সহীহুল বুখারী
عَلِيٌّ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ ذَكْوَانَ عَنْ الرُّبَيِّعِ بِنْتِ مُعَوِّذٍ قَالَتْ دَخَلَ عَلَيَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلمغَدَاةَ بُنِيَ عَلَيَّ فَجَلَسَ عَلَى فِرَاشِيْ كَمَجْلِسِكَ مِنِّيْ وَجُوَيْرِيَاتٌ يَضْرِبْنَ بِالدُّفِّ يَنْدُبْنَ مَنْ قُتِلَ مِنْ آبَائِهِنَّ يَوْمَ بَدْرٍ حَتَّى قَالَتْ جَارِيَةٌ وَفِيْنَا نَبِيٌّ يَعْلَمُ مَا فِيْ غَدٍ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لَا تَقُوْلِيْ هَكَذَا وَقُوْلِيْ مَا كُنْتِ تَقُوْلِيْنَ
রুবায়ই বিন্তু মু‘আওয়িয (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমার বাসর রাতের পরদিন সকালে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এলেন এবং তুমি (খালিদ ইব্নু যাকওয়ান) যেমন আমার কাছে বসে আছ ঠিক সেভাবে আমার পাশে আমার বিছানায় এসে বসলেন। তখন কয়েকজন ছোট বালিকা দুফ্ [১১] বাজিয়ে বাদ্রে নিহত শহীদ পিতাদের প্রশংসা গীতি আবৃত্তি করছিল। শেষে একটি বালিকা বলে উঠল, আমাদের মাঝে এমন একজন নবী আছেন, যিনি জানেন, আগামীকল্য কী হবে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এমন কথা বলবে না, বরং আগে যা বলেছিলে তাই বল। [৫১৪৭] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭০৪, ইফা. ৩৭০৮)
إِبْرَاهِيْمُ بْنُ مُوْسَى أَخْبَرَنَا هِشَامٌ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ ح حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيْلُ قَالَ حَدَّثَنِيْ أَخِيْ عَنْ سُلَيْمَانَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِيْ عَتِيْقٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُوْدٍ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ أَخْبَرَنِيْ أَبُوْ طَلْحَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ صَاحِبُ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَكَانَ قَدْ شَهِدَ بَدْرًا مَعَ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ لَا تَدْخُلُ الْمَلَائِكَةُ بَيْتًا فِيْهِ كَلْبٌ وَلَا صُوْرَةٌ يُرِيْدُ التَّمَاثِيْلَ الَّتِيْ فِيْهَا الْأَرْوَاحُ
ইব্নু ‘আব্বাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে বাদ্রে যোগদানকারী সাহাবী আবূ ত্বল্হা (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমাকে জানিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ঘরে কুকুর কিংবা ছবি [১২] থাকে সে ঘরে (রাহমাতের) মালাক প্রবেশ করেন না। ইব্নু ‘আব্বাসের মতে ছবির অর্থ প্রাণীর ছবি। [৩২২৫] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭০৯)
عَبْدَانُ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ أَخْبَرَنَا يُوْنُسُ ح و حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنَا عَنْبَسَةُ حَدَّثَنَا يُوْنُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُسَيْنٍ أَنَّ حُسَيْنَ بْنَ عَلِيٍّ عَلَيْهِمْ السَّلَام أَخْبَرَهُ أَنَّ عَلِيًّا قَالَ كَانَتْ لِيْ شَارِفٌ مِنْ نَصِيْبِيْ مِنَ الْمَغْنَمِ يَوْمَ بَدْرٍ وَكَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَعْطَانِيْ مِمَّا أَفَاءَ اللهُ عَلَيْهِ مِنَ الْخُمُسِ يَوْمَئِذٍ فَلَمَّا أَرَدْتُ أَنْ أَبْتَنِيَ بِفَاطِمَةَ عَلَيْهَا السَّلَام بِنْتِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَاعَدْتُ رَجُلًا صَوَّاغًا فِيْ بَنِيْ قَيْنُقَاعَ أَنْ يَرْتَحِلَ مَعِيْ فَنَأْتِيَ بِإِذْخِرٍ فَأَرَدْتُ أَنْ أَبِيْعَهُ مِنْ الصَّوَّاغِيْنَ فَنَسْتَعِيْنَ بِهِ فِيْ وَلِيْمَةِ عُرْسِيْ فَبَيْنَا أَنَا أَجْمَعُ لِشَارِفَيَّ مِنَ الْأَقْتَابِ وَالْغَرَائِرِ وَالْحِبَالِ وَشَارِفَايَ مُنَاخَانِ إِلَى جَنْبِ حُجْرَةِ رَجُلٍ مِنَ الْأَنْصَارِ حَتَّى جَمَعْتُ مَا جَمَعْتُ فَإِذَا أَنَا بِشَارِفَيَّ قَدْ أُجِبَّتْ أَسْنِمَتُهَا وَبُقِرَتْ خَوَاصِرُهُمَا وَأُخِذَ مِنْ أَكْبَادِهِمَا فَلَمْ أَمْلِكْ عَيْنَيَّ حِيْنَ رَأَيْتُ الْمَنْظَرَ قُلْتُ مَنْ فَعَلَ هَذَا قَالُوْا فَعَلَهُ حَمْزَةُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ وَهُوَ فِيْ هَذَا الْبَيْتِ فِيْ شَرْبٍ مِنَ الْأَنْصَارِ عِنْدَهُ قَيْنَةٌ وَأَصْحَابُهُ فَقَالَتْ فِيْ غِنَائِهَا.
أَلَا يَا حَمْزُ لِلشُّرُفِ النِّوَاءِ فَوَثَبَ حَمْزَةُ إِلَى السَّيْفِ فَأَجَبَّ أَسْنِمَتَهُمَا وَبَقَرَ خَوَاصِرَهُمَا وَأَخَذَ مِنْ أَكْبَادِهِمَا قَالَ عَلِيٌّ فَانْطَلَقْتُ حَتَّى أَدْخُلَ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَعِنْدَهُ زَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ وَعَرَفَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الَّذِيْ لَقِيْتُ فَقَالَ مَا لَكَ قُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ مَا رَأَيْتُ كَالْيَوْمِ عَدَا حَمْزَةُ عَلَى نَاقَتَيَّ فَأَجَبَّ أَسْنِمَتَهُمَا وَبَقَرَ خَوَاصِرَهُمَا وَهَا هُوَ ذَا فِيْ بَيْتٍ مَعَهُ شَرْبٌ فَدَعَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِرِدَائِهِ فَارْتَدَى ثُمَّ انْطَلَقَ يَمْشِيْ وَاتَّبَعْتُهُ أَنَا وَزَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ حَتَّى جَاءَ الْبَيْتَ الَّذِيْ فِيْهِ حَمْزَةُ فَاسْتَأْذَنَ عَلَيْهِ فَأُذِنَ لَهُ فَطَفِقَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَلُوْمُ حَمْزَةَ فِيْمَا فَعَلَ فَإِذَا حَمْزَةُ ثَمِلٌ مُحْمَرَّةٌ عَيْنَاهُ فَنَظَرَ حَمْزَةُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَعَّدَ النَّظَرَ فَنَظَرَ إِلَى رُكْبَتِهِ ثُمَّ صَعَّدَ النَّظَرَ فَنَظَرَ إِلَى وَجْهِهِ ثُمَّ قَالَ حَمْزَةُ وَهَلْ أَنْتُمْ إِلَّا عَبِيْدٌ لِأَبِيْ فَعَرَفَ النَّبِيُّ أَنَّهُ ثَمِلٌ فَنَكَصَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى عَقِبَيْهِ الْقَهْقَرَى فَخَرَجَ وَخَرَجْنَا مَعَهُ
‘আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, বদর দিনের গানীমাতের মাল থেকে আমার ভাগে আমি একটি উট পেয়েছিলাম। ‘ফায়’ থেকে প্রাপ্ত এক পঞ্চমাংশ থেকেও সেদিন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে একটি উট দান করেন। আমি যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কন্যা ফাতিমার সঙ্গে বাসর রাত যাপন করার ইচ্ছে করলাম এবং বানু কায়নুকা গোত্রের একজন ইয়াহূদী স্বর্ণকারকে ঠিক করলাম যেন সে আমার সঙ্গে যায়। আমরা ইয্খির ঘাস সংগ্রহ করে নিয়ে আসব। অতঃপর সেই ঘাস স্বর্ণকারদের নিকট বিক্রি করে তা আমি আমার বিয়ের ওয়ালিমায় খরচ করার ইচ্ছে করেছিলাম। আমি আমার উট দু’টোর জন্য গদি, বস্তা এবং দড়ির ব্যবস্থা করছিলাম আর উট দু’টো এক আনসারীর ঘরের পাশে বসানো ছিল। আমার যা কিছু জোগাড় করার তা জোগাড় করে এনে দেখলাম উট দু’টির চূড়া কেটে দেয়া হয়েছে এবং সে দু’টির বুক ফেড়ে কলিজা বের করে নেয়া হয়েছে। এ দৃশ্য দেখে আমি আমার অশ্রু সংবরণ করতে পারলাম না। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ কাজ কে করেছে? তারা বললেন, আবদুল মুত্তালিবের পুত্র হামযা এ কাজ করেছেন। এখন তিনি এ ঘরে আনসারদের কিছু মদ্যপায়ীদের সঙ্গে মদপান করছেন। সেখানে আছে একদল গায়িকা ও কতিপয় সঙ্গী সাথী। গায়িকা ও তার সঙ্গীগণ গানের মধ্যে বলেছিল, “হে হামযা! মোটা উট দু’টির প্রতি ঝাঁপিয়ে পড়।’’
একথা শুনে হামযায় দৌড়িয়ে গিয়ে তলোয়ার হাতে নিল এবং উট দু’টির চূড়া দু’টো কেটে নিল আর তাদের পেট ফেড়ে কলিজা বের করে নিয়ে আসল। ‘আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তখন আমি পথ চলতে চলতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট চলে গেলাম। তখন তাঁর নিকট যায়দ ইব্নু হারিসাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) উপস্থিত ছিলেন। আমি যে বিপদের সম্মুখীন হয়েছি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা বুঝে ফেলেছেন। তিনি বললেন, তোমার কী হয়েছে? আমি বললাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আজকের মত কষ্টদায়ক ঘটনা আমি কখনো দেখিনি। হামযা আমার উট দু’টোর উপর খুব যুলুম করেছেন, তিনি উট দু’টোর চূড়া কেটে ফেলেছেন এবং বুক ফেড়ে দিয়েছেন। এখন তিনি একটি ঘরে একদল মদ পানকারীর সঙ্গে আছেন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর চাদরখানা চেয়ে নিলেন এবং তা গায়ে দিয়ে হেঁটে চললেন। (‘আলী বলেন) এরপর আমি এবং যায়দ ইব্নু হারিসাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তাঁর পেছনে চললাম। (হাঁটতে হাঁটতে) তিনি যে ঘরে হামযা অবস্থান করছিলেন সে ঘরের কাছে পৌছে তার নিকট অনুমতি চাইলেন। তাঁকে অনুমতি দেয়া হলে রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হামযাকে তার কর্মের জন্য ভর্ৎসনা করতে শুরু করলেন। হামযাহ তখন নেশাগ্রস্ত। [১৩] চোখ দু’টো তার লাল। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর দিকে তাকালেন এবং দৃষ্টি উপর উঠিয়ে তারপর তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাঁটুর দিকে তাকালেন। এরপর দৃষ্টি আরো একটু উপর দিকে উঠিয়ে তিনি তাঁর চেহারার প্রতি তাকালেন। এরপর হামযা বললেন, তোমরা তো আমার পিতার দাস। (শুনে) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বুঝলেন যে, তিনি এখন নেশাগ্রস্ত। তাই রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পিছনের দিকে হটে বেরিয়ে পড়লেন, আমরাও তাঁর সঙ্গে বেরিয়ে পড়লাম। [২০৮৯] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১১)
مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ قَالَ أَنْفَذَهُ لَنَا ابْنُ الْأَصْبَهَانِيِّ سَمِعَهُ مِنْ ابْنِ مَعْقِلٍ أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللهُ عَنْهُ كَبَّرَ عَلَى سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ فَقَالَ إِنَّهُ شَهِدَ بَدْرًا.
ইব্নু মা‘কিল (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, (তিনি বলেছেন) ‘আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সাহল ইব্নু হুনায়ফের (জানাযার সলাতে) তাকবীর উচ্চারণ করলেন এবং বললেন, তিনি (সাহল ইব্নু হুনায়ফ) বদর যুদ্ধে যোগদান করেছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১২)
أَبُو الْيَمَانِ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ أَخْبَرَنِيْ سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللهِ أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا يُحَدِّثُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ حِيْنَ تَأَيَّمَتْ حَفْصَةُ بِنْتُ عُمَرَ مِنْ خُنَيْسِ بْنِ حُذَافَةَ السَّهْمِيِّ وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ شَهِدَ بَدْرًا تُوُفِّيَ بِالْمَدِيْنَةِ قَالَ عُمَرُ فَلَقِيْتُ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ فَعَرَضْتُ عَلَيْهِ حَفْصَةَ فَقُلْتُ إِنْ شِئْتَ أَنْكَحْتُكَ حَفْصَةَ بِنْتَ عُمَرَ قَالَ سَأَنْظُرُ فِيْ أَمْرِيْ فَلَبِثْتُ لَيَالِيَ فَقَالَ قَدْ بَدَا لِيْ أَنْ لَا أَتَزَوَّجَ يَوْمِيْ هَذَا قَالَ عُمَرُ فَلَقِيْتُ أَبَا بَكْرٍ فَقُلْتُ إِنْ شِئْتَ أَنْكَحْتُكَ حَفْصَةَ بِنْتَ عُمَرَ فَصَمَتَ أَبُوْ بَكْرٍ فَلَمْ يَرْجِعْ إِلَيَّ شَيْئًا فَكُنْتُ عَلَيْهِ أَوْجَدَ مِنِّيْ عَلَى عُثْمَانَ فَلَبِثْتُ لَيَالِيَ ثُمَّ خَطَبَهَا رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَأَنْكَحْتُهَا إِيَّاهُ فَلَقِيَنِيْ أَبُوْ بَكْرٍ فَقَالَ لَعَلَّكَ وَجَدْتَ عَلَيَّ حِيْنَ عَرَضْتَ عَلَيَّ حَفْصَةَ فَلَمْ أَرْجِعْ إِلَيْكَ قُلْتُ نَعَمْ قَالَ فَإِنَّهُ لَمْ يَمْنَعْنِيْ أَنْ أَرْجِعَ إِلَيْكَ فِيْمَا عَرَضْتَ إِلَّا أَنِّيْ قَدْ عَلِمْتُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَدْ ذَكَرَهَا فَلَمْ أَكُنْ لِأُفْشِيَ سِرَّ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَلَوْ تَرَكَهَا لَقَبِلْتُهَا
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, ‘উমার ইব্নু খাত্তাবের কন্যা হাফসাহ্র স্বামী খুনায়স ইব্নু হুযাইফাহ সাহ্মী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) যিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাহাবী ছিলেন এবং বদর যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন, মদিনায় ইন্তিকাল করলে হাফসাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বিধবা হয়ে পড়লেন। ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, তখন আমি ‘উসমান ইব্নু আফফানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাঁর নিকট হাফসাহ্র কথা উল্লেখ করে তাঁকে বললাম, আপনি ইচ্ছা করলে আমি আপনার সঙ্গে ‘উমারের মেয়ে হাফসাহ্র বিয়ে দিয়ে দেব। ‘উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, ব্যাপারটি আমি একটু চিন্তা করে দেখি। ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আমি কয়েকদিন অপেক্ষা করলাম। পরে ‘উসমান (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আমার স্পষ্ট মতামত যে, এ সময় আমি বিয়ে করব না। ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, এরপর আমি আবূ বাক্রের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম এবং তাঁকে বললাম, আপনি ইচ্ছা করলে ‘উমারের কন্যা হাফসাকে আমি আপনার নিকট বিয়ে দিয়ে দেব। আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) চুপ করে রইলেন, কোন জবাব দিলেন না। এতে আমি ‘উসমানের চেয়েও অধিক দুঃখ পেলাম। এরপর আমি কয়েকদিন চুপ করে থাকলাম, এই অবস্থায় হাফসার জন্য রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেই প্রস্তাব দিলেন। আমি তাঁকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দিলাম। এরপর আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বললেন, আমার সঙ্গে হাফসার বিয়ের প্রস্তাব দেয়ার পর আমি আপনাকে কোন উত্তর না দেয়ার কারণে সম্ভবত আপনি মনোকষ্ট পেয়েছেন। আমি বললাম, হ্যাঁ। তখন আবূ বকর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বললেন, আপনার প্রস্তাবের জবাব দিতে একটি জিনিসই আমাকে বাধা দিয়েছিল আর তা হ’ল এই যে, আমি জানতাম, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেই হাফসাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন, তাই রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর গোপনীয় বিষয়টি প্রকাশ করার আমার ইচ্ছে ছিল না। যদি তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে গ্রহণ না করতেন, তাঁকে অবশ্যই আমি গ্রহণ করতাম। [৫১২২, ৫১২৯, ৫১৪৫] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১২)
مُسْلِمٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَدِيٍّ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ يَزِيْدَ سَمِعَ أَبَا مَسْعُوْدٍ الْبَدْرِيَّ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ نَفَقَةُ الرَّجُلِ عَلَى أَهْلِهِ صَدَقَةٌ
আবূ মাস‘উদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ বদরী সহাবী আবূ মাস‘উদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছেন, তিনি বলেন, স্বীয় আহলের (পরিবার পরিজনের) জন্য ব্যয় করাও সদাক্বাহ। [৫৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭০৯, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৭১৩)
أَبُو الْيَمَانِ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ سَمِعْتُ عُرْوَةَ بْنَ الزُّبَيْرِ يُحَدِّثُ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيْزِ فِيْ إِمَارَتِهِ أَخَّرَ الْمُغِيْرَةُ بْنُ شُعْبَةَ الْعَصْرَ وَهُوَ أَمِيْرُ الْكُوْفَةِ فَدَخَلَ عَلَيْهِ أَبُوْ مَسْعُوْدٍ عُقْبَةُ بْنُ عامِرٍ الْأَنْصَارِيُّ جَدُّ زَيْدِ بْنِ حَسَنٍ شَهِدَ بَدْرًا فَقَالَ لَقَدْ عَلِمْتَ نَزَلَ جِبْرِيْلُ فَصَلَّى فَصَلَّى رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم خَمْسَ صَلَوَاتٍ ثُمَّ قَالَ هَكَذَا أُمِرْتُ كَذَلِكَ كَانَ بَشِيْرُ بْنُ أَبِيْ مَسْعُوْدٍ يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيْهِ
উরওয়াহ ইব্নু যুবায়র (রাহিঃ) হতে বর্ণিত, ‘উমার ইব্নু ‘আবদুল আযীয (রাহিঃ) তাঁর খিলাফাত কালের বর্ণনা করেছেন যে, মুগীরাহ ইব্নু শু’বাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কুফার আমীর থাকা কালে একদা আসরের সলাত আদায় করতে দেরি করে ফেললে যায়দ ইব্নু হাসানের দাদা বাদ্রী সাহাবী আবূ মাস‘উদ ‘উকবাহ ইব্নু ‘আমির আনসারী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার নিকট গিয়ে বললেন, আপনি তো জানেন যে, জিব্রীল (আঃ) এসে সালাত আদায় করলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করলেন এবং বললেন, আমি এভাবেই সালাত আদায় করার জন্য আদিষ্ট হয়েছি। বাশীর ইব্ন আবূ মাস‘উদ তার পিতার নিকট হতে হাদীসটি এভাবেই বর্ণনা করতেন। [৫২১] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১৪)
مُوْسَى حَدَّثَنَا أَبُوْ عَوَانَةَ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيْمَ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيْدَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ أَبِيْ مَسْعُوْدٍ الْبَدْرِيِّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم الآيَتَانِ مِنْ آخِرِ سُوْرَةِ الْبَقَرَةِ مَنْ قَرَأَهُمَا فِيْ لَيْلَةٍ كَفَتَاهُ قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ فَلَقِيْتُ أَبَا مَسْعُوْدٍ وَهُوَ يَطُوْفُ بِالْبَيْتِ فَسَأَلْتُهُ فَحَدَّثَنِيْهِ
বাদ্রী সাহাবী আবূ মাস‘উদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, সূরা বাকারার শেষে এমন দু’টি আয়াত রয়েছে যে ব্যক্তি রাতের বেলা আয়াত দু’টি তিলাওয়াত করবে তার জন্য এ আয়াত দু’টোই যথেষ্ট। অর্থাৎ রাত্রে কুরআন মাজীদ তেলাওয়াত করার যে হাক রয়েছে, কমপক্ষে সূরাহ বাকারার শেষ দু’টি আয়াত তেলাওয়াত করলে তার জন্য তা যথেষ্ট। ‘আবদুর রহমান (রাহিঃ) বলেন, পরে আমি আবূ মাস‘উদের সঙ্গে দেখা করলাম। তখন তিনি বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করছিলেন। এ হাদীসটির ব্যাপারে আমি তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি সেটা আমার নিকট বর্ণনা করলেন। [৫০০৮, ৫০০৯, ৫০৪০, ৫০৪১; মুসলিম ৬/৪৩, হাঃ ৮০৭] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১৫)
يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ عَنْ عُقَيْلٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ أَخْبَرَنِيْ مَحْمُوْدُ بْنُ الرَّبِيْعِ أَنَّ عِتْبَانَ بْنَ مَالِكٍ وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِمَّنْ شَهِدَ بَدْرًا مِنَ الْأَنْصَارِ أَنَّهُ أَتَى رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم
ইব্নু শিহাব (রাহিঃ) হতে বর্ণিত, যে মাহমূদ ইব্নু রাবী‘ (রাহিঃ) আমাকে জানিয়েছেন যে, ‘ইতবান ইব্নু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর আনসারী সাহাবী ছিলেন এবং তিনি বদর যুদ্ধে যোগদান করেছিলেন। তিনি (একদা) রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসেছিলেন। [৪২৪] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১৬)
أَحْمَدُ هُوَ ابْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنَا عَنْبَسَةُ حَدَّثَنَا يُوْنُسُ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ ثُمَّ سَأَلْتُ الْحُصَيْنَ بْنَ مُحَمَّدٍ وَهُوَ أَحَدُ بَنِيْ سَالِمٍ وَهُوَ مِنْ سَرَاتِهِمْ عَنْ حَدِيْثِ مَحْمُوْدِ بْنِ الرَّبِيْعِ عَنْ عِتْبَانَ بْنِ مَالِكٍ فَصَدَّقَهُ
ইব্নু শিহাব (রাহিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমি বানী সালিম গোত্রের হুসাইন ইব্নু মুহাম্মাদ (রাহিঃ)-কে ইতবান ইব্নু মালিক থেকে মাহমুদ ইব্নু রাবী এর বর্ণিত হাদীসের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি তার সত্যায়ন করলেন। [৪২৪] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১৭)
أَبُو الْيَمَانِ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ أَخْبَرَنِيْ عَبْدُ اللهِ بْنُ عَامِرِ بْنِ رَبِيْعَةَ وَكَانَ مِنْ أَكْبَرِ بَنِيْ عَدِيٍّ وَكَانَ أَبُوْهُ شَهِدَ بَدْرًا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ عُمَرَ اسْتَعْمَلَ قُدَامَةَ بْنَ مَظْعُوْنٍ عَلَى الْبَحْرَيْنِ وَكَانَ شَهِدَ بَدْرًا وَهُوَ خَالُ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ وَحَفْصَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمْ
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘আমির ইব্নু রাবী‘আ হতে বর্ণিত, ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) কুদামাহ ইব্নু মায‘উনকে (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বাহ্রাইনের শাসনকর্তা নিয়োগ করেছিলেন। তিনি বদর যুদ্ধে শরীক হয়েছিলেন এবং তিনি ছিলেন ‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) এবং হাফসাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর মামা। (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১৮)
عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ حَدَّثَنَا جُوَيْرِيَةُ عَنْ مَالِكٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَنَّ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللهِ أَخْبَرَهُ قَالَ أَخْبَرَ رَافِعُ بْنُ خَدِيْجٍ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ أَنَّ عَمَّيْهِ وَكَانَا شَهِدَا بَدْرًا أَخْبَرَاهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ كِرَاءِ الْمَزَارِعِ قُلْتُ لِسَالِمٍ فَتُكْرِيْهَا أَنْتَ قَالَ نَعَمْ إِنَّ رَافِعًا أَكْثَرَ عَلَى نَفْسِهِ
রাফি‘ ইব্নু খাদীজ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, ‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমারকে বলেছেন যে, বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী তার দু’ চাচা তাকে জানিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবাদযোগ্য ভূমি ভাড়া দিতে নিষেধ করেছেন। (বর্ণনাকারী বলেন) আমি সালিমকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি তো এমন জমি ভাড়া দিয়ে থাকেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাফি‘ তো নিজের প্রতি বাড়াবাড়ি করেছেন। [২৩৩৯, ২৩৪৭] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১৯)
عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَسْمَاءَ حَدَّثَنَا جُوَيْرِيَةُ عَنْ مَالِكٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَنَّ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللهِ أَخْبَرَهُ قَالَ أَخْبَرَ رَافِعُ بْنُ خَدِيْجٍ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ أَنَّ عَمَّيْهِ وَكَانَا شَهِدَا بَدْرًا أَخْبَرَاهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ كِرَاءِ الْمَزَارِعِ قُلْتُ لِسَالِمٍ فَتُكْرِيْهَا أَنْتَ قَالَ نَعَمْ إِنَّ رَافِعًا أَكْثَرَ عَلَى نَفْسِهِ
রাফি‘ ইব্নু খাদীজ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, ‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমারকে বলেছেন যে, বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী তার দু’ চাচা তাকে জানিয়েছেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবাদযোগ্য ভূমি ভাড়া দিতে নিষেধ করেছেন। (বর্ণনাকারী বলেন) আমি সালিমকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি তো এমন জমি ভাড়া দিয়ে থাকেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। রাফি‘ তো নিজের প্রতি বাড়াবাড়ি করেছেন। [২৩৩৯, ২৩৪৭] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭১৯)
آدَمُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ حُصَيْنِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللهِ بْنَ شَدَّادِ بْنِ الْهَادِ اللَّيْثِيَّ قَالَ رَأَيْتُ رِفَاعَةَ بْنَ رَافِعٍ الْأَنْصَارِيَّ وَكَانَ شَهِدَ بَدْرًا
‘আবদুল্লাহ ইব্নু শাদ্দাদ ইব্নু হাদ লায়সী (রাহিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রিফা‘আ ইব্নু রাফি‘ আনসারী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে দেখেছি, তিনি বদর যুদ্ধে শরীক হয়েছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২০)
عَبْدَانُ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ وَيُوْنُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ الْمِسْوَرَ بْنَ مَخْرَمَةَ أَخْبَرَهُ أَنَّ عَمْرَو بْنَ عَوْفٍ وَهُوَ حَلِيْفٌ لِبَنِيْ عَامِرِ بْنِ لُؤَيٍّ وَكَانَ شَهِدَ بَدْرًا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ أَبَا عُبَيْدَةَ بْنَ الْجَرَّاحِ إِلَى الْبَحْرَيْنِ يَأْتِيْ بِجِزْيَتِهَا وَكَانَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم هُوَ صَالَحَ أَهْلَ الْبَحْرَيْنِ وَأَمَّرَ عَلَيْهِمُ الْعَلَاءَ بْنَ الْحَضْرَمِيِّ فَقَدِمَ أَبُوْ عُبَيْدَةَ بِمَالٍ مِنَ الْبَحْرَيْنِ فَسَمِعَتْ الْأَنْصَارُ بِقُدُوْمِ أَبِيْ عُبَيْدَةَ فَوَافَوْا صَلَاةَ الْفَجْرِ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا انْصَرَفَ تَعَرَّضُوْا لَهُ فَتَبَسَّمَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم حِيْنَ رَآهُمْ ثُمَّ قَالَ أَظُنُّكُمْ سَمِعْتُمْ أَنَّ أَبَا عُبَيْدَةَ قَدِمَ بِشَيْءٍ قَالُوْا أَجَلْ يَا رَسُوْلَ اللهِ قَالَ فَأَبْشِرُوْا وَأَمِّلُوْا مَا يَسُرُّكُمْ فَوَاللهِ مَا الْفَقْرَ أَخْشَى عَلَيْكُمْ وَلَكِنِّيْ أَخْشَى أَنْ تُبْسَطَ عَلَيْكُمْ الدُّنْيَا كَمَا بُسِطَتْ عَلَى مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ فَتَنَافَسُوْهَا كَمَا تَنَافَسُوْهَا وَتُهْلِكَكُمْ كَمَا أَهْلَكَتْهُمْ
‘আমর ইব্নু ‘আওফ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে বদর যুদ্ধে যোগদানকারী সহাবী, বানী আমির ইবনু লুওয়াই গোত্রের বন্ধু ‘আমর ইবনু ‘আওফ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আবূ ‘উবাইদাহ ইবনুল জার্রাহ্কে জিযিয়া আনার জন্য বাহরাইনে প্রেরণ করেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাহ্রাইনবাসীদের সঙ্গে সন্ধি করে ‘আলা ইব্নু হাযরামী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)-কে তাদের আমীর নিযুক্ত করেছিলেন। আবূ ‘উবাইদাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বাহ্রাইন থেকে মাল নিয়ে এসে পৌছলে আনসারগণ তাঁর আগমনের খবর পেয়ে সকলেই রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে ফাজ্রের সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে হাজির হলেন। সালাত শেষে পর ফিরে বসলে তাঁরা সকলেই তাঁর সামনে আসলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে দেখে মুচকি হেসে বললেন, আমার মনে হয়, আবূ ‘উবাইদাহ কিছু মাল নিয়ে এসেছে বলে তোমরা শুনতে পেয়েছ। তারা সকলেই বললেন, হ্যাঁ, হে আল্লাহ্র রাসূল তিনি বললেন, সুসংবাদ গ্রহণ কর এবং তোমাদের আনন্দদায়ক বিষয়ের আশায় থাক, আল্লাহ্র কসম, আমি তোমাদের জন্য দরিদ্রতার আশংকা করি না। বরং আমি আশংকা করি যে, তোমাদের কাছে দুনিয়ার প্রাচুর্য আসবে যেমন তোমাদের পূর্বেকার লোকেদের কাছে এসেছিল, তখন তোমরা সেটা পাওয়ার জন্য পরস্পর প্রতিযোগিতা করবে যেমনভাবে তারা করেছিল। আর তা তাদেরকে যেমনিভাবে ধ্বংস করেছিল তোমাদেরকেও তেমনিভাবে ধ্বংস করে দেবে। [৩১৫৮] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২১)
أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا جَرِيْرُ بْنُ حَازِمٍ عَنْ نَافِعٍ أَنَّ ابْنَ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا كَانَ يَقْتُلُ الْحَيَّاتِ كُلَّهَا
নাফি‘ (রাহিঃ) হতে বর্ণিত, ইব্নু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) সব ধরনের সাপকে হত্যা করতেন। [৩২৯৭] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২২)
حَتَّى حَدَّثَهُ أَبُوْ لُبَابَةَ الْبَدْرِيُّ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ قَتْلِ جِنَّانِ الْبُيُوْتِ فَأَمْسَكَ عَنْهَا
বাদ্রী সাহাবী আবূ লুবাবাহ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তাঁকে (ইব্নু ‘উমার (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা)কে) বললেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘরে বসবাসকারী (শ্বেতবর্ণের) ছোট সাপ মারতে নিষেধ করেছেন। এতে তিনি তা মারা থেকে নিবৃত্ত থাকেন। [৩২৯৮] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২২)
إِبْرَاهِيْمُ بْنُ الْمُنْذِرِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُلَيْحٍ عَنْ مُوْسَى بْنِ عُقْبَةَ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ أَنَّ رِجَالًا مِنَ الْأَنْصَارِ اسْتَأْذَنُوْا رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا ائْذَنْ لَنَا فَلْنَتْرُكْ لِابْنِ أُخْتِنَا عَبَّاسٍ فِدَاءَهُ قَالَ وَاللهِ لَا تَذَرُوْنَ مِنْهُ دِرْهَمًا
আনাস ইব্নু মালিক (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, কতিপয় আনসারী সাহাবী রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করলেন। তারা বললেন, আমাদেরকে আমাদের ভাগিনা ‘আব্বাসের [১৪] ফিদ্য়া ক্ষমা করে দেয়ার অনুমতি দিন। তিনি বললেন, আল্লাহ্র কসম! তোমরা তাঁর একটি দিরহামও ক্ষমা করবে না। [২৫৩৭] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২৩)
أَبُوْ عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيْدَ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عَدِيٍّ عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الْأَسْوَدِ ح حَدَّثَنِيْ إِسْحَاقُ حَدَّثَنَا يَعْقُوْبُ بْنُ إِبْرَاهِيْمَ بْنِ سَعْدٍ حَدَّثَنَا ابْنُ أَخِي ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عَمِّهِ قَالَ أَخْبَرَنِيْ عَطَاءُ بْنُ يَزِيْدَ اللَّيْثِيُّ ثُمَّ الْجُنْدَعِيُّ أَنَّ عُبَيْدَ اللهِ بْنَ عَدِيِّ بْنِ الْخِيَارِ أَخْبَرَهُ أَنَّ الْمِقْدَادَ بْنَ عَمْرٍو الْكِنْدِيَّ وَكَانَ حَلِيْفًا لِبَنِيْ زُهْرَةَ وَكَانَ مِمَّنْ شَهِدَ بَدْرًا مَعَ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَهُ أَنَّهُ قَالَ لِرَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَرَأَيْتَ إِنْ لَقِيْتُ رَجُلًا مِنَ الْكُفَّارِ فَاقْتَتَلْنَا فَضَرَبَ إِحْدَى يَدَيَّ بِالسَّيْفِ فَقَطَعَهَا ثُمَّ لَاذَ مِنِّيْ بِشَجَرَةٍ فَقَالَ أَسْلَمْتُ لِلهِ أَأَقْتُلُهُ يَا رَسُوْلَ اللهِ بَعْدَ أَنْ قَالَهَا فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم لَا تَقْتُلْهُ فَقَالَ يَا رَسُوْلَ اللهِ إِنَّهُ قَطَعَ إِحْدَى يَدَيَّ ثُمَّ قَالَ ذَلِكَ بَعْدَ مَا قَطَعَهَا فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلملَا تَقْتُلْهُ فَإِنْ قَتَلْتَهُ فَإِنَّهُ بِمَنْزِلَتِكَ قَبْلَ أَنْ تَقْتُلَهُ وَإِنَّكَ بِمَنْزِلَتِهِ قَبْلَ أَنْ يَقُوْلَ كَلِمَتَهُ الَّتِيْ قَالَ
সাহাবী মিকদাদ ইব্নু ‘আম্র কিনদী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাকে বলুন, কোন কাফিরের সঙ্গে আমার যদি (যুদ্ধক্ষেত্রে) সাক্ষাৎ হয় এবং আমি যদি তার সঙ্গে লড়াই করি আর সে যদি তলোয়ারের আঘাতে আমার একখানা হাত কেটে ফেলে এবং তারপর আমার থেকে বাঁচার জন্য গাছের আড়ালে গিয়ে বলে “আমি আল্লাহ্র উদ্দেশ্যে ইসলাম গ্রহণ করলাম” এ কথা বলার পরেও কি আমি তাকে হত্যা করব? তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তাকে হত্যা করবে না। এরপর তিনি বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! সে তো আমার একখানা হাত কাটার পর এ কথা বলেছে। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পুনরায় বললেন, না, তুমি তাকে হত্যা করবে না। কেননা, তুমি তাকে হত্যা করলে হত্যা করার পূর্বে তোমার যে মর্যাদা ছিল সে সেই মর্যাদা লাভ করবে, আর ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেয়ার আগে তার যে স্তর ছিল তুমি সেই স্তরে পৌঁছে যাবে। [৬৮৬৫] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২৪)
يَعْقُوْبُ بْنُ إِبْرَاهِيْمَ حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ حَدَّثَنَا أَنَسٌ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ بَدْرٍ مَنْ يَنْظُرُ مَا صَنَعَ أَبُوْ جَهْلٍ فَانْطَلَقَ ابْنُ مَسْعُوْدٍ فَوَجَدَهُ قَدْ ضَرَبَهُ ابْنَا عَفْرَاءَ حَتَّى بَرَدَ فَقَالَ آنْتَ أَبَا جَهْلٍ قَالَ ابْنُ عُلَيَّةَ قَالَ سُلَيْمَانُ هَكَذَا قَالَهَا أَنَسٌ قَالَ أَنْتَ أَبَا جَهْلٍ قَالَ وَهَلْ فَوْقَ رَجُلٍ قَتَلْتُمُوْهُ قَالَ سُلَيْمَانُ أَوْ قَالَ قَتَلَهُ قَوْمُهُ قَالَ وَقَالَ أَبُوْ مِجْلَزٍ قَالَ أَبُوْ جَهْلٍ فَلَوْ غَيْرُ أَكَّارٍ قَتَلَنِي
আনাস (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বাদ্রের দিন বললেন, আবূ জাহলের কী অবস্থা কেউ দেখে আসতে পার কি? তখন ‘আবদুল্লাহ ইব্নু মাস‘ঊদ (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) তার খোঁজে বের হলেন। এবং ‘আফরার দুই ছেলে তাকে আঘাত করে মৃতপ্রায় অবস্থায় ফেলে রেখেছে দেখতে পেলেন। তখন তিনি তাকে বললেন, তুমি কি আবূ জাহ্ল? (আবূ জাহ্ল বলল), একজন লোককে হত্যা ব্যতীত তোমরা তো অধিক কিছু করনি? সুলায়মান বলেন, অথবা সে (আবূ জাহ্ল) বলেছিল, একজন লোককে তার কাওমের লোকেরা হত্যা করেছে? আবূ মিজলায (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, আবূ জাহ্ল বলেছিল, চাষী ব্যতীত অন্য কেউ যদি আমাকে হত্যা করত! [১৫] [৩৯৬২] (আধুনিক প্রকাশনী ৩৭২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৩৭২৫)