حَدَّثَهُ قَالَ اجْتَمَعَ رَبِيعَةُ بْنُ الْحَارِثِ وَالْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ فَقَالاَ وَاللَّهِ لَوْ بَعَثْنَا هَذَيْنِ الْغُلاَمَيْنِ - قَالاَ لِي وَلِلْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ - إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَكَلَّمَاهُ فَأَمَّرَهُمَا عَلَى هَذِهِ الصَّدَقَاتِ فَأَدَّيَا مَا يُؤَدِّي النَّاسُ وَأَصَابَا مِمَّا يُصِيبُ النَّاسُ - قَالَ - فَبَيْنَمَا هُمَا فِي ذَلِكَ جَاءَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ فَوَقَفَ عَلَيْهِمَا فَذَكَرَا لَهُ ذَلِكَ فَقَالَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ لاَ تَفْعَلاَ فَوَاللَّهِ مَا هُوَ بِفَاعِلٍ . فَانْتَحَاهُ رَبِيعَةُ بْنُ الْحَارِثِ فَقَالَ وَاللَّهِ مَا تَصْنَعُ هَذَا إِلاَّ نَفَاسَةً مِنْكَ عَلَيْنَا فَوَاللَّهِ لَقَدْ نِلْتَ صِهْرَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَمَا نَفِسْنَاهُ عَلَيْكَ . قَالَ عَلِيٌّ أَرْسِلُوهُمَا . فَانْطَلَقَا وَاضْطَجَعَ عَلِيٌّ - قَالَ - فَلَمَّا صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الظُّهْرَ سَبَقْنَاهُ إِلَى الْحُجْرَةِ فَقُمْنَا عِنْدَهَا حَتَّى جَاءَ فَأَخَذَ بِآذَانِنَا . ثُمَّ قَالَ " أَخْرِجَا مَا تُصَرِّرَانِ " ثُمَّ دَخَلَ وَدَخَلْنَا عَلَيْهِ وَهُوَ يَوْمَئِذٍ عِنْدَ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ - قَالَ - فَتَوَاكَلْنَا الْكَلاَمَ ثُمَّ تَكَلَّمَ أَحَدُنَا فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنْتَ أَبَرُّ النَّاسِ وَأَوْصَلُ النَّاسِ وَقَدْ بَلَغْنَا النِّكَاحَ فَجِئْنَا لِتُؤَمِّرَنَا عَلَى بَعْضِ هَذِهِ الصَّدَقَاتِ فَنُؤَدِّيَ إِلَيْكَ كَمَا يُؤَدِّي النَّاسُ وَنُصِيبَ كَمَا يُصِيبُونَ - قَالَ - فَسَكَتَ طَوِيلاً حَتَّى أَرَدْنَا أَنْ نُكَلِّمَهُ - قَالَ - وَجَعَلَتْ زَيْنَبُ تُلْمِعُ عَلَيْنَا مِنْ وَرَاءِ الْحِجَابِ أَنْ لاَ تُكَلِّمَاهُ - قَالَ - ثُمَّ قَالَ " إِنَّ الصَّدَقَةَ لاَ تَنْبَغِي لآلِ مُحَمَّدٍ . إِنَّمَا هِيَ أَوْسَاخُ النَّاسِ ادْعُوَا لِي مَحْمِيَةَ - وَكَانَ عَلَى الْخُمُسِ - وَنَوْفَلَ بْنَ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ " . قَالَ فَجَاءَاهُ فَقَالَ لِمَحْمِيَةَ " أَنْكِحْ هَذَا الْغُلاَمَ ابْنَتَكَ " . لِلْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ فَأَنْكَحَهُ وَقَالَ لِنَوْفَلِ بْنِ الْحَارِثِ " أَنْكِحْ هَذَا الْغُلاَمَ ابْنَتَكَ " . لِي فَأَنْكَحَنِي وَقَالَ لِمَحْمِيَةَ " أَصْدِقْ عَنْهُمَا مِنَ الْخُمُسِ كَذَا وَكَذَا " . قَالَ الزُّهْرِيُّ وَلَمْ يُسَمِّهِ لِي .




২৩৭১-(১৬৭/১০৭২) 'আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আসমা আয যুবাঈ (রহঃ) ..... আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রবী'আহ ইবনু হারিস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রবী'আহ ইবনু হারিস ও আব্বাস ইবনু 'আবদুল মুত্ত্বালিব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সম্মিলিতভাবে বললেন, আল্লাহর শপথ! আমরা এ ছেলে দু'টিকে অর্থাৎ আমি ও ফাযল ইবনু আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে যদি পাঠিয়ে দিতাম এবং তারা উভয়ে তার কাছে গিয়ে তাদেরকে যাকাত আদায়কারী হিসেবে নিয়োগের জন্য আবেদন করত। অতঃপর তারা অন্যান্য আদায়কারীদের ন্যায় যাকাত আদায় করে এনে দিতে এবং অন্যান্যরা যেভাবে পারিশ্রমিক পায় তারাও সেভাবে পারিশ্রমিক পেত। রাবী বলেন, তারা এ ব্যাপার নিয়ে আলাপ করছিলেন, এমন সময় আলী ইবনু আবূ তলিব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এসে তাদের মাঝে দাঁড়ালেন। তারা এ প্রস্তাবটি তার কাছে উত্থাপন করলেন।

আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, তোমরা এ কাজ করো না। আল্লাহর শপথ তিনি এটা করবেন না (কারণ আমাদের জন্য যাকাত হারাম)। তখন রবী'আহ ইবনু হারিস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে বললেন, আল্লাহর শপথ "তুমি শুধু বিদ্বেষের বশীভূত হয়েই আমাদের সাথে এরূপ করছো। অথচ তুমি যে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জামাতা হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছো এজন্যে তো তোমার প্রতি আমরা কোন প্রকার বিদ্বেষ পোষণ করছি না। তখন আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, এদের দু'জনকে পাঠিয়ে দাও। অতঃপর তারা উভয়ে চলে গেল এবং 'আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বিছানায় শুয়ে থাকলেন।

আবদুল মুত্ত্বলিব ইবনু রাবী'আহ বলেন,রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের সালাত আদায় করলেন। আমরা তাড়াতাড়ি করে তাঁর প্রত্যাবর্তন করার পূর্বেই তাঁর কামরার কাছে গিয়ে তার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকলাম। তিনি এসে আমাদের দু'জনের কান ধরে (স্নেহসিক্ত কণ্ঠে) বললেন, "কোন মতলবে এসেছে, আসল কথাটা সাহস করে বলে ফেলো।" তারপর তিনি ও আমরা হুজরার মধ্যে প্রবেশ করলাম। এ সময় তিনি যায়নাব বিনতু জাহশ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এর ঘরে অবস্থান করছিলেন।

রাবী বলেন, এবার আমরা পরস্পরকে কথাটি তোলার জন্য বলছিলাম। অবশেষে আমাদের একজনে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! "আপনি সর্বশ্রেষ্ঠ অনুগ্রহকারী এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকারী। আমাদের এখন বিয়ের বয়স হয়েছে, অথচ আমরা বেকার। তাই আপনার শরণাপন্ন হয়েছি, অন্যান্য যাকাত আদায়কারীদের মত আপনি আমাদেরকেও যাকাত আদায়কারী হিসেবে নিয়োগ করুন; অন্যান্যরা যেভাবে যাকাত আদায় করে এনে দেয় আমরা তাই করব এবং তাতে আমরাও কিছু পারিশ্রমিক পাব।" এ কথার পর তিনি দীর্ঘ সময় ধরে চুপ করে থাকলেন। এমনকি আমরা পুনর্বার আমাদের কথা বলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। পর্দার আড়াল থেকে যায়নাব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কথা না বলার জন্য আমাদেরকে ইঙ্গিত করলেন।

অতঃপর তিনি বললেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরিবার-পরিজন তথা বংশধরদের জন্য 'যাকাত' গ্রহণ করা সমীচীন নয়। কেননা যাকাত হলো মানুষের (সম্পদের) ময়লা। বরং তোমরা গিয়ে খুমুসের কোষাধ্যক্ষ মাহমিয়্যাহ এবং নাওফাল ইবনু হারিস ইবনু আবদুল মুত্ত্বালিবকে আমার কাছে ডেকে আনো। রাবী বলেন, তারা দু'জনে উপস্থিত হলে প্রথমে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মাহমিয়াকে বললেনঃ "তুমি তোমার কন্যাকে এ ছেলে অর্থাৎ ফাযল ইবনু আব্বাসের সাথে বিয়ে দাও। তিনি তাই করলেন। অতঃপর তিনি নাওফাল ইবনু হারিসকে বললেনঃ তুমি এ ছেলের (অর্থাৎ আমার) সাথে তোমার কন্যার বিয়ে দাও। তিনি আমাকে বিয়ে করিয়ে দিলেন। অতঃপর তিনি মাহমিয়্যাকে বললেন, এ দু'জনের পক্ষ থেকে এত এত পরিমাণ মহরানা খুমুসের তহবিল থেকে আদায় করে দাও।

যুহরী বলেন, আমার শায়খ আবদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ আমার কাছে মহরের নির্দিষ্ট কোন পরিমাণ উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৪৯, ইসলামীক সেন্টার ২৩৪৯)









সহীহ মুসলিম (2372)


حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مَعْرُوفٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ، شِهَابٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ نَوْفَلٍ الْهَاشِمِيِّ، أَنَّ عَبْدَ الْمُطَّلِبِ بْنَ رَبِيعَةَ بْنِ الْحَارِثِ، بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَاهُ رَبِيعَةَ بْنَ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ وَالْعَبَّاسَ بْنَ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ قَالاَ لِعَبْدِ الْمُطَّلِبِ بْنِ رَبِيعَةَ وَلِلْفَضْلِ بْنِ عَبَّاسٍ ائْتِيَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِنَحْوِ حَدِيثِ مَالِكٍ وَقَالَ فِيهِ فَأَلْقَى عَلِيٌّ رِدَاءَهُ ثُمَّ اضْطَجَعَ عَلَيْهِ وَقَالَ أَنَا أَبُو حَسَنٍ الْقَرْمُ وَاللَّهِ لاَ أَرِيمُ مَكَانِي حَتَّى يَرْجِعَ إِلَيْكُمَا ابْنَاكُمَا بِحَوْرِ مَا بَعَثْتُمَا بِهِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . وَقَالَ فِي الْحَدِيثِ ثُمَّ قَالَ لَنَا " إِنَّ هَذِهِ الصَّدَقَاتِ إِنَّمَا هِيَ أَوْسَاخُ النَّاسِ وَإِنَّهَا لاَ تَحِلُّ لِمُحَمَّدٍ وَلاَ لآلِ مُحَمَّدٍ " . وَقَالَ أَيْضًا ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " ادْعُوَا لِي مَحْمِيَةَ بْنَ جَزْءٍ " . وَهُوَ رَجُلٌ مِنْ بَنِي أَسَدٍ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اسْتَعْمَلَهُ عَلَى الأَخْمَاسِ .




২৩৭২-(১৬৮/...) হারূন ইবনু মা'রূফ (রহঃ) ..... আবদুল মুত্ত্বালিব ইবনু রবীআহ্ ইবনু হারিস ইবনু 'আবদুল মুত্ত্বলিব (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আবদুল মুত্ত্বলিব ইবনু রাবী'আহ ইবনু হারিস ও আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্ত্বলিব উভয়ে নিজ নিজ পুত্র আবদুল মুত্ত্বলিব ইবনু রবীআহ ও ফাযল ইবনু আব্বাসকে বললেন, তোমরা দু'জন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে যাও। হাদীসের বাকী অংশ মালিক কর্তৃক বর্ণিত উপরের হাদীসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় উল্লেখ করা হয়েছে- তারপর 'আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নিজের চাঁদর বিছিয়ে শুয়ে পড়লেন এবং বললেন, "আমি হাসানের পিতা এবং সাইয়্যিদ। আল্লাহর শপথ! তোমরা যে কথা বলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তোমার ছেলেদের পাঠিয়েছো তারা তার জবাব নিয়ে না আসা পর্যন্ত আমি এখান থেকে নড়ব না।

এ হাদীসে আরো আছে, তিনি আমাদের উদ্দেশে বললেনঃ "যাকাতের এ অর্থ হলো মানুষের (সম্পদের) আবর্জনা। তাই এ অর্থ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার বংশধরদের জন্য হালাল নয়।" অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মাহমিয়্যাহ ইবনু জায-কে আমার কাছে ডেকে আনো। তিনি বানী আসাদ গোত্রের লোক ছিলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে খুমুসের (গনীমাতের মালের) কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ করেছিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৫০, ইসলামীক সেন্টার ২৩৫০)









সহীহ মুসলিম (2373)


حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ عُبَيْدَ بْنَ السَّبَّاقِ، قَالَ إِنَّ جُوَيْرِيَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَتْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَخَلَ عَلَيْهَا فَقَالَ " هَلْ مِنْ طَعَامٍ " . قَالَتْ لاَ وَاللَّهِ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا عِنْدَنَا طَعَامٌ إِلاَّ عَظْمٌ مِنْ شَاةٍ أُعْطِيَتْهُ مَوْلاَتِي مِنَ الصَّدَقَةِ . فَقَالَ " قَرِّبِيهِ فَقَدْ بَلَغَتْ مَحِلَّهَا " .




২৩৭৩-(১৬৯/১০৭৩) কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী জুওয়াইরিয়্যাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাকে এ হাদীস অবহিত করেছেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ঘরে এসে বললেনঃ খাওয়ার কিছু আছে কি? তিনি (উত্তরে) বললেন, আল্লাহর শপথ! হে আল্লাহর রসূল! আমাদের কাছে খাওয়ার কিছু নেই। তবে বকরীর কয়েকটি হাড় আছে। এটা আমার মুক্ত দাসীকে সদাকাহ হিসেবে দেয়া হয়েছে। তিনি বললেনঃ তা আমার কাছে নিয়ে এসো, কেননা সদাকাহ তার নির্দিষ্ট স্থানে পৌছে গেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৩৫১, ইসলামীক সেন্টার ২৩৫১)